ছুটির দিনগুলোতে টাকার চিন্তা যেন নতুন করে চাপ তৈরি না করে, সেদিকে খেয়াল রাখুন। মাথা ঠান্ডা রেখে সঠিক সিদ্ধান্ত নিন।
স্ট্রিম ডেস্ক

যেকোনো উৎসব বা ছুটির দিনগুলোতে পরিবার, বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটাতে কে না চায়? কিন্তু এই আনন্দের সঙ্গে চলে আসে টাকার চিন্তাও। মাঝেমধ্যে অবস্থা এমন থাকে যে চাইলেও আপনি টাকা খরচ না করে থাকতে পারবেন না।
হয়ত আপনি বছরজুড়েই অনেক হিসাব করে চলেন। জমানো টাকার কথা ভেবে নিজের অনেক শখ বা ইচ্ছে বাদ দেন। কিন্তু হঠাৎ আপনার মনে হতেই পারে, ‘অনেক হিসাব করে চলি। এখন একটু খরচ করলে কী এমন হবে!’ বিজ্ঞানের ভাষায় একে বলা যায় ‘পুরস্কার থেকে বঞ্চিত হওয়ার অনুভূতি’ বা ‘রিওয়ার্ড ডিপ্রাইভেশন’।
তবে এর ফল টের পাওয়া যায় ছুটির দিন চলে যাওয়ার পর। যখন আপনার হাতে ক্রেডিট কার্ডের বিল বা খরচের লম্বা তালিকা আসে, তখন আর আনন্দের রেশ থাকে না। শুরু হয় নতুন দুশ্চিন্তা। এই বিপদ থেকে বাঁচার কোনো উপায়ই কি নেই?
প্রথমেই মাথা ঠান্ডা করে ঠিক করে ফেলুন আপনি মোট কত টাকা খরচ করবেন। কত টাকা খরচ করলে আপনার হাতে টান পড়বে না। কাগজে লিখে রাখুন খরচের সর্বোচ্চ সীমা।
পোশাকের জন্য কত, খাবারের জন্য কত—তার একটি হিসাব এখনই করে ফেলুন। এই সীমার বাইরে এক টাকাও খরচ করা যাবে না, এই সিদ্ধান্ত নিয়ে নিন। এবং সিদ্ধান্তে অটুট থাকার চেষ্টা করুন।
আপনাকে বাড়তি খরচ করা থেকে আটকাবে এমন কাউকে আপনার পাশে রাখুন। পরিবারের কেউ বা খুব কাছের কোনো বন্ধুকে এই দায়িত্ব দিন। তাঁকে আগেই আপনার বাজেটের কথা জানিয়ে রাখতে পারেন। পরিবারের কেউ হলে, সম্ভব হলে কেনাকাটায় তাঁকে সঙ্গে নিয়ে যান।
আপনার খরচের হাত যদি একটু বেশি থাকে, অনলাইনে কিছু কিনলে তাঁকে ভিডিও কলে রাখুন বা মেসেজ করে জানান। টাকা পেমেন্ট করার আগে তাঁকে জিজ্ঞেস করুন, ‘দেখো তো, আমি কি বাজেটের বাইরে চলে যাচ্ছি?’ কিংবা ‘আমার কি আসলেই এই জিনিসটা দরকার?’
