কাজী নিশাত তাবাসসুম

যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে ৪ জুলাই হচ্ছে গৌরবের দিন। গতকাল শনিবার এই দিনে স্বাধীনতার ২৫০ বছর উদযাপন করেছে দেশটি। কিন্তু একই দিনে বিশ্বের অন্য প্রান্তে, ইরানের রাজধানী তেহরানে শুরু হয়েছে দেশটির সাবেক সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির রাষ্ট্রীয় জানাজা অনুষ্ঠান, যা চলবে আগামী সাত দিন পর্যন্ত।
এই দুই ঘটনার মধ্যে সরাসরি কোনো সম্পর্ক না থাকলেও আন্তর্জাতিক রাজনীতির দৃষ্টিকোণ থেকে দিনটি একটি শক্তিশালী প্রতীকী অর্থ বহন করছে। যুক্তরাষ্ট্র যেদিন স্বাধীনতার ইতিহাস উদযাপন করছে, সেই দিনই ইরান সেই রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে প্রতিরোধের প্রতীক হিসেবে সে দেশের সর্বোচ্চ নেতার শেষ বিদায়ের আয়োজন করেছে। বিষয়টিকে সাদাকালো চোখে দেখার সুযোগ নেই। কেন সুযোগ নেই, সেই ব্যাখ্যায় যাওয়ার আগে জানা দরকার যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার ইতিহাস।
আজ থেকে ২৫০ বছর আগে ১৭৭৬ সালের ৪ জুলাই ব্রিটিশ উপনিবেশ থেকে বেরিয়ে আসে যুক্তরাষ্ট্র। সেদিনের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র শুধু একটি রাষ্ট্রের জন্মের দলিল নয়, আধুনিক গণতন্ত্র, ব্যক্তিস্বাধীনতা এবং জনগণের সার্বভৌমত্বের ধারণাকেও বিশ্বজুড়ে নতুন মাত্রা দিয়েছিল।
এদিন যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে আয়োজন করা হয় বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠান। রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিসহ বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে কুচকাওয়াজ, ঐতিহাসিক প্রদর্শনী, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, নাগরিক সংবর্ধনা এবং আতশবাজির মাধ্যমে দিনটি উদযাপিত হয়েছে।
তবে এই উদযাপনের মধ্যেও একটি বাস্তবতা আলোচনায় এসেছে। খোদ যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন জরিপে দেখা গেছে, প্রায় অর্ধেক আমেরিকান স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র, সংবিধান বা প্রতিষ্ঠাকালীন ইতিহাসের মৌলিক তথ্য সম্পর্কে জানেন না। তবে তারা তাদের জাতীয় পরিচয়ে গর্বিত। সমাজবিজ্ঞানী ও রাষ্ট্রবিজ্ঞানীদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় পরিচয় কেবল স্বাধীনতা যুদ্ধ বা অতীতের ইতিহাসের ওপর নির্ভরশীল নয়, এটি সংবিধানের মূল্যবোধ, ব্যক্তিস্বাধীনতা, নাগরিক অধিকার, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান এবং রাষ্ট্রের প্রতি নাগরিক আস্থা ও আমেরিকান জাতীয় পরিচয়ের গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি।
একই দিনে তেহরানের চিত্র ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন। রাষ্ট্রীয় আয়োজনে সেখানে শুরু হয় আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজা। বলে রাখা প্রয়োজন, চার মাস আগে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ হামলায় নিহত হন আলী খামেনি। নিরাপত্তাজনিত কারণে এতদিন জানাজা হয়নি তাঁর।
