স্ট্রিম ডেস্ক

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতা চুক্তি ডিজিটাল মাধ্যমে সই হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। তবে হরমুজে টোলের পরিবর্তে পরিচালন ব্যয় ও সেবামূলক ফি আদায়ের ঘোষণা দিয়েছে ইরান।
স্থানীয় সময় সোমবার (১৫ জুন) সকালে এবিসি নিউজকে জেডি ভ্যান্স জানান, রোববার ডিজিটালি চুক্তি সই হয়েছে এবং এর অধীনে ইরানের কোনো অবরুদ্ধ তহবিল এখনো অবমুক্ত করা হয়নি।
চুক্তির পরপরই সোমবার সকালে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর ‘ট্রুথ সোশ্যাল’ পোস্টে জানান, হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেলবাহী জাহাজগুলো এখন অবাধে ও নিরাপদে যাতায়াত শুরু করেছে। যদিও আগে ট্রাম্প বলেছিলেন, শুক্রবার (১৯ জুন) সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় আনুষ্ঠানিক চুক্তি সইয়ের পর মাইন অপসারণের মাধ্যমে প্রণালি পুরোপুরি উন্মুক্ত হবে।
তবে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিম নিউজ এজেন্সিকে বলেন, ‘ইরান সরাসরি কোনো ট্রানজিট টোল বা যাতায়াত শুল্ক আদায় করতে চায় না। তবে নিরাপদ নৌ-চলাচল, পরিবেশ রক্ষা এবং ওমানের সঙ্গে যৌথ জাহাজ বিমাসহ যেসব সামুদ্রিক সেবা আমরা প্রদান করব, তার পরিচালন ব্যয় ও সেবামূলক ফি আদায় করা হবে।’
অন্যদিকে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দুটি সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, আগামী ৬০ দিন যুদ্ধবিরতি চলাকালীন বিনামূল্যে যাতায়াতের অনুমতি দিলেও, পরে ফি আরোপের পরিকল্পনা করছে ইরান।
অন্যদিকে, জেডি ভ্যান্স জানিয়েছেন, হরমুজকে স্থায়ীভাবে টোলমুক্ত রাখার বিষয়টি আলোচনার মাধ্যমে চূড়ান্ত হবে।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই আরও জানিয়েছেন, শুক্রবারের বৈঠকের আগে মধ্যপ্রাচ্যের বেশ কয়েকটি প্রতিবেশী দেশে কূটনৈতিক সফর করার পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়া চুক্তির চূড়ান্ত সইয়ের প্রক্রিয়া কেমন হবে, সে বিষয়ে আজ বা কালকের মধ্যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতা চুক্তি ডিজিটাল মাধ্যমে সই হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। তবে হরমুজে টোলের পরিবর্তে পরিচালন ব্যয় ও সেবামূলক ফি আদায়ের ঘোষণা দিয়েছে ইরান।
স্থানীয় সময় সোমবার (১৫ জুন) সকালে এবিসি নিউজকে জেডি ভ্যান্স জানান, রোববার ডিজিটালি চুক্তি সই হয়েছে এবং এর অধীনে ইরানের কোনো অবরুদ্ধ তহবিল এখনো অবমুক্ত করা হয়নি।
চুক্তির পরপরই সোমবার সকালে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর ‘ট্রুথ সোশ্যাল’ পোস্টে জানান, হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেলবাহী জাহাজগুলো এখন অবাধে ও নিরাপদে যাতায়াত শুরু করেছে। যদিও আগে ট্রাম্প বলেছিলেন, শুক্রবার (১৯ জুন) সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় আনুষ্ঠানিক চুক্তি সইয়ের পর মাইন অপসারণের মাধ্যমে প্রণালি পুরোপুরি উন্মুক্ত হবে।
তবে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিম নিউজ এজেন্সিকে বলেন, ‘ইরান সরাসরি কোনো ট্রানজিট টোল বা যাতায়াত শুল্ক আদায় করতে চায় না। তবে নিরাপদ নৌ-চলাচল, পরিবেশ রক্ষা এবং ওমানের সঙ্গে যৌথ জাহাজ বিমাসহ যেসব সামুদ্রিক সেবা আমরা প্রদান করব, তার পরিচালন ব্যয় ও সেবামূলক ফি আদায় করা হবে।’
অন্যদিকে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দুটি সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, আগামী ৬০ দিন যুদ্ধবিরতি চলাকালীন বিনামূল্যে যাতায়াতের অনুমতি দিলেও, পরে ফি আরোপের পরিকল্পনা করছে ইরান।
অন্যদিকে, জেডি ভ্যান্স জানিয়েছেন, হরমুজকে স্থায়ীভাবে টোলমুক্