
যুদ্ধে জয়ী হয়ে ভেনেজুয়েলার মতো ইরানকেও নিয়ন্ত্রণ করবে যুক্তরাষ্ট্র। একইসঙ্গে দেশটির তেল সম্পদ কব্জায় নেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) আয়ারল্যান্ড সফরে ‘অ্যামজেন আইরিশ ওপেন’ গলফ চ্যাম্পিয়নশিপের ফাঁকে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।
ট্রাম্প বলেন, ইরানের সঙ্গে চূড়ান্ত কোনো সমঝোতায় না হলে যুক্তরাষ্ট্র দেশটিতে দীর্ঘমেয়াদে অবস্থান নিতে পারে। ট্রাম্পের মতে, ভেনেজুয়েলার বিশাল তেল ভাণ্ডারের এক-পঞ্চমাংশের ওপর মার্কিন নিয়ন্ত্রণ যেভাবে যুদ্ধের খরচ বহন করছে, ইরানের ক্ষেত্রেও একই মডেল অনুসরণ করা সম্ভব।
ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা ইরান থেকে চলে আসব। তবে যদি সেখানে থাকি তবে ভেনেজুয়েলার মতো তাদের তেল সম্পদও নিজেদের দখলে রাখব।’
তাঁর দাবি, ভেনেজুয়েলার তেল থেকে প্রাপ্ত রাজস্ব দিয়ে ইরান যুদ্ধের ব্যয় উঠে এসেছে। এ ছাড়া যুদ্ধের অবসানে ট্রাম্প এ বছরের শেষ নাগাদ একটি চূড়ান্ত শান্তি চুক্তির আশা প্রকাশ করেন। তিনি জানান, যুদ্ধের অবসান হলে বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম ‘পাথরের মতো নিচে নেমে আসবে।’
বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে অস্থিতিশীলতার সৃষ্টি হয়েছে। সৌদি আরবের একটি তেল পাইপলাইনে হামলার ঘটনায় সোমবার বিশ্ববাজারে তেলের দাম আবারও বাড়বে বলে আশঙ্কা করছেন ব্যবসায়ীরা। এ পরিস্থিতির মধ্যেই ট্রাম্প জোর দিয়ে বলেছেন, তিনি কেবল একটি ‘সঠিক চুক্তিই’ করবেন, কোনো দুর্বল সমঝোতায় যাবেন না।
ইরান বারবার দাবি করে আসছে, তারা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নতুন কোনো আলোচনা বা শান্তির প্রস্তাব নিয়ে আগ্রহী নয়। তবে ট্রাম্পের দাবি, তেহরান ক্রমাগত শান্তি আলোচনার জন্য চাপ দিচ্ছে।
ভেনেজুয়েলার সঙ্গে গত আগস্টে স্বাক্ষরিত মার্কিন চুক্তির প্রসঙ্গ টেনে ট্রাম্প জানান, সেখানে ওয়াশিংটন যেভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও সম্পদ ব্যবস্থাপনা করছে, ইরানের ক্ষেত্রেও একই পথ অবলম্বন করা হতে পারে।
তথ্যসূত্র: সিএনএন
.png)
-7c29dd-256x144.webp)





