কয়েক মিনিটের কাজ। অথচ দেখা যায়, ঘড়ির কাঁটা একের পর এক ঘর পেরিয়ে যাচ্ছে কিন্তু কাজটা আর করা হয়ে উঠছে না। জানি কী করতে হবে, জানি সময়ও লাগবে না। তবু কাজটা পড়ে থাকে। এই ‘পরে করব সিনড্রোম’ কি কোনো রোগ? কেন কয়েক মিনিটের কাজও আমরা ঘণ্টার পর ঘণ্টা ফেলে রাখি?
রাতুল আল আহমেদ

কয়েক মিনিটের কাজ। অথচ দেখা যায়, ঘড়ির কাঁটা একের পর এক ঘর পেরিয়ে যাচ্ছে কিন্তু কাজটা আর করা হয়ে উঠছে না। ই-মেইলের উইন্ডো খোলা থাকে ঠিকই, কিন্তু ‘সেন্ড’ বাটনে ক্লিক করা আর হয়ে ওঠে না। আবার ফাইলটা ড্রাফটেই পড়ে থাকে।
বাইরে থেকে দেখলে পুরো ব্যাপারটা বেশ হাস্যকরই মনে হতে পারে। এত সহজ কাজ, এতটুকু সময়, তবু কেন যেন হাত এগোয় না। নিজের কাছেই ব্যাপারটা অস্বস্তিকর লাগে। মনে হতে পারে, সমস্যাটা বুঝি শুধু আমারই। হয়তো আমি অলস, হয়তো অকারণেই কাজ ফেলে রাখি, হয়তো মনোযোগ কমে গেছে, বা নিজের ওপর নিয়ন্ত্রণ নেই।
কিন্তু সত্যি বলতে এই অভিজ্ঞতা একা কারো নয়, বহু মানুষেরই চেনা বাস্তবতা। অফিসে, বাড়িতে, পড়ার টেবিলে, এমনকি ফোনের নোটিফিকেশনের মধ্যেও বহু মানুষ একই রকমভাবে আটকে থাকছে। যেমন আমার ক্ষেত্রে, জানি কী করতে হবে, তবু শুরু করতে বা শেষ করতে এক অদ্ভুত দ্বিধা।
আমরা সাধারণত একে ‘প্রোক্র্যাস্টিনেশন’ বলে চালিয়ে দিই। শব্দটা শুনলেই মনে হয়, এটা বুঝি অলসতা বা দায়িত্বজ্ঞানহীনতার ফল। কিন্তু বিজ্ঞানীরা বিষয়টাকে এত সরলভাবে দেখেন না। কয়েক দশকের গবেষণা বলছে, সহজ কাজ ফেলে রাখার ক্ষেত্রে কাজটি সহজ নাকি কঠিন সেটি তেমন একটা গুরুত্বপূর্ণ নয়। বেশিরভাগ সময় এর পেছনে কাজ করে মানুষের মন।
মনোবিজ্ঞানের ভাষায় প্রোক্র্যাস্টিনেশন মানে জেনে-বুঝেই কোনো কাজ পিছিয়ে দেওয়া, যদিও জানা থাকে যে দেরি করলে পরিস্থিতি আরো জটিল হবে। শুনতে অদ্ভুত লাগলেও আমরা অনেকে ঠিক এ কাজটাই করি। নিজের ক্ষতি জেনেও কাজ ফেলে রাখি। অর্থাৎ, এখানে যুক্তির চেয়ে আবেগের ভূমিকা বেশি।
গবেষক টিমোথি পাইচিল ও ফুশিয়া সিরোইস বলছেন, প্রোক্র্যাস্টিনেশন আসলে সময় ব্যবস্থাপনার সমস্যা নয়। বরং এটি আবেগ নিয়ন্ত্রণের সমস্যা। মানুষ কাজকে ভয় পায় না, ভয় পায় কাজের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা অনুভূতিগুলোকে। একঘেয়েমি, অস্বস্তি, উদ্বেগ কিংবা অন্যের চোখে কেমন দেখাবে সেই ভয়। কাজটি সহজ হলেও এই অনুভূতিগুলো সহজ নয়।

