সামনেই ভ্যাপসা গরম পড়বে। আর এই গরমে স্টাইল ও আরাম—এই দুইয়ের সমন্বয়ের জন্য ঢোলা বা অভারসাইজড পোশাক খুব ভালো অপশন। এখন আবার এই স্টাইলটাও বেশ ট্রেন্ডি হয়ে উঠেছে।
ফাবিহা বিনতে হক

ফ্যাশন কখনোই কোনো নিয়মে বাঁধা থাকে না। তাই আমাদের আলমারিতে নানা ধরনের পোশাক জমে যায়। তবে গ্রীষ্মকালের তীব্র গরম থেকে স্বস্তি পেতে শুধু ফ্যাশনের কথা ভাবলেই চলে না। পাশাপাশি আরামের বিষয়টিও মাথায় রাখতে হয়। পোশাক স্বস্তিদায়ক হলে আপনার মেজাজ যেমন ঠিক থাকবে, তেমনি আপনার কাজেও মনোযোগ আসবে।
সামনেই ভ্যাপসা গরম পড়বে। আর এই গরমে স্টাইল ও আরাম—এই দুইয়ের সমন্বয়ের জন্য ঢোলা বা অভারসাইজড পোশাক খুব ভালো অপশন। এখন আবার এই স্টাইলটাও বেশ ট্রেন্ডি হয়ে উঠেছে।
গত কয়েক বছর ধরে ফ্যাশন দুনিয়ায় ‘অভারসাইজড’ বা ঢিলেঢালা পোশাকের জনপ্রিয়তা দেখা গেছে। এর পেছনে একটি বড় কারণ কোভিড-১৯ মহামারি। ফ্যাশন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, লকডাউনের সময় মানুষ মাসের পর মাস ঘরবন্দি ছিল। সে সময় ঘরে বসে কাজ করা বা ‘ওয়ার্ক ফ্রম হোম’ সংস্কৃতি মানুষের কর্মজীবনে বেশ বড় পরিবর্তন এনেছিল। তখন মানুষ পরার উপযোগী ঘরের পোশাক পরেই অফিসের কাজ করতে শুরু করে।
মৃত্যুপুরীতে পরিণত পৃথিবীতে টিকে থাকতে ফ্যাশনের চেয়ে সুস্থ থাকা আরও বেশি জরুরি হয়ে পড়ে। মহামারি শেষ হলেও এই অভ্যাস মানুষ আর ছাড়তে পারেনি। আরামদায়ক ঢিলেঢালা পোশাকই ধীরে ধীরে পরিণত হয় ফ্যাশনে।

গবেষনায় দেখা গেছে, অভারসাইজড পোশাকের সঙ্গে ‘বডি পজিটিভিটি’র মতো বিষয়ও জড়িত। বর্তমান প্রজন্ম পোশাকের ক্ষেত্রে ফিটিংয়ের সীমানা ভাঙতে চাইছে। নারী-পুরুষ উভয়ের জন্যই অভারসাইজড পোশাক তাই দারুণ ফ্যাশন হয়ে উঠেছে।
হলিউডের সিনেমা বা সিরিজেও এমন ট্রেন্ড স্পষ্ট। যেমন জনপ্রিয় সিরিজ ‘স্ট্রেঞ্জার থিংস’-এ আশির দশকের সেই ঢিলেঢালা শার্ট ও জ্যাকেটের ফ্যাশন নতুন প্রজন্মের কাছে দারুণ সাড়া ফেলেছে। এ ছাড়া পশ্চিমা পপ তারকা বিলি আইলিশের সিগনেচার স্টাইলই হলো অভারসাইজড পোশাক। মূলত বডি শেমিংয়ের প্রতিবাদ হিসেবে এ ধরনের পোশাক তিনি পরেন। কোরিয়ান ড্রামায় চরিত্রগুলোকে ফিটিং পোশাকের বদলে অভারসাইজড পোশাকে বেশি দেখা যায়।
ফ্যাশনের মূল শর্ত হওয়া উচিত আরাম। আবহাওয়া বুঝে পোশাক নির্বাচনই বুদ্ধিমানের কাজ। এই গরমে মেয়েরা কামিজ বা কুর্তির ক্ষেত্রে ‘এ-লাইন কাট’ বেছে নিতে পারেন। এতে শরীরে বাতাস চলাচলের সুযোগ বাড়ে। গতানুগতিক টাইট লেগিংস বা চুড়িদারের বদলে এখন পালাজো, ওয়াইড-লেগ প্যান্টস বেশ চলছে। এগুলো দেখতে যেমন স্টাইলিশ, পরতেও তেমনি আরাম।
আর যদি আপনি পশ্চিমা পোশাক পছন্দ করেন, তাহলে অভারসাইজড টি-শার্ট বা শার্ট পরতে পারেন। এর সঙ্গে জিন্সের বদলে সুতির ব্যাগি প্যান্ট দারুণ মানাবে। এ ছাড়া লং ম্যাক্সি ড্রেস বা ফ্লোরাল প্রিন্টের স্কার্টও গরমের জন্য চমৎকার।

