স্ট্রিম ডেস্ক

ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির রাষ্ট্রীয় জানাজায় লাখো মানুষের উপস্থিতি, বিদেশি প্রতিনিধিদলের অংশগ্রহণ এবং কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত বিষয়গুলোর একটি হয়ে উঠেছে তাঁর উত্তরসূরি ও পুত্র মুজতবা খামেনির অনুপস্থিতি।
আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারির হামলায় আলী খামেনি নিহত হওয়ার পর থেকেই মুজতবা খামেনি প্রকাশ্যে আসেননি। ইরানি কর্তৃপক্ষের দাবি, তিনি হামলায় আহত হয়েছিলেন এবং তাঁকে ঘিরে এখনো উচ্চমাত্রার নিরাপত্তা ঝুঁকি রয়েছে। একই কারণে তিনি রাষ্ট্রীয় জানাজার মতো বিশাল জনসমাগমেও উপস্থিত হননি।
আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা বলেছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে মুজতবা খামেনি ইরানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ও ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব। তিনি প্রকাশ্যে এলে যুক্তরাষ্ট্র সরকার তাঁর ওপর নতুন করে হামলা করতে পারে—এমন আশঙ্কা করছে ইরানি নিরাপত্তা সংস্থাগুলো। ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের প্রকাশ্য হুমকি এবং সাম্প্রতিক যুদ্ধের অভিজ্ঞতার পর ইরানের নিরাপত্তা সংস্থাগুলো তাঁর জনসমক্ষে উপস্থিতিকে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ বলে মনে করছে।
তবে তাঁর অনুপস্থিতি ঘিরে নানা জল্পনাও ছড়িয়েছে। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে দাবি করা হয়েছে, হামলায় তিনি গুরুতর আহত হয়েছেন। এমনকি তাঁর শারীরিক অবস্থাও আগের মতো নেই। কিন্তু এসব দাবির কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ এখন পর্যন্ত প্রকাশিত হয়নি। রয়টার্সসহ অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলোও এসব বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য দেয়নি। তারা বলছে, তাঁর স্বাস্থ্য সম্পর্কে নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি এবং এ নিয়ে ব্যাপক গুঞ্জন থাকলেও সরকারের পক্ষ থেকে কোনো বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি।
এদিকে অনেকের প্রশ্ন, যদি নিরাপত্তাই একমাত্র কারণ হয়, তাহলে কি তিনি ভিডিও বার্তা দিতে পারতেন? এ ক্ষেত্রেও ইরান অত্যন্ত সতর্ক অবস্থান নিয়েছে। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে তাঁর নামে লিখিত বিবৃতি প্রকাশিত হলেও ভিডিও বা সরাসরি বক্তব্য খুব একটা দেখা যায়নি। ইরানি নেতৃত্ব হয়তো তাঁর অবস্থান, স্বাস্থ্য বা নিরাপত্তা সম্পর্কে কোনো তথ্য প্রকাশ করতে চাইছে না, যাতে প্রতিপক্ষ গোয়েন্দা সংস্থাগুলো কোনো সুবিধা নিতে না পারে।
ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেও বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। সাধারণত নতুন সর্বোচ্চ নেতা পূর্বসূরির জানাজার নামাজে নেতৃত্ব দিলে তা নেতৃত্বের ধারাবাহিকতার একটি প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হয়। কিন্তু এবারের ব্যতিক্রমী পরিস্থিতিতে সেই প্রচলিত রীতি অনুসরণ করা হয়নি। নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে ধর্মীয় প্রথার চেয়েও বেশি গুরুত্ব দিয়েছে ইরান সরকার।
