leadT1ad

‘মানসিক রোগী’ ট্রাম্পকে সামলাতে সাইকোলজিস্ট নিয়োগ ইরানের

স্ট্রিম ডেস্ক
স্ট্রিম ডেস্ক

প্রকাশ : ১৪ জুন ২০২৬, ১৬: ২৪
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: এক্স থেকে নেওয়া

ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যকার পরোক্ষ আলোচনার সময় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জন্য কূটনৈতিক বার্তাগুলো যাচাই-বাছাই করতে অভিজ্ঞ মনস্তাত্ত্বিকদের (সাইকোলজিস্ট) নিয়োগ দিয়েছে ইরান। শনিবার (১৩ জুন) যুক্তরাষ্ট্রের সাংবাদিক জেরেমি স্কাহিল ইরানি সূত্রের বরাতে এ তথ্য জানান। খবর দ্য ক্রাডল এর।

প্রতিবেদনে বলা হয়, আলোচনার সময় ইরানি আলোচকরা অভিজ্ঞ মনোবিজ্ঞানীদের সহায়তায় ট্রাম্পের একটি মনস্তাত্ত্বিক প্রোফাইল তৈরি করেন। সেই মূল্যায়নের ভিত্তিতে কূটনৈতিক বার্তাগুলো সংশোধন ও উপস্থাপন করেন।

ব্রেকিং পয়েন্টস পডকাস্টে স্কাহিল বলেন, কয়েক সপ্তাহ আগে ইরানি প্রতিনিধিদল এই কৌশল গ্রহণ করে। তাঁদের ধারণা, ট্রাম্প মানসিকভাবে স্বাভাবিক অবস্থায় সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন না। এ কারণে আলোচনার বার্তাগুলো বিশেষভাবে সাজিয়ে মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে পাঠানো হচ্ছে।

ইরানি কর্মকর্তারা বিষয়টিকে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করেছেন। চিকিৎসা বিশেষজ্ঞদের সহায়তায় ট্রাম্পের আচরণ ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের ধরণ বিশ্লেষণ করে পরে সেই অনুযায়ী বার্তা প্রস্তুত করা হয়।

ট্রাম্পের স্বাস্থ্য নিয়েও সাম্প্রতিক সময়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। আগে প্রকাশিত কয়েকটি প্রতিবেদনে তার হাতে কালশিটে দাগ, গোড়ালি ফোলা, ঘাড়ে র‍্যাশ এবং বৈঠকের সময় ঘুমিয়ে পড়ার মতো উপসর্গের উল্লেখ করা হয়েছিল।

ইরানি কর্মকর্তাদের দাবি, আলোচনায় এই পদ্ধতি কিছু ইতিবাচক ফলও দিয়েছে। তারা বিষয়টিকে ‘একজন রোগীর সঙ্গে আচরণের মতো’হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

এদিকে আলোচনায় মধ্যস্থতাকারী কয়েকটি দেশও ট্রাম্পের সিদ্ধান্ত ও অবস্থানের ধারাবাহিকতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। এসব দেশের মধ্যে কাতার ও তুরস্কও রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানে শান্তি আলোচনা শেষ দিকে পৌঁছাতেই এ বিষয়টি সামনে এলো। গত ১২ জুন সিএনএনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানের ইউরেনিয়াম মজুত নিয়ন্ত্রণে নিতে যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তারা একটি অভিযানের পরিকল্পনা করেছিলেন।

তবে শেষ পর্যন্ত ওই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত হয়নি। সম্ভাব্য ইরানি পাল্টা প্রতিক্রিয়া, আঞ্চলিক উত্তেজনা বৃদ্ধি, বৈশ্বিক অর্থনীতিতে প্রভাব এবং মার্কিন হতাহতের আশঙ্কার বিষয়গুলো বিবেচনায় নেওয়া হয়েছিল। এছাড়া গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর মূল্যায়নে ইয়েমেনের মাধ্যমে বাব আল-মান্দেব প্রণালি বন্ধ করে দেওয়ার মতো আঞ্চলিক ঝুঁকির কথাও উল্লেখ করা হয়েছিল।

অন্যদিকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি শুক্রবার বলেন, একটি প্রস্তাবিত স্মারকের মাধ্যমে লেবাননসহ পুরো অঞ্চলে ইসরায়েলের আগ্রাসন বন্ধের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ইরান লেবাননকে একা ছেড়ে দেবে না। স্থায়ীভাবে যুদ্ধ বন্ধ করতে হলে লেবাননের ভূখণ্ড থেকে ইসরায়েলি বাহিনী ফিরিয়ে নিতে হবে।

Ad 300x250

সম্পর্কিত