ফাবিহা বিনতে হক

সকালবেলায় ঘুম ভাঙার পরেই আমাদের হাত চলে যায় স্মার্টফোনে। নিউজফিড খুললেই চোখের সামনে ভেসে আসে একের পর এক খারাপ খবর। কোথাও মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটেছে, কোথাও যুদ্ধ, আবার কোথাও ভয়ংকর কোনো অপরাধের খবর।
এসব খবর পড়তে পড়তে মনে অস্বস্তি তৈরি হয়। তবু আমরা ফোনটা সরিয়ে রাখতে পারি না। খারাপ খবরের এই অন্তহীন স্ক্রল করার অভ্যাসকেই বিজ্ঞানের ভাষায় বলা হয় ‘ডুমস্ক্রলিং’।
ইন্টারনেটে নেতিবাচক বা হতাশাজনক খবর পড়ার প্রতি আকর্ষণকেই বলা হয় ‘ডুমস্ক্রলিং’। এই শব্দটি কে প্রথম ব্যবহার করেছেন তা নিয়ে কিছুটা বিতর্ক আছে। ২০১৮ সালের দিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টুইটারে এই শব্দের ব্যবহার শুরু হয়। তবে ২০২০ সালে এই শব্দটি বিশ্বজুড়ে পরিচিতি পায়। ‘কারেন কে হো’ নামের একজন সাংবাদিক শব্দটিকে জনপ্রিয় করে তোলেন।
দুঃসংবাদ বা খারাপ খবর আমাদের মন খারাপ করে দিলেও অনেক সময় মানুষ জেনে-বুঝেই এমন খবর খোঁজে। একবার এই ধরনের খবর পড়া শুরু করলে অ্যালগরিদমও আপনাকে একই ধরনের আরও খবর দেখাতে থাকে। এসব পড়ে হয়ত মন বিষণ্ণও হয়ে যায়। কিন্তু তারপরও স্ক্রল থামে না।

গত কয়েক বছরে এই প্রবণতা অনেক বেড়েছে। ডিকিন ইউনিভার্সিটির গবেষক কেট ম্যানেল উল্লেখ করেন, করোনা মহামারির সময় মানুষের হাতে অনেক অবসর ছিল। তখন নিউজফিড খুললেই চোখে পড়ত মৃত্যু আর সংকটের খবর। ইতিবাচক খবর প্রায় অনুপস্থিত ছিল। এই পরিস্থিতিই অনেকের মধ্যে ডুমস্ক্রলিং-এর অভ্যাস আরও বাড়িয়ে দেয়।
এই অভ্যাসের পেছনে মানুষের মস্তিষ্কের একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য কাজ করে। বিজ্ঞানের ভাষায় একে ‘নেগেটিভিটি বায়াস’ বলা হয়। এর মানে হলো, আমাদের মন ভালো খবরের চেয়ে খারাপ খবরের প্রতি বেশি আকৃষ্ট হয়।
কেন এমন হয়, এর উত্তর লুকিয়ে আছে মানুষের বিবর্তনের ইতিহাসে। আদিম যুগে মানুষকে প্রতিনিয়ত অনেক বিপদের মাঝে টিকে থাকতে হতো। তখন কোথায় মজাদার ফল পেকেছে, এই সংবাদের চেয়ে কোথায় হিংস্র প্রাণী লুকিয়ে আছে তা মনে রাখা বেশি জরুরি ছিল। মস্তিষ্ক সেই আদিম যুগ থেকেই বিপদকে সবার আগে গুরুত্ব দিতে শিখেছে।
