স্ট্রিম ডেস্ক

ইরান যুদ্ধ এবং যুক্তরাষ্ট্রে জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির পরিপ্রেক্ষিতে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা তাঁর দুই মেয়াদের শাসনকালে সর্বনিম্নে নেমেছে। সোমবার (১৭ আগস্ট) প্রকাশিত রয়টার্স-ইপসোসের জরিপে এ তথ্য উঠে এসেছে। ১ হাজার ১৬৬ প্রাপ্তবয়স্ক মার্কিন নাগরিক অনলাইনে এই জরিপে অংশ নেন।
জরিপ অনুযায়ী, মাত্র ৩৩ শতাংশ মার্কিন নাগরিক প্রেসিডেন্ট হিসেবে ট্রাম্পের পারফরম্যান্সে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন, যেখানে ৬৪ শতাংশই তাঁর কর্মকাণ্ডের বিরোধিতা করেছেন।
২০২৫ সালে দেশের প্রায় অর্ধেক মানুষের সমর্থনে দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় ফেরেন। চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরায়েলের সঙ্গে যৌথভাবে ইরানে বিমান হামলার নির্দেশ দিলে ট্রাম্পের জনপ্রিয়তায় বড় ধরনের ধাক্কা লাগে। সংঘাতের ফলে বিশ্বের এক-পঞ্চমাংশ তেল বাণিজ্য স্থবির হয়ে পড়ে। পেট্রোলের দাম বাড়ায় খোদ আমেরিকান নাগরিকদেরই পড়তে হয়েছে তীব্র আর্থিক চাপে।
এই মেয়াদের ক্ষমতায় আসার আগে ট্রাম্প আমেরিকানদের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ এবং দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধ এড়ানোর। ইরান যুদ্ধের শুরুতে ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, কয়েক সপ্তাহেই এই সংঘাত শেষ হবে। তবে ইরান প্রতিরোধ বজায় রেখেছে এবং হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেলের যাতায়াত বন্ধ করায় যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হচ্ছে।
জরিপ অনুযায়ী, ৮০ শতাংশ আমেরিকান মনে করেন ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সংঘাত দীর্ঘ সময় চলবে। মাত্র ১৬ শতাংশ মানুষ মনে করেন আগামী কয়েক সপ্তাহে যুদ্ধ শেষ হতে পারে।
গত শুক্রবার নিউইয়র্কের গার্ডেন সিটিতে ট্রাম্প বলেন, ‘জ্বালানির জন্য সামান্য কিছু বেশি অর্থ দিতে হচ্ছে এটা ঠিক। মনে রাখবেন, আপনারা তা করছেন যাতে চরম দুষ্ট ও বিশ্বের প্রধান সন্ত্রাসী পৃষ্ঠপোষক দেশকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে আটকাতে পারেন।’
জরিপে দেখা গেছে, মাত্র ২০ শতাংশ আমেরিকান মনে করেন যে এই যুদ্ধ শেষ পর্যন্ত অর্থবহ বা সার্থক হয়েছে। খোদ ট্রাম্পের দলের সমর্থকদের ৫০ শতাংশ মানুষ মনে করেন এই যুদ্ধ সার্থক হয়েছে।
ইরান যুদ্ধ ও তেলের দাম নিয়ে সাধারণ মানুষের অসন্তোষ আগামী ৩ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রতিনিধি পরিষদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা ধরে রাখা এবং সিনেটের নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখা এখন ঝুঁকির মুখে। প্রায় এক দশকের মধ্যে প্রথমবার অর্থনীতি পরিচালনায় রিপাবলিকানদের চেয়ে ডেমোক্র্যাটদের ওপর বেশি ভরসা করছেন ভোটাররা।