যেমন ই-মেইলের কথাই ধরা যাক। লিখতে সময় লাগবে হয়তো দুই মিনিট। কিন্তু সেটি পাঠানো মানে একটি সিদ্ধান্ত নেওয়া, কারও সঙ্গে যোগাযোগ করা, হয়ত কোনো প্রতিক্রিয়ার মুখোমুখি হওয়া। কাজটি শেষ করলেই সেই অনুভূতির মুখোমুখি হতে হবে। তাই মস্তিষ্ক অবচেতনভাবে বলে ওঠে, এখন না, একটু পরে। এই ‘একটু পরে’ বলার মধ্যেই লুকিয়ে থাকে সাময়িক স্বস্তি।
মানুষের মস্তিষ্ক এমনভাবেই গড়া যে তা দূরের লাভের চেয়ে কাছের আরামকে বেশি গুরুত্ব দেয়। পিয়ার্স স্টিলের প্রস্তাবিত টেম্পোরাল মোটিভেশন থিওরি এই বিষয়টি ব্যাখ্যা করে।
এই তত্ত্ব অনুযায়ী কোনো কাজ করার অনুপ্রেরণা নির্ভর করে কাজটি শেষ করলে কী পাওয়া যাবে, সেটা পাওয়া কতটা নিশ্চিত, সেটা পেতে কত দেরি হবে এবং মানুষটি কতটা চঞ্চল। সহজ কাজের ক্ষেত্রেও সমস্যা হলো, কাজ শেষ করার পুরস্কার প্রায়ই স্পষ্ট নয়। হয়তো কেউ বাহবা দেবে না, কোনো দৃশ্যমান পরিবর্তন হবে না। অথচ ফোনে স্ক্রল করলে সঙ্গে সঙ্গে কিছু না কিছু পাওয়া যায়। তাই মস্তিষ্ক ছোট আরামটুকুই বেছে নেয়।
মজার ব্যাপার হলো, প্রোক্র্যাস্টিনেশনে ভোগা মানুষ এসব জানে। তাঁরা জানে কাজ ফেলে রাখলে চাপ বাড়বে। কিন্তু জ্ঞান দিয়ে আবেগকে ঠেকানো যায় না। সিদ্ধান্তের মুহূর্তে যুক্তির কণ্ঠস্বর চাপা পড়ে যায় অনুভূতির নিচে।
এখানে আরেকটি সূক্ষ্ম বিষয় কাজ করে। কিছু ক্ষেত্রে কাজ শেষ হওয়ার মানে হলো সমাপ্তি। সমাপ্তি মানে ফলাফল সামনে আনা। অসমাপ্ত কাজের ক্ষেত্রে সবসময় বলা যায়, আরো একটু ঠিক করব। কিন্তু শেষ করা মানে আর কোনো অজুহাত নেই। গবেষণা বলছে, পারফেকশনিজমের সঙ্গে দীর্ঘসূত্রতার গভীর সম্পর্ক আছে।
এর সঙ্গে যুক্ত হয় আধুনিক জীবনের মানসিক চাপ। একসঙ্গে অনেক কাজ, বারবার মনোযোগ বদলানো, নোটিফিকেশন আর মিটিংয়ের ভিড়ে মস্তিষ্ক ক্লান্ত হয়ে পড়ে। এমন অবস্থায় ছোট কাজও ভারী মনে হয়। বিশেষ করে যখন কাজ শেষ করলেও মাথার ওপর থেকে চাপ কমবে এমন কোনো স্পষ্ট অনুভূতি আসে না।
অথচ এই অসমাপ্ত কাজগুলো মনের ভেতর বসে থাকে। মনোবিজ্ঞানী ব্লুমা জাইগারনিক তাঁর গবেষণার ফলাফলে দেখেন মানুষ অসম্পূর্ণ কাজ সম্পন্ন কাজের চেয়ে বেশি মনে রাখে। এই অসম্পূর্ণতা এক ধরনের অস্বস্তি তৈরি করে, যা কাজে ঝাঁপিয়ে পড়ার বদলে উল্টো কাজ এড়িয়ে চলাকে বাড়িয়ে দিতে পারে।