গবেষকরা বলছেন, আমাদের মস্তিষ্ক আজও সেই পুরোনো নিয়মে কাজ করে। মস্তিষ্কের ভেতরে ‘অ্যামিগডালা’ নামে বিশেষ অংশ আছে। এটা মূলত বিপদসংকেত ধরার অ্যালার্ম হিসেবে কাজ করে। আমরা যখন কোনো নেতিবাচক খবর দেখি, তখন মস্তিষ্কের অ্যামিগডালা অংশটি সঙ্গে সঙ্গে সক্রিয় হয়ে ওঠে। মস্তিষ্ক মনে করে, আমাদের আশপাশেই হয়ত বড় কোনো বড় বিপদ ঘাপটি মেরে আছে। তাই বাঁচার তাগিদে মস্তিষ্ক অবচেতনভাবেই আসন্ন বিপদের বিষয়ে আরও বেশি তথ্য জানতে চায়।
অন্যদিকে, ভালো খবর মস্তিষ্ককে খুব বেশি আলোড়িত করে না। ভালো খবর আমাদের সাময়িক আনন্দ দিতে পারে। কিন্তু খারাপ খবর আমাদের টিকে রাখার সতর্কবার্তা হিসেবে কাজ করে। এ কারণেই দশটা ভালো খবরের মাঝেও একটি খারাপ খবর আমাদের স্মৃতিতে বেশিক্ষণ থাকে। আমরা চাইলেও খারাপ খবর থেকে সহজে চোখ সরাতে পারি না।
আপনি ডুমস্ক্রলিংয়ে আসক্ত কি না, তা কিছু অভ্যাস খেয়াল করলেই বুঝতে পারবেন। কোনো কারণ ছাড়াই বারবার ফোন হাতে নেওয়ার তীব্র ইচ্ছা তৈরি হওয়া এর অন্যতম লক্ষণ। সোশ্যাল মিডিয়ায় ঢুকে আপনার চোখ যদি অবচেতনভাবেই শুধু নেতিবাচক খবর খুঁজতে থাকে, এই অভ্যাসও ডুমস্ক্রলিং-এর একটি লক্ষণ। এসব খবর পড়ে অস্থিরতা বাড়ে। মন খারাপ হয়। কিন্তু তারপরও খারাপ সংবাদ পড়া বন্ধ করা যায় না।

সারাক্ষণ নেতিবাচক খবর পড়ার কারণে অনেকসময়ই মেজাজ খিটখিটে থাকে। চারপাশের পৃথিবী নিয়ে একধরনের ভয় ও হতাশা কাজ করে। অনেকেরই রাতে ঠিকমতো ঘুম হয় না। শরীর ও মনের ওপর এমন বিরূপ প্রভাব মানুষের স্বাভাবিক জীবনকে ব্যাহত করে তোলে। এই লক্ষণগুলো মিলে গেলে বুঝতে হবে আপনি ডুমস্ক্রলিংয়ের ফাঁদে পড়েছেন।
এই ক্ষতিকর অভ্যাস থেকে বের হয়ে আসা খুব জরুরি। সেজন্য সবার আগে নিজের ওপর নিয়ন্ত্রণ আনতে হবে। কিছু সহজ কাজ এই আসক্তি দূর করতে সাহায্য করে।
প্রথমত, সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারের নির্দিষ্ট সময় ঠিক করে নিতে হবে। দিনে কতক্ষণ ফোন ব্যবহার করবেন, তার সীমা থাকা দরকার। অনেক স্মার্টফোনে এখন অ্যাপ ব্যবহার করার সময় বেঁধে দেওয়া যায়। সময় শেষ হয়ে গেলে অ্যাপ নিজে থেকেই বন্ধ হয়ে যাবে।
দ্বিতীয়ত, বিছানায় যাওয়ার আগে ফোন দূরে রাখার অভ্যাস গড়তে হবে। ঘুমের অন্তত এক ঘণ্টা আগে স্ক্রিনের দিকে তাকানো বন্ধ করলে ভালো ফল পাওয়া যায়। এর বদলে বই পড়ার অভ্যাস করা যেতে পারে। বই মানুষের মন শান্ত রাখে।
ফোনের নোটিফিকেশন বন্ধ রাখা একটি ভালো উপায়। বারবার নোটিফিকেশন এলে ফোন হাতে নেওয়ার প্রবণতা বাড়ে। অপ্রয়োজনীয় অ্যাপের নোটিফিকেশন বন্ধ রাখলে মনোযোগ অন্যদিকে যায় না।