জরিপে দেখা গেছে, ৩৮ শতাংশ ভোটার অর্থনীতি নিয়ন্ত্রণে ডেমোক্র্যাটদের ভালো মনে করছেন, যেখানে ৩৫ শতাংশ ভোটার রিপাবলিকানদের পছন্দ করছেন। জীবনযাত্রার ব্যয় সামলানোর ক্ষেত্রেও ডেমোক্র্যাটরা এগিয়ে রয়েছে।
ট্রাম্প প্রশাসনের কঠোর নজরদারিতে সীমান্ত পারাপারের ঘটনা কমেছে। তবে সীমান্তে শিশুসহ বন্দিদের মৃত্যু ও বিভিন্ন সংঘর্ষের কারণে ঐতিহ্যগতভাবে এগিয়ে থাকা অভিবাসন ইস্যুতেও রিপাবলিকানদের অবস্থান দুর্বল হচ্ছে।
জরিপ অনুযায়ী, ৪০ শতাংশ নিবন্ধিত ভোটার অভিবাসন নীতিতে রিপাবলিকানদের ওপর আস্থা রাখছেন, আর ৩৮ শতাংশ পছন্দ করছেন ডেমোক্র্যাটদের। এই ২ শতাংশের ব্যবধান ট্রাম্পের মেয়াদের সর্বনিম্ন। ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে এই ব্যবধান ছিল প্রায় ২৬ শতাংশ।
তথ্যসূত্র: রয়টার্স

ইরান যুদ্ধ এবং যুক্তরাষ্ট্রে জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির পরিপ্রেক্ষিতে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা তাঁর দুই মেয়াদের শাসনকালে সর্বনিম্নে নেমেছে। সোমবার (১৭ আগস্ট) প্রকাশিত রয়টার্স-ইপসোসের জরিপে এ তথ্য উঠে এসেছে। ১ হাজার ১৬৬ প্রাপ্তবয়স্ক মার্কিন নাগরিক অনলাইনে এই জরিপে অংশ নেন।
জরিপ অনুযায়ী, মাত্র ৩৩ শতাংশ মার্কিন নাগরিক প্রেসিডেন্ট হিসেবে ট্রাম্পের পারফরম্যান্সে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন, যেখানে ৬৪ শতাংশই তাঁর কর্মকাণ্ডের বিরোধিতা করেছেন।
২০২৫ সালে দেশের প্রায় অর্ধেক মানুষের সমর্থনে দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় ফেরেন। চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরায়েলের সঙ্গে যৌথভাবে ইরানে বিমান হামলার নির্দেশ দিলে ট্রাম্পের জনপ্রিয়তায় বড় ধরনের ধাক্কা লাগে। সংঘাতের ফলে বিশ্বের এক-পঞ্চমাংশ তেল বাণিজ্য স্থবির হয়ে পড়ে। পেট্রোলের দাম বাড়ায় খোদ আমেরিকান নাগরিকদেরই পড়তে হয়েছে তীব্র আর্থিক চাপে।
এই মেয়াদের ক্ষমতায় আসার আগে ট্রাম্প আমেরিকানদের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ এবং দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধ এড়ানোর। ইরান যুদ্ধের শুরুতে ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, কয়েক সপ্তাহেই এই সংঘাত শেষ হবে। তবে ইরান প্রতিরোধ বজায় রেখেছে এবং হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেলের যাতায়াত বন্ধ করায় যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হচ্ছে।
জরিপ অনুযায়ী, ৮০ শতাংশ আমেরিকান মনে করেন ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সংঘাত দীর্ঘ সময় চলবে। মাত্র ১৬ শতাংশ মানুষ মনে করেন আগামী কয়েক সপ্তাহে যুদ্ধ শেষ হতে পারে।
গত শুক্রবার নিউইয়র্কের গার্ডেন সিটিতে ট্রাম্প বলেন, ‘জ্বালানির জন্য সামান্য কিছু বেশি অর্থ দিতে হচ্ছে এটা ঠিক। মনে রাখবেন, আপনারা তা করছেন যাতে চরম দুষ্ট ও বিশ্বের প্রধান সন্ত্রাসী পৃষ্ঠপোষক দেশকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে আটকাতে পারেন।’
