গত কয়েক বছরে বাংলাদেশের বাজারে পাকিস্তানি পোশাকের চাহিদা বেশ বেড়েছে। সাধারণ সুতি পোশাক থেকে শুরু করে জরি বা ভারী কাজের জামা—বিভিন্ন ধরনের পাকিস্তানি পোশাক এখন ক্রেতাদের কাছে বেশ জনপ্রিয়। প্রশ্ন হলো, এসব পোশাকের জনপ্রিয়তা কেন বাড়ছে?
ফাবিহা বিনতে হক

বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া লামিয়া রহমান একদিন স্মার্টফোনে সোশ্যাল মিডিয়া স্ক্রল করতে করতে দেখলেন জনপ্রিয় পাকিস্তানি তারকা হানিয়া আমিরের পরা একটি ‘ঘারারা স্যুট’। পোশাকটি তাঁর এতই ভালো লাগে যে সেই ছবিটা ফোনে রেখে তিনি বেরিয়ে পড়েন দোকান খুঁজতে। এক দোকান থেকে আরেক দোকানে ঘুরে দেখান ফোনের সেই ছবি। কিন্তু আসল পাকিস্তানি ব্র্যান্ডের দোকান খুব বেশি না থাকায় পছন্দের পোশাকটি খুঁজে পাওয়া সহজ হচ্ছে না।
শুধু লামিয়া নন, এখন দেশের অনেক ক্রেতার ঈদের কেনাকাটার গল্প প্রায় এমনই। গত কয়েক বছরে বাংলাদেশের বাজারে পাকিস্তানি পোশাকের চাহিদা বেশ বেড়েছে। সাধারণ সুতি পোশাক থেকে শুরু করে জরি বা ভারী কাজের জামা—বিভিন্ন ধরনের পাকিস্তানি পোশাক এখন ক্রেতাদের কাছে বেশ জনপ্রিয়। প্রশ্ন হলো, এসব পোশাকের জনপ্রিয়তা কেন বাড়ছে?
ঈদের পোশাক কেনার সময় ক্রেতারা শুধু পোশাকের সৌন্দর্যই দেখেন না, সেটি পরতে কতটা আরামদায়ক—সেটিও গুরুত্ব পায়। বিশেষ করে গরমের সময়ে ঈদ হলে আরামদায়ক কাপড়ের চাহিদা আরও বেশি থাকে। এই জায়গাতেই পাকিস্তানি পোশাকগুলো অনেক ক্রেতার নজর কাড়ছে।

বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী লামিয়া রহমান জানান, পাকিস্তানি জামার প্রতি তাঁর আগ্রহের মূল কারণ হলো এর আরামদায়ক কাপড় ও আলাদা ধরনের ডিজাইন। তিনি বলেন, ‘পাকিস্তানি পোশাক পরতে খুব আরাম লাগে। তাদের সুতি বা লন কাপড় সাধারণত ভালো মানের হয়। পাশাপাশি ডিজাইনগুলোও বেশ আলাদা এবং রংগুলো উজ্জ্বল। প্রতিদিনের ব্যবহার থেকে শুরু করে বিয়ে বা ঈদের মতো অনুষ্ঠান, সব জায়গাতেই এই পোশাক ভালো মানিয়ে যায়।’
গৃহিণী নুসরাত জাহানও এবার নিজের ও মেয়ের জন্য পাকিস্তানি লন ও শিফনের ড্রেস কিনেছেন। তিনি স্ট্রিমকে বলেন, ‘পাকিস্তানি ড্রেসের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হলো এর প্যাস্টেল কালার কম্বিনেশন আর বড় দোপাট্টা বা ওড়না। এদের ওড়নাগুলো যেকোনো সাধারণ জামাকেও অনেক গর্জিয়াস লুক শিশু থেকে শুরু করে বড়দের জন্যও নানা ধরনের ডিজাইন পাওয়া যায় এসব পোশাকে।’
একসময় ঈদে ‘আনারকলি’, ‘মাসাক্কালি’ কিংবা ‘পাখি’ জামার জন্য রীতিমতো উন্মাদনা দেখা যেত চারদিকে। ভারতীয় সিরিয়ালের নায়িকাদের জমকালো পোশাকগুলোই ছিল অনেকের প্রথম পছন্দ। এখন সেই পোশাকের জায়গা দখল করে নিয়েছে আঘানূর, তাওয়াক্কাল, সাদা বাহার, মারিয়া বি, সানা সাফিনাজ, আসিম জোফা কিংবা গুল আহমেদের মতো পাকিস্তানি ব্র্যান্ডগুলোর জামা।