এতে ঝোঁকের মাথায় অপ্রয়োজনীয় জিনিস কেনা থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। আপনার শুধু একজন মানুষের দরকার, যে আপনাকে সঠিক সময়ে বাধা দেবে।
অনেকেই ছুটির দিনের মেজাজে থাকলে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট বা খরচের হিসাব দেখতে চান না। তাঁরা ভাবেন, ‘যা হওয়ার হোক, এখন শুধু আনন্দ করি। হিসাব পরে দেখা যাবে।’ কিন্তু এই এড়িয়ে যাওয়ার ফল ভালো হয় না।
দিন শেষে যখন খরচের হিসাব সামনে আসে, তখন মাসের খরচের জন্য চাপ তৈরি হতে পারে। তাই মন না চাইলেও প্রতি সপ্তাহে অন্তত একবার নিজের খরচের হিসাব দেখুন। এতে আপনার খরচের লাগাম আপনার হাতেই থাকবে। বাস্তবতাকে এড়িয়ে গেলে সমস্যা বাড়ে, কমে না।
আমরা অনেকেই ভাবি, বাজার থেকে কেনা দামি জিনিস না দিলে বুঝি সম্মান থাকে না। কিন্তু দেখা গেছে, মানুষ দামি জিনিসের চেয়ে সুন্দর স্মৃতি বা ভালো ব্যবহার বেশি মনে রাখে। নিজের হাতে বানানো কোনো সাধারণ জিনিসও অনেক বেশি অর্থবহ হতে পারে।
আনন্দ উপভোগ করার জন্য অনেক টাকার দরকার নেই। যেমন প্রিয় বন্ধুকে একসঙ্গে তোলা কোনো ছবি প্রিন্ট করে দিতে পারেন। ছবি প্রিন্ট করতে তেমন কোনো খরচই লাগে না। অথচ খুবই অর্থবহ উপহার। চাইলে হাতে লেখা চিঠি দিতে পারেন।
কোনো দামী রেস্টুরেন্টে না গিয়ে চাইলে বন্ধুদের বলতে পারেন, ‘চলো, এবার সবাই বাসা থেকেই খাবার এনে একসঙ্গে খাই।’ এতে অন্যেরাও উৎসাহ পাবে। কারণ, আপনার মতো হয়ত আরও অনেকেই আর্থিক চাপে আছেন, কিন্তু লজ্জায় বলতে পারছেন না। আপনার এই প্রস্তাবে হয়ত সবাই স্বস্তি পেতে পারে।
টাকার টানাটানি থাকলে মানুষ অনেক সময় একপেশে চিন্তায় আটকে যায়। তখন মনে হয়, হয়ত আমাকে খুশি থাকতে হবে, নয়ত কৃপণের মতো টাকা জমাতে হবে। মনে হয় যেন এই দুই বিষয় একসঙ্গে মেনে চলা যায় না।
কিন্তু এটা একদম ভুল ধারণা। আপনি কম খরচ করেও খুশি থাকতে পারেন। কোথায় কত খরচ করবেন, সেই সিদ্ধান্ত পুরোপুরি আপনার হাতে। এমন কোনো কাজ করবেন না, যার কারণে ভবিষ্যতে পস্তাতে হয়। আর্থিক সমস্যা থাকলে পরিবারকে বুঝিয়ে বলুন।
ছুটির দিনগুলোতে টাকার চিন্তা যেন নতুন করে চাপ তৈরি না করে, সেদিকে খেয়াল রাখুন। মাথা ঠান্ডা রেখে এখনই সঠিক সিদ্ধান্ত নিন। জীবনের সুন্দর মুহূর্তগুলো কখনই টাকা দিয়ে কেনা যায় না। প্রয়োজনে টাকা খরচ করুন কিন্তু ঝোঁকের বশে অপচয় করতে যাবেন না। মনে রাখবেন, প্রিয়জনদের সঙ্গে কাটানো সময়টাই আসল আনন্দ।

যেকোনো উৎসব বা ছুটির দিনগুলোতে পরিবার, বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটাতে কে না চায়? কিন্তু এই আনন্দের সঙ্গে চলে আসে টাকার চিন্তাও। মাঝেমধ্যে অবস্থা এমন থাকে যে চাইলেও আপনি টাকা খরচ না করে থাকতে পারবেন না।
হয়ত আপনি বছরজুড়েই অনেক হিসাব করে চলেন। জমানো টাকার কথা ভেবে নিজের অনেক শখ বা ইচ্ছে বাদ দেন। কিন্তু হঠাৎ আপনার মনে হতেই পারে, ‘অনেক হিসাব করে চলি। এখন একটু খরচ করলে কী এমন হবে!’ বিজ্ঞানের ভাষায় একে বলা যায় ‘পুরস্কার থেকে বঞ্চিত হওয়ার অনুভূতি’ বা ‘রিওয়ার্ড ডিপ্রাইভেশন’।
তবে এর ফল টের পাওয়া যায় ছুটির দিন চলে যাওয়ার পর। যখন আপনার হাতে ক্রেডিট কার্ডের বিল বা খরচের লম্বা তালিকা আসে, তখন আর আনন্দের রেশ থাকে না। শুরু হয় নতুন দুশ্চিন্তা। এই বিপদ থেকে বাঁচার কোনো উপায়ই কি নেই?