জরিপে দেখা গেছে, মাত্র ২০ শতাংশ আমেরিকান মনে করেন যে এই যুদ্ধ শেষ পর্যন্ত অর্থবহ বা সার্থক হয়েছে। খোদ ট্রাম্পের দলের সমর্থকদের ৫০ শতাংশ মানুষ মনে করেন এই যুদ্ধ সার্থক হয়েছে।
ইরান যুদ্ধ ও তেলের দাম নিয়ে সাধারণ মানুষের অসন্তোষ আগামী ৩ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রতিনিধি পরিষদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা ধরে রাখা এবং সিনেটের নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখা এখন ঝুঁকির মুখে। প্রায় এক দশকের মধ্যে প্রথমবার অর্থনীতি পরিচালনায় রিপাবলিকানদের চেয়ে ডেমোক্র্যাটদের ওপর বেশি ভরসা করছেন ভোটাররা।
জরিপে দেখা গেছে, ৩৮ শতাংশ ভোটার অর্থনীতি নিয়ন্ত্রণে ডেমোক্র্যাটদের ভালো মনে করছেন, যেখানে ৩৫ শতাংশ ভোটার রিপাবলিকানদের পছন্দ করছেন। জীবনযাত্রার ব্যয় সামলানোর ক্ষেত্রেও ডেমোক্র্যাটরা এগিয়ে রয়েছে।
ট্রাম্প প্রশাসনের কঠোর নজরদারিতে সীমান্ত পারাপারের ঘটনা কমেছে। তবে সীমান্তে শিশুসহ বন্দিদের মৃত্যু ও বিভিন্ন সংঘর্ষের কারণে ঐতিহ্যগতভাবে এগিয়ে থাকা অভিবাসন ইস্যুতেও রিপাবলিকানদের অবস্থান দুর্বল হচ্ছে।
জরিপ অনুযায়ী, ৪০ শতাংশ নিবন্ধিত ভোটার অভিবাসন নীতিতে রিপাবলিকানদের ওপর আস্থা রাখছেন, আর ৩৮ শতাংশ পছন্দ করছেন ডেমোক্র্যাটদের। এই ২ শতাংশের ব্যবধান ট্রাম্পের মেয়াদের সর্বনিম্ন। ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে এই ব্যবধান ছিল প্রায় ২৬ শতাংশ।
তথ্যসূত্র: রয়টার্স
.png)

রাশিয়ার যুদ্ধবিরোধী রাজনীতিক লেভ শ্লোসবার্গকে ১১ বছর এক মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সোমবার (১৭ আগস্ট) উত্তর-পশ্চিম রাশিয়ার পিসকভ শহরের আদালত এই রায় দেন।
১ ঘণ্টা আগে
হামাসের সম্পূর্ণ নিরস্ত্রীকরণ না হওয়া পর্যন্ত গাজায় পুনর্গঠন শুরু করা হবে না বলে জানিয়েছে ইসরায়েল। একই সঙ্গে, হামাসের সব হালকা ও ভারী অস্ত্র এবং সুড়ঙ্গ ধ্বংসের বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের গঠন করা ‘বোর্ড অব পিস’-এর সঙ্গে সমঝোতায় পৌঁছেছে দেশটি।
১১ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা ব্যর্থ হলে হরমুজ প্রণালিতে ‘পুরোদমে আক্রমণাত্মক’ অবস্থানে যাওয়ার হুমকি দিয়েছে ইরান। সোমবার রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে দেশটির এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা তেহরানের প্রতিরক্ষামূলক অবস্থান পরিবর্তনের এ হুঁশিয়ারি দেন।
১১ ঘণ্টা আগে
এবার ওমানে ‘ভয়াবহ বোমা হামলার’ হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সোমবার (১৭ আগস্ট) ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ‘হরমুজ খোলার পথে বাধা হয়ে দাঁড়ালে আমরা ওমানের ওপর ভয়াবহ বোমা হামলা চালাব।’ এর আগে গত শনিবার তেহরান জানিয়েছিলো, কয়েক সপ্তাহের কারিগরি আলোচনার পর হরমুজ প
১৫ ঘণ্টা আগে