স্ট্রিম ডেস্ক

ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির ছয় দিনের রাষ্ট্রীয় জানাজা ঘিরে বিশ্বজুড়ে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। তেহরান থেকে কোম, পরে মাশহাদ এবং ইরাকের শিয়া পবিত্র নগরী নাজাফ ও কারবালায় শোকানুষ্ঠানের পরিকল্পনা করেছে ইরান। দেশটির কর্মকর্তারা দাবি করছেন, এই দীর্ঘ কর্মসূচিতে কয়েক কোটি মানুষ অংশ নিতে পারেন।
সরকারি বার্তা সংস্থা আইআরএনএ জানিয়েছে, আয়োজকদের লক্ষ্য দেড় কোটি থেকে ৩ কোটি মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা। তবে এই সংখ্যাও প্রত্যাশিত সংখ্যা, নিশ্চিত কোনো সংখ্যা নয়। এতে অনেকেই মনে করছেন, খামেনির জানাজা কি তবে বিশ্বের সবচেয়ে বড় জানাজা হতে যাচ্ছে?
এখনই এর উত্তর নিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব নয়। কারণ অনুষ্ঠান এখনো চলমান এবং চূড়ান্ত অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা এখনও প্রকাশ হয়নি। তবে ইতিহাস বলছে, বিশ্বের সবচেয়ে বড় মুসলিম নেতাদের জানাজার তালিকায় ইরানের প্রতিষ্ঠাতা সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির জানাজা এখন পর্যন্ত অন্যতম শীর্ষে রয়েছে। ১৯৮৯ সালে তাঁর জানাজায় প্রায় ১ কোটি ২০ লাখ মানুষ অংশ নিয়েছিলেন বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সূত্রে উল্লেখ করা হয়েছে। এটি বিশ্বের ইতিহাসে জনসমাগমের দিক থেকে অন্যতম বৃহত্তম জানাজা হিসেবে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে স্থান পেয়েছে।
ইরানের ইসলামি বিপ্লব ও আধুনিক ইসলামিক প্রজাতন্ত্র ইরানের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনি। দীর্ঘ ১৫ বছর নির্বাসনে থাকার পর দেশে ফিরে পাহলভি রাজতন্ত্রের পতন ঘটিয়ে প্রতিষ্ঠা করেন ইসলামি প্রজাতন্ত্র। ১৯৮৯ সালে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত দীর্ঘ ১০ বছর ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় ও রাজনৈতিক নেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির মৃত্যু হলে গোটা ইরান কার্যত শোকে স্তব্ধ হয়ে যায়। ১৯৮৯ সালের ৬ জুন ওই জানাজায় অংশ নেয় ১ কোটির বেশি মানুষ, যা ইরানের তখনকার জনসংখ্যার ৬ ভাগের এক ভাগ। তেহরানে ৩২ কিলোমিটার দীর্ঘ পথে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে ছিল ১ কোটির বেশি মানুষ। গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস জানিয়েছে, এই জানাজাটি জনসংখ্যার অনুপাতে বিশ্বের সবচেয়ে বড় জানাজা।
এত বিশাল জনসমাগমের কারণে নিরাপত্তা বাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে হিমশিম খায়। এমনকি ভিড়ের চাপে কফিন নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ায় দাফনও সাময়িকভাবে স্থগিত করতে হয়েছিল। পরে হেলিকপ্টারে মরদেহ নিয়ে গিয়ে দাফন সম্পন্ন করা হয়।
আলী খামেনির জানাজাকে কেন্দ্র করে ইরান নজিরবিহীন প্রস্তুতি নিয়েছে। তেহরান ছাড়াও একাধিক শহরে রাষ্ট্রীয় শোকানুষ্ঠান পালিত হচ্ছে। আন্তর্জাতিক প্রতিনিধিদল, ধর্মীয় নেতা এবং কোটি মানুষের উপস্থিতি আশা করছে তেহরান। তবে এই সংখ্যা বাস্তবে কত হবে, তা অনুষ্ঠান শেষে বোঝা যাবে।