অবশেষে গতকাল ৪ জুলাই থেকে শুরু হলো খামেনির সাত দিনব্যাপী জানাজা কর্মসূচি। তবে এই কর্মসূচি শুধু ধর্মীয় অনুষ্ঠান হিসেবে সীমাবদ্ধ থাকেনি, এটি পরিণত হয়েছে রাজনৈতিক শক্তি প্রদর্শনের মঞ্চে।
ইরানের পরিকল্পনা অনুযায়ী, তেহরান থেকে কোম হয়ে জন্মস্থান মাশহাদে দাফনের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হবে। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধি, শিয়া ধর্মীয় নেতা ও বিপুলসংখ্যক মানুষের অংশগ্রহণের মাধ্যমে এই রাষ্ট্রীয় শোকানুষ্ঠানকে আন্তর্জাতিক ও রাজনৈতিক গুরুত্বসম্পন্ন একটি আয়োজন হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করা হচ্ছে।
শোকযাত্রায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলবিরোধী স্লোগান, প্রতিরোধের অঙ্গীকার এবং জাতীয় ঐক্যের আহ্বান স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, খামেনির মৃত্যুকে ইরান কেবল একজন নেতার মৃত্যু হিসেবে উপস্থাপন করছে না। এটি একটি ইসলামি বিপ্লবের আদর্শ, রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব এবং বহিরাগত চাপের বিরুদ্ধে প্রতিরোধের প্রতীক হিসেবে তুলে ধরা হচ্ছে।
এই দুই ঘটনার মধ্য দিয়ে বিশ্ব একই দিনে দুটি ভিন্ন রাজনৈতিক বর্ণনা প্রত্যক্ষ করছে। যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ৪ জুলাই স্বাধীনতা, গণতন্ত্র, সাংবিধানিক শাসন এবং রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার বিজয়ের প্রতীক। অন্যদিকে ইরানের কাছে দিনটি এমন এক নেতার স্মরণে পরিণত হয়েছে, যিনি দেশটির ইসলামি শাসনব্যবস্থার ধারাবাহিকতা এবং পশ্চিমা প্রভাবের বিরুদ্ধে ঢাল হয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন ।
লক্ষণীয় বিষয় হচ্ছে, উভয় দেশই জাতীয় পরিচয়কে কেন্দ্র করে নিজেদের রাজনৈতিক বার্তা তুলে ধরছে। যুক্তরাষ্ট্র তার গণতান্ত্রিক ঐতিহ্য ও স্বাধীনতার ইতিহাস স্মরণ করছে। ইরান তুলে ধরছে প্রতিরোধ, আত্মত্যাগ এবং জাতীয় সার্বভৌমত্ব। একই দিনে এই দুটি ভিন্ন বার্তা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে একটি শক্তিশালী প্রতীকী বৈপরীত্য সৃষ্টি করেছে।
বলা প্রয়োজন, যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের দ্বন্দ্ব নতুন নয়, চার দশকেরও বেশি পুরনো। ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লব, তেহরানে মার্কিন দূতাবাস জিম্মি সংকট, অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা, পারমাণবিক কর্মসূচি এবং মধ্যপ্রাচ্যে আঞ্চলিক প্রভাব বিস্তার— প্রতিটি ঘটনাই দুই দেশের সম্পর্ককে আরও জটিল করেছে।
খামেনির দীর্ঘ নেতৃত্বে ইরানের পররাষ্ট্রনীতি পশ্চিমা বিশ্বের সঙ্গে সংঘাতমুখী অবস্থান ধরে রেখেছে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রও ইরানকে মধ্যপ্রাচ্যে তার অন্যতম প্রধান কৌশলগত প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে বিবেচনা করে এসেছে। ফলে তার মৃত্যু এবং রাষ্ট্রীয় জানাজা শুধু একটি দেশের অভ্যন্তরীণ ঘটনা নয়, এটি ভবিষ্যতের আঞ্চলিক রাজনীতি, কূটনৈতিক সম্পর্ক এবং নিরাপত্তা পরিস্থিতির সঙ্গেও জড়িত।
