স্ট্রিম প্রতিবেদক

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও এর ছাত্রসংগঠন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের আওতায় নিষিদ্ধ করেছে সরকার, এমন দাবি করে একটি পোস্ট প্রকাশ করেছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম জিনিউজ ইংলিশ। পোস্টটির সঙ্গে যুক্ত গ্রাফিকে সংগঠন দুটিকে বাংলাদেশে ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’ ঘোষণা করা হয়েছে বলেও দাবি করা হয়।
ডিএনএ ইন্ডিয়া ফেসবুকে একই দাবি প্রচার করেছে।
তবে স্ট্রিমের যাচাইয়ে দেখা গেছে, এটি বাংলাদেশের বর্তমান সরকারের নেওয়া কোনো নতুন সিদ্ধান্ত নয়। ২০২৪ সালের ১ আগস্ট জামায়াতে ইসলামী, ছাত্রশিবির ও তাদের সব অঙ্গসংগঠনকে নিষিদ্ধ করে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার প্রজ্ঞাপন জারি করেছিল। একই বছরের ২৮ আগস্ট আরেকটি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে সেই নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হয়।
২০২৪ সালের ১ আগস্ট স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনে সন্ত্রাসবিরোধী আইন, ২০০৯-এর ১৮(১) ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির এবং তাদের সব অঙ্গসংগঠনকে রাজনৈতিক দল ও সংগঠন হিসেবে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়। একই সঙ্গে আইনের তফসিল-২-এ সংগঠনগুলোকে ‘নিষিদ্ধ সত্তা’ হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়। (১,২)
ছাত্র-জনতার আন্দোলনে ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটে। ৮ আগস্ট অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের পর ২৮ আগস্ট আরেকটি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরকে নিষিদ্ধ করে জারি করা ১ আগস্টের প্রজ্ঞাপন বাতিল করা হয়।
২৮ আগস্টের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী ছাত্রশিবির ও তাদের অঙ্গসংগঠনের সন্ত্রাস ও সহিংসতার সঙ্গে সম্পৃক্ততার সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্যপ্রমাণ পাওয়া যায়নি। সরকার বিশ্বাস করে, সংগঠনগুলো সন্ত্রাসী কার্যকলাপের সঙ্গে জড়িত নয়। তাই সন্ত্রাসবিরোধী আইন, ২০০৯-এর ১৮(১) ধারার ক্ষমতাবলে ১ আগস্টের প্রজ্ঞাপন বাতিল করা হয়।
পরবর্তী সময়ে জামায়াতে ইসলামীর রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন ও দাঁড়িপাল্লা প্রতীকও পুনর্বহাল করা হয়। নির্বাচন কমিশনের বর্তমান নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের তালিকায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নিবন্ধিত দল হিসেবে রয়েছে। দলটির প্রতীক উল্লেখ করা হয়েছে ‘দাঁড়িপাল্লা’।
অতএব, দাবিটি সত্য নয়। বাংলাদেশ সরকার সম্প্রতি জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরকে নিষিদ্ধ বা সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে ঘোষণা করেনি।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও এর ছাত্রসংগঠন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের আওতায় নিষিদ্ধ করেছে সরকার, এমন দাবি করে একটি পোস্ট প্রকাশ করেছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম জিনিউজ ইংলিশ। পোস্টটির সঙ্গে যুক্ত গ্রাফিকে সংগঠন দুটিকে বাংলাদেশে ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’ ঘোষণা করা হয়েছে বলেও দাবি করা হয়।
ডিএনএ ইন্ডিয়া ফেসবুকে একই দাবি প্রচার করেছে।
