leadT1ad

গাজার শান্তি বোর্ডে এরদোয়ান-সিসিকেও চান ট্রাম্প

স্ট্রিম ডেস্ক
স্ট্রিম ডেস্ক

প্রকাশ : ১৭ জানুয়ারি ২০২৬, ২২: ০০
তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও মিসরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসি। ছবি: সংগৃহীত

গণহত্যা পরবর্তী গাজার শাসনব্যবস্থা তদারকির জন্য গঠিত ‘শান্তি বোর্ডে যোগ দিতে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান ও মিসরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসিকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আঙ্কারা ও কায়রো কর্তৃপক্ষ শনিবার (১৭ জানুয়ারি) এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

এর আগে, শুক্রবার হোয়াইট হাউস এই বোর্ডের ঘোষণা দেয়। ট্রাম্পের পরিকল্পনা অনুযায়ী, গাজায় ইসরায়েলের আগ্রাসনের পর সাময়িক শাসনব্যবস্থা তদারকি করবে এই বোর্ড।

তুরস্কের প্রেসিডেন্সিয়াল কমিউনিকেশনস ডিরেক্টর বুরহানেত্তিন দুরান জানান, শুক্রবার ট্রাম্পের পাঠানো চিঠিতে এরদোয়ানকে বোর্ডের ‘প্রতিষ্ঠাতা সদস্য’ হওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে মিসরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আবদেল আত্তি জানান, প্রেসিডেন্ট সিসিকেও পৃথকভাবে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে এবং কায়রো বিষয়টি পর্যালোচনা করছে।

বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে থাকছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। অন্য সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও, ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ, ব্রিটেনের সাবেক প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ার এবং ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার।

বোর্ডে আরও রয়েছেন ধনকুবের মার্ক রোয়ান, বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট অজয় বাঙ্গা ও ট্রাম্পের উপদেষ্টা রবার্ট গ্যাব্রিয়েল। জাতিসংঘের সাবেক মধ্যপ্রাচ্য দূত নিকোলাই ম্লাডেনভকে গাজার জন্য উচ্চ প্রতিনিধি এবং মেজর জেনারেল জ্যাসপার জেফার্সকে আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনীর কমান্ডার নিয়োগ করা হয়েছে।

ট্রাম্পের পরিকল্পনায় বলা হয়েছে, একটি ফিলিস্তিনি টেকনোক্র্যাট বডি গাজা শাসন করবে, তবে তার তদারকিতে থাকবে এই আন্তর্জাতিক বোর্ড। তবে বোর্ডে কোনো ফিলিস্তিনি প্রতিনিধির নাম নেই। মানবাধিকার কর্মীরা বিদেশি ভূখণ্ড শাসনে ট্রাম্পের তদারকিকে ‘ঔপনিবেশিক কাঠামো’ হিসেবে সমালোচনা করেছেন। এছাড়া ইরাক যুদ্ধে ভূমিকার কারণে টনি ব্লেয়ারের অন্তর্ভুক্তি নিয়েও বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে।

Ad 300x250

সম্পর্কিত