শাড়িপ্রেমীরা এই গরমে বেছে নিতে পারেন টাঙ্গাইলের সুতি শাড়ি, কোটা, খাদি বা মসলিন। ভারী জামদানির বদলে হালকা কাজের সুতির শাড়ি কর্মজীবী নারীদের জন্য স্বস্তিদায়ক হতে পারে। গরমে খুব বেশি ভারী কাজের পোশাক এড়িয়ে চলাই ভালো।
ছেলেদের গরমের ফ্যাশনেও এখন অভারসাইজড টি-শার্টের জয়জয়কার। ক্যাজুয়াল লুকের জন্য ঢিলেঢালা হাফহাতা টি-শার্ট আর সুতির প্যান্ট হতে পারে সেরা পছন্দ। অফিসে বা ফর্মাল কাজে যাওয়ার জন্য স্লিম-ফিট শার্টের বদলে রেগুলার ফিট বা কিছুটা ঢিলেঢালা লিনেন শার্ট পরতে পারেন। কলারলেস বা ম্যান্ডারিন কলারের শার্টও এখন বেশ ট্রেন্ডি।
প্যান্টের ক্ষেত্রে স্কিনি জিন্স একেবারেই বাদ দিতে পারেন। এর বদলে চিনোস বা স্ট্রেট-কাট প্যান্ট বেছে নিন। শুক্রবার বা ছুটির দিনে সুতির ঢিলেঢালা পাঞ্জাবি ও পায়জামা পরতে পারেন।
গরমের তীব্রতায় শিশুরা সবচেয়ে বেশি কষ্ট পায়। তাই তাদের পোশাক হতে হবে সবচেয়ে বেশি আরামদায়ক। শিশুদের জন্য এমন পোশাক কিনুন যা গায়ে পরানো ও খোলা সহজ। মেয়ে শিশুদের জন্য হাতাকাটা সুতির ফ্রক বা নিমা সবচেয়ে ভালো। ছেলে শিশুদের জন্য হাফপ্যান্ট ও পাতলা সুতির টি-শার্ট বেছে নিন।