রাজধানীতে ‘অথেন্টিক’ বা আসল পাকিস্তানি ড্রেস বিক্রি করে, এমন একটি শপের সঙ্গে কথা হয় ঢাকা স্ট্রিমের। পাকিস্তানি পোশাকের চাহিদা সম্পর্কে তাদের বিক্রয় প্রতিনিধি রিপন আহমেদ বলেন, ‘মানুষ এখন পোশাকের ডিজাইনে যেমন নতুনত্ব চায়, তেমনি আরামও চায়। তাই দাম একটু বেশি হলেও পাকিস্তানি জামা কেনার প্রতি ঝোঁক তৈরি হয়েছে।’
রিপন আহমেদের মতে, এখন সব বয়সী নারীই এসব পোশাক কিনছেন। কেউ সাধারণ লন কাপড়ের ড্রেস নিচ্ছেন, আবার কেউ পার্টি বা বিশেষ অনুষ্ঠানের জন্য ভারী কাজ করা ড্রেস কিনছেন। তাদের আউটলেটে পাকিস্তানের বেশিরভাগ জনপ্রিয় ব্র্যান্ডের কাপড় পাওয়া যায় এবং প্রতিটি ব্র্যান্ডেরই আলাদা আলাদা ক্রেতা রয়েছে।
পাকিস্তানি পোশাকের জনপ্রিয়তা এখন এতটাই বেড়েছে যে শুধু আসল বা অথেন্টিক পাকিস্তানি ড্রেস বিক্রি করা দোকানই নয়, পাশাপাশি ‘পাকিস্তানি ইনস্পায়ার্ড’ বা একই ধরনের ডিজাইনের পোশাক বিক্রি করা অনলাইন পেজ ও দোকানের সংখ্যাও অনেক বেড়েছে।
এর মূল কারণ হলো দাম। আসল পাকিস্তানি ব্র্যান্ডের থ্রি–পিস বা পোশাকের দাম সাধারণত বেশ বেশি হয়, যা অনেক সময় সাধারণ ক্রেতাদের বাজেটের বাইরে চলে যায়। তাই অনেকেই একই ধরনের ডিজাইনের তুলনামূলক সস্তা ‘ইনস্পায়ার্ড’ পোশাক কিনে থাকেন।
এমনই একজন ক্রেতা জানান, আসল পাকিস্তানি পোশাকের দাম বেশি, এজন্য তিনি ইনস্পায়ার্ড পোশাক কিনছেন, যা দেখতে একই রকম। তাঁর ভাষায়, ‘পাকিস্তানি ইনস্পায়ার্ড ড্রেসগুলোর মানও মোটামুটি ভালো এবং দামও তুলনামূলক কম। তাই আমি এগুলোই বেশি পরি। এবার ঈদের জন্যও এমন কিছু পোশাক কেনার পরিকল্পনা আছে।’
ক্রেতা-বিক্রেতা দুই পক্ষই মনে করেন, দেশে পাকিস্তানি জামার জনপ্রিয়তার পেছনে সবচেয়ে বড় অবদান রেখেছে পাকিস্তানি ড্রামা বা নাটকগুলো। এক দশক আগেও বাংলাদেশের মানুষ পাকিস্তানি পোশাকের প্রতি এতটা আগ্রহ দেখাতেন না। তখন মানুষের বিনোদনের বড় অংশ জুড়ে ছিল ভারতীয় মেগা সিরিয়াল। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ইউটিউব ও সোশ্যাল মিডিয়ার কারণে পাকিস্তানি নাটকও বাংলাদেশে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।
এসব নাটকে জনপ্রিয় অভিনেত্রীদের পোশাকের স্টাইল অনেক দর্শকের দৃষ্টি আকর্ষণ করছে। লামিয়া রহমান মনে করেন, হানিয়া আমির, সজল আলি বা আয়েজা খানের মতো অভিনেত্রীরা নাটকে যে ধরনের লং কামিজ, ঘারারা, সারারা বা বড় দোপাট্টা ব্যবহার করেন, অনেক তরুণী এখন সেই স্টাইল অনুসরণ করতে চান।
ফলে ইউটিউব ও সোশ্যাল মিডিয়ায় পাকিস্তানি তারকাদের জনপ্রিয়তার সঙ্গে সঙ্গে দেশের ঈদের বাজারেও পাকিস্তানি পোশাকের চাহিদা বেড়েছে। আরামদায়ক কাপড়, আকর্ষণীয় ডিজাইন আর সোশ্যাল মিডিয়ার ত্রিমুখী প্রভাবেই এবারের ঢাকার ঈদ বাজারে অনেকটাই নিজেদের দখলে নিয়েছে পাকিস্তানি পোশাক।
