স্ট্রিম ডেস্ক

কোরবানির ঈদের পর অনেকের শরীরেই শুরু হয় অন্য এক যুদ্ধ। কয়েক দিন ধরে টানা কোরবানির মাংস ও ভারী পদের খাবার খাওয়ার পর হঠাৎ করেই দেখা দেয় অস্বস্তি। কারও গ্যাস, আবার কারও রক্তচাপ বেড়ে যায়। অনেকেই হজমের সমস্যায় ভোগেন। চিকিৎসকদের ভাষায়, ঈদের পর শরীরকে ‘স্বাভাবিক বিপাকীয় অবস্থায়’ ফিরিয়ে নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধু মাংস নয়, এর সঙ্গে অতিরিক্ত তেল, চর্বি, লবণ, কোমল পানীয়, কম পানি পান এবং অনিয়মিত ঘুম একসঙ্গে শরীরের ওপর চাপ তৈরি করে। তাই হঠাৎ না খেয়ে থাকা বা ‘ক্র্যাশ ডায়েট’ না করে ধীরে ধীরে স্বাভাবিক খাদ্যাভ্যাসে ফেরা জরুরি।
গরুর মাংস প্রোটিন, আয়রন, জিংক ও ভিটামিন বি-১২ এর ভালো উৎস হলেও তা শরীরের ওপর চাপ ফেলতে পারে। বিশেষ করে যদি খাবারে চর্বি ও লবণের পরিমাণ বেশি থাকে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসে ভারসাম্য, পরিমিতি ও বৈচিত্র্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
ক্লিভল্যান্ড ক্লিনিকের হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডেনিস ব্রুমার বলেছেন, অতিরিক্ত লাল মাংস বিশেষ করে চর্বিযুক্ত অংশ, রক্তে খারাপ কোলেস্টেরল বাড়াতে পারে এবং হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়।
ঈদের সময় মানুষ সাধারণত শুধু মাংসই বেশি খায় না, বরং ভাজাপোড়া, কোমল পানীয়, অতিরিক্ত ভাত, মিষ্টি এবং কম আঁশযুক্ত খাবারও বেশি খেয়ে থাকে। ফলে হজমে সমস্যা, কোষ্ঠকাঠিন্য, অ্যাসিডিটি ও পেট ফাঁপার মতো সমস্যা দেখা দেয়।
চিকিৎসকদের মতে, অতিরিক্ত প্রোটিন বিপাক প্রক্রিয়ায় শরীর থেকে প্রচুর পানি খরচ হয় এবং অতিরিক্ত লবণ শরীরকে ডিহাইড্রেট করে ফেলে, তাই প্রচুর পরিমাণে পানি পান করতে হবে। অনেকেই সকালে না খেয়ে শুধু চা বা কফি পান করেন। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটি উল্টো গ্যাস ও অ্যাসিডিটি বাড়াতে পারে। সকালে হালকা কিন্তু পুষ্টিকর খাবার খাওয়া জরুরি।
ওটস, ফল, টক দই, সবজি, ডাল, লেবু পানি বা শসার মতো পানি সমৃদ্ধ খাবার শরীরকে ধীরে ধীরে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরতে সাহায্য করে। আর কয়েক দিন চর্বিযুক্ত অংশ কম খাওয়া, ভুনা ও কালাভুনার বদলে ঝোল বা সেদ্ধ ধরনের রান্না করা, দিনে একাধিকবার মাংস না খাওয়া, সবজি ও সালাদ বাড়ানো এবং রাতের খাবার হালকা রাখা।
ঈদের পর অনেকে হঠাৎ করে না খেয়ে থাকা বা ‘ডিটক্স ডায়েট’ শুরু করেন। কিন্তু বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস মানে ভারসাম্যপূর্ণ খাবার ব্যবস্থা। টানা কয়েকদিন ভারী খাবারের পর হঠাৎ না খেয়ে থাকা শরীরের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ঈদের পর ওজন নিয়ন্ত্রণের সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো— আঁশযুক্ত খাবার খাওয়া, পানি পান, পর্যাপ্ত ঘুম, নিয়মিত হাঁটা, মিষ্টি ও কোমল পানীয় কমানো ও ধীরে ধীরে স্বাভাবিক রুটিনে ফেরা।
