স্ট্রিম প্রতিবেদক

হবিগঞ্জে পদযাত্রা শেষে ফেরার পথে মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) এনসিপির গাড়িবহরে হামলা ও ভাঙচুর হয়। হামলা থেকে বাঁচতে দলের মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম এবং মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী একটি ব্যাংকে আশ্রয় নেন। আজ ১৪৪ ধারার মধ্যে আহত নেতাকর্মীদের খোঁজ নিতে ও মামলা করতে যাওয়ার পথে পুলিশের বাধায় নাহিদ ইসলামসহ কেন্দ্রীয় নেতারা সড়কে অবস্থান নেন।
এর মধ্যেই হামলাকে ঘিরে ফেসবুকে সম্পাদিত ছবি, ভুল পরিচয় ও ভিন্ন দেশের ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। তবে ফ্যাক্টচেকে দাবিগুলোর সত্যতা পাওয়া যায়নি।
ফেসবুকে এনসিপি নেতা সারজিস আলমের একটি ছবি ছড়িয়ে পড়েছে। এতে দেখা যাচ্ছে, তাঁর এক হাত স্লিংয়ে ঝোলানো এবং কনুই থেকে কবজি পর্যন্ত মোটা ব্যান্ডেজ বা প্লাস্টার করা। একটি পায়ের নিচের অংশেও সাদা ব্যান্ডেজ বা প্লাস্টার। তিনি দুই পাশে দুটি ক্রাচে ভর দিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন।
স্ট্রিমের যাচাইয়ে দেখা গেছে, ছবিটি সম্পাদনা করা। সারজিস আলমের হাতে-পায়ে ব্যান্ডেজ, ক্রাচসহ এমন কোনো ছবি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়নি। (১,২)
অন্য একটি ভিডিওতে মারধরের শিকার ব্যক্তিকে এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী দাবি করা হয়েছে। তবে দ্য ডিসেন্টের যাচাইয়ে দেখা গেছে, ওই ব্যক্তি নাসীরুদ্দীন নন। তিনি এনসিপির হবিগঞ্জ জেলা শাখার সদস্যসচিব মাহবুবুল বারী মুবিন।
২৯ জুলাই ডেইলি বাংলাদেশ-এর ফেসবুক পেজে প্রকাশিত ভিডিওতে ওই ব্যক্তির চেহারা স্পষ্ট দেখা যায়। সেখানে তিনি কয়েকজনকে হামলা থেকে রক্ষার চেষ্টা করছিলেন। একপর্যায়ে তাঁর ওপর হামলা করা হয়।
২৮ জুলাই নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর পেজে প্রকাশিত আরেকটি ভিডিওতে সারজিস আলম আহত ব্যক্তিকে হবিগঞ্জ জেলা এনসিপির নেতা হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেন।
‘জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপি, সিলেট’ নামের ফেসবুক পেজে প্রকাশিত পোস্টেও আহত ব্যক্তিকে হবিগঞ্জ জেলা এনসিপির সদস্যসচিব মাহবুবুল বারী মুবিন বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
ফেসবুকে একটি ভিডিও ছড়িয়ে দাবি করা হয়েছে, হবিগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য জি কে গউছের বাসা লক্ষ্য করে এনসিপি এবং জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীরা হামলা চালাচ্ছেন।
তবে ডিসমিসল্যাবের ফ্যাক্টচেকে দেখা গেছে, ভিডিওটি হবিগঞ্জের নয়। এটি গত ২৮ জুলাই পাকিস্তান-অধ্যুষিত কাশ্মীরের মিরপুরে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিবর্ষণের। গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, কাশ্মীরে একটি শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভে পুলিশ গুলি চালালে বেশ কয়েকজন আহত হন।