এসব নাটকে জনপ্রিয় অভিনেত্রীদের পোশাকের স্টাইল অনেক দর্শকের দৃষ্টি আকর্ষণ করছে। লামিয়া রহমান মনে করেন, হানিয়া আমির, সজল আলি বা আয়েজা খানের মতো অভিনেত্রীরা নাটকে যে ধরনের লং কামিজ, ঘারারা, সারারা বা বড় দোপাট্টা ব্যবহার করেন, অনেক তরুণী এখন সেই স্টাইল অনুসরণ করতে চান।
ফলে ইউটিউব ও সোশ্যাল মিডিয়ায় পাকিস্তানি তারকাদের জনপ্রিয়তার সঙ্গে সঙ্গে দেশের ঈদের বাজারেও পাকিস্তানি পোশাকের চাহিদা বেড়েছে। আরামদায়ক কাপড়, আকর্ষণীয় ডিজাইন আর সোশ্যাল মিডিয়ার ত্রিমুখী প্রভাবেই এবারের ঢাকার ঈদ বাজারে অনেকটাই নিজেদের দখলে নিয়েছে পাকিস্তানি পোশাক।

বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া লামিয়া রহমান একদিন স্মার্টফোনে সোশ্যাল মিডিয়া স্ক্রল করতে করতে দেখলেন জনপ্রিয় পাকিস্তানি তারকা হানিয়া আমিরের পরা একটি ‘ঘারারা স্যুট’। পোশাকটি তাঁর এতই ভালো লাগে যে সেই ছবিটা ফোনে রেখে তিনি বেরিয়ে পড়েন দোকান খুঁজতে। এক দোকান থেকে আরেক দোকানে ঘুরে দেখান ফোনের সেই ছবি। কিন্তু আসল পাকিস্তানি ব্র্যান্ডের দোকান খুব বেশি না থাকায় পছন্দের পোশাকটি খুঁজে পাওয়া সহজ হচ্ছে না।
শুধু লামিয়া নন, এখন দেশের অনেক ক্রেতার ঈদের কেনাকাটার গল্প প্রায় এমনই। গত কয়েক বছরে বাংলাদেশের বাজারে পাকিস্তানি পোশাকের চাহিদা বেশ বেড়েছে। সাধারণ সুতি পোশাক থেকে শুরু করে জরি বা ভারী কাজের জামা—বিভিন্ন ধরনের পাকিস্তানি পোশাক এখন ক্রেতাদের কাছে বেশ জনপ্রিয়। প্রশ্ন হলো, এসব পোশাকের জনপ্রিয়তা কেন বাড়ছে?
ঈদের পোশাক কেনার সময় ক্রেতারা শুধু পোশাকের সৌন্দর্যই দেখেন না, সেটি পরতে কতটা আরামদায়ক—সেটিও গুরুত্ব পায়। বিশেষ করে গরমের সময়ে ঈদ হলে আরামদায়ক কাপড়ের চাহিদা আরও বেশি থাকে। এই জায়গাতেই পাকিস্তানি পোশাকগুলো অনেক ক্রেতার নজর কাড়ছে।

বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী লামিয়া রহমান জানান, পাকিস্তানি জামার প্রতি তাঁর আগ্রহের মূল কারণ হলো এর আরামদায়ক কাপড় ও আলাদা ধরনের ডিজাইন। তিনি বলেন, ‘পাকিস্তানি পোশাক পরতে খুব আরাম লাগে। তাদের সুতি বা লন কাপড় সাধারণত ভালো মানের হয়। পাশাপাশি ডিজাইনগুলোও বেশ আলাদা এবং রংগুলো উজ্জ্বল। প্রতিদিনের ব্যবহার থেকে শুরু করে বিয়ে বা ঈদের মতো অনুষ্ঠান, সব জায়গাতেই এই পোশাক ভালো মানিয়ে যায়।’
গৃহিণী নুসরাত জাহানও এবার নিজের ও মেয়ের জন্য পাকিস্তানি লন ও শিফনের ড্রেস কিনেছেন। তিনি স্ট্রিমকে বলেন, ‘পাকিস্তানি ড্রেসের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হলো এর প্যাস্টেল কালার কম্বিনেশন আর বড় দোপাট্টা বা ওড়না। এদের ওড়নাগুলো যেকোনো সাধারণ জামাকেও অনেক গর্জিয়াস লুক শিশু থেকে শুরু করে বড়দের জন্যও নানা ধরনের ডিজাইন পাওয়া যায় এসব পোশাকে।’