সবশেষে ডেডলাইনের কথা আসেই। সময়সীমা মানুষের মস্তিষ্ককে নড়াচড়া করতে বাধ্য করে। তবে সেই সময়সীমার বাস্তব অর্থ থাকতে হয়। অন্যের কাছে করা প্রতিশ্রুতি তাই বেশি কাজ করে। শেষে বলা যায়, সহজ কাজ ফেলে রাখা কোনো চরিত্রগত ত্রুটি নয়। এটি মানুষের মনের স্বাভাবিক কাজ করার পদ্ধতির ফল। আমরা যদি এটিকে সেই চোখে দেখি, তাহলে নিজের ওপর রাগ করার বদলে বোঝার সুযোগ তৈরি হয়।
হয়ত প্রশ্নটা এই নয় যে মানুষ কেন সহজ কাজ শেষ করে না। প্রশ্নটা বরং এই যে আধুনিক জীবন কেন সহজ কাজকেও মানসিকভাবে এত ভারী করে তোলে। সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে পারলেই, কাজ আর মনের মধ্যে এই অদ্ভুত দূরত্বটা একটু হলেও কমানো যাবে।

কয়েক মিনিটের কাজ। অথচ দেখা যায়, ঘড়ির কাঁটা একের পর এক ঘর পেরিয়ে যাচ্ছে কিন্তু কাজটা আর করা হয়ে উঠছে না। ই-মেইলের উইন্ডো খোলা থাকে ঠিকই, কিন্তু ‘সেন্ড’ বাটনে ক্লিক করা আর হয়ে ওঠে না। আবার ফাইলটা ড্রাফটেই পড়ে থাকে।
বাইরে থেকে দেখলে পুরো ব্যাপারটা বেশ হাস্যকরই মনে হতে পারে। এত সহজ কাজ, এতটুকু সময়, তবু কেন যেন হাত এগোয় না। নিজের কাছেই ব্যাপারটা অস্বস্তিকর লাগে। মনে হতে পারে, সমস্যাটা বুঝি শুধু আমারই। হয়তো আমি অলস, হয়তো অকারণেই কাজ ফেলে রাখি, হয়তো মনোযোগ কমে গেছে, বা নিজের ওপর নিয়ন্ত্রণ নেই।
কিন্তু সত্যি বলতে এই অভিজ্ঞতা একা কারো নয়, বহু মানুষেরই চেনা বাস্তবতা। অফিসে, বাড়িতে, পড়ার টেবিলে, এমনকি ফোনের নোটিফিকেশনের মধ্যেও বহু মানুষ একই রকমভাবে আটকে থাকছে। যেমন আমার ক্ষেত্রে, জানি কী করতে হবে, তবু শুরু করতে বা শেষ করতে এক অদ্ভুত দ্বিধা।
আমরা সাধারণত একে ‘প্রোক্র্যাস্টিনেশন’ বলে চালিয়ে দিই। শব্দটা শুনলেই মনে হয়, এটা বুঝি অলসতা বা দায়িত্বজ্ঞানহীনতার ফল। কিন্তু বিজ্ঞানীরা বিষয়টাকে এত সরলভাবে দেখেন না। কয়েক দশকের গবেষণা বলছে, সহজ কাজ ফেলে রাখার ক্ষেত্রে কাজটি সহজ নাকি কঠিন সেটি তেমন একটা গুরুত্বপূর্ণ নয়। বেশিরভাগ সময় এর পেছনে কাজ করে মানুষের মন।
মনোবিজ্ঞানের ভাষায় প্রোক্র্যাস্টিনেশন মানে জেনে-বুঝেই কোনো কাজ পিছিয়ে দেওয়া, যদিও জানা থাকে যে দেরি করলে পরিস্থিতি আরো জটিল হবে। শুনতে অদ্ভুত লাগলেও আমরা অনেকে ঠিক এ কাজটাই করি। নিজের ক্ষতি জেনেও কাজ ফেলে রাখি। অর্থাৎ, এখানে যুক্তির চেয়ে আবেগের ভূমিকা বেশি।