এর আগে ২০০৪ সালের ১১ নভেম্বর ফিলিস্তিনের নেতা ইয়াসির আরাফাত মৃত্যুবরণ করেন। প্রথমে ফ্রান্সে রাষ্ট্রীয় সম্মান প্রদর্শনের পর কায়রোতে সামরিক জানাজা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে বহু রাষ্ট্রপ্রধান ও কূটনীতিক উপস্থিত ছিলেন। ভয়েস অব আমেরিকাসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের খবরে জানা যায়, প্রায় ১ লাখ মানুষের সমাগম হয়েছিল জানাজায়। পরে তাঁর মরদেহ রামাল্লায় নিয়ে যাওয়া হলে হাজার হাজার ফিলিস্তিনি শেষ শ্রদ্ধা জানায়।
ইসরায়েল তাঁকে জেরুজালেমে দাফনের অনুমতি না দেওয়ায় রামাল্লাতেই সমাহিত করা হয়। আরাফাতের জানাজা আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক গুরুত্বের জন্য বেশি আলোচিত হলেও জনসমাগমের দিক থেকে তা খোমেনির জানাজার সমপর্যায়ে ছিল না। এছাড়া মিসরের সাবেক প্রেসিডেন্ট গামাল আবদেল নাসের ১৯৭০ সালে মৃত্যুবরণ করলে কায়রোতে কয়েক লাখ মানুষ তাঁর শেষযাত্রায় অংশ নেন। ইতিহাসবিদদের মতে, এটি আরব বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ শোক সমাবেশ ছিল। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধান ও প্রতিনিধিরাও এতে যোগ দেন।
২০২০ সালে মার্কিন ড্রোন হামলায় নিহত ইরানের জেনারেল কাসেম সোলেইমানির জানাজা কয়েক দিন ধরে আহভাজ, মাশহাদ, তেহরান, কোম ও কেরমানে অনুষ্ঠিত হয়। বিভিন্ন শহরে লাখ লাখ মানুষ অংশ নেন। তবে কেরমানে পদদলিত হয়ে বহু মানুষের প্রাণহানির ঘটনাও ঘটে, যা এই শোকযাত্রাকে ট্র্যাজেডিতে পরিণত করেছিল।
লেবাননের হিজবুল্লাহ নেতা হাসান নাসরুল্লাহর ২০২৫ সালের জানাজায় ৪ লাখ ৫০ হাজার থেকে ১৪ লাখ মানুষের উপস্থিতির দাবি করেন বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো। ৭৯টি দেশের প্রতিনিধি এতে অংশ নেন। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো এটিকে দুই দশকের মধ্যে লেবাননের সবচেয়ে বড় শোকানুষ্ঠানগুলোর একটি হিসেবে উল্লেখ করেছে।
ইরানি কর্মকর্তারা আলী খামেনির জানাজায় কয়েক কোটি মানুষের অংশগ্রহণের আশা করলেও সেটি এখনো পূর্বাভাস মাত্র। যদি আলী খামেনির ছয় দিনের শোকানুষ্ঠানে ১ কোটি ২০ লাখের বেশি মানুষ অংশ নেন এবং সেটি নিশ্চিতভাবে জানা যায়, তাহলে সেটি ইতিহাসের বৃহত্তম জানাজাগুলোর একটি হিসেবে নতুন করে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে স্থান করে নিতে পারে।

ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির ছয় দিনের রাষ্ট্রীয় জানাজা ঘিরে বিশ্বজুড়ে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। তেহরান থেকে কোম, পরে মাশহাদ এবং ইরাকের শিয়া পবিত্র নগরী নাজাফ ও কারবালায় শোকানুষ্ঠানের পরিকল্পনা করেছে ইরান। দেশটির কর্মকর্তারা দাবি করছেন, এই দীর্ঘ কর্মসূচিতে কয়েক কোটি মানুষ অংশ নিতে পারেন।
সরকারি বার্তা সংস্থা আইআরএনএ জানিয়েছে, আয়োজকদের লক্ষ্য দেড় কোটি থেকে ৩ কোটি মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা। তবে এই সংখ্যাও প্রত্যাশিত সংখ্যা, নিশ্চিত কোনো সংখ্যা নয়। এতে অনেকেই মনে করছেন, খামেনির জানাজা কি তবে বিশ্বের সবচেয়ে বড় জানাজা হতে যাচ্ছে?
