স্ট্রিম ডেস্ক

ঈদের পর পকেটে টান? আর্থিক চাপ সামলাতে যা করতে পারেন
উৎসবের আমেজে খরচের সময় হয়তো আমরা অতটা হিসাব করি না। কিন্তু ছুটি কাটিয়ে যখন আবার কর্মব্যস্ত জীবনে ফিরি, তখন পকেটের শূন্যতা আমাদের দুশ্চিন্তায় ফেলে দেয়। কিন্তু ছুটি কাটিয়ে যখন আবার কর্মব্যস্ত জীবনে ফিরি, তখন পকেটের শূন্যতা আমাদের দুশ্চিন্তায় ফেলে দেয়।
বিশেষ করে মাসের মাঝপথে বা শেষে যদি ঈদ পড়ে, তবে বাকি দিনগুলো বা পরের মাস পার করা অনেকের জন্যই বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়। এই আর্থিক টানাপোড়েন সামলে আবার স্বাভাবিক ছন্দে ফেরার জন্য প্রয়োজন ঠান্ডা মাথায় কিছু কার্যকরী পরিকল্পনা।
ছুটি কাটিয়ে ফেরার পর প্রথম কাজ হলো খাতা-কলম বা মোবাইলের নোটপ্যাড নিয়ে বসা। কত টাকা খরচ হয়েছে তার সঠিক চিত্র আপনার সামনে থাকা জরুরি। কত টাকা বাজেটের বাইরে খরচ হয়েছে, তা লিখে ফেলুন। খরচের প্রকৃত অংকটা জানলে আপনার মস্তিষ্ক স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাশ্রয়ী হওয়ার পথ খুঁজবে।
এরপরের ধাপে আপনাকে ‘অপরিহার্য’ খরচগুলো আলাদা করতে হবে। বাসা ভাড়া, বিদ্যুৎ বিল, পানির বিল, বাচ্চার স্কুলের বেতন এবং যাতায়াত খরচ—এই টাকাগুলো কোনোভাবেই অন্য খাতে খরচ করা যাবে না। হাতে থাকা অবশিষ্ট টাকা থেকে এই বিলগুলোর জন্য প্রয়োজনীয় অংশটি শুরুতেই সরিয়ে রাখুন।
ঈদের পর বাজেট সামলানোর বড় অস্ত্র হতে পারে আপনার ঘরের ফ্রিজ। কোরবানির ঈদের পর প্রায় প্রতিটি পরিবারেই যথেষ্ট পরিমাণে মাংস মজুদ থাকে। আগামী দুই থেকে তিন সপ্তাহের জন্য বাজার থেকে বাড়তি প্রোটিন যেমন মাছ, মুরগি বা ডিম কেনা বন্ধ রাখুন।
ফ্রিজের মাংস দিয়েই নানা বৈচিত্র্যময় পদ রান্না করে দৈনন্দিন খাবারের চাহিদা মেটানো সম্ভব। বাজারে গেলে এখন শুধু প্রয়োজনীয় শাকসবজি বা আলু-পেঁয়াজের দিকে নজর দিন। এতে আপনার মাসিক বাজার খরচের একটি বড় অংশ বেঁচে যাবে।
পাশাপাশি বাইরের রেস্টুরেন্টে খাওয়া বা অনলাইন অ্যাপে খাবার অর্ডার করা এই সময়ের জন্য ‘নিষিদ্ধ’ ঘোষণা করুন। অফিসের লাঞ্চ বা বিকেলের নাস্তা বাসা থেকেই তৈরি করে নিয়ে যান।
যাতায়াতের ক্ষেত্রেও কিছুটা পরিবর্তন আনতে পারেন। এই মাসটা ব্যক্তিগত গাড়ি বা রাইড শেয়ারিং অ্যাপের সিএনজি-মোটরসাইকেলের বদলে গণপরিবহন বা বাসে যাতায়াত করার চেষ্টা করুন। খুব কাছের দূরত্বে রিকশা না নিয়ে হাঁটার অভ্যাস করুন।