একসময় ঈদে ‘আনারকলি’, ‘মাসাক্কালি’ কিংবা ‘পাখি’ জামার জন্য রীতিমতো উন্মাদনা দেখা যেত চারদিকে। ভারতীয় সিরিয়ালের নায়িকাদের জমকালো পোশাকগুলোই ছিল অনেকের প্রথম পছন্দ। এখন সেই পোশাকের জায়গা দখল করে নিয়েছে আঘানূর, তাওয়াক্কাল, সাদা বাহার, মারিয়া বি, সানা সাফিনাজ, আসিম জোফা কিংবা গুল আহমেদের মতো পাকিস্তানি ব্র্যান্ডগুলোর জামা।
রাজধানীতে ‘অথেন্টিক’ বা আসল পাকিস্তানি ড্রেস বিক্রি করে, এমন একটি শপের সঙ্গে কথা হয় ঢাকা স্ট্রিমের। পাকিস্তানি পোশাকের চাহিদা সম্পর্কে তাদের বিক্রয় প্রতিনিধি রিপন আহমেদ বলেন, ‘মানুষ এখন পোশাকের ডিজাইনে যেমন নতুনত্ব চায়, তেমনি আরামও চায়। তাই দাম একটু বেশি হলেও পাকিস্তানি জামা কেনার প্রতি ঝোঁক তৈরি হয়েছে।’
রিপন আহমেদের মতে, এখন সব বয়সী নারীই এসব পোশাক কিনছেন। কেউ সাধারণ লন কাপড়ের ড্রেস নিচ্ছেন, আবার কেউ পার্টি বা বিশেষ অনুষ্ঠানের জন্য ভারী কাজ করা ড্রেস কিনছেন। তাদের আউটলেটে পাকিস্তানের বেশিরভাগ জনপ্রিয় ব্র্যান্ডের কাপড় পাওয়া যায় এবং প্রতিটি ব্র্যান্ডেরই আলাদা আলাদা ক্রেতা রয়েছে।
পাকিস্তানি পোশাকের জনপ্রিয়তা এখন এতটাই বেড়েছে যে শুধু আসল বা অথেন্টিক পাকিস্তানি ড্রেস বিক্রি করা দোকানই নয়, পাশাপাশি ‘পাকিস্তানি ইনস্পায়ার্ড’ বা একই ধরনের ডিজাইনের পোশাক বিক্রি করা অনলাইন পেজ ও দোকানের সংখ্যাও অনেক বেড়েছে।
এর মূল কারণ হলো দাম। আসল পাকিস্তানি ব্র্যান্ডের থ্রি–পিস বা পোশাকের দাম সাধারণত বেশ বেশি হয়, যা অনেক সময় সাধারণ ক্রেতাদের বাজেটের বাইরে চলে যায়। তাই অনেকেই একই ধরনের ডিজাইনের তুলনামূলক সস্তা ‘ইনস্পায়ার্ড’ পোশাক কিনে থাকেন।
এমনই একজন ক্রেতা জানান, আসল পাকিস্তানি পোশাকের দাম বেশি, এজন্য তিনি ইনস্পায়ার্ড পোশাক কিনছেন, যা দেখতে একই রকম। তাঁর ভাষায়, ‘পাকিস্তানি ইনস্পায়ার্ড ড্রেসগুলোর মানও মোটামুটি ভালো এবং দামও তুলনামূলক কম। তাই আমি এগুলোই বেশি পরি। এবার ঈদের জন্যও এমন কিছু পোশাক কেনার পরিকল্পনা আছে।’
ক্রেতা-বিক্রেতা দুই পক্ষই মনে করেন, দেশে পাকিস্তানি জামার জনপ্রিয়তার পেছনে সবচেয়ে বড় অবদান রেখেছে পাকিস্তানি ড্রামা বা নাটকগুলো। এক দশক আগেও বাংলাদেশের মানুষ পাকিস্তানি পোশাকের প্রতি এতটা আগ্রহ দেখাতেন না। তখন মানুষের বিনোদনের বড় অংশ জুড়ে ছিল ভারতীয় মেগা সিরিয়াল। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ইউটিউব ও সোশ্যাল মিডিয়ার কারণে পাকিস্তানি নাটকও বাংলাদেশে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।
