স্ট্রিম প্রতিবেদক

সম্প্রতি ফেসবুকে একটি ভিডিও ছড়িয়ে দাবি করা হচ্ছে, যুবলীগের এক নেতাকে গাছের সঙ্গে বেঁধে প্রকাশ্যে নির্যাতন করছে বিএনপির সন্ত্রাসীরা। পোস্টের ক্যাপশনে লেখা হয়েছে, ‘যুবলীগ নেতাকে গাছের সাথে বেঁধে প্রকাশ্য নি"র্যা"তন করছে বিএনপির স'ন্ত্রাসীরা।’
এ ধরনের পোস্ট দেখুন এখানে, এখানে, এবং এখানে।
তবে স্ট্রিমের যাচাইয়ে দেখা গেছে, ভিডিওটি বাংলাদেশের নয়। এটি বিএনপির নেতাকর্মীদের হাতে কোনো যুবলীগ নেতাকে নির্যাতনের দৃশ্যও নয়। প্রকৃতপক্ষে, ভারতের ত্রিপুরায় ছাগল চুরির অভিযোগে এক যুবককে গাছের সঙ্গে বেঁধে মারধরের পুরোনো ভিডিওকে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ঘটনার দাবিতে প্রচার করা হয়েছে।
ভিডিওটি পর্যবেক্ষণ করলে দেখা যায়, একটি গাছের সঙ্গে বাঁধা এক ব্যক্তিকে ঘিরে কয়েকজন দাঁড়িয়ে আছেন। একপর্যায়ে কয়েকজন ব্যক্তিকে বাঁধা ওই ব্যক্তিকে মারধর করতে দেখা যায়।
ভিডিওটির সূত্র খুঁজতে গিয়ে সময় ত্রিপুরা নামের একটি ফেসবুক পেজে ২০২৫ সালের ২৫ মে প্রকাশিত একই ভিডিও পাওয়া যায়। ওই পোস্টের ক্যাপশনে বলা হয়, ‘ছাগল চুরির অভিযোগ আটক যুবক ঘটনা সোনামুড়া হাসপাতাল রোড এলাকায়। আইন হাতে তুলে নিলো জনতা।’
অনুসন্ধানে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম নর্থইস্ট টুডে এর ২৬ মে ২০২৫ প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন পাওয়া যায়। প্রতিবেদনে বলা হয়, ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের সিপাহিজলা জেলার সোনামুড়ার হাসপাতাল রোড এলাকায় এক যুবককে ছাগল চুরির অভিযোগে গাছের সঙ্গে বেঁধে মারধর করেন স্থানীয়রা।
প্রতিবেদনে নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় এক বাসিন্দার বরাতে বলা হয়, এলাকায় চুরি ও মাদকাসক্তির সমস্যা নিয়মিত হয়ে উঠেছে। আগে অভিযুক্তদের পুলিশে দেওয়া হলেও পরে তারা আবার একই কাজে জড়ায় বলে তিনি অভিযোগ করেন।
অন্যদিকে, সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশে বিএনপির নেতাকর্মীরা কোনো যুবলীগ নেতাকে গাছের সঙ্গে বেঁধে মারধর করেছে, এমন কোনো তথ্য নির্ভরযোগ্য সংবাদ পাওয়া যায়নি।
অর্থাৎ, ভারতের ত্রিপুরার একটি পুরোনো গণপিটুনির ভিডিওকে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ঘটনার সঙ্গে জুড়ে প্রচার করা হয়েছে।