এখনই এর উত্তর নিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব নয়। কারণ অনুষ্ঠান এখনো চলমান এবং চূড়ান্ত অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা এখনও প্রকাশ হয়নি। তবে ইতিহাস বলছে, বিশ্বের সবচেয়ে বড় মুসলিম নেতাদের জানাজার তালিকায় ইরানের প্রতিষ্ঠাতা সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির জানাজা এখন পর্যন্ত অন্যতম শীর্ষে রয়েছে। ১৯৮৯ সালে তাঁর জানাজায় প্রায় ১ কোটি ২০ লাখ মানুষ অংশ নিয়েছিলেন বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সূত্রে উল্লেখ করা হয়েছে। এটি বিশ্বের ইতিহাসে জনসমাগমের দিক থেকে অন্যতম বৃহত্তম জানাজা হিসেবে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে স্থান পেয়েছে।
ইরানের ইসলামি বিপ্লব ও আধুনিক ইসলামিক প্রজাতন্ত্র ইরানের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনি। দীর্ঘ ১৫ বছর নির্বাসনে থাকার পর দেশে ফিরে পাহলভি রাজতন্ত্রের পতন ঘটিয়ে প্রতিষ্ঠা করেন ইসলামি প্রজাতন্ত্র। ১৯৮৯ সালে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত দীর্ঘ ১০ বছর ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় ও রাজনৈতিক নেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির মৃত্যু হলে গোটা ইরান কার্যত শোকে স্তব্ধ হয়ে যায়। ১৯৮৯ সালের ৬ জুন ওই জানাজায় অংশ নেয় ১ কোটির বেশি মানুষ, যা ইরানের তখনকার জনসংখ্যার ৬ ভাগের এক ভাগ। তেহরানে ৩২ কিলোমিটার দীর্ঘ পথে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে ছিল ১ কোটির বেশি মানুষ। গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস জানিয়েছে, এই জানাজাটি জনসংখ্যার অনুপাতে বিশ্বের সবচেয়ে বড় জানাজা।
এত বিশাল জনসমাগমের কারণে নিরাপত্তা বাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে হিমশিম খায়। এমনকি ভিড়ের চাপে কফিন নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ায় দাফনও সাময়িকভাবে স্থগিত করতে হয়েছিল। পরে হেলিকপ্টারে মরদেহ নিয়ে গিয়ে দাফন সম্পন্ন করা হয়।
আলী খামেনির জানাজাকে কেন্দ্র করে ইরান নজিরবিহীন প্রস্তুতি নিয়েছে। তেহরান ছাড়াও একাধিক শহরে রাষ্ট্রীয় শোকানুষ্ঠান পালিত হচ্ছে। আন্তর্জাতিক প্রতিনিধিদল, ধর্মীয় নেতা এবং কোটি মানুষের উপস্থিতি আশা করছে তেহরান। তবে এই সংখ্যা বাস্তবে কত হবে, তা অনুষ্ঠান শেষে বোঝা যাবে।
এর আগে ২০০৪ সালের ১১ নভেম্বর ফিলিস্তিনের নেতা ইয়াসির আরাফাত মৃত্যুবরণ করেন। প্রথমে ফ্রান্সে রাষ্ট্রীয় সম্মান প্রদর্শনের পর কায়রোতে সামরিক জানাজা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে বহু রাষ্ট্রপ্রধান ও কূটনীতিক উপস্থিত ছিলেন। ভয়েস অব আমেরিকাসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের খবরে জানা যায়, প্রায় ১ লাখ মানুষের সমাগম হয়েছিল জানাজায়। পরে তাঁর মরদেহ রামাল্লায় নিয়ে যাওয়া হলে হাজার হাজার ফিলিস্তিনি শেষ শ্রদ্ধা জানায়।
ইসরায়েল তাঁকে জেরুজালেমে দাফনের অনুমতি না দেওয়ায় রামাল্লাতেই সমাহিত করা হয়। আরাফাতের জানাজা আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক গুরুত্বের জন্য বেশি আলোচিত হলেও জনসমাগমের দিক থেকে তা খোমেনির জানাজার সমপর্যায়ে ছিল না। এছাড়া মিসরের সাবেক প্রেসিডেন্ট গামাল আবদেল নাসের ১৯৭০ সালে মৃত্যুবরণ করলে কায়রোতে কয়েক লাখ মানুষ তাঁর শেষযাত্রায় অংশ নেন। ইতিহাসবিদদের মতে, এটি আরব বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ শোক সমাবেশ ছিল। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধান ও প্রতিনিধিরাও এতে যোগ দেন।
