স্ট্রিম প্রতিবেদক

ফ্যাসিস্টের দোসর আখ্যা দিয়ে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভের তিন দিনের মাথায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. আইনুল ইসলাম পদত্যাগ করেছেন।
রোববার (১৯ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তর তাঁর পদত্যাগের বিষয়টি জানায়।
একই দিন বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. শাহলী মাহবুবকে আগামী দুই বছরের জন্য সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ডিন হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. শেখ গিয়াস উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় আইন-২০০৫ অনুযায়ী জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে গত ১২ জুলাই অধ্যাপক ড. মো. আইনুল ইসলামকে সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ডিন হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। তবে নিয়োগের পরপরই ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে তাঁর ভূমিকা নিয়ে বিভিন্ন ছাত্রসংগঠন ও শিক্ষার্থীদের একটি অংশ আপত্তি জানিয়ে উপাচার্যের কাছে স্মারকলিপি দেয়।
এর ধারাবাহিকতায় গত ১৬ জুলাই সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ডিন কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন আন্দোলনকারীরা। এ সময় তারা ড. আইনুল ইসলামের অপসারণের দাবি জানিয়ে তাঁর বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ উত্থাপন করে। কর্মসূচির একপর্যায়ে আন্দোলনকারীদের চাপের মুখে তিনি ডিন কার্যালয় ত্যাগ করেন।
আন্দোলনকারীদের দাবি, ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় ড. আইনুল ইসলামের ভূমিকা বিতর্কিত ছিল। তিনি তৎকালীন আওয়ামীপন্থী শিক্ষক রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। ৩ আগস্ট গণভবনে অনুষ্ঠিত একটি বৈঠকেও অংশ নিয়েছিলেন। এসব অভিযোগের বিষয়ে তাঁর কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া হলেও তিনি সন্তোষজনক জবাব দেননি বলে তাদের দাবি।
অন্যদিকে, আন্দোলনের দিন ড. আইনুল ইসলাম অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, শিক্ষার্থীরা কিছু অভিযোগ তুলে তাঁর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় তিনি কার্যালয় ত্যাগ করেছেন।
আইনুল ইসলাম জানান, তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের অনেকগুলোই পুরোনো ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। ৩ আগস্ট গণভবনের বৈঠকে তিনি তৎকালীন রেজিস্ট্রার হিসেবে প্রশাসনের নির্দেশে অংশ নিয়েছিলেন। অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত হলে প্রকৃত বিষয়টি স্পষ্ট হবে।
পদত্যাগের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এ বিষয়ে আমি কোনো বক্তব্য দিতে চাই না। বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানে।’
প্রসঙ্গত, অধ্যাপক আইনুল ইসলাম বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির সাধারণ সম্পাদক, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাবেক সভাপতি এবং নীল দলের সাবেক সভাপতি। ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রারের দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে ওই বছরের ১১ আগস্ট ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রারের পদ থেকেও পদত্যাগ করেন।

ফ্যাসিস্টের দোসর আখ্যা দিয়ে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভের তিন দিনের মাথায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. আইনুল ইসলাম পদত্যাগ করেছেন।
রোববার (১৯ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তর তাঁর পদত্যাগের বিষয়টি জানায়।
একই দিন বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. শাহলী মাহবুবকে আগামী দুই বছরের জন্য সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ডিন হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. শেখ গিয়াস উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় আইন-২০০৫ অনুযায়ী জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে গত ১২ জুলাই অধ্যাপক ড. মো. আইনুল ইসলামকে সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ডিন হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। তবে নিয়োগের পরপরই ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে তাঁর ভূমিকা নিয়ে বিভিন্ন ছাত্রসংগঠন ও শিক্ষার্থীদের একটি অংশ আপত্তি জানিয়ে উপাচার্যের কাছে স্মারকলিপি দেয়।
এর ধারাবাহিকতায় গত ১৬ জুলাই সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ডিন কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন আন্দোলনকারীরা। এ সময় তারা ড. আইনুল ইসলামের অপসারণের দাবি জানিয়ে তাঁর বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ উত্থাপন করে। কর্মসূচির একপর্যায়ে আন্দোলনকারীদের চাপের মুখে তিনি ডিন কার্যালয় ত্যাগ করেন।
আন্দোলনকারীদের দাবি, ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় ড. আইনুল ইসলামের ভূমিকা বিতর্কিত ছিল। তিনি তৎকালীন আওয়ামীপন্থী শিক্ষক রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। ৩ আগস্ট গণভবনে অনুষ্ঠিত একটি বৈঠকেও অংশ নিয়েছিলেন। এসব অভিযোগের বিষয়ে তাঁর কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া হলেও তিনি সন্তোষজনক জবাব দেননি বলে তাদের দাবি।
অন্যদিকে, আন্দোলনের দিন ড. আইনুল ইসলাম অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, শিক্ষার্থীরা কিছু অভিযোগ তুলে তাঁর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় তিনি কার্যালয় ত্যাগ করেছেন।
আইনুল ইসলাম জানান, তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের অনেকগুলোই পুরোনো ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। ৩ আগস্ট গণভবনের বৈঠকে তিনি তৎকালীন রেজিস্ট্রার হিসেবে প্রশাসনের নির্দেশে অংশ নিয়েছিলেন। অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত হলে প্রকৃত বিষয়টি স্পষ্ট হবে।
পদত্যাগের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এ বিষয়ে আমি কোনো বক্তব্য দিতে চাই না। বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানে।’
প্রসঙ্গত, অধ্যাপক আইনুল ইসলাম বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির সাধারণ সম্পাদক, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাবেক সভাপতি এবং নীল দলের সাবেক সভাপতি। ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রারের দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে ওই বছরের ১১ আগস্ট ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রারের পদ থেকেও পদত্যাগ করেন।
.png)

গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন উপাচার্য নিয়োগ দিয়েছে সরকার। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফরেস্ট্রি অ্যান্ড উড টেকনোলজি বিভাগের অধ্যাপক মো. নাজমুস সাদাত এ পদে নিয়োগ পেয়েছেন।
১ দিন আগে
নির্বাচনের আগে এই জোট ২৪ দফা সংস্কার বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। তবে নির্বাচিত কমিটি ৯ মাসে প্রতিশ্রুতির বড় অংশ বাস্তবায়ন করতে পারেনি।
১৭ জুলাই ২০২৬
শিক্ষামন্ত্রীকে পদত্যাগের সময় বেঁধে দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। বুধবার (১৫ জুলাই) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় শাহবাগ অবরোধ থেকে ব্রিফিংয়ে রাতের মধ্যেই পদত্যাগের আহ্বান জানান তারা। একইসঙ্গে পদত্যাগ না করলে বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) ‘মার্চ টু সচিবালয়’ কর্মসূচির ঘোষণা দিয়ে সড়ক ছাড়েন শিক্ষার্থীরা।
১৫ জুলাই ২০২৬
আন্দোলনকারীরা জানান, তাদের মধ্যে উচ্ছৃঙ্খল একটি অংশ সাংবাদিকদের মারধর করেন। এরপর একপক্ষ আন্দোলন থেকে সরে যান। আরেক পক্ষ দাবি আদায়ে রাজধানীর শাহবাগ মোড় অবরোধ করেছেন।
১৫ জুলাই ২০২৬