বিশ্বকাপের নক্ষত্র–৯
স্পোর্টস ডেস্ক

বর্তমান ফুটবলের অন্যতম সেরা ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার হিসেবে রদ্রির নাম সবার আগে আসে। মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ থেকে প্রতিপক্ষের আক্রমণ নস্যাতে তাঁর জুড়ি মেলা ভার। নিখুঁত পাসিংয়ে দলের আক্রমণের রূপরেখা তৈরিতেও রদ্রি অতুলনীয়। ফুটবল বিশ্বে রদ্রিকে ‘মেট্রোনম’ বলা হয়। যে খেলোয়াড়ের ছন্দে নিয়ন্ত্রিত হয় দলের জয়ের নকশা।
২৯ বছর বয়সী রদ্রিগো হার্নান্দেজ ক্যাসকান্তে ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার হিসেবে খেলেন। ফুটবল বিশ্বে রদ্রি নামেই বেশি পরিচিত। ক্লাব ও জাতীয় দল উভয় জায়গাতেই আইকনিক ১৬ নম্বর জার্সি পরেন। বর্তমানে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের অন্যতম সফল ক্লাব ম্যানচেস্টার সিটির হয়ে মাঝমাঠের নেতৃত্ব দেন।
রদ্রির ভূয়সী প্রশংসা করে ম্যান সিটির কোচ পেপ গার্দিওলা বলেন, ‘রদ্রি এই মুহূর্তে বিশ্বের সেরা হোল্ডিং মিডফিল্ডার। খেলা বোঝা, ট্যাকল, পাসিং ও পজিশনিংয়ে অনন্য। সে না থাকলে ম্যানচেস্টার সিটি অসম্পূর্ণ মনে হয়।’
ম্যানচেস্টার সিটির হয়ে রদ্রি এ পর্যন্ত টানা চারবার ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ জয় করেছেন। ২০২২-২৩ মৌসুমে ক্লাবটির ইতিহাসের প্রথম উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগ জয়ে মূল নায়ক তিনি। ওই মৌসুমে ঐতিহাসিক ‘ট্রেবল’ জয়েও ছিল তাঁর অবদান।
ম্যানচেস্টার সিটির হয়ে তিনি উয়েফা সুপার কাপ ও ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপও জিতেছেন। এই স্প্যানিশ মিডফিল্ডার ২০২৪ সালে সম্মানজনক ‘ব্যালন ডি’অর’ জয় করেন। ১৯৯০ সালে লোথার ম্যাথাউসের পর রদ্রি প্রথম ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার হিসেবে এই পুরস্কার জেতেন।

স্পেনের হয়ে ২০২৪ উয়েফা ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপ জেতেন। ওই টুর্নামেন্টে সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হন রদ্রি। এর আগে চ্যাম্পিয়নস লিগের ২০২২-২৩ মৌসুমে বর্ষসেরা খেলোয়াড় ছিলেন তিনি।
সিটির হয়ে এ পর্যন্ত ২৯৮ ম্যাচ খেলে ২৮ গোল আর ৩২ অ্যাসিস্ট রয়েছে তাঁর ঝুলিতে। দেশের হয়ে ৬১ ম্যাচে ৪ গোল আর ৩ অ্যাসিস্ট করেছেন।
ম্যানসিটিতে আসার আগে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের হয়ে উয়েফা সুপার কাপ জিতেছেন।
২০২৩ সালে স্পেনের হয়ে উয়েফা নেশনস লিগ শিরোপাও ঘরে তুলেছেন। নির্বাচিত হন ফাইনালের সেরা খেলোয়াড়।
স্পেনের সোনালি প্রজন্মের তিন তারকা বুসকেতস, জাভি ও ইনিয়েস্তাদের যোগ্য উত্তরসূরি হিসেবে এখন রদ্রিকে বিবেচনা করা হয়।
২০২৬ বিশ্বকাপ রদ্রির ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় বিশ্বকাপ। তরুণদের নিয়ে ২০২৬ সালের বিশ্বমঞ্চে স্পেনকে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বচ্যাম্পিয়ন করার গুরুদায়িত্ব তার কাঁধেই।
২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে আর্সেনালের বিপক্ষে ম্যাচে এসিএল ইনজুরিতে পড়েন তিনি। দীর্ঘ সময়ের জন্য চলে যেতে হয় মাঠের বাইরে। তবে ২০২৬ বিশ্বকাপের আগেই সম্পূর্ণ ফিট হয়ে স্পেনের মাঝমাঠের নেতৃত্ব দেবেন বলে চিকিৎসকরা আশাবাদী। তাঁর প্রত্যাবর্তনের ওপর স্পেনের বিশ্বকাপ স্বপ্ন অনেকাংশে নির্ভর করছে।

