স্ট্রিম প্রতিবেদক

এক্সে একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওটির ক্যাপশনে দাবি করা হয়েছে, বাংলাদেশে হিন্দুদের জমি দখল করতে ইসলামপন্থীরা তাঁদের ওপর হামলা চালিয়েছে। হামলা থেকে নারী ও শিশুরাও রেহাই পায়নি। ক্যাপশনে আরও বলা হয়, হিন্দুরা সংখ্যালঘু হলে এমন ঘটনা ঘটে।
প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ‘Vikas Pokhariyal’ নামের একটি এক্স অ্যাকাউন্ট থেকে ৩০ জুলাই ভিডিওটি পোস্ট করা হয়। ভিডিওটি ১ লাখ ৭ হাজার ৯০০ বার দেখা হয়েছে। পোস্টটিতে ৩ হাজার ৮০০ লাইক, ২ হাজার ২০০ রিপোস্ট, ১০৫টি মন্তব্য ও ২৩২টি বুকমার্ক রয়েছে।
স্ট্রিমের যাচাইয়ে দেখা গেছে, ভিডিওটি বাংলাদেশের নয়। এটি ভারতের আসাম রাজ্যের কোকরাঝাড় জেলার একটি জমি নিয়ে বিরোধের ঘটনার। ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে হিন্দুদের ওপর হামলার সঙ্গে ভিডিওটির কোনো সম্পর্ক পাওয়া যায়নি।
ভিডিওতে কয়েকজন ব্যক্তিকে নির্মাণাধীন একটি ঘরের দেয়াল ও পিলার ভাঙতে দেখা যায়। তবে ভিডিওতে বাংলাদেশের কোনো স্থানের নাম, সাইনবোর্ড বা অবস্থান শনাক্ত করার মতো তথ্য দেখা যায় না।
অনুসন্ধানে ‘দ্য বোডোল্যান্ড ট্রিবিউন’ নামের একটি ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের ফেসবুক পেজে ওই ঘটনার একটি ভিডিও পাওয়া যায়।
পোস্টটির ক্যাপশনে বলা হয়, আসামের কোকরাঝাড় জেলার গোসাইগাঁও এলাকার ভাওরাগুড়ির উচাতারি গ্রামে জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। সেই বিরোধের জেরে সংঘর্ষ হয়। এতে এক নারী ও এক বৃদ্ধসহ চারজন আহত হন। সংঘর্ষে নুরুল খান ও গনি শেখের নেতৃত্বাধীন পক্ষগুলো জড়িত ছিল বলে পোস্টে উল্লেখ করা হয়।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম রিপাবলিক এনই-এর ফেসবুক পেজেও একই ভিডিও পাওয়া যায়। পোস্টটির ক্যাপশনে ঘটনাটি ভাওরাগুড়ির উচাতারি গ্রামের জমি বিরোধের সংঘর্ষ বলে উল্লেখ করা হয়। সেখানে একটি নির্মাণাধীন সরকারি ঘর ভাঙচুরের কথাও বলা হয়।
অতএব, দাবিটি ভুয়া। ভারতের আসাম রাজ্যে জমি নিয়ে বিরোধের একটি ভিডিওকে বাংলাদেশে হিন্দুদের জমি দখলের উদ্দেশ্যে ইসলামপন্থীদের হামলা হিসেবে প্রচার করা হয়েছে।