শিশুদের পোশাকে কোনোভাবেই সিনথেটিক বা সিল্কের কাপড় ব্যবহার করবেন না। এতে ত্বকে র্যাশ বা ঘামাচি হতে পারে। পোশাকের ইলাস্টিক যেন খুব টাইট না হয়, সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে। বাইরে যাওয়ার সময় শিশুদের মাথায় সুতির টুপি বা হ্যাট পরিয়ে দিতে পারেন। এতে তারা সরাসরি রোদ থেকে রক্ষা পাবে।
পোশাকের ডিজাইন যেমনই হোক, কাপড় আরামদায়ক না হলে গরমের সময় বেশ ঝামেলায় পড়তে হয়। এই সময়ে সুতি, লিনেন ও খাদি কাপড়ের কোনো বিকল্প নেই। সুতি কাপড় খুব সহজেই শরীরের ঘাম শুষে নেয়। লিনেন কাপড় শরীরে বাতাস চলাচলে দারুণ সাহায্য করে।
গরমে কোন রঙের পোশাক পরছেন—এই বিষয়টিও বেশ গুরুত্বপূর্ণ। গাঢ় রং তাপ বেশি শোষণ করে এবং হালকা রং তাপ প্রতিফলিত করে। তাই এই গরমে কালো, গাঢ় নীল বা লাল রঙের পোশাক যথাসম্ভব এড়িয়ে চলা উচিত।
বরং বেছে নিন হালকা বা প্যাস্টেলজাতীয় রংগুলো। সাদা রঙের পোশাক গরমের জন্য সবচেয়ে আরামদায়ক। সাদার পাশাপাশি হালকা গোলাপি, পুদিনা সবুজ, হালকা নীল, ল্যাভেন্ডার বা হালকা হলুদ রঙের পোশাক পরতে পারেন। এই হালকা রংগুলো আপনার শরীরকে শীতল রাখতে সাহায্য করে।

ফ্যাশন কখনোই কোনো নিয়মে বাঁধা থাকে না। তাই আমাদের আলমারিতে নানা ধরনের পোশাক জমে যায়। তবে গ্রীষ্মকালের তীব্র গরম থেকে স্বস্তি পেতে শুধু ফ্যাশনের কথা ভাবলেই চলে না। পাশাপাশি আরামের বিষয়টিও মাথায় রাখতে হয়। পোশাক স্বস্তিদায়ক হলে আপনার মেজাজ যেমন ঠিক থাকবে, তেমনি আপনার কাজেও মনোযোগ আসবে।
সামনেই ভ্যাপসা গরম পড়বে। আর এই গরমে স্টাইল ও আরাম—এই দুইয়ের সমন্বয়ের জন্য ঢোলা বা অভারসাইজড পোশাক খুব ভালো অপশন। এখন আবার এই স্টাইলটাও বেশ ট্রেন্ডি হয়ে উঠেছে।
গত কয়েক বছর ধরে ফ্যাশন দুনিয়ায় ‘অভারসাইজড’ বা ঢিলেঢালা পোশাকের জনপ্রিয়তা দেখা গেছে। এর পেছনে একটি বড় কারণ কোভিড-১৯ মহামারি। ফ্যাশন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, লকডাউনের সময় মানুষ মাসের পর মাস ঘরবন্দি ছিল। সে সময় ঘরে বসে কাজ করা বা ‘ওয়ার্ক ফ্রম হোম’ সংস্কৃতি মানুষের কর্মজীবনে বেশ বড় পরিবর্তন এনেছিল। তখন মানুষ পরার উপযোগী ঘরের পোশাক পরেই অফিসের কাজ করতে শুরু করে।
মৃত্যুপুরীতে পরিণত পৃথিবীতে টিকে থাকতে ফ্যাশনের চেয়ে সুস্থ থাকা আরও বেশি জরুরি হয়ে পড়ে। মহামারি শেষ হলেও এই অভ্যাস মানুষ আর ছাড়তে পারেনি। আরামদায়ক ঢিলেঢালা পোশাকই ধীরে ধীরে পরিণত হয় ফ্যাশনে।