অন্যদিকে রাষ্ট্রীয় জানাজার আয়োজনের মাধ্যমে ইরান অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিকভাবে একটি বার্তা দেওয়ারও চেষ্টা করছে। ব্যাপক জনসমাগম, বিদেশি প্রতিনিধিদলের উপস্থিতি এবং কয়েকটি শহরজুড়ে দীর্ঘ শোকানুষ্ঠান আয়োজনের মাধ্যমে দেশটি দেখাতে চাইছে, নেতৃত্বে পরিবর্তন এলেও রাষ্ট্রীয় কাঠামো অটুট রয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে মুজতবা খামেনিকে জনসমক্ষে না এনে নিরাপদ স্থানে রাখার সিদ্ধান্তও রাজনৈতিক কৌশলের অংশ হতে পারে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা।
সব মিলিয়ে বর্তমানে সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য তথ্য হচ্ছে, মুজতবা খামেনি জীবিত আছেন, তবে নিরাপত্তাজনিত উচ্চঝুঁকি এবং হামলার আশঙ্কার কারণে তাঁকে প্রকাশ্যে আনা হয়নি। তাঁর স্বাস্থ্য, আঘাতের মাত্রা কিংবা ভবিষ্যতে কবে জনসমক্ষে আসবেন এসব বিষয়ে ইরানের পক্ষ থেকে এখনো বিস্তারিত কোনো সরকারি ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি। ফলে তাঁর অনুপস্থিতি নিয়ে আলোচনা চললেও তিনি কোথায় আছেন তা নিশ্চিত করে এখনো জানা যায়নি।

ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির রাষ্ট্রীয় জানাজায় লাখো মানুষের উপস্থিতি, বিদেশি প্রতিনিধিদলের অংশগ্রহণ এবং কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত বিষয়গুলোর একটি হয়ে উঠেছে তাঁর উত্তরসূরি ও পুত্র মুজতবা খামেনির অনুপস্থিতি।
আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারির হামলায় আলী খামেনি নিহত হওয়ার পর থেকেই মুজতবা খামেনি প্রকাশ্যে আসেননি। ইরানি কর্তৃপক্ষের দাবি, তিনি হামলায় আহত হয়েছিলেন এবং তাঁকে ঘিরে এখনো উচ্চমাত্রার নিরাপত্তা ঝুঁকি রয়েছে। একই কারণে তিনি রাষ্ট্রীয় জানাজার মতো বিশাল জনসমাগমেও উপস্থিত হননি।
আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা বলেছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে মুজতবা খামেনি ইরানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ও ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব। তিনি প্রকাশ্যে এলে যুক্তরাষ্ট্র সরকার তাঁর ওপর নতুন করে হামলা করতে পারে—এমন আশঙ্কা করছে ইরানি নিরাপত্তা সংস্থাগুলো। ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের প্রকাশ্য হুমকি এবং সাম্প্রতিক যুদ্ধের অভিজ্ঞতার পর ইরানের নিরাপত্তা সংস্থাগুলো তাঁর জনসমক্ষে উপস্থিতিকে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ বলে মনে করছে।
তবে তাঁর অনুপস্থিতি ঘিরে নানা জল্পনাও ছড়িয়েছে। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে দাবি করা হয়েছে, হামলায় তিনি গুরুতর আহত হয়েছেন। এমনকি তাঁর শারীরিক অবস্থাও আগের মতো নেই। কিন্তু এসব দাবির কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ এখন পর্যন্ত প্রকাশিত হয়নি। রয়টার্সসহ অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলোও এসব বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য দেয়নি। তারা বলছে, তাঁর স্বাস্থ্য সম্পর্কে নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি এবং এ নিয়ে ব্যাপক গুঞ্জন থাকলেও সরকারের পক্ষ থেকে কোনো বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি।
এদিকে অনেকের প্রশ্ন, যদি নিরাপত্তাই একমাত্র কারণ হয়, তাহলে কি তিনি ভিডিও বার্তা দিতে পারতেন? এ ক্ষেত্রেও ইরান অত্যন্ত সতর্ক অবস্থান নিয়েছে। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে তাঁর নামে লিখিত বিবৃতি প্রকাশিত হলেও ভিডিও বা সরাসরি বক্তব্য খুব একটা দেখা যায়নি। ইরানি নেতৃত্ব হয়তো তাঁর অবস্থান, স্বাস্থ্য বা নিরাপত্তা সম্পর্কে কোনো তথ্য প্রকাশ করতে চাইছে না, যাতে প্রতিপক্ষ গোয়েন্দা সংস্থাগুলো কোনো সুবিধা নিতে না পারে।
ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেও বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। সাধারণত নতুন সর্বোচ্চ নেতা পূর্বসূরির জানাজার নামাজে নেতৃত্ব দিলে তা নেতৃত্বের ধারাবাহিকতার একটি প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হয়। কিন্তু এবারের ব্যতিক্রমী পরিস্থিতিতে সেই প্রচলিত রীতি অনুসরণ করা হয়নি। নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে ধর্মীয় প্রথার চেয়েও বেশি গুরুত্ব দিয়েছে ইরান সরকার।
অন্যদিকে রাষ্ট্রীয় জানাজার আয়োজনের মাধ্যমে ইরান অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিকভাবে একটি বার্তা দেওয়ারও চেষ্টা করছে। ব্যাপক জনসমাগম, বিদেশি প্রতিনিধিদলের উপস্থিতি এবং কয়েকটি শহরজুড়ে দীর্ঘ শোকানুষ্ঠান আয়োজনের মাধ্যমে দেশটি দেখাতে চাইছে, নেতৃত্বে পরিবর্তন এলেও রাষ্ট্রীয় কাঠামো অটুট রয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে মুজতবা খামেনিকে জনসমক্ষে না এনে নিরাপদ স্থানে রাখার সিদ্ধান্তও রাজনৈতিক কৌশলের অংশ হতে পারে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা।
সব মিলিয়ে বর্তমানে সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য তথ্য হচ্ছে, মুজতবা খামেনি জীবিত আছেন, তবে নিরাপত্তাজনিত উচ্চঝুঁকি এবং হামলার আশঙ্কার কারণে তাঁকে প্রকাশ্যে আনা হয়নি। তাঁর স্বাস্থ্য, আঘাতের মাত্রা কিংবা ভবিষ্যতে কবে জনসমক্ষে আসবেন এসব বিষয়ে ইরানের পক্ষ থেকে এখনো বিস্তারিত কোনো সরকারি ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি। ফলে তাঁর অনুপস্থিতি নিয়ে আলোচনা চললেও তিনি কোথায় আছেন তা নিশ্চিত করে এখনো জানা যায়নি।
.png)

যুক্তরাষ্ট্রে পড়তে যেতে চান বা ইতোমধ্যে সেখানে পড়াশোনা করছেন এমন আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য বড় ধরনের নীতিগত পরিবর্তন এনেছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) যুক্তরাষ্ট্রের ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটি (ডিএইচএস) একটি চূড়ান্ত বিধিমালা প্রকাশ করেছে, যার মাধ্যমে প্রায় পাঁচ দশক
১৭ ঘণ্টা আগে
চার বছর পরপর অনুষ্ঠিত হয় ‘দ্য গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ’। পুরো পৃথিবী যেন এক বিশাল ফুটবল স্টেডিয়ামে পরিণত হয়। এক মাসের জন্য বদলে যায় সবার রুটিন। বদলে যায় অনেক দেশের কর্মব্যস্ততা, রাত জেগে খেলা দেখে কোটি কোটি মানুষ, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ভরে ওঠে তর্ক-বিতর্কে, আর শেষ বাঁশি বাজতেই শুরু হয় বিজয়-উল্লাস ক
১৯ জুলাই ২০২৬
কয়েক দিন আগে পাকিস্তান থেকে বেলুচিস্তানের স্বাধীনতার ঘোষণা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়। ‘রিপাবলিক অব বেলুচিস্তান’ নামে নতুন একটি রাষ্ট্রের আত্মপ্রকাশ ঘটেছে বলে ফেসবুক, এক্স ও টিকটকসহ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মের ব্যবহারকারীরা সত্য হিসেবে প্রচার করেন।
১৮ জুলাই ২০২৬
দুর্নীতি, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিধিনিষেধ এবং ব্যাপক বেকারত্বের অভিযোগে গতবছর নেপালজুড়ে তরুণদের নজিরবিহীন বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অস্থিরতার মুখে চারবারের প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলি শেষ পর্যন্ত ২০২৫ সালের ৯ সেপ্টেম্বর পদত্যাগ করতে বাধ্য হন।
১৮ জুলাই ২০২৬