শরীরকে স্বাভাবিক করতে সবচেয়ে সহজ উপায় হলো নিয়মিত হাঁটা। খাওয়ার পর ২০ থেকে ৩০ মিনিট হাঁটা হজমে সাহায্য করে, রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে রাখে এবং শরীরের ভারী ভাব কমাতে সাহায্য করতে পারে। একই সঙ্গে এটি অতিরিক্ত ক্যালরি কমাতেও সহায়ক।
ঈদের আনন্দ উপভোগ করতেই হবে। কিন্তু কয়েক দিনের অতিরিক্ত খাওয়ার পর শরীরকে আবার ভারসাম্যে ফিরিয়ে আনা জরুরি। স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস মানে প্রিয় খাবার একেবারে বাদ দেওয়া নয় বরং পরিমিত খাওয়া, খাবার উপাদানে বৈচিত্র্য রাখা এবং শরীরের প্রয়োজন বুঝে খাওয়া। কারণ উৎসবের পরও শরীর সুস্থ থাকলেই ঈদের আনন্দ পূর্ণতা পায়।

কোরবানির ঈদের পর অনেকের শরীরেই শুরু হয় অন্য এক যুদ্ধ। কয়েক দিন ধরে টানা কোরবানির মাংস ও ভারী পদের খাবার খাওয়ার পর হঠাৎ করেই দেখা দেয় অস্বস্তি। কারও গ্যাস, আবার কারও রক্তচাপ বেড়ে যায়। অনেকেই হজমের সমস্যায় ভোগেন। চিকিৎসকদের ভাষায়, ঈদের পর শরীরকে ‘স্বাভাবিক বিপাকীয় অবস্থায়’ ফিরিয়ে নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধু মাংস নয়, এর সঙ্গে অতিরিক্ত তেল, চর্বি, লবণ, কোমল পানীয়, কম পানি পান এবং অনিয়মিত ঘুম একসঙ্গে শরীরের ওপর চাপ তৈরি করে। তাই হঠাৎ না খেয়ে থাকা বা ‘ক্র্যাশ ডায়েট’ না করে ধীরে ধীরে স্বাভাবিক খাদ্যাভ্যাসে ফেরা জরুরি।
গরুর মাংস প্রোটিন, আয়রন, জিংক ও ভিটামিন বি-১২ এর ভালো উৎস হলেও তা শরীরের ওপর চাপ ফেলতে পারে। বিশেষ করে যদি খাবারে চর্বি ও লবণের পরিমাণ বেশি থাকে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসে ভারসাম্য, পরিমিতি ও বৈচিত্র্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
ক্লিভল্যান্ড ক্লিনিকের হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডেনিস ব্রুমার বলেছেন, অতিরিক্ত লাল মাংস বিশেষ করে চর্বিযুক্ত অংশ, রক্তে খারাপ কোলেস্টেরল বাড়াতে পারে এবং হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়।
ঈদের সময় মানুষ সাধারণত শুধু মাংসই বেশি খায় না, বরং ভাজাপোড়া, কোমল পানীয়, অতিরিক্ত ভাত, মিষ্টি এবং কম আঁশযুক্ত খাবারও বেশি খেয়ে থাকে। ফলে হজমে সমস্যা, কোষ্ঠকাঠিন্য, অ্যাসিডিটি ও পেট ফাঁপার মতো সমস্যা দেখা দেয়।
চিকিৎসকদের মতে, অতিরিক্ত প্রোটিন বিপাক প্রক্রিয়ায় শরীর থেকে প্রচুর পানি খরচ হয় এবং অতিরিক্ত লবণ শরীরকে ডিহাইড্রেট করে ফেলে, তাই প্রচুর পরিমাণে পানি পান করতে হবে। অনেকেই সকালে না খেয়ে শুধু চা বা কফি পান করেন। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটি উল্টো গ্যাস ও অ্যাসিডিটি বাড়াতে পারে। সকালে হালকা কিন্তু পুষ্টিকর খাবার খাওয়া জরুরি।