ঈদের ঠিক পরেই বিভিন্ন ব্র্যান্ড বা শপিং মলগুলোতে ‘ক্লিয়ারেন্স সেল’ বা বিশাল ছাড়ের অফার দেওয়া হয়। বাজেট সংকটে থাকা অবস্থায় এই ধরণের প্রলোভন এড়িয়ে চলা জরুরি। ‘ছাড় দিচ্ছে’ বলে অপ্রয়োজনীয় ড্রেস বা ঘর সাজানোর জিনিস কেনা মানে আপনার বর্তমান সংকটকে আরও বাড়িয়ে তোলা।
আগামী এক মাস কোনো ধরণের শপিং থেকে বিরত থাকুন। বন্ধু-বান্ধব বা আত্মীয়দের সঙ্গে দেখা করতে চাইলে ঘরোয়া আড্ডার আয়োজন করুন, যেখানে খরচ নামমাত্র।
আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো ক্রেডিট কার্ডের ব্যবহার। পকেটে টাকা না থাকলে আমরা অনেকেই ক্রেডিট কার্ড বা পরিচিতদের কাছ থেকে ধার করে পরিস্থিতি সামাল দিতে চাই। এমন সিদ্ধান্ত আত্মঘাতী হতে পারে।
উচ্চ সুদের ক্রেডিট কার্ডের ঋণ আপনার আগামী মাসের বাজেটকেও ধ্বংস করে দেবে। খুব বেশি প্রয়োজন না হলে ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করবেন না এবং নতুন করে কোনো ঋণের জালে জড়াবেন না। যদি পরিস্থিতি খুব বেশি খারাপ হয়, তবে আপনার আগের কোনো সঞ্চয় থেকে কিছু টাকা খরচ করতে পারেন, কিন্তু অন্যের কাছে হাত পাতা বা ঋণের বোঝা বাড়ানো থেকে দূরে থাকাই বুদ্ধিমানের কাজ।
ঈদের পর প্রতি বছরই যদি আপনাকে একই ধরণের আর্থিক সংকটে পড়তে হয়, তবে বুঝতে হবে আপনার দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনায় ত্রুটি রয়েছে। এই বছরের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে আগামী বছরের জন্য এখনই পরিকল্পনা শুরু করুন।
কোরবানির পশু কেনা বা ঈদের খরচের জন্য একটি আলাদা ‘সিঙ্কিং ফান্ড’ বা মাসিক সঞ্চয় প্রকল্প চালু করতে পারেন। প্রতি মাসে সামান্য কিছু টাকা (যেমন ৩০০০ বা ৫০০০ টাকা) একটি আলাদা অ্যাকাউন্টে সরিয়ে রাখলে পরের বছর ঈদের সময় আপনাকে বেতনের পুরো টাকা বা সঞ্চয়ে হাত দিতে হবে না।

ঈদের পর পকেটে টান? আর্থিক চাপ সামলাতে যা করতে পারেন
উৎসবের আমেজে খরচের সময় হয়তো আমরা অতটা হিসাব করি না। কিন্তু ছুটি কাটিয়ে যখন আবার কর্মব্যস্ত জীবনে ফিরি, তখন পকেটের শূন্যতা আমাদের দুশ্চিন্তায় ফেলে দেয়। কিন্তু ছুটি কাটিয়ে যখন আবার কর্মব্যস্ত জীবনে ফিরি, তখন পকেটের শূন্যতা আমাদের দুশ্চিন্তায় ফেলে দেয়।
বিশেষ করে মাসের মাঝপথে বা শেষে যদি ঈদ পড়ে, তবে বাকি দিনগুলো বা পরের মাস পার করা অনেকের জন্যই বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়। এই আর্থিক টানাপোড়েন সামলে আবার স্বাভাবিক ছন্দে ফেরার জন্য প্রয়োজন ঠান্ডা মাথায় কিছু কার্যকরী পরিকল্পনা।