গবেষক টিমোথি পাইচিল ও ফুশিয়া সিরোইস বলছেন, প্রোক্র্যাস্টিনেশন আসলে সময় ব্যবস্থাপনার সমস্যা নয়। বরং এটি আবেগ নিয়ন্ত্রণের সমস্যা। মানুষ কাজকে ভয় পায় না, ভয় পায় কাজের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা অনুভূতিগুলোকে। একঘেয়েমি, অস্বস্তি, উদ্বেগ কিংবা অন্যের চোখে কেমন দেখাবে সেই ভয়। কাজটি সহজ হলেও এই অনুভূতিগুলো সহজ নয়।

যেমন ই-মেইলের কথাই ধরা যাক। লিখতে সময় লাগবে হয়তো দুই মিনিট। কিন্তু সেটি পাঠানো মানে একটি সিদ্ধান্ত নেওয়া, কারও সঙ্গে যোগাযোগ করা, হয়ত কোনো প্রতিক্রিয়ার মুখোমুখি হওয়া। কাজটি শেষ করলেই সেই অনুভূতির মুখোমুখি হতে হবে। তাই মস্তিষ্ক অবচেতনভাবে বলে ওঠে, এখন না, একটু পরে। এই ‘একটু পরে’ বলার মধ্যেই লুকিয়ে থাকে সাময়িক স্বস্তি।
মানুষের মস্তিষ্ক এমনভাবেই গড়া যে তা দূরের লাভের চেয়ে কাছের আরামকে বেশি গুরুত্ব দেয়। পিয়ার্স স্টিলের প্রস্তাবিত টেম্পোরাল মোটিভেশন থিওরি এই বিষয়টি ব্যাখ্যা করে।
এই তত্ত্ব অনুযায়ী কোনো কাজ করার অনুপ্রেরণা নির্ভর করে কাজটি শেষ করলে কী পাওয়া যাবে, সেটা পাওয়া কতটা নিশ্চিত, সেটা পেতে কত দেরি হবে এবং মানুষটি কতটা চঞ্চল। সহজ কাজের ক্ষেত্রেও সমস্যা হলো, কাজ শেষ করার পুরস্কার প্রায়ই স্পষ্ট নয়। হয়তো কেউ বাহবা দেবে না, কোনো দৃশ্যমান পরিবর্তন হবে না। অথচ ফোনে স্ক্রল করলে সঙ্গে সঙ্গে কিছু না কিছু পাওয়া যায়। তাই মস্তিষ্ক ছোট আরামটুকুই বেছে নেয়।
মজার ব্যাপার হলো, প্রোক্র্যাস্টিনেশনে ভোগা মানুষ এসব জানে। তাঁরা জানে কাজ ফেলে রাখলে চাপ বাড়বে। কিন্তু জ্ঞান দিয়ে আবেগকে ঠেকানো যায় না। সিদ্ধান্তের মুহূর্তে যুক্তির কণ্ঠস্বর চাপা পড়ে যায় অনুভূতির নিচে।
এখানে আরেকটি সূক্ষ্ম বিষয় কাজ করে। কিছু ক্ষেত্রে কাজ শেষ হওয়ার মানে হলো সমাপ্তি। সমাপ্তি মানে ফলাফল সামনে আনা। অসমাপ্ত কাজের ক্ষেত্রে সবসময় বলা যায়, আরো একটু ঠিক করব। কিন্তু শেষ করা মানে আর কোনো অজুহাত নেই। গবেষণা বলছে, পারফেকশনিজমের সঙ্গে দীর্ঘসূত্রতার গভীর সম্পর্ক আছে।
এর সঙ্গে যুক্ত হয় আধুনিক জীবনের মানসিক চাপ। একসঙ্গে অনেক কাজ, বারবার মনোযোগ বদলানো, নোটিফিকেশন আর মিটিংয়ের ভিড়ে মস্তিষ্ক ক্লান্ত হয়ে পড়ে। এমন অবস্থায় ছোট কাজও ভারী মনে হয়। বিশেষ করে যখন কাজ শেষ করলেও মাথার ওপর থেকে চাপ কমবে এমন কোনো স্পষ্ট অনুভূতি আসে না।