ওটস, ফল, টক দই, সবজি, ডাল, লেবু পানি বা শসার মতো পানি সমৃদ্ধ খাবার শরীরকে ধীরে ধীরে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরতে সাহায্য করে। আর কয়েক দিন চর্বিযুক্ত অংশ কম খাওয়া, ভুনা ও কালাভুনার বদলে ঝোল বা সেদ্ধ ধরনের রান্না করা, দিনে একাধিকবার মাংস না খাওয়া, সবজি ও সালাদ বাড়ানো এবং রাতের খাবার হালকা রাখা।
ঈদের পর অনেকে হঠাৎ করে না খেয়ে থাকা বা ‘ডিটক্স ডায়েট’ শুরু করেন। কিন্তু বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস মানে ভারসাম্যপূর্ণ খাবার ব্যবস্থা। টানা কয়েকদিন ভারী খাবারের পর হঠাৎ না খেয়ে থাকা শরীরের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ঈদের পর ওজন নিয়ন্ত্রণের সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো— আঁশযুক্ত খাবার খাওয়া, পানি পান, পর্যাপ্ত ঘুম, নিয়মিত হাঁটা, মিষ্টি ও কোমল পানীয় কমানো ও ধীরে ধীরে স্বাভাবিক রুটিনে ফেরা।
শরীরকে স্বাভাবিক করতে সবচেয়ে সহজ উপায় হলো নিয়মিত হাঁটা। খাওয়ার পর ২০ থেকে ৩০ মিনিট হাঁটা হজমে সাহায্য করে, রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে রাখে এবং শরীরের ভারী ভাব কমাতে সাহায্য করতে পারে। একই সঙ্গে এটি অতিরিক্ত ক্যালরি কমাতেও সহায়ক।
ঈদের আনন্দ উপভোগ করতেই হবে। কিন্তু কয়েক দিনের অতিরিক্ত খাওয়ার পর শরীরকে আবার ভারসাম্যে ফিরিয়ে আনা জরুরি। স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস মানে প্রিয় খাবার একেবারে বাদ দেওয়া নয় বরং পরিমিত খাওয়া, খাবার উপাদানে বৈচিত্র্য রাখা এবং শরীরের প্রয়োজন বুঝে খাওয়া। কারণ উৎসবের পরও শরীর সুস্থ থাকলেই ঈদের আনন্দ পূর্ণতা পায়।

সাহিত্য সমালোচকদের মতে, ফররুখ আহমদ কাব্যের মাধ্যমে ইসলামি ভাবধারাকে এ দেশে প্রতিষ্ঠিত করতে চেয়েছিলেন। এজন্য তিনি রাষ্ট্রের কোনো আনুকূল্য পাননি। বরং তাঁকে শিকার হতে হয়েছে তীব্র প্রতিরোধ ও প্রতিহিংসার। তবুও ক্ষুরধার কলম থেমে থাকেনি।
১১ ঘণ্টা আগে
বরফভাঙা জাহাজে টানা আট দিনের এই রোমাঞ্চকর যাত্রায় তাঁরা ৮২ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশ অতিক্রম করেন। উত্তাল সমুদ্র আর কনকনে ঠান্ডার মাঝে ‘বরফের জঙ্গল’ পেরিয়ে তাঁরা বিরল অভিজ্ঞতার সাক্ষী হয়েছেন।
১৩ ঘণ্টা আগে
আজ ৯ জুন, আন্তর্জাতিক আর্কাইভস দিবস। ইতিহাস ও ঐতিহ্যের স্মারকগুলো সংরক্ষণের গুরুত্ব সাধারণ মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দিতে প্রতিবছর বিশ্বজুড়ে দিবসটি পালন করা হয়। মূলত প্রাচীন নথি, দলিলাদি এবং আমাদের জাতীয় ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলো যাতে হারিয়ে না যায়, তা নিশ্চিত করাই এই দিবসটির মূল লক্ষ্য।
১ দিন আগে
বাংলাদেশের মানুষের কাছে রাজনীতি অত্যন্ত আকর্ষণীয় বিষয়। রাষ্ট্রের বিন্যাস আর গঠনকাঠামো বুঝতে চাওয়া পাঠকের সংখ্যা প্রচুর। এ ধরনের বিষয়কে কেন্দ্র করে প্রতি বছর বেশ কিছু বই প্রকাশিত হয়। তবে বিগত কয়েক দশকে রাজনীতিকে কেন্দ্র করেই বিশেষ বিষয়কেন্দ্রিক বই প্রকাশের প্রবণতা বেড়েছে। এই ধারাবাহিকতায় সাম্প্রতিক স
২ দিন আগে