ছুটি কাটিয়ে ফেরার পর প্রথম কাজ হলো খাতা-কলম বা মোবাইলের নোটপ্যাড নিয়ে বসা। কত টাকা খরচ হয়েছে তার সঠিক চিত্র আপনার সামনে থাকা জরুরি। কত টাকা বাজেটের বাইরে খরচ হয়েছে, তা লিখে ফেলুন। খরচের প্রকৃত অংকটা জানলে আপনার মস্তিষ্ক স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাশ্রয়ী হওয়ার পথ খুঁজবে।
এরপরের ধাপে আপনাকে ‘অপরিহার্য’ খরচগুলো আলাদা করতে হবে। বাসা ভাড়া, বিদ্যুৎ বিল, পানির বিল, বাচ্চার স্কুলের বেতন এবং যাতায়াত খরচ—এই টাকাগুলো কোনোভাবেই অন্য খাতে খরচ করা যাবে না। হাতে থাকা অবশিষ্ট টাকা থেকে এই বিলগুলোর জন্য প্রয়োজনীয় অংশটি শুরুতেই সরিয়ে রাখুন।
ঈদের পর বাজেট সামলানোর বড় অস্ত্র হতে পারে আপনার ঘরের ফ্রিজ। কোরবানির ঈদের পর প্রায় প্রতিটি পরিবারেই যথেষ্ট পরিমাণে মাংস মজুদ থাকে। আগামী দুই থেকে তিন সপ্তাহের জন্য বাজার থেকে বাড়তি প্রোটিন যেমন মাছ, মুরগি বা ডিম কেনা বন্ধ রাখুন।
ফ্রিজের মাংস দিয়েই নানা বৈচিত্র্যময় পদ রান্না করে দৈনন্দিন খাবারের চাহিদা মেটানো সম্ভব। বাজারে গেলে এখন শুধু প্রয়োজনীয় শাকসবজি বা আলু-পেঁয়াজের দিকে নজর দিন। এতে আপনার মাসিক বাজার খরচের একটি বড় অংশ বেঁচে যাবে।
পাশাপাশি বাইরের রেস্টুরেন্টে খাওয়া বা অনলাইন অ্যাপে খাবার অর্ডার করা এই সময়ের জন্য ‘নিষিদ্ধ’ ঘোষণা করুন। অফিসের লাঞ্চ বা বিকেলের নাস্তা বাসা থেকেই তৈরি করে নিয়ে যান।
যাতায়াতের ক্ষেত্রেও কিছুটা পরিবর্তন আনতে পারেন। এই মাসটা ব্যক্তিগত গাড়ি বা রাইড শেয়ারিং অ্যাপের সিএনজি-মোটরসাইকেলের বদলে গণপরিবহন বা বাসে যাতায়াত করার চেষ্টা করুন। খুব কাছের দূরত্বে রিকশা না নিয়ে হাঁটার অভ্যাস করুন।
ঈদের ঠিক পরেই বিভিন্ন ব্র্যান্ড বা শপিং মলগুলোতে ‘ক্লিয়ারেন্স সেল’ বা বিশাল ছাড়ের অফার দেওয়া হয়। বাজেট সংকটে থাকা অবস্থায় এই ধরণের প্রলোভন এড়িয়ে চলা জরুরি। ‘ছাড় দিচ্ছে’ বলে অপ্রয়োজনীয় ড্রেস বা ঘর সাজানোর জিনিস কেনা মানে আপনার বর্তমান সংকটকে আরও বাড়িয়ে তোলা।
আগামী এক মাস কোনো ধরণের শপিং থেকে বিরত থাকুন। বন্ধু-বান্ধব বা আত্মীয়দের সঙ্গে দেখা করতে চাইলে ঘরোয়া আড্ডার আয়োজন করুন, যেখানে খরচ নামমাত্র।
আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো ক্রেডিট কার্ডের ব্যবহার। পকেটে টাকা না থাকলে আমরা অনেকেই ক্রেডিট কার্ড বা পরিচিতদের কাছ থেকে ধার করে পরিস্থিতি সামাল দিতে চাই। এমন সিদ্ধান্ত আত্মঘাতী হতে পারে।
