শত্রুরা বুঝেছে সামরিক শক্তি দিয়ে হরমুজ খোলা সম্ভব নয়: ইরান

স্ট্রিম ডেস্ক
স্ট্রিম ডেস্ক

মানচিত্রে হরমুজ প্রণালি।

ইরানের পার্লামেন্টের ডেপুটি স্পিকার আলী নিকজাদ বলেছেন, শত্রুরা বুঝেছে সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে হরমুজ প্রণালি খোলা সম্ভব নয়।

সোমবার (১০ আগস্ট) দেশটির ইসলামিক কনসালটেটিভ অ্যাসেম্বলিতে বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।

আলী নিকজাদ বলেন, ‘আগ্রাসী ও বিভ্রান্ত শত্রুদের ইরান বোঝানোর চেষ্টা করেছিল যে হরমুজ আর কখনোই যুদ্ধের আগের অবস্থায় ফিরবে না। শুরুতে তা না বোঝার ভান করলেও আমেরিকান-জায়নবাদী শত্রু এখন বুঝেছে, সামরিক শক্তি দিয়ে হরমুজ খোলার কোনো সুযোগ নেই। এই অঞ্চলের নতুন শৃঙ্খলা তাদের মেনে নিতেই হবে।’

অন্যদিকে সংবাদ সম্মেলনে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেন, ‘মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত ও নিরাপত্তাহীনতার জন্য যুক্তরাষ্ট্রই দায়ী। এই অঞ্চলের নিরাপত্তায় বাইরের শক্তির প্রয়োজন নেই। যুক্তরাষ্ট্র নিরাপত্তা দেবে এমন চিন্তা বিভ্রান্তি ছাড়া কিছু না।’

বাঘাই আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক ও সামরিক সমর্থনের কারণেই ইসরায়েল কোনো বিচার বা জবাবদিহি ছাড়া অবাধে অপরাধ চালিয়ে যেতে পারছে। যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা ছাড়া ইসরায়েলের পক্ষে এভাবে অপরাধ করা অসম্ভব।

তুরস্ক, সৌদি আরব ও পাকিস্তানের মধ্যকার সাম্প্রতিক প্রতিরক্ষা চুক্তিকে ‘ইসলামিক ন্যাটো’ বলা যায় কি না—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে ইসমাইল বাঘাই বলেন, ‘আমাদের অঞ্চলে বাইরের কোনো শক্তির হস্তক্ষেপের প্রয়োজন নেই। এলাকায় এখনো উত্তেজনা রয়েছে, তবে আমরা আশা করি প্রতিবেশী দেশগুলো সাম্প্রতিক বছরগুলোর ঘটনা থেকে শিক্ষা নেবে। আঞ্চলিক যৌথ নিরাপত্তা জোরদার করতে একযোগে কাজ করবে।’

এদিকে যুক্তরাজ্যের মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনস (ইউকেএমটিও) বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালিতে আইআরজিসির (ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড) আক্রমণ ও নজরদারি অব্যাহত থাকায় ওই এলাকা এখনো অত্যন্ত ‘গুরুতর’ অবস্থায় রয়েছে।

ইউকেএমটিও জানায়, গত শনিবার সংযুক্ত আরব আমিরাতের একটি ট্যাংকারে হামলা হয়। বর্তমানে প্রণালি দিয়ে যাতায়াতকারী বাণিজ্যিক জাহাজের সংখ্যা নেমে এসেছে একক অঙ্কে।

তথ্যসূত্র: আল-জাজিরা

Ad 300x250
লেটেস্ট
সর্বাধিক পঠিত

সম্পর্কিত