২০২২-২৩ উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনালে তাঁর দূরপাল্লার গোলেই ম্যানচেস্টার সিটি প্রথম চ্যাম্পিয়নস লিগ জয়ের স্বাদ পেয়েছিল। স্পেন সমর্থকদের আশা এবারের বিশ্বকাপেও রদ্রি ম্যাজিক দেখিয়ে স্পেনের ক্যাবিনেটে দ্বিতীয় শিরোপা তুলবেন।
ক্লাব ও জাতীয় দল মিলিয়ে টানা ৭৪ ম্যাচে অপরাজিত থাকার অনন্য কীর্তি রয়েছে রদ্রির।

বর্তমান ফুটবলের অন্যতম সেরা ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার হিসেবে রদ্রির নাম সবার আগে আসে। মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ থেকে প্রতিপক্ষের আক্রমণ নস্যাতে তাঁর জুড়ি মেলা ভার। নিখুঁত পাসিংয়ে দলের আক্রমণের রূপরেখা তৈরিতেও রদ্রি অতুলনীয়। ফুটবল বিশ্বে রদ্রিকে ‘মেট্রোনম’ বলা হয়। যে খেলোয়াড়ের ছন্দে নিয়ন্ত্রিত হয় দলের জয়ের নকশা।
২৯ বছর বয়সী রদ্রিগো হার্নান্দেজ ক্যাসকান্তে ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার হিসেবে খেলেন। ফুটবল বিশ্বে রদ্রি নামেই বেশি পরিচিত। ক্লাব ও জাতীয় দল উভয় জায়গাতেই আইকনিক ১৬ নম্বর জার্সি পরেন। বর্তমানে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের অন্যতম সফল ক্লাব ম্যানচেস্টার সিটির হয়ে মাঝমাঠের নেতৃত্ব দেন।
রদ্রির ভূয়সী প্রশংসা করে ম্যান সিটির কোচ পেপ গার্দিওলা বলেন, ‘রদ্রি এই মুহূর্তে বিশ্বের সেরা হোল্ডিং মিডফিল্ডার। খেলা বোঝা, ট্যাকল, পাসিং ও পজিশনিংয়ে অনন্য। সে না থাকলে ম্যানচেস্টার সিটি অসম্পূর্ণ মনে হয়।’
ম্যানচেস্টার সিটির হয়ে রদ্রি এ পর্যন্ত টানা চারবার ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ জয় করেছেন। ২০২২-২৩ মৌসুমে ক্লাবটির ইতিহাসের প্রথম উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগ জয়ে মূল নায়ক তিনি। ওই মৌসুমে ঐতিহাসিক ‘ট্রেবল’ জয়েও ছিল তাঁর অবদান।
ম্যানচেস্টার সিটির হয়ে তিনি উয়েফা সুপার কাপ ও ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপও জিতেছেন। এই স্প্যানিশ মিডফিল্ডার ২০২৪ সালে সম্মানজনক ‘ব্যালন ডি’অর’ জয় করেন। ১৯৯০ সালে লোথার ম্যাথাউসের পর রদ্রি প্রথম ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার হিসেবে এই পুরস্কার জেতেন।