উচ্চ সুদের ক্রেডিট কার্ডের ঋণ আপনার আগামী মাসের বাজেটকেও ধ্বংস করে দেবে। খুব বেশি প্রয়োজন না হলে ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করবেন না এবং নতুন করে কোনো ঋণের জালে জড়াবেন না। যদি পরিস্থিতি খুব বেশি খারাপ হয়, তবে আপনার আগের কোনো সঞ্চয় থেকে কিছু টাকা খরচ করতে পারেন, কিন্তু অন্যের কাছে হাত পাতা বা ঋণের বোঝা বাড়ানো থেকে দূরে থাকাই বুদ্ধিমানের কাজ।
ঈদের পর প্রতি বছরই যদি আপনাকে একই ধরণের আর্থিক সংকটে পড়তে হয়, তবে বুঝতে হবে আপনার দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনায় ত্রুটি রয়েছে। এই বছরের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে আগামী বছরের জন্য এখনই পরিকল্পনা শুরু করুন।
কোরবানির পশু কেনা বা ঈদের খরচের জন্য একটি আলাদা ‘সিঙ্কিং ফান্ড’ বা মাসিক সঞ্চয় প্রকল্প চালু করতে পারেন। প্রতি মাসে সামান্য কিছু টাকা (যেমন ৩০০০ বা ৫০০০ টাকা) একটি আলাদা অ্যাকাউন্টে সরিয়ে রাখলে পরের বছর ঈদের সময় আপনাকে বেতনের পুরো টাকা বা সঞ্চয়ে হাত দিতে হবে না।

কাঁচা আমের টক-ঝাল ঝাঁঝ আর পাকা আমের মিষ্টি স্বাদ আমাদের খাদ্য সংস্কৃতিকে করেছে দারুণ সমৃদ্ধ। শুধু ফল হিসেবে নয়, ডাল, চাটনি, আচার থেকে শুরু করে আমচুর বা আমসত্ত্বর মতো খাবারে আমের ব্যবহার যুগ যুগ ধরে চলে আসছে।
৬ ঘণ্টা আগে
আজ গৌতম চট্টোপাধ্যায়ের জন্মদিন। তিনি ছিলেন কলকাতার বিখ্যাত ব্যান্ড ‘মহীনের ঘোড়াগুলি’র দলনেতা, যিনি ‘মণিদা’ নামে সর্বাধিক পরিচিত ছিলেন। তাঁকে নিয়ে স্ট্রিমের সঙ্গে কথা বলেছেন গৌতম-পুত্র ‘লক্ষীছাড়া’ ব্যান্ডের গৌরব চট্টোপাধ্যায় গাবু।
১ দিন আগে
আজ খাজা আহমদ আব্বাসের (১৯১৪–১৯৮৭) মৃত্যুদিন। তিনি ছিলেন ভারতীয় গণনাট্য আন্দোলন ও প্রগতিশীল সাংস্কৃতিক আন্দোলনের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা, উর্দু লেখক, সাংবাদিক, চিত্রনাট্যকার ও চলচ্চিত্র পরিচালক। জন্ম ভারতের পানিপতে। উর্দু সাহিত্যের দিকপাল মাওলানা আলতাফ হোসেন হালি ছিলেন তাঁর মাতামহর বাবা। তাঁর পিতামহর বাবা
১ দিন আগে
ঈদের ছুটি শেষে আব আবারও ফিরতে হচ্ছে কর্মব্যস্ত জীবনে। কবজি ডুবিয়ে খাওয়া, বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা কিংবা মন চাইলেই বিছানায় গা এলিয়ে পড়ে থাকার দিন শেষ। এমন সুখের দিন কাটানোর পর কার ইচ্ছে করে কর্মমুখর দিনে ফিরে যেতে?
২ দিন আগে