প্রথমেই মাথা ঠান্ডা করে ঠিক করে ফেলুন আপনি মোট কত টাকা খরচ করবেন। কত টাকা খরচ করলে আপনার হাতে টান পড়বে না। কাগজে লিখে রাখুন খরচের সর্বোচ্চ সীমা।
পোশাকের জন্য কত, খাবারের জন্য কত—তার একটি হিসাব এখনই করে ফেলুন। এই সীমার বাইরে এক টাকাও খরচ করা যাবে না, এই সিদ্ধান্ত নিয়ে নিন। এবং সিদ্ধান্তে অটুট থাকার চেষ্টা করুন।
আপনাকে বাড়তি খরচ করা থেকে আটকাবে এমন কাউকে আপনার পাশে রাখুন। পরিবারের কেউ বা খুব কাছের কোনো বন্ধুকে এই দায়িত্ব দিন। তাঁকে আগেই আপনার বাজেটের কথা জানিয়ে রাখতে পারেন। পরিবারের কেউ হলে, সম্ভব হলে কেনাকাটায় তাঁকে সঙ্গে নিয়ে যান।
আপনার খরচের হাত যদি একটু বেশি থাকে, অনলাইনে কিছু কিনলে তাঁকে ভিডিও কলে রাখুন বা মেসেজ করে জানান। টাকা পেমেন্ট করার আগে তাঁকে জিজ্ঞেস করুন, ‘দেখো তো, আমি কি বাজেটের বাইরে চলে যাচ্ছি?’ কিংবা ‘আমার কি আসলেই এই জিনিসটা দরকার?’
এতে ঝোঁকের মাথায় অপ্রয়োজনীয় জিনিস কেনা থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। আপনার শুধু একজন মানুষের দরকার, যে আপনাকে সঠিক সময়ে বাধা দেবে।
অনেকেই ছুটির দিনের মেজাজে থাকলে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট বা খরচের হিসাব দেখতে চান না। তাঁরা ভাবেন, ‘যা হওয়ার হোক, এখন শুধু আনন্দ করি। হিসাব পরে দেখা যাবে।’ কিন্তু এই এড়িয়ে যাওয়ার ফল ভালো হয় না।
দিন শেষে যখন খরচের হিসাব সামনে আসে, তখন মাসের খরচের জন্য চাপ তৈরি হতে পারে। তাই মন না চাইলেও প্রতি সপ্তাহে অন্তত একবার নিজের খরচের হিসাব দেখুন। এতে আপনার খরচের লাগাম আপনার হাতেই থাকবে। বাস্তবতাকে এড়িয়ে গেলে সমস্যা বাড়ে, কমে না।
আমরা অনেকেই ভাবি, বাজার থেকে কেনা দামি জিনিস না দিলে বুঝি সম্মান থাকে না। কিন্তু দেখা গেছে, মানুষ দামি জিনিসের চেয়ে সুন্দর স্মৃতি বা ভালো ব্যবহার বেশি মনে রাখে। নিজের হাতে বানানো কোনো সাধারণ জিনিসও অনেক বেশি অর্থবহ হতে পারে।
আনন্দ উপভোগ করার জন্য অনেক টাকার দরকার নেই। যেমন প্রিয় বন্ধুকে একসঙ্গে তোলা কোনো ছবি প্রিন্ট করে দিতে পারেন। ছবি প্রিন্ট করতে তেমন কোনো খরচই লাগে না। অথচ খুবই অর্থবহ উপহার। চাইলে হাতে লেখা চিঠি দিতে পারেন।
কোনো দামী রেস্টুরেন্টে না গিয়ে চাইলে বন্ধুদের বলতে পারেন, ‘চলো, এবার সবাই বাসা থেকেই খাবার এনে একসঙ্গে খাই।’ এতে অন্যেরাও উৎসাহ পাবে। কারণ, আপনার মতো হয়ত আরও অনেকেই আর্থিক চাপে আছেন, কিন্তু লজ্জায় বলতে পারছেন না। আপনার এই প্রস্তাবে হয়ত সবাই স্বস্তি পেতে পারে।