এক্সে একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওটির ক্যাপশনে দাবি করা হয়েছে, বাংলাদেশে হিন্দুদের জমি দখল করতে ইসলামপন্থীরা তাঁদের ওপর হামলা চালিয়েছে। হামলা থেকে নারী ও শিশুরাও রেহাই পায়নি। ক্যাপশনে আরও বলা হয়, হিন্দুরা সংখ্যালঘু হলে এমন ঘটনা ঘটে।
প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ‘Vikas Pokhariyal’ নামের একটি এক্স অ্যাকাউন্ট থেকে ৩০ জুলাই ভিডিওটি পোস্ট করা হয়। ভিডিওটি ১ লাখ ৭ হাজার ৯০০ বার দেখা হয়েছে। পোস্টটিতে ৩ হাজার ৮০০ লাইক, ২ হাজার ২০০ রিপোস্ট, ১০৫টি মন্তব্য ও ২৩২টি বুকমার্ক রয়েছে।
স্ট্রিমের যাচাইয়ে দেখা গেছে, ভিডিওটি বাংলাদেশের নয়। এটি ভারতের আসাম রাজ্যের কোকরাঝাড় জেলার একটি জমি নিয়ে বিরোধের ঘটনার। ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে হিন্দুদের ওপর হামলার সঙ্গে ভিডিওটির কোনো সম্পর্ক পাওয়া যায়নি।
ভিডিওতে কয়েকজন ব্যক্তিকে নির্মাণাধীন একটি ঘরের দেয়াল ও পিলার ভাঙতে দেখা যায়। তবে ভিডিওতে বাংলাদেশের কোনো স্থানের নাম, সাইনবোর্ড বা অবস্থান শনাক্ত করার মতো তথ্য দেখা যায় না।
অনুসন্ধানে ‘দ্য বোডোল্যান্ড ট্রিবিউন’ নামের একটি ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের ফেসবুক পেজে ওই ঘটনার একটি ভিডিও পাওয়া যায়।
পোস্টটির ক্যাপশনে বলা হয়, আসামের কোকরাঝাড় জেলার গোসাইগাঁও এলাকার ভাওরাগুড়ির উচাতারি গ্রামে জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। সেই বিরোধের জেরে সংঘর্ষ হয়। এতে এক নারী ও এক বৃদ্ধসহ চারজন আহত হন। সংঘর্ষে নুরুল খান ও গনি শেখের নেতৃত্বাধীন পক্ষগুলো জড়িত ছিল বলে পোস্টে উল্লেখ করা হয়।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম রিপাবলিক এনই-এর ফেসবুক পেজেও একই ভিডিও পাওয়া যায়। পোস্টটির ক্যাপশনে ঘটনাটি ভাওরাগুড়ির উচাতারি গ্রামের জমি বিরোধের সংঘর্ষ বলে উল্লেখ করা হয়। সেখানে একটি নির্মাণাধীন সরকারি ঘর ভাঙচুরের কথাও বলা হয়।
অতএব, দাবিটি ভুয়া। ভারতের আসাম রাজ্যে জমি নিয়ে বিরোধের একটি ভিডিওকে বাংলাদেশে হিন্দুদের জমি দখলের উদ্দেশ্যে ইসলামপন্থীদের হামলা হিসেবে প্রচার করা হয়েছে।
.png)

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও এর ছাত্রসংগঠন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের আওতায় নিষিদ্ধ করেছে সরকার, এমন দাবি করে একটি পোস্ট প্রকাশ করেছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম জিনিউজ ইংলিশ।
০৩ আগস্ট ২০২৬
হামলাকে ঘিরে ফেসবুকে সম্পাদিত ছবি, ভুল পরিচয় ও ভিন্ন দেশের ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। তবে ফ্যাক্টচেকে দাবিগুলোর সত্যতা পাওয়া যায়নি।
২৯ জুলাই ২০২৬
ফেসবুকে মারধরের একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওর ক্যাপশনে দাবি করা হয়েছে, মারধরের শিকার ওই ব্যক্তি মতিঝিল থানা বিএনপির সভাপতি শিবলুর রহমান শিবু। তবে স্ট্রিমের যাচাইয়ে দেখা গেছে, ভিডিওটি ২৩ জুলাই পুরানা পল্টনে ছিনতাইয়ের চেষ্টার অভিযোগে আটক কেরামত আলীকে মারধরের ঘটনার।
২৬ জুলাই ২০২৬
শিক্ষাব্যবস্থার সংস্কার, প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় জবাবদিহি এবং শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন করছে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’। গত ২০ জুলাই দিল্লিতে সংসদ অভিমুখী পদযাত্রায় পুলিশের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের সংঘর্ষ হয়।
২৩ জুলাই ২০২৬