স্ট্রিম ডেস্ক

প্রথমে আলু সেদ্ধ করে নিতে হবে। আলুগুলো ঠান্ডা হলে খোসা ছাড়িয়ে ভালোভাবে চটকে নিতে হবে। তাতে প্রয়োজনমতো ময়দা মিশিয়ে নিতে হবে। আলু-ময়দা যথেষ্ট শক্ত হলে তা দিয়ে পুলি বা অন্য কোনো আকৃতি বানিয়ে নিয়ে, প্রতিটি পিঠার ভিতর কলাই-শুঁটির পুর ভরতে হবে।
কলাই-শুঁটির পুর তৈরি করতে হলে শুঁটিগুলো অল্প সেদ্ধ করে নিতে হবে। যদি দানাগুলো খুব নরম হয়, তবে মিহি করে পিষে বেটে নিতে হবে। এরপর পরিমাণমতো ঘি কড়াইয়ে গরম করে মৌরি, গোলমরিচের গুড়া এবং চটকানো শুঁটিগুলো তাতে ঢেলে দিতে হবে। অল্পক্ষণ নাড়াচাড়া করে নামিয়ে নিতে হবে। সবশেষে আগে থেকে প্রস্তুত করা পিঠার ভেতর পুর ভরে নিয়ে তা তেলে ভেজে নিতে হবে।

কমলালেবুর পিঠা (কমলালেবুর পিষ্টক)
এক পোয়া মাখন নিতে হবে। আধ পোয়া চিনির দানাতে দুটি লেবুর খোসা ঘষে তার হলদে অংশটা ফেলে দিতে হবে। এরপর সেই চিনিটা ভালোভাবে গুঁড়া করে ননির সঙ্গে মিশিয়ে নিতে হবে। এই মিশ্রণে একটু লবণ, এক পোয়া ময়দা এবং চারটি ডিমের কুসুম মেশাতে হবে।
এদিকে আধ পোয়া চিনির রসে কমলার খোসা পাকিয়ে নিয়ে কুচি কুচি করে নিতে হবে। সেই কুচিগুলো ডিমের সাদা অংশের সঙ্গে ভালোভাবে ফেটিয়ে আগে তৈরি করা মিশ্রণটিতে মেশাতে হবে। এরপর ইচ্ছামতো ছাঁচে সামান্য ঘি মেখে তাতে এই মিশ্রণ ঢেলে তার উপরে অল্প চিনি ছিটিয়ে দিতে হবে।
ছাঁচটি প্রায় দশ মিনিট আগুনের আঁচে রেখে দিতে হবে। তারপর নামিয়ে নিলেই তৈরি হয়ে গেলো কমলালেবুর পিঠা।

প্রথমে দুধে চিঁড়া ভিজিয়ে রাখতে হবে। চিঁড়া ভালোভাবে ভিজে ফুলে উঠলে এর সঙ্গে ছানা মিশিয়ে ভালোভাবে চটকে নিতে হবে। কেউ চাইলে চটকানোর বদলে বেটেও নিতে পারেন। এখন এই বাটা চিঁড়া দিয়ে পুলি-পিঠা তৈরি করে তার মধ্যে ক্ষীরের পুর দিতে হবে।
আমরা পরীক্ষা করে দেখেছি—বাদাম, পেস্তা, ছোট এলাচের দানা এবং মিছরির কুচি একসঙ্গে মিশিয়ে পুর দিলে স্বাদে তুলনামূলকভাবে বেশি মজাদার হয়। ইচ্ছে হলে এই পুরে দুই এক ফোঁটা গোলাপজলও মেশানো যেতে পারে।
পিঠায় পুর দেওয়ার পর সেটা ঘিয়ে ভেজে চিনির রসে ডুবিয়ে নিলেই তৈরি হয়ে গেলো চিঁড়ার পিঠা।

প্রথমে আলু সেদ্ধ করে নিতে হবে। আলুগুলো ঠান্ডা হলে খোসা ছাড়িয়ে ভালোভাবে চটকে নিতে হবে। তাতে প্রয়োজনমতো ময়দা মিশিয়ে নিতে হবে। আলু-ময়দা যথেষ্ট শক্ত হলে তা দিয়ে পুলি বা অন্য কোনো আকৃতি বানিয়ে নিয়ে, প্রতিটি পিঠার ভিতর কলাই-শুঁটির পুর ভরতে হবে।
কলাই-শুঁটির পুর তৈরি করতে হলে শুঁটিগুলো অল্প সেদ্ধ করে নিতে হবে। যদি দানাগুলো খুব নরম হয়, তবে মিহি করে পিষে বেটে নিতে হবে। এরপর পরিমাণমতো ঘি কড়াইয়ে গরম করে মৌরি, গোলমরিচের গুড়া এবং চটকানো শুঁটিগুলো তাতে ঢেলে দিতে হবে। অল্পক্ষণ নাড়াচাড়া করে নামিয়ে নিতে হবে। সবশেষে আগে থেকে প্রস্তুত করা পিঠার ভেতর পুর ভরে নিয়ে তা তেলে ভেজে নিতে হবে।