তবে স্ট্রিমের যাচাইয়ে দেখা গেছে, এটি বাংলাদেশের বর্তমান সরকারের নেওয়া কোনো নতুন সিদ্ধান্ত নয়। ২০২৪ সালের ১ আগস্ট জামায়াতে ইসলামী, ছাত্রশিবির ও তাদের সব অঙ্গসংগঠনকে নিষিদ্ধ করে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার প্রজ্ঞাপন জারি করেছিল। একই বছরের ২৮ আগস্ট আরেকটি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে সেই নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হয়।
২০২৪ সালের ১ আগস্ট স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনে সন্ত্রাসবিরোধী আইন, ২০০৯-এর ১৮(১) ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির এবং তাদের সব অঙ্গসংগঠনকে রাজনৈতিক দল ও সংগঠন হিসেবে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়। একই সঙ্গে আইনের তফসিল-২-এ সংগঠনগুলোকে ‘নিষিদ্ধ সত্তা’ হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়। (১,২)
ছাত্র-জনতার আন্দোলনে ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটে। ৮ আগস্ট অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের পর ২৮ আগস্ট আরেকটি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরকে নিষিদ্ধ করে জারি করা ১ আগস্টের প্রজ্ঞাপন বাতিল করা হয়।
২৮ আগস্টের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী ছাত্রশিবির ও তাদের অঙ্গসংগঠনের সন্ত্রাস ও সহিংসতার সঙ্গে সম্পৃক্ততার সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্যপ্রমাণ পাওয়া যায়নি। সরকার বিশ্বাস করে, সংগঠনগুলো সন্ত্রাসী কার্যকলাপের সঙ্গে জড়িত নয়। তাই সন্ত্রাসবিরোধী আইন, ২০০৯-এর ১৮(১) ধারার ক্ষমতাবলে ১ আগস্টের প্রজ্ঞাপন বাতিল করা হয়।
পরবর্তী সময়ে জামায়াতে ইসলামীর রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন ও দাঁড়িপাল্লা প্রতীকও পুনর্বহাল করা হয়। নির্বাচন কমিশনের বর্তমান নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের তালিকায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নিবন্ধিত দল হিসেবে রয়েছে। দলটির প্রতীক উল্লেখ করা হয়েছে ‘দাঁড়িপাল্লা’।
অতএব, দাবিটি সত্য নয়। বাংলাদেশ সরকার সম্প্রতি জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরকে নিষিদ্ধ বা সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে ঘোষণা করেনি।
.png)

হামলাকে ঘিরে ফেসবুকে সম্পাদিত ছবি, ভুল পরিচয় ও ভিন্ন দেশের ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। তবে ফ্যাক্টচেকে দাবিগুলোর সত্যতা পাওয়া যায়নি।
২৯ জুলাই ২০২৬
ফেসবুকে মারধরের একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওর ক্যাপশনে দাবি করা হয়েছে, মারধরের শিকার ওই ব্যক্তি মতিঝিল থানা বিএনপির সভাপতি শিবলুর রহমান শিবু। তবে স্ট্রিমের যাচাইয়ে দেখা গেছে, ভিডিওটি ২৩ জুলাই পুরানা পল্টনে ছিনতাইয়ের চেষ্টার অভিযোগে আটক কেরামত আলীকে মারধরের ঘটনার।
২৬ জুলাই ২০২৬
শিক্ষাব্যবস্থার সংস্কার, প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় জবাবদিহি এবং শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন করছে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’। গত ২০ জুলাই দিল্লিতে সংসদ অভিমুখী পদযাত্রায় পুলিশের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের সংঘর্ষ হয়।
২৩ জুলাই ২০২৬
ফেসবুক পেজ ‘Global Times Live’ সম্প্রতি একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে। ভিডিওটির ক্যাপশনে লেখা, ‘নিজেদের গরু মহিষ নিয়ে দিল্লির পথে কৃষকরা।’ ভিডিওতে সড়কজুড়ে বিপুলসংখ্যক গরু এবং কিছু মানুষকে হাঁটতে দেখা যায়। ভিডিওটির ৬ সেকেন্ডে বাঁ পাশে ‘সোর্স–Kunal (এক্স)’ লেখা দেখা যায়।
২২ জুলাই ২০২৬