আকাশসীমায় ‘মার্কিন-ইহুদি’ ড্রোন ধ্বংসের দাবি ইরানের

স্ট্রিম ডেস্ক
স্ট্রিম ডেস্ক

ইসরায়েল-অধিকৃত পশ্চিম তীরে মাটিতে গেঁথে থাকা একটি ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের একাংশ। ছবি: রয়টার্স

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি করেছে ইরান। সোমবার (৮ জুন) ভোরে ইস্পাহানসহ অন্তত তিনটি শহরে ইসরায়েলি বিমান হামলার পর পাল্টা আকাশ প্রতিরক্ষা সক্রিয় করে দেশটি।

ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা মেহর নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, তেহরানের আকাশে উড়তে থাকা ‘মার্কিন-ইহুদি শত্রুদের’ একটি ড্রোনকে সফলভাবে ধ্বংস করেছে ইরানের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা।

এর আগে আজ ভোরে তেহরান, তাবরিজ ও ইস্পাহানে এবং পশ্চিমাঞ্চলের কারাজ শহরের পাশে একযোগে বিমান হামলা চালায় ইসরায়েল। ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) তাদের টেলিগ্রাম পোস্টে জানায়, ইরানের পশ্চিম ও মধ্যাঞ্চলের বিভিন্ন রাডার ও সামরিক লক্ষ্যবস্তু লক্ষ্য করে এই হামলা চালিয়েছে।

জবাবে ইসরায়েলের নেভাতিম এবং তেল নোফ নামক দুটি বিমান ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় ইরান। ইরানি রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আইআরএনএ জানিয়েছে, তিনটি রাডার সাইটে ইসরায়েলি হামলার প্রতিবাদে এই পাল্টা অপারেশন চালানো হয়েছে।

এছাড়া উত্তর ইসরায়েলের হাইফা শহরের একটি পেট্রোকেমিক্যাল কারখানায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি করেছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)।

আইআরজিসি সতর্ক করেছে, ইসরায়েল ‘বিপজ্জনক খেলা’ শুরু করেছে এবং এই অঞ্চলের অ-সামরিক ও জ্বালানি অবকাঠামোতে পুনরায় হামলা হলে তার খেসারত দিতে হবে বৈশ্বিক অর্থনীতিকে।

এদিকে, ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই ইসরায়েলের এই হামলার জন্য সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রকে দায়ী করেছেন। তিনি বলেন, ‘ইসরায়েলি আগ্রাসন ও যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তাদের পরস্পরবিরোধী নীতি ও অবস্থান চলমান শান্তি আলোচনার ওপর কালো ছায়া ফেলেছে। এই উত্তেজনা বাড়ার দায়ভার যুক্তরাষ্ট্রকেই নিতে হবে।’

তবে সাম্প্রতিক আগ্রাসন সত্ত্বেও ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের বার্তা আদান-প্রদান ‘পুরোপুরি বন্ধ হয়নি’ বলে জানিয়েছেন বাঘাই।

তথ্যসূত্র: বিবিসি ও আল-জাজিরা

সম্পর্কিত