খবরের জন্য নির্ভরযোগ্য মাধ্যম বেছে নিতে হবে। সোশ্যাল মিডিয়ার বদলে ভালো পত্রিকার ওয়েবসাইট পড়া যায়। দিনে একবার বা দুইবার খবর পড়ার জন্য সময় নির্দিষ্ট রাখা ভালো। সারাদিন ধরে খবর পড়ার কোনো প্রয়োজন নেই।
ইতিবাচক কাজের সঙ্গে নিজেকে যুক্ত করলে মন ভালো থাকে। ইতিবাচক খবর বা মজার কোনো ভিডিও দেখার অভ্যাস করা যেতে পারে। এতে মস্তিষ্কে আনন্দের অনুভূতি তৈরি হয়।

সকালবেলায় ঘুম ভাঙার পরেই আমাদের হাত চলে যায় স্মার্টফোনে। নিউজফিড খুললেই চোখের সামনে ভেসে আসে একের পর এক খারাপ খবর। কোথাও মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটেছে, কোথাও যুদ্ধ, আবার কোথাও ভয়ংকর কোনো অপরাধের খবর।
এসব খবর পড়তে পড়তে মনে অস্বস্তি তৈরি হয়। তবু আমরা ফোনটা সরিয়ে রাখতে পারি না। খারাপ খবরের এই অন্তহীন স্ক্রল করার অভ্যাসকেই বিজ্ঞানের ভাষায় বলা হয় ‘ডুমস্ক্রলিং’।
ইন্টারনেটে নেতিবাচক বা হতাশাজনক খবর পড়ার প্রতি আকর্ষণকেই বলা হয় ‘ডুমস্ক্রলিং’। এই শব্দটি কে প্রথম ব্যবহার করেছেন তা নিয়ে কিছুটা বিতর্ক আছে। ২০১৮ সালের দিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টুইটারে এই শব্দের ব্যবহার শুরু হয়। তবে ২০২০ সালে এই শব্দটি বিশ্বজুড়ে পরিচিতি পায়। ‘কারেন কে হো’ নামের একজন সাংবাদিক শব্দটিকে জনপ্রিয় করে তোলেন।
দুঃসংবাদ বা খারাপ খবর আমাদের মন খারাপ করে দিলেও অনেক সময় মানুষ জেনে-বুঝেই এমন খবর খোঁজে। একবার এই ধরনের খবর পড়া শুরু করলে অ্যালগরিদমও আপনাকে একই ধরনের আরও খবর দেখাতে থাকে। এসব পড়ে হয়ত মন বিষণ্ণও হয়ে যায়। কিন্তু তারপরও স্ক্রল থামে না।

গত কয়েক বছরে এই প্রবণতা অনেক বেড়েছে। ডিকিন ইউনিভার্সিটির গবেষক কেট ম্যানেল উল্লেখ করেন, করোনা মহামারির সময় মানুষের হাতে অনেক অবসর ছিল। তখন নিউজফিড খুললেই চোখে পড়ত মৃত্যু আর সংকটের খবর। ইতিবাচক খবর প্রায় অনুপস্থিত ছিল। এই পরিস্থিতিই অনেকের মধ্যে ডুমস্ক্রলিং-এর অভ্যাস আরও বাড়িয়ে দেয়।
এই অভ্যাসের পেছনে মানুষের মস্তিষ্কের একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য কাজ করে। বিজ্ঞানের ভাষায় একে ‘নেগেটিভিটি বায়াস’ বলা হয়। এর মানে হলো, আমাদের মন ভালো খবরের চেয়ে খারাপ খবরের প্রতি বেশি আকৃষ্ট হয়।