ইতিহাসে প্রতীকী মুহূর্তের গুরুত্ব অনেক সময় বাস্তব ঘটনার চেয়েও বেশি হয়ে ওঠে। ২০২৬ সালের ৪ জুলাই তেমনই একটি দিনের সাক্ষী হয়ে থাকবে ইতিহাসের পাতায়। দুটি ঘটনাই নিজ নিজ জনগণের কাছে আবেগ, আদর্শ এবং জাতীয় পরিচয়ের বহিঃপ্রকাশ।
ওয়াশিংটনের আকাশে যখন স্বাধীনতার আতশবাজি ফুটছে, তেহরানের রাস্তায় তখন শোকযাত্রা এগিয়ে চলেছে। এক প্রান্তে স্বাধীনতার উদযাপন, অন্য প্রান্তে প্রতিরোধের স্মরণ। এই দ্বৈত দৃশ্য শুধু একটি কাকতালীয় ঘটনাই নয়, সমকালীন বিশ্বরাজনীতির বিভক্ত বাস্তবতারও প্রতীক।

যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে ৪ জুলাই হচ্ছে গৌরবের দিন। গতকাল শনিবার এই দিনে স্বাধীনতার ২৫০ বছর উদযাপন করেছে দেশটি। কিন্তু একই দিনে বিশ্বের অন্য প্রান্তে, ইরানের রাজধানী তেহরানে শুরু হয়েছে দেশটির সাবেক সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির রাষ্ট্রীয় জানাজা অনুষ্ঠান, যা চলবে আগামী সাত দিন পর্যন্ত।
এই দুই ঘটনার মধ্যে সরাসরি কোনো সম্পর্ক না থাকলেও আন্তর্জাতিক রাজনীতির দৃষ্টিকোণ থেকে দিনটি একটি শক্তিশালী প্রতীকী অর্থ বহন করছে। যুক্তরাষ্ট্র যেদিন স্বাধীনতার ইতিহাস উদযাপন করছে, সেই দিনই ইরান সেই রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে প্রতিরোধের প্রতীক হিসেবে সে দেশের সর্বোচ্চ নেতার শেষ বিদায়ের আয়োজন করেছে। বিষয়টিকে সাদাকালো চোখে দেখার সুযোগ নেই। কেন সুযোগ নেই, সেই ব্যাখ্যায় যাওয়ার আগে জানা দরকার যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার ইতিহাস।
আজ থেকে ২৫০ বছর আগে ১৭৭৬ সালের ৪ জুলাই ব্রিটিশ উপনিবেশ থেকে বেরিয়ে আসে যুক্তরাষ্ট্র। সেদিনের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র শুধু একটি রাষ্ট্রের জন্মের দলিল নয়, আধুনিক গণতন্ত্র, ব্যক্তিস্বাধীনতা এবং জনগণের সার্বভৌমত্বের ধারণাকেও বিশ্বজুড়ে নতুন মাত্রা দিয়েছিল।
এদিন যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে আয়োজন করা হয় বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠান। রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিসহ বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে কুচকাওয়াজ, ঐতিহাসিক প্রদর্শনী, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, নাগরিক সংবর্ধনা এবং আতশবাজির মাধ্যমে দিনটি উদযাপিত হয়েছে।
তবে এই উদযাপনের মধ্যেও একটি বাস্তবতা আলোচনায় এসেছে। খোদ যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন জরিপে দেখা গেছে, প্রায় অর্ধেক আমেরিকান স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র, সংবিধান বা প্রতিষ্ঠাকালীন ইতিহাসের মৌলিক তথ্য সম্পর্কে জানেন না। তবে তারা তাদের জাতীয় পরিচয়ে গর্বিত। সমাজবিজ্ঞানী ও রাষ্ট্রবিজ্ঞানীদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় পরিচয় কেবল স্বাধীনতা যুদ্ধ বা অতীতের ইতিহাসের ওপর নির্ভরশীল নয়, এটি সংবিধানের মূল্যবোধ, ব্যক্তিস্বাধীনতা, নাগরিক অধিকার, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান এবং রাষ্ট্রের প্রতি নাগরিক আস্থা ও আমেরিকান জাতীয় পরিচয়ের গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি।