হবিগঞ্জে পদযাত্রা শেষে ফেরার পথে মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) এনসিপির গাড়িবহরে হামলা ও ভাঙচুর হয়। হামলা থেকে বাঁচতে দলের মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম এবং মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী একটি ব্যাংকে আশ্রয় নেন। আজ ১৪৪ ধারার মধ্যে আহত নেতাকর্মীদের খোঁজ নিতে ও মামলা করতে যাওয়ার পথে পুলিশের বাধায় নাহিদ ইসলামসহ কেন্দ্রীয় নেতারা সড়কে অবস্থান নেন।
এর মধ্যেই হামলাকে ঘিরে ফেসবুকে সম্পাদিত ছবি, ভুল পরিচয় ও ভিন্ন দেশের ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। তবে ফ্যাক্টচেকে দাবিগুলোর সত্যতা পাওয়া যায়নি।
ফেসবুকে এনসিপি নেতা সারজিস আলমের একটি ছবি ছড়িয়ে পড়েছে। এতে দেখা যাচ্ছে, তাঁর এক হাত স্লিংয়ে ঝোলানো এবং কনুই থেকে কবজি পর্যন্ত মোটা ব্যান্ডেজ বা প্লাস্টার করা। একটি পায়ের নিচের অংশেও সাদা ব্যান্ডেজ বা প্লাস্টার। তিনি দুই পাশে দুটি ক্রাচে ভর দিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন।
স্ট্রিমের যাচাইয়ে দেখা গেছে, ছবিটি সম্পাদনা করা। সারজিস আলমের হাতে-পায়ে ব্যান্ডেজ, ক্রাচসহ এমন কোনো ছবি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়নি। (১,২)
অন্য একটি ভিডিওতে মারধরের শিকার ব্যক্তিকে এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী দাবি করা হয়েছে। তবে দ্য ডিসেন্টের যাচাইয়ে দেখা গেছে, ওই ব্যক্তি নাসীরুদ্দীন নন। তিনি এনসিপির হবিগঞ্জ জেলা শাখার সদস্যসচিব মাহবুবুল বারী মুবিন।
২৯ জুলাই ডেইলি বাংলাদেশ-এর ফেসবুক পেজে প্রকাশিত ভিডিওতে ওই ব্যক্তির চেহারা স্পষ্ট দেখা যায়। সেখানে তিনি কয়েকজনকে হামলা থেকে রক্ষার চেষ্টা করছিলেন। একপর্যায়ে তাঁর ওপর হামলা করা হয়।
২৮ জুলাই নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর পেজে প্রকাশিত আরেকটি ভিডিওতে সারজিস আলম আহত ব্যক্তিকে হবিগঞ্জ জেলা এনসিপির নেতা হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেন।
‘জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপি, সিলেট’ নামের ফেসবুক পেজে প্রকাশিত পোস্টেও আহত ব্যক্তিকে হবিগঞ্জ জেলা এনসিপির সদস্যসচিব মাহবুবুল বারী মুবিন বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
ফেসবুকে একটি ভিডিও ছড়িয়ে দাবি করা হয়েছে, হবিগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য জি কে গউছের বাসা লক্ষ্য করে এনসিপি এবং জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীরা হামলা চালাচ্ছেন।
তবে ডিসমিসল্যাবের ফ্যাক্টচেকে দেখা গেছে, ভিডিওটি হবিগঞ্জের নয়। এটি গত ২৮ জুলাই পাকিস্তান-অধ্যুষিত কাশ্মীরের মিরপুরে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিবর্ষণের। গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, কাশ্মীরে একটি শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভে পুলিশ গুলি চালালে বেশ কয়েকজন আহত হন।
.png)

বিশ্ববিদ্যালয় আইনে নির্দিষ্ট ধারা যুক্ত করে ফ্যাসিবাদের সমর্থক, রাষ্ট্রীয় সুবিধাভোগী ও জুলাই গণহত্যার সাফাই গাওয়া ব্যক্তিদের শিক্ষকতা নিষিদ্ধের আহ্বান জানিয়েছেন সাবেক তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলম।
১ ঘণ্টা আগে
ফেসবুকে মারধরের একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওর ক্যাপশনে দাবি করা হয়েছে, মারধরের শিকার ওই ব্যক্তি মতিঝিল থানা বিএনপির সভাপতি শিবলুর রহমান শিবু। তবে স্ট্রিমের যাচাইয়ে দেখা গেছে, ভিডিওটি ২৩ জুলাই পুরানা পল্টনে ছিনতাইয়ের চেষ্টার অভিযোগে আটক কেরামত আলীকে মারধরের ঘটনার।
২৬ জুলাই ২০২৬
শিক্ষাব্যবস্থার সংস্কার, প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় জবাবদিহি এবং শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন করছে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’। গত ২০ জুলাই দিল্লিতে সংসদ অভিমুখী পদযাত্রায় পুলিশের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের সংঘর্ষ হয়।
২৩ জুলাই ২০২৬
ফেসবুক পেজ ‘Global Times Live’ সম্প্রতি একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে। ভিডিওটির ক্যাপশনে লেখা, ‘নিজেদের গরু মহিষ নিয়ে দিল্লির পথে কৃষকরা।’ ভিডিওতে সড়কজুড়ে বিপুলসংখ্যক গরু এবং কিছু মানুষকে হাঁটতে দেখা যায়। ভিডিওটির ৬ সেকেন্ডে বাঁ পাশে ‘সোর্স–Kunal (এক্স)’ লেখা দেখা যায়।
২২ জুলাই ২০২৬