স্পেনের হয়ে ২০২৪ উয়েফা ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপ জেতেন। ওই টুর্নামেন্টে সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হন রদ্রি। এর আগে চ্যাম্পিয়নস লিগের ২০২২-২৩ মৌসুমে বর্ষসেরা খেলোয়াড় ছিলেন তিনি।
সিটির হয়ে এ পর্যন্ত ২৯৮ ম্যাচ খেলে ২৮ গোল আর ৩২ অ্যাসিস্ট রয়েছে তাঁর ঝুলিতে। দেশের হয়ে ৬১ ম্যাচে ৪ গোল আর ৩ অ্যাসিস্ট করেছেন।
ম্যানসিটিতে আসার আগে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের হয়ে উয়েফা সুপার কাপ জিতেছেন।
২০২৩ সালে স্পেনের হয়ে উয়েফা নেশনস লিগ শিরোপাও ঘরে তুলেছেন। নির্বাচিত হন ফাইনালের সেরা খেলোয়াড়।
স্পেনের সোনালি প্রজন্মের তিন তারকা বুসকেতস, জাভি ও ইনিয়েস্তাদের যোগ্য উত্তরসূরি হিসেবে এখন রদ্রিকে বিবেচনা করা হয়।
২০২৬ বিশ্বকাপ রদ্রির ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় বিশ্বকাপ। তরুণদের নিয়ে ২০২৬ সালের বিশ্বমঞ্চে স্পেনকে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বচ্যাম্পিয়ন করার গুরুদায়িত্ব তার কাঁধেই।
২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে আর্সেনালের বিপক্ষে ম্যাচে এসিএল ইনজুরিতে পড়েন তিনি। দীর্ঘ সময়ের জন্য চলে যেতে হয় মাঠের বাইরে। তবে ২০২৬ বিশ্বকাপের আগেই সম্পূর্ণ ফিট হয়ে স্পেনের মাঝমাঠের নেতৃত্ব দেবেন বলে চিকিৎসকরা আশাবাদী। তাঁর প্রত্যাবর্তনের ওপর স্পেনের বিশ্বকাপ স্বপ্ন অনেকাংশে নির্ভর করছে।

২০২২-২৩ উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনালে তাঁর দূরপাল্লার গোলেই ম্যানচেস্টার সিটি প্রথম চ্যাম্পিয়নস লিগ জয়ের স্বাদ পেয়েছিল। স্পেন সমর্থকদের আশা এবারের বিশ্বকাপেও রদ্রি ম্যাজিক দেখিয়ে স্পেনের ক্যাবিনেটে দ্বিতীয় শিরোপা তুলবেন।
ক্লাব ও জাতীয় দল মিলিয়ে টানা ৭৪ ম্যাচে অপরাজিত থাকার অনন্য কীর্তি রয়েছে রদ্রির।

বিশ্বকাপ ফুটবলের উন্মাদনার মধ্যেই আইনি গ্যাঁড়াকলে পড়তে যাচ্ছে আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এএফএ)। সংস্থাটির আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক চুক্তি এবং আর্থিক লেনদেনের অনিয়মের অভিযোগের তদন্ত শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআই এবং মার্কিন ফেডারেল প্রসিকিউটররা।
১৭ ঘণ্টা আগে
কানাডার ভ্যানকুভারের বিসি প্লেস স্টেডিয়ামে ১২০ মিনিট ধরে গোলরক্ষকদের দৃঢ়তায় গোলশূন্য ছিল কলম্বিয়া-সুইজারল্যান্ডের লড়াই। শেষ পর্যন্ত ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ হয় টাইব্রেকারে। সেখানে কলম্বিয়াকে ৪-৩ গোলে হারিয়ে ৭২ বছর পর বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে সুইজারল্যান্ড।
০৮ জুলাই ২০২৬
দুই গোলে পিছিয়ে থেকেও মাত্র ১৩ মিনিটের অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনে মিসরকে ৩-২ গোলে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করেছে আর্জেন্টিনা। ঘটনাবহুল এই ম্যাচে পেনাল্টি মিসে করেছেন মেসি। পাশাপাশি, বাজে রেফারিংয়ের অভিযোগ এনেছে মিসর। শেষ আটে আগামী ১২ জুলাই আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ সুইজারল্যান্ড।
০৮ জুলাই ২০২৬
বিশ্বকাপের শেষ ১৬-এর ম্যাচে প্রথমার্ধে ১-০ গোলে পিছিয়ে আছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। ১৪ মিনিটে ইয়াসির ইব্রাহিমের হেডে এগিয়ে যায় মিসর। এরপর ২১ মিনিটে আর্জেন্টাইন অধিনায়ক লিওনেল মেসি পেনাল্টি মিস করে সমতায় ফেরার সুযোগ হারান।
০৭ জুলাই ২০২৬