একই দিনে তেহরানের চিত্র ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন। রাষ্ট্রীয় আয়োজনে সেখানে শুরু হয় আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজা। বলে রাখা প্রয়োজন, চার মাস আগে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ হামলায় নিহত হন আলী খামেনি। নিরাপত্তাজনিত কারণে এতদিন জানাজা হয়নি তাঁর।
অবশেষে গতকাল ৪ জুলাই থেকে শুরু হলো খামেনির সাত দিনব্যাপী জানাজা কর্মসূচি। তবে এই কর্মসূচি শুধু ধর্মীয় অনুষ্ঠান হিসেবে সীমাবদ্ধ থাকেনি, এটি পরিণত হয়েছে রাজনৈতিক শক্তি প্রদর্শনের মঞ্চে।
ইরানের পরিকল্পনা অনুযায়ী, তেহরান থেকে কোম হয়ে জন্মস্থান মাশহাদে দাফনের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হবে। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধি, শিয়া ধর্মীয় নেতা ও বিপুলসংখ্যক মানুষের অংশগ্রহণের মাধ্যমে এই রাষ্ট্রীয় শোকানুষ্ঠানকে আন্তর্জাতিক ও রাজনৈতিক গুরুত্বসম্পন্ন একটি আয়োজন হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করা হচ্ছে।
শোকযাত্রায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলবিরোধী স্লোগান, প্রতিরোধের অঙ্গীকার এবং জাতীয় ঐক্যের আহ্বান স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, খামেনির মৃত্যুকে ইরান কেবল একজন নেতার মৃত্যু হিসেবে উপস্থাপন করছে না। এটি একটি ইসলামি বিপ্লবের আদর্শ, রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব এবং বহিরাগত চাপের বিরুদ্ধে প্রতিরোধের প্রতীক হিসেবে তুলে ধরা হচ্ছে।
এই দুই ঘটনার মধ্য দিয়ে বিশ্ব একই দিনে দুটি ভিন্ন রাজনৈতিক বর্ণনা প্রত্যক্ষ করছে। যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ৪ জুলাই স্বাধীনতা, গণতন্ত্র, সাংবিধানিক শাসন এবং রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার বিজয়ের প্রতীক। অন্যদিকে ইরানের কাছে দিনটি এমন এক নেতার স্মরণে পরিণত হয়েছে, যিনি দেশটির ইসলামি শাসনব্যবস্থার ধারাবাহিকতা এবং পশ্চিমা প্রভাবের বিরুদ্ধে ঢাল হয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন ।
লক্ষণীয় বিষয় হচ্ছে, উভয় দেশই জাতীয় পরিচয়কে কেন্দ্র করে নিজেদের রাজনৈতিক বার্তা তুলে ধরছে। যুক্তরাষ্ট্র তার গণতান্ত্রিক ঐতিহ্য ও স্বাধীনতার ইতিহাস স্মরণ করছে। ইরান তুলে ধরছে প্রতিরোধ, আত্মত্যাগ এবং জাতীয় সার্বভৌমত্ব। একই দিনে এই দুটি ভিন্ন বার্তা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে একটি শক্তিশালী প্রতীকী বৈপরীত্য সৃষ্টি করেছে।