গবেষনায় দেখা গেছে, অভারসাইজড পোশাকের সঙ্গে ‘বডি পজিটিভিটি’র মতো বিষয়ও জড়িত। বর্তমান প্রজন্ম পোশাকের ক্ষেত্রে ফিটিংয়ের সীমানা ভাঙতে চাইছে। নারী-পুরুষ উভয়ের জন্যই অভারসাইজড পোশাক তাই দারুণ ফ্যাশন হয়ে উঠেছে।
হলিউডের সিনেমা বা সিরিজেও এমন ট্রেন্ড স্পষ্ট। যেমন জনপ্রিয় সিরিজ ‘স্ট্রেঞ্জার থিংস’-এ আশির দশকের সেই ঢিলেঢালা শার্ট ও জ্যাকেটের ফ্যাশন নতুন প্রজন্মের কাছে দারুণ সাড়া ফেলেছে। এ ছাড়া পশ্চিমা পপ তারকা বিলি আইলিশের সিগনেচার স্টাইলই হলো অভারসাইজড পোশাক। মূলত বডি শেমিংয়ের প্রতিবাদ হিসেবে এ ধরনের পোশাক তিনি পরেন। কোরিয়ান ড্রামায় চরিত্রগুলোকে ফিটিং পোশাকের বদলে অভারসাইজড পোশাকে বেশি দেখা যায়।
ফ্যাশনের মূল শর্ত হওয়া উচিত আরাম। আবহাওয়া বুঝে পোশাক নির্বাচনই বুদ্ধিমানের কাজ। এই গরমে মেয়েরা কামিজ বা কুর্তির ক্ষেত্রে ‘এ-লাইন কাট’ বেছে নিতে পারেন। এতে শরীরে বাতাস চলাচলের সুযোগ বাড়ে। গতানুগতিক টাইট লেগিংস বা চুড়িদারের বদলে এখন পালাজো, ওয়াইড-লেগ প্যান্টস বেশ চলছে। এগুলো দেখতে যেমন স্টাইলিশ, পরতেও তেমনি আরাম।
আর যদি আপনি পশ্চিমা পোশাক পছন্দ করেন, তাহলে অভারসাইজড টি-শার্ট বা শার্ট পরতে পারেন। এর সঙ্গে জিন্সের বদলে সুতির ব্যাগি প্যান্ট দারুণ মানাবে। এ ছাড়া লং ম্যাক্সি ড্রেস বা ফ্লোরাল প্রিন্টের স্কার্টও গরমের জন্য চমৎকার।

শাড়িপ্রেমীরা এই গরমে বেছে নিতে পারেন টাঙ্গাইলের সুতি শাড়ি, কোটা, খাদি বা মসলিন। ভারী জামদানির বদলে হালকা কাজের সুতির শাড়ি কর্মজীবী নারীদের জন্য স্বস্তিদায়ক হতে পারে। গরমে খুব বেশি ভারী কাজের পোশাক এড়িয়ে চলাই ভালো।
ছেলেদের গরমের ফ্যাশনেও এখন অভারসাইজড টি-শার্টের জয়জয়কার। ক্যাজুয়াল লুকের জন্য ঢিলেঢালা হাফহাতা টি-শার্ট আর সুতির প্যান্ট হতে পারে সেরা পছন্দ। অফিসে বা ফর্মাল কাজে যাওয়ার জন্য স্লিম-ফিট শার্টের বদলে রেগুলার ফিট বা কিছুটা ঢিলেঢালা লিনেন শার্ট পরতে পারেন। কলারলেস বা ম্যান্ডারিন কলারের শার্টও এখন বেশ ট্রেন্ডি।
প্যান্টের ক্ষেত্রে স্কিনি জিন্স একেবারেই বাদ দিতে পারেন। এর বদলে চিনোস বা স্ট্রেট-কাট প্যান্ট বেছে নিন। শুক্রবার বা ছুটির দিনে সুতির ঢিলেঢালা পাঞ্জাবি ও পায়জামা পরতে পারেন।
গরমের তীব্রতায় শিশুরা সবচেয়ে বেশি কষ্ট পায়। তাই তাদের পোশাক হতে হবে সবচেয়ে বেশি আরামদায়ক। শিশুদের জন্য এমন পোশাক কিনুন যা গায়ে পরানো ও খোলা সহজ। মেয়ে শিশুদের জন্য হাতাকাটা সুতির ফ্রক বা নিমা সবচেয়ে ভালো। ছেলে শিশুদের জন্য হাফপ্যান্ট ও পাতলা সুতির টি-শার্ট বেছে নিন।