কমলালেবুর পিঠা (কমলালেবুর পিষ্টক)
এক পোয়া মাখন নিতে হবে। আধ পোয়া চিনির দানাতে দুটি লেবুর খোসা ঘষে তার হলদে অংশটা ফেলে দিতে হবে। এরপর সেই চিনিটা ভালোভাবে গুঁড়া করে ননির সঙ্গে মিশিয়ে নিতে হবে। এই মিশ্রণে একটু লবণ, এক পোয়া ময়দা এবং চারটি ডিমের কুসুম মেশাতে হবে।
এদিকে আধ পোয়া চিনির রসে কমলার খোসা পাকিয়ে নিয়ে কুচি কুচি করে নিতে হবে। সেই কুচিগুলো ডিমের সাদা অংশের সঙ্গে ভালোভাবে ফেটিয়ে আগে তৈরি করা মিশ্রণটিতে মেশাতে হবে। এরপর ইচ্ছামতো ছাঁচে সামান্য ঘি মেখে তাতে এই মিশ্রণ ঢেলে তার উপরে অল্প চিনি ছিটিয়ে দিতে হবে।
ছাঁচটি প্রায় দশ মিনিট আগুনের আঁচে রেখে দিতে হবে। তারপর নামিয়ে নিলেই তৈরি হয়ে গেলো কমলালেবুর পিঠা।

প্রথমে দুধে চিঁড়া ভিজিয়ে রাখতে হবে। চিঁড়া ভালোভাবে ভিজে ফুলে উঠলে এর সঙ্গে ছানা মিশিয়ে ভালোভাবে চটকে নিতে হবে। কেউ চাইলে চটকানোর বদলে বেটেও নিতে পারেন। এখন এই বাটা চিঁড়া দিয়ে পুলি-পিঠা তৈরি করে তার মধ্যে ক্ষীরের পুর দিতে হবে।
আমরা পরীক্ষা করে দেখেছি—বাদাম, পেস্তা, ছোট এলাচের দানা এবং মিছরির কুচি একসঙ্গে মিশিয়ে পুর দিলে স্বাদে তুলনামূলকভাবে বেশি মজাদার হয়। ইচ্ছে হলে এই পুরে দুই এক ফোঁটা গোলাপজলও মেশানো যেতে পারে।
পিঠায় পুর দেওয়ার পর সেটা ঘিয়ে ভেজে চিনির রসে ডুবিয়ে নিলেই তৈরি হয়ে গেলো চিঁড়ার পিঠা।

সাহিত্য সমালোচকদের মতে, ফররুখ আহমদ কাব্যের মাধ্যমে ইসলামি ভাবধারাকে এ দেশে প্রতিষ্ঠিত করতে চেয়েছিলেন। এজন্য তিনি রাষ্ট্রের কোনো আনুকূল্য পাননি। বরং তাঁকে শিকার হতে হয়েছে তীব্র প্রতিরোধ ও প্রতিহিংসার। তবুও ক্ষুরধার কলম থেমে থাকেনি।
৮ ঘণ্টা আগে
বরফভাঙা জাহাজে টানা আট দিনের এই রোমাঞ্চকর যাত্রায় তাঁরা ৮২ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশ অতিক্রম করেন। উত্তাল সমুদ্র আর কনকনে ঠান্ডার মাঝে ‘বরফের জঙ্গল’ পেরিয়ে তাঁরা বিরল অভিজ্ঞতার সাক্ষী হয়েছেন।
১১ ঘণ্টা আগে
আজ ৯ জুন, আন্তর্জাতিক আর্কাইভস দিবস। ইতিহাস ও ঐতিহ্যের স্মারকগুলো সংরক্ষণের গুরুত্ব সাধারণ মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দিতে প্রতিবছর বিশ্বজুড়ে দিবসটি পালন করা হয়। মূলত প্রাচীন নথি, দলিলাদি এবং আমাদের জাতীয় ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলো যাতে হারিয়ে না যায়, তা নিশ্চিত করাই এই দিবসটির মূল লক্ষ্য।
১ দিন আগে
বাংলাদেশের মানুষের কাছে রাজনীতি অত্যন্ত আকর্ষণীয় বিষয়। রাষ্ট্রের বিন্যাস আর গঠনকাঠামো বুঝতে চাওয়া পাঠকের সংখ্যা প্রচুর। এ ধরনের বিষয়কে কেন্দ্র করে প্রতি বছর বেশ কিছু বই প্রকাশিত হয়। তবে বিগত কয়েক দশকে রাজনীতিকে কেন্দ্র করেই বিশেষ বিষয়কেন্দ্রিক বই প্রকাশের প্রবণতা বেড়েছে। এই ধারাবাহিকতায় সাম্প্রতিক স
২ দিন আগে