বলা প্রয়োজন, যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের দ্বন্দ্ব নতুন নয়, চার দশকেরও বেশি পুরনো। ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লব, তেহরানে মার্কিন দূতাবাস জিম্মি সংকট, অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা, পারমাণবিক কর্মসূচি এবং মধ্যপ্রাচ্যে আঞ্চলিক প্রভাব বিস্তার— প্রতিটি ঘটনাই দুই দেশের সম্পর্ককে আরও জটিল করেছে।
খামেনির দীর্ঘ নেতৃত্বে ইরানের পররাষ্ট্রনীতি পশ্চিমা বিশ্বের সঙ্গে সংঘাতমুখী অবস্থান ধরে রেখেছে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রও ইরানকে মধ্যপ্রাচ্যে তার অন্যতম প্রধান কৌশলগত প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে বিবেচনা করে এসেছে। ফলে তার মৃত্যু এবং রাষ্ট্রীয় জানাজা শুধু একটি দেশের অভ্যন্তরীণ ঘটনা নয়, এটি ভবিষ্যতের আঞ্চলিক রাজনীতি, কূটনৈতিক সম্পর্ক এবং নিরাপত্তা পরিস্থিতির সঙ্গেও জড়িত।
ইতিহাসে প্রতীকী মুহূর্তের গুরুত্ব অনেক সময় বাস্তব ঘটনার চেয়েও বেশি হয়ে ওঠে। ২০২৬ সালের ৪ জুলাই তেমনই একটি দিনের সাক্ষী হয়ে থাকবে ইতিহাসের পাতায়। দুটি ঘটনাই নিজ নিজ জনগণের কাছে আবেগ, আদর্শ এবং জাতীয় পরিচয়ের বহিঃপ্রকাশ।
ওয়াশিংটনের আকাশে যখন স্বাধীনতার আতশবাজি ফুটছে, তেহরানের রাস্তায় তখন শোকযাত্রা এগিয়ে চলেছে। এক প্রান্তে স্বাধীনতার উদযাপন, অন্য প্রান্তে প্রতিরোধের স্মরণ। এই দ্বৈত দৃশ্য শুধু একটি কাকতালীয় ঘটনাই নয়, সমকালীন বিশ্বরাজনীতির বিভক্ত বাস্তবতারও প্রতীক।
.png)

র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন—র্যাব নামটি বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থায় যেমন পরিচিত, তেমনই বিতর্কিত। একদিকে জঙ্গিবাদ, মাদক ও সংঘবদ্ধ অপরাধ দমনে বাহিনীটির ভূমিকা ছিল; অন্যদিকে গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যা ও নির্যাতনের মতো গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগও দীর্ঘদিন ধরে র্যাবকে ঘিরে রয়েছে। এবার সেই র
১ ঘণ্টা আগে
প্রায় পাঁচ দশক ধরে চলে আসা জুলাই-জুন অর্থবছরের হিসাব পদ্ধতি বদলে ফেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২০২৮-২৯ অর্থবছর থেকে দেশের সব সরকারি কার্যক্রম চলবে ১ এপ্রিল থেকে ৩১ মার্চ সময়সীমা অনুসরণ করে। নতুন এই সিদ্ধান্ত অবশ্য হুট করে কার্যকর হচ্ছে না। ২০২৭-২৮ অর্থবছরকে একট
১৮ আগস্ট ২০২৬
বাংলাদেশের জাহাজভাঙা শিল্পের শুরুটা ছিল অনেকটাই ঘটনাচক্রে। ১৯৬০ সালের এক প্রবল ঝড়ে গ্রিক কার্গো জাহাজ ‘এমভি আলপাইন’ চট্টগ্রামের ফৌজদারহাট উপকূলে আটকে যায়। পরে সেটি আর সমুদ্রে ফিরতে পারেনি। ১৯৬৪ সালে জাহাজটি ভাঙার উদ্যোগ নেয় চট্টগ্রাম স্টিল হাউস। এরপর মুক্তিযুদ্ধের পর ক্ষতিগ্রস্ত পাকিস্তানি জাহাজ ‘
১৬ আগস্ট ২০২৬
বিশ্বরাজনীতির পুরোনো ছক যেন দ্রুত ভেঙে পড়ছে, তৈরি হচ্ছে নতুন সমীকরণ। যুক্তরাষ্ট্র-চীন প্রতিদ্বন্দ্বিতা, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ, পশ্চিম এশিয়ার সংঘাত, বাণিজ্য ও প্রযুক্তি নিয়ে বৃহৎ শক্তিগুলোর টানাপোড়েন সব মিলিয়ে আন্তর্জাতিক ব্যবস্থায় বাড়ছে অনিশ্চয়তা, প্রতিযোগিতা ও নতুন মেরুকরণ।
১৫ আগস্ট ২০২৬