এসব নাটকে জনপ্রিয় অভিনেত্রীদের পোশাকের স্টাইল অনেক দর্শকের দৃষ্টি আকর্ষণ করছে। লামিয়া রহমান মনে করেন, হানিয়া আমির, সজল আলি বা আয়েজা খানের মতো অভিনেত্রীরা নাটকে যে ধরনের লং কামিজ, ঘারারা, সারারা বা বড় দোপাট্টা ব্যবহার করেন, অনেক তরুণী এখন সেই স্টাইল অনুসরণ করতে চান।
ফলে ইউটিউব ও সোশ্যাল মিডিয়ায় পাকিস্তানি তারকাদের জনপ্রিয়তার সঙ্গে সঙ্গে দেশের ঈদের বাজারেও পাকিস্তানি পোশাকের চাহিদা বেড়েছে। আরামদায়ক কাপড়, আকর্ষণীয় ডিজাইন আর সোশ্যাল মিডিয়ার ত্রিমুখী প্রভাবেই এবারের ঢাকার ঈদ বাজারে অনেকটাই নিজেদের দখলে নিয়েছে পাকিস্তানি পোশাক।
এসব নাটকে জনপ্রিয় অভিনেত্রীদের পোশাকের স্টাইল অনেক দর্শকের দৃষ্টি আকর্ষণ করছে। লামিয়া রহমান মনে করেন, হানিয়া আমির, সজল আলি বা আয়েজা খানের মতো অভিনেত্রীরা নাটকে যে ধরনের লং কামিজ, ঘারারা, সারারা বা বড় দোপাট্টা ব্যবহার করেন, অনেক তরুণী এখন সেই স্টাইল অনুসরণ করতে চান।
ফলে ইউটিউব ও সোশ্যাল মিডিয়ায় পাকিস্তানি তারকাদের জনপ্রিয়তার সঙ্গে সঙ্গে দেশের ঈদের বাজারেও পাকিস্তানি পোশাকের চাহিদা বেড়েছে। আরামদায়ক কাপড়, আকর্ষণীয় ডিজাইন আর সোশ্যাল মিডিয়ার ত্রিমুখী প্রভাবেই এবারের ঢাকার ঈদ বাজারে অনেকটাই নিজেদের দখলে নিয়েছে পাকিস্তানি পোশাক।
.png)

ইন্টারনেটের হাজারো নেতিবাচকতার ভিড়ে প্রাণীদের ‘কিউট’ ভিডিও ছিল এক চিলতে স্বস্তি। কিন্তু এআই-এর যুগে সেই নির্ভেজাল বিশ্বাসে এখন ফাটল ধরেছে। কোনো ভিডিও দেখে হাসার বদলে আমাদের মনে আগে প্রশ্ন জাগছে, এটি কি আসল নাকি এআই দিয়ে তৈরি? অবিশ্বাসের এই ডিজিটাল চোরাবালিতে দাঁড়িয়ে প্রশ্ন উঠছে, আমাদের ছোট ছোট আনন্দ
১৬ ঘণ্টা আগে
সমকালীন বাংলাদেশের বুদ্ধিবৃত্তিক জগতে এক অসাধারণ ব্যক্তিত্ব আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ। জনপ্রিয়তা ও মননশীলতার মেলবন্ধনের দুর্লভ উদাহরণ তিনি। সৃজনশীল ব্যক্তিত্বের পাশাপাশি তিনি একজন কর্মবীর। আজ তিনি সাতাশি বছর পূর্ণ করলেন।
১৭ ঘণ্টা আগে
এইতো কিছুদিন আগে কথা। অফিস থেকে বেরিয়ে বিশেষ একটি কাজে শাহবাগের উদ্দেশ্যে রিকশায় উঠেছিলাম। বিকেলের ব্যস্ত ঢাকার চিরচেনা যানজটে রিকশাটি একসময় থেমে গেল। চারপাশে শুধু হর্নের শব্দ, মানুষের কোলাহল আর অসংখ্য গাড়ির সারি। ঠিক সেই মুহূর্তেই কানে ভেসে এলো এক পরিচিত সুর ‘আলো আমার আলো ওগো, আলো ভুবনভরা’…!
১৯ ঘণ্টা আগে
প্রাক-আধুনিক যুগের আদর্শবাদী তারুণ্য থেকে শুরু করে আধুনিক যুগের টেক-স্যাভি ‘জেন জি’ প্রজন্ম—প্রতিটি যুগের তারুণ্যের রক্তস্রোত প্রমাণ করেছে যে বন্দুকের নল বা রাষ্ট্রীয় নিপীড়ন দিয়ে মানুষের মুক্তির স্পৃহাকে চিরতরে বন্দি করা যায় না। আর এই প্রতিটি রক্তঝরা লড়াইয়ে নারীর সক্রিয়, সমান্তরাল, আপসহীন ও বীরত্বপূ
১৯ ঘণ্টা আগে