সম্প্রতি ফেসবুকে একটি ভিডিও ছড়িয়ে দাবি করা হচ্ছে, যুবলীগের এক নেতাকে গাছের সঙ্গে বেঁধে প্রকাশ্যে নির্যাতন করছে বিএনপির সন্ত্রাসীরা। পোস্টের ক্যাপশনে লেখা হয়েছে, ‘যুবলীগ নেতাকে গাছের সাথে বেঁধে প্রকাশ্য নি"র্যা"তন করছে বিএনপির স'ন্ত্রাসীরা।’
এ ধরনের পোস্ট দেখুন এখানে, এখানে, এবং এখানে।
তবে স্ট্রিমের যাচাইয়ে দেখা গেছে, ভিডিওটি বাংলাদেশের নয়। এটি বিএনপির নেতাকর্মীদের হাতে কোনো যুবলীগ নেতাকে নির্যাতনের দৃশ্যও নয়। প্রকৃতপক্ষে, ভারতের ত্রিপুরায় ছাগল চুরির অভিযোগে এক যুবককে গাছের সঙ্গে বেঁধে মারধরের পুরোনো ভিডিওকে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ঘটনার দাবিতে প্রচার করা হয়েছে।
ভিডিওটি পর্যবেক্ষণ করলে দেখা যায়, একটি গাছের সঙ্গে বাঁধা এক ব্যক্তিকে ঘিরে কয়েকজন দাঁড়িয়ে আছেন। একপর্যায়ে কয়েকজন ব্যক্তিকে বাঁধা ওই ব্যক্তিকে মারধর করতে দেখা যায়।
ভিডিওটির সূত্র খুঁজতে গিয়ে সময় ত্রিপুরা নামের একটি ফেসবুক পেজে ২০২৫ সালের ২৫ মে প্রকাশিত একই ভিডিও পাওয়া যায়। ওই পোস্টের ক্যাপশনে বলা হয়, ‘ছাগল চুরির অভিযোগ আটক যুবক ঘটনা সোনামুড়া হাসপাতাল রোড এলাকায়। আইন হাতে তুলে নিলো জনতা।’
অনুসন্ধানে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম নর্থইস্ট টুডে এর ২৬ মে ২০২৫ প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন পাওয়া যায়। প্রতিবেদনে বলা হয়, ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের সিপাহিজলা জেলার সোনামুড়ার হাসপাতাল রোড এলাকায় এক যুবককে ছাগল চুরির অভিযোগে গাছের সঙ্গে বেঁধে মারধর করেন স্থানীয়রা।
প্রতিবেদনে নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় এক বাসিন্দার বরাতে বলা হয়, এলাকায় চুরি ও মাদকাসক্তির সমস্যা নিয়মিত হয়ে উঠেছে। আগে অভিযুক্তদের পুলিশে দেওয়া হলেও পরে তারা আবার একই কাজে জড়ায় বলে তিনি অভিযোগ করেন।
অন্যদিকে, সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশে বিএনপির নেতাকর্মীরা কোনো যুবলীগ নেতাকে গাছের সঙ্গে বেঁধে মারধর করেছে, এমন কোনো তথ্য নির্ভরযোগ্য সংবাদ পাওয়া যায়নি।
অর্থাৎ, ভারতের ত্রিপুরার একটি পুরোনো গণপিটুনির ভিডিওকে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ঘটনার সঙ্গে জুড়ে প্রচার করা হয়েছে।

এগুলো বাস্তব কোনো মেট্রোরেলের খুঁটিতে আঁকা শেখ হাসিনার গ্রাফিতি নয়। এআই দিয়ে তৈরি ছবিগুলো রাজনৈতিক ক্যাপশনসহ বাস্তব দৃশ্যের মতো করে প্রচার করা হয়েছে।
১০ ঘণ্টা আগে
সম্প্রতি ফেসবুকে ‘গ্রেপ্তার হলেন এমপি মাশরাফি বিন মুর্তজা’ ক্যাপশনে একটি ফটোকার্ড ছড়িয়ে পড়েছে। এতে মাশরাফিকে হাতকড়া দিয়ে পুলিশ নিয়ে যাচ্ছে, এমন ছবিও যুক্ত।
৩ দিন আগে
স্ট্রিমের যাচাইয়ে দেখা গেছে, ভিডিওটি বাংলাদেশের নয়। প্রকৃতপক্ষে, ভারতের বিহার রাজ্যের নালন্দায় নারীকে যৌন হয়রানির ঘটনার ভিডিও ঢাকার দাবিতে প্রচার হচ্ছে।
৪ দিন আগে
ফেসবুকে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের নবনির্বাচিত মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একটি ছবি ছড়িয়ে পড়েছে। পোস্টের ক্যাপশনে দাবি করা হচ্ছে, শুভেন্দু অধিকারী নিজ বাড়িতে শেখ হাসিনাকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।
৬ দিন আগে