টাকার টানাটানি থাকলে মানুষ অনেক সময় একপেশে চিন্তায় আটকে যায়। তখন মনে হয়, হয়ত আমাকে খুশি থাকতে হবে, নয়ত কৃপণের মতো টাকা জমাতে হবে। মনে হয় যেন এই দুই বিষয় একসঙ্গে মেনে চলা যায় না।
কিন্তু এটা একদম ভুল ধারণা। আপনি কম খরচ করেও খুশি থাকতে পারেন। কোথায় কত খরচ করবেন, সেই সিদ্ধান্ত পুরোপুরি আপনার হাতে। এমন কোনো কাজ করবেন না, যার কারণে ভবিষ্যতে পস্তাতে হয়। আর্থিক সমস্যা থাকলে পরিবারকে বুঝিয়ে বলুন।
ছুটির দিনগুলোতে টাকার চিন্তা যেন নতুন করে চাপ তৈরি না করে, সেদিকে খেয়াল রাখুন। মাথা ঠান্ডা রেখে এখনই সঠিক সিদ্ধান্ত নিন। জীবনের সুন্দর মুহূর্তগুলো কখনই টাকা দিয়ে কেনা যায় না। প্রয়োজনে টাকা খরচ করুন কিন্তু ঝোঁকের বশে অপচয় করতে যাবেন না। মনে রাখবেন, প্রিয়জনদের সঙ্গে কাটানো সময়টাই আসল আনন্দ।
.png)

১৯৯৫ সালে অ্যামাজন প্রথম যে পণ্যটি বিক্রি করেছিল, সেটি ছিল ডগলাস হফস্ট্যাডারের লেখা বই ‘ফ্লুইড কনসেপ্টস অ্যান্ড ক্রিয়েটিভ’। তিন দশক পর সেই অনলাইন বইয়ের দোকানটির বাজারমূল্য ৩ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। ২০২৬ সালের দ্বিতীয় প্রান্তিকে মাত্র তিন মাসেই প্রতিষ্ঠানটি বিক্রি করেছে ২০০ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলারের পণ্য
৪ ঘণ্টা আগে
হুমায়ুন আজাদের বহুল আলোচিত এই উক্তিগুলো পাওয়া যায় ‘হুমায়ুন আজাদের প্রবচনগুচ্ছ’ বইয়ে। কিন্তু বইটি কেবল এমন কিছু আপাত-নিরীহ অথচ গভীর সত্য উচ্চারণে ভরা—এমনটা ভাবলে ভুল হবে। বইয়ের পাঁচ নম্বর প্রবচনেই পাঠক থমকে যেতে পারেন। সেখানে লেখা, ‘শামসুর রাহমানকে একটি অভিনেত্রীর সাথে টিভিতে দেখা গেছে।
৭ ঘণ্টা আগে
হোমারের লেখা মহাকাব্য ‘ওডিসি’র প্রধান চরিত্র ওডিসিউস বাড়ি ফেরার পর তার বিশ্বস্ত কুকুর আর্গোস তাকে চিনতে পারে। তাদের পুনর্মিলনের এই আবেগঘন দৃশ্যটি বর্ণনা করতে হোমার ব্যবহার করেছেন মাত্র প্রায় ৪০টি লাইন। অথচ এটি পুরো মহাকাব্যের অন্যতম আবেগঘন ঘটনা। মহাকাব্যের এই দৃশ্যটি পর্দায় নতুন করে তুলে ধরেছেন
১১ আগস্ট ২০২৬
পৃথিবীর সবচেয়ে পরিচিত বন্য প্রাণীগুলোর একটি সিংহ। ছোটবেলা থেকেই গল্প, সিনেমা আর ছবিতে আমরা তাকে দেখে এসেছি বনের রাজা হিসেবে। তার গর্জন, কেশর আর রাজকীয় উপস্থিতি যেন আলাদা পরিচয় তৈরি করেছে। ‘বনের রাজা’কে বিশ্ব সিংহ দিবসের পরের দিন একটু অন্যভাবে চেনা যাক।
১১ আগস্ট ২০২৬