শিশুদের পোশাকে কোনোভাবেই সিনথেটিক বা সিল্কের কাপড় ব্যবহার করবেন না। এতে ত্বকে র্যাশ বা ঘামাচি হতে পারে। পোশাকের ইলাস্টিক যেন খুব টাইট না হয়, সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে। বাইরে যাওয়ার সময় শিশুদের মাথায় সুতির টুপি বা হ্যাট পরিয়ে দিতে পারেন। এতে তারা সরাসরি রোদ থেকে রক্ষা পাবে।
পোশাকের ডিজাইন যেমনই হোক, কাপড় আরামদায়ক না হলে গরমের সময় বেশ ঝামেলায় পড়তে হয়। এই সময়ে সুতি, লিনেন ও খাদি কাপড়ের কোনো বিকল্প নেই। সুতি কাপড় খুব সহজেই শরীরের ঘাম শুষে নেয়। লিনেন কাপড় শরীরে বাতাস চলাচলে দারুণ সাহায্য করে।
গরমে কোন রঙের পোশাক পরছেন—এই বিষয়টিও বেশ গুরুত্বপূর্ণ। গাঢ় রং তাপ বেশি শোষণ করে এবং হালকা রং তাপ প্রতিফলিত করে। তাই এই গরমে কালো, গাঢ় নীল বা লাল রঙের পোশাক যথাসম্ভব এড়িয়ে চলা উচিত।
বরং বেছে নিন হালকা বা প্যাস্টেলজাতীয় রংগুলো। সাদা রঙের পোশাক গরমের জন্য সবচেয়ে আরামদায়ক। সাদার পাশাপাশি হালকা গোলাপি, পুদিনা সবুজ, হালকা নীল, ল্যাভেন্ডার বা হালকা হলুদ রঙের পোশাক পরতে পারেন। এই হালকা রংগুলো আপনার শরীরকে শীতল রাখতে সাহায্য করে।
.png)

‘যুদ্ধ’ শব্দটার সঙ্গে আমাদের পরিচয় অনেক দিনের। টিভি খুললেই যুদ্ধের খবর, ফেসবুকে ঢুকলেই ধ্বংসস্তূপ, আগুন আর মানুষের কান্নার ছবি। এত বেশি দেখতে দেখতে আমরা যেন অভ্যস্ত হয়ে গেছি। নিউজফিড স্ক্রল করতে এখন আর আঙুল থেমে যায় না।
২ ঘণ্টা আগে
রবীন্দ্রনাথকে ভাঙতে পারলে অনেকের শান্তি হয়; যদি ভাঙা নাও যায়, অন্ততপক্ষে আঁচড় কেটে কেউ কেউ তৃপ্তি পান। বাংলা অঞ্চলে সেই আঁচড় কাটার ইতিহাস বেশ পুরনো। এমনকি বিগত দুই বছরেও নানামাত্রিক নখরাঘাত চোখে পড়েছে; প্রশ্ন তোলা হয়েছে রবীন্দ্রনাথের রাজনীতি, ধর্ম কিংবা অঞ্চলগত পরিচয় প্রসঙ্গে।
৩ ঘণ্টা আগে
হাড় সুস্থ রাখতে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ডি ও প্রোটিন। এ ছাড়া ভিটামিন কে, ম্যাগনেশিয়াম, জিংক ও ফসফরাস হাড় ও পেশি ভালো রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ক্যালসিয়ামের কথা উঠলেই সবার আগে আসে দুধ ও দুগ্ধজাত খাবারের নাম। ২০০ মিলিলিটার এক গ্লাস দুধে প্রায় ২৬০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম থাকে।
১১ ঘণ্টা আগে
আমাদের প্রতিবাদী গানের ইতিহাস দীর্ঘ। ভাষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ ও স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে সংগীত রাজপথে মানুষকে উদ্বুদ্ধ করেছে। প্রতিটি আন্দোলনেই প্রতিবাদী গান নিজস্ব স্বর ও স্বকীয়তা নিয়ে হাজির হয়েছে। চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান সেই ধারায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে র্যাপ গান।
২১ ঘণ্টা আগে