কেন এমন হয়, এর উত্তর লুকিয়ে আছে মানুষের বিবর্তনের ইতিহাসে। আদিম যুগে মানুষকে প্রতিনিয়ত অনেক বিপদের মাঝে টিকে থাকতে হতো। তখন কোথায় মজাদার ফল পেকেছে, এই সংবাদের চেয়ে কোথায় হিংস্র প্রাণী লুকিয়ে আছে তা মনে রাখা বেশি জরুরি ছিল। মস্তিষ্ক সেই আদিম যুগ থেকেই বিপদকে সবার আগে গুরুত্ব দিতে শিখেছে।
গবেষকরা বলছেন, আমাদের মস্তিষ্ক আজও সেই পুরোনো নিয়মে কাজ করে। মস্তিষ্কের ভেতরে ‘অ্যামিগডালা’ নামে বিশেষ অংশ আছে। এটা মূলত বিপদসংকেত ধরার অ্যালার্ম হিসেবে কাজ করে। আমরা যখন কোনো নেতিবাচক খবর দেখি, তখন মস্তিষ্কের অ্যামিগডালা অংশটি সঙ্গে সঙ্গে সক্রিয় হয়ে ওঠে। মস্তিষ্ক মনে করে, আমাদের আশপাশেই হয়ত বড় কোনো বড় বিপদ ঘাপটি মেরে আছে। তাই বাঁচার তাগিদে মস্তিষ্ক অবচেতনভাবেই আসন্ন বিপদের বিষয়ে আরও বেশি তথ্য জানতে চায়।
অন্যদিকে, ভালো খবর মস্তিষ্ককে খুব বেশি আলোড়িত করে না। ভালো খবর আমাদের সাময়িক আনন্দ দিতে পারে। কিন্তু খারাপ খবর আমাদের টিকে রাখার সতর্কবার্তা হিসেবে কাজ করে। এ কারণেই দশটা ভালো খবরের মাঝেও একটি খারাপ খবর আমাদের স্মৃতিতে বেশিক্ষণ থাকে। আমরা চাইলেও খারাপ খবর থেকে সহজে চোখ সরাতে পারি না।
আপনি ডুমস্ক্রলিংয়ে আসক্ত কি না, তা কিছু অভ্যাস খেয়াল করলেই বুঝতে পারবেন। কোনো কারণ ছাড়াই বারবার ফোন হাতে নেওয়ার তীব্র ইচ্ছা তৈরি হওয়া এর অন্যতম লক্ষণ। সোশ্যাল মিডিয়ায় ঢুকে আপনার চোখ যদি অবচেতনভাবেই শুধু নেতিবাচক খবর খুঁজতে থাকে, এই অভ্যাসও ডুমস্ক্রলিং-এর একটি লক্ষণ। এসব খবর পড়ে অস্থিরতা বাড়ে। মন খারাপ হয়। কিন্তু তারপরও খারাপ সংবাদ পড়া বন্ধ করা যায় না।

সারাক্ষণ নেতিবাচক খবর পড়ার কারণে অনেকসময়ই মেজাজ খিটখিটে থাকে। চারপাশের পৃথিবী নিয়ে একধরনের ভয় ও হতাশা কাজ করে। অনেকেরই রাতে ঠিকমতো ঘুম হয় না। শরীর ও মনের ওপর এমন বিরূপ প্রভাব মানুষের স্বাভাবিক জীবনকে ব্যাহত করে তোলে। এই লক্ষণগুলো মিলে গেলে বুঝতে হবে আপনি ডুমস্ক্রলিংয়ের ফাঁদে পড়েছেন।
এই ক্ষতিকর অভ্যাস থেকে বের হয়ে আসা খুব জরুরি। সেজন্য সবার আগে নিজের ওপর নিয়ন্ত্রণ আনতে হবে। কিছু সহজ কাজ এই আসক্তি দূর করতে সাহায্য করে।
প্রথমত, সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারের নির্দিষ্ট সময় ঠিক করে নিতে হবে। দিনে কতক্ষণ ফোন ব্যবহার করবেন, তার সীমা থাকা দরকার। অনেক স্মার্টফোনে এখন অ্যাপ ব্যবহার করার সময় বেঁধে দেওয়া যায়। সময় শেষ হয়ে গেলে অ্যাপ নিজে থেকেই বন্ধ হয়ে যাবে।