২০২০ সালে মার্কিন ড্রোন হামলায় নিহত ইরানের জেনারেল কাসেম সোলেইমানির জানাজা কয়েক দিন ধরে আহভাজ, মাশহাদ, তেহরান, কোম ও কেরমানে অনুষ্ঠিত হয়। বিভিন্ন শহরে লাখ লাখ মানুষ অংশ নেন। তবে কেরমানে পদদলিত হয়ে বহু মানুষের প্রাণহানির ঘটনাও ঘটে, যা এই শোকযাত্রাকে ট্র্যাজেডিতে পরিণত করেছিল।
লেবাননের হিজবুল্লাহ নেতা হাসান নাসরুল্লাহর ২০২৫ সালের জানাজায় ৪ লাখ ৫০ হাজার থেকে ১৪ লাখ মানুষের উপস্থিতির দাবি করেন বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো। ৭৯টি দেশের প্রতিনিধি এতে অংশ নেন। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো এটিকে দুই দশকের মধ্যে লেবাননের সবচেয়ে বড় শোকানুষ্ঠানগুলোর একটি হিসেবে উল্লেখ করেছে।
ইরানি কর্মকর্তারা আলী খামেনির জানাজায় কয়েক কোটি মানুষের অংশগ্রহণের আশা করলেও সেটি এখনো পূর্বাভাস মাত্র। যদি আলী খামেনির ছয় দিনের শোকানুষ্ঠানে ১ কোটি ২০ লাখের বেশি মানুষ অংশ নেন এবং সেটি নিশ্চিতভাবে জানা যায়, তাহলে সেটি ইতিহাসের বৃহত্তম জানাজাগুলোর একটি হিসেবে নতুন করে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে স্থান করে নিতে পারে।
.png)

রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পদে থাকেন রাষ্ট্রপতি। সংবিধান অনুযায়ী তিনিই রাষ্ট্রের প্রধান। অনেকেই মনে করেন, দেশের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের বড় একটি অংশই রাষ্ট্রপতির হাতে। কিন্তু সংসদীয় সরকারব্যবস্থায় চিত্রটি ভিন্ন। রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের প্রধান হলেও নির্বাহী ক্ষমতার মূল কেন্দ্র প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভা। ফলে
২ ঘণ্টা আগে
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের ভূরাজনৈতিক অভিঘাত আন্তঃসীমান্ত বাণিজ্যের প্রচলিত কাঠামোকে মৌলিকভাবে বদলে দিয়েছে। রাশিয়াসহ পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা দেশগুলো এবং তাদের বাণিজ্যিক অংশীদারদের ডলারের বিকল্পে অর্থ পরিশোধের পথ খুঁজতে হচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটে দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-অর্থনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হলো
৩ ঘণ্টা আগে
র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন—র্যাব নামটি বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থায় যেমন পরিচিত, তেমনই বিতর্কিত। একদিকে জঙ্গিবাদ, মাদক ও সংঘবদ্ধ অপরাধ দমনে বাহিনীটির ভূমিকা ছিল; অন্যদিকে গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যা ও নির্যাতনের মতো গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগও দীর্ঘদিন ধরে র্যাবকে ঘিরে রয়েছে। এবার সেই র
১৯ আগস্ট ২০২৬
প্রায় পাঁচ দশক ধরে চলে আসা জুলাই-জুন অর্থবছরের হিসাব পদ্ধতি বদলে ফেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২০২৮-২৯ অর্থবছর থেকে দেশের সব সরকারি কার্যক্রম চলবে ১ এপ্রিল থেকে ৩১ মার্চ সময়সীমা অনুসরণ করে। নতুন এই সিদ্ধান্ত অবশ্য হুট করে কার্যকর হচ্ছে না। ২০২৭-২৮ অর্থবছরকে একট
১৮ আগস্ট ২০২৬