অথচ এই অসমাপ্ত কাজগুলো মনের ভেতর বসে থাকে। মনোবিজ্ঞানী ব্লুমা জাইগারনিক তাঁর গবেষণার ফলাফলে দেখেন মানুষ অসম্পূর্ণ কাজ সম্পন্ন কাজের চেয়ে বেশি মনে রাখে। এই অসম্পূর্ণতা এক ধরনের অস্বস্তি তৈরি করে, যা কাজে ঝাঁপিয়ে পড়ার বদলে উল্টো কাজ এড়িয়ে চলাকে বাড়িয়ে দিতে পারে।
সবশেষে ডেডলাইনের কথা আসেই। সময়সীমা মানুষের মস্তিষ্ককে নড়াচড়া করতে বাধ্য করে। তবে সেই সময়সীমার বাস্তব অর্থ থাকতে হয়। অন্যের কাছে করা প্রতিশ্রুতি তাই বেশি কাজ করে। শেষে বলা যায়, সহজ কাজ ফেলে রাখা কোনো চরিত্রগত ত্রুটি নয়। এটি মানুষের মনের স্বাভাবিক কাজ করার পদ্ধতির ফল। আমরা যদি এটিকে সেই চোখে দেখি, তাহলে নিজের ওপর রাগ করার বদলে বোঝার সুযোগ তৈরি হয়।
হয়ত প্রশ্নটা এই নয় যে মানুষ কেন সহজ কাজ শেষ করে না। প্রশ্নটা বরং এই যে আধুনিক জীবন কেন সহজ কাজকেও মানসিকভাবে এত ভারী করে তোলে। সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে পারলেই, কাজ আর মনের মধ্যে এই অদ্ভুত দূরত্বটা একটু হলেও কমানো যাবে।

বয়সের সঙ্গে সঙ্গে শুধু শরীর নয়, মস্তিষ্কও ধীরে ধীরে দুর্বল হয়ে পড়ে। কমে যায় স্মৃতিশক্তি, ভুলে যাওয়ার প্রবণতা বাড়ে। তবে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। বিজ্ঞানীরা বলছেন, কিছু সহজ অভ্যাস মেনে চললে এই ঝুঁকি অনেকটাই কমানো যায়।
৪ ঘণ্টা আগে
জেনে অবাক হবেন যে ১০০-১৫০ বছর আগে বৃহত্তর ঢাকায় অর্ধেকের বেশি মৃত্যুর কারণ হিসেবে লেখা হতো শুধু ‘জ্বর’। চৌকিদারের খাতায় গড়মিল পরিসংখ্যান, দূষিত পানি, ভয়াবহ কলেরা আর সীমিত চিকিৎসা মিলিয়ে কেমন ছিল সেই সময়ের জনস্বাস্থ্য? ১৯১২ সালে প্রকাশিত বি সি অ্যালান-এর ‘ইস্টার্ন বেঙ্গল ডিস্ট্রিক্ট গেজেটিয়ার (ঢাকা)
৫ ঘণ্টা আগে
অ্যালার্ম দেওয়ার জন্য ফোনটা হাতে নিতেই ভাবি, ‘আচ্ছা, একটু রিলস দেখি… মাত্র পাঁচ মিনিট।’ তারপর কী হয়? পাঁচ মিনিট কখন যে এক ঘণ্টা হয়ে যায়, বুঝতেই পারি না। যখন হুঁশ ফেরে, দেখি রাত অনেক হয়ে গেছে।
৯ ঘণ্টা আগে
নির্মাতা নূরুল আলম আতিকের সঙ্গে কথোপকথনে উঠে এসেছে তাঁর শুরুর দিন, তারেক মাসুদের সঙ্গে পরিচয়, এনালগ থেকে ডিজিটাল হয়ে ওঠার সময়ের অভিজ্ঞতা এবং বর্তমানের এআই যুগ নিয়ে ভাবনা। একই সঙ্গে তিনি নতুন নির্মাতাদের জন্যও একটি কথা মনে করিয়ে দেন—নিজের মাটির গল্প, নিজের ভাষায় বলার সাহসই সবচেয়ে জরুরি। ঢাকা স্ট্রিমে
১ দিন আগে