দ্বিতীয়ত, বিছানায় যাওয়ার আগে ফোন দূরে রাখার অভ্যাস গড়তে হবে। ঘুমের অন্তত এক ঘণ্টা আগে স্ক্রিনের দিকে তাকানো বন্ধ করলে ভালো ফল পাওয়া যায়। এর বদলে বই পড়ার অভ্যাস করা যেতে পারে। বই মানুষের মন শান্ত রাখে।
ফোনের নোটিফিকেশন বন্ধ রাখা একটি ভালো উপায়। বারবার নোটিফিকেশন এলে ফোন হাতে নেওয়ার প্রবণতা বাড়ে। অপ্রয়োজনীয় অ্যাপের নোটিফিকেশন বন্ধ রাখলে মনোযোগ অন্যদিকে যায় না।
খবরের জন্য নির্ভরযোগ্য মাধ্যম বেছে নিতে হবে। সোশ্যাল মিডিয়ার বদলে ভালো পত্রিকার ওয়েবসাইট পড়া যায়। দিনে একবার বা দুইবার খবর পড়ার জন্য সময় নির্দিষ্ট রাখা ভালো। সারাদিন ধরে খবর পড়ার কোনো প্রয়োজন নেই।
ইতিবাচক কাজের সঙ্গে নিজেকে যুক্ত করলে মন ভালো থাকে। ইতিবাচক খবর বা মজার কোনো ভিডিও দেখার অভ্যাস করা যেতে পারে। এতে মস্তিষ্কে আনন্দের অনুভূতি তৈরি হয়।

রাস্তাঘাটে তুচ্ছ ঘটনায় কথা কাটাকাটি, রিকশাচালকের সঙ্গে অহেতুক তর্ক কিংবা বাসে কন্ডাক্টরের সঙ্গে বাগবিতণ্ডা—সবই যেন আমাদের রাস্তাঘাটের চেনা চিত্র। কিন্তু গরম আসলে এমন পরিস্থিতি আরও বেড়ে যায়।
২ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে মুজিবনগর সরকার গঠন ছিল একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল আনুষ্ঠানিকভাবে এই সরকার গঠিত হয় এবং ১৭ এপ্রিল মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলার আম্রকাননে (পরবর্তীতে মুজিবনগর নামকরণ) শপথ গ্রহণের মাধ্যমে তা কার্যকর হয়। তাই দিনকে ‘মুজিবনগর দিবস’ বলা হয়। তবে কোন সরকার মু
১৭ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের উচ্চ আদালত বিভিন্ন সময়ে এই আইনি বৈধতাকে সমুন্নত রেখেছেন। ১৯৮০ সালের ‘মেসার্স দুলিচাঁদ ওমরাওলাল বনাম বাংলাদেশ’ মামলায় সুপ্রিম কোর্ট জানায়, ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিলের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র ছিল সার্বভৌম দলিল।
১৭ ঘণ্টা আগে
মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার গঠনের সিদ্ধান্ত হয়। এটি ‘মুজিবনগর সরকার’ নামে পরিচিত। ১৯৭০ সালের নির্বাচনে জয়ী আওয়ামী লীগ নেতারা এই সিদ্ধান্ত নেন। শেখ মুজিবুর রহমানকে রাষ্ট্রপতি করে মন্ত্রিসভা গঠন করা হয়। ১৭ এপ্রিল মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলায় (বর্তমান মুজিবনগর) এ
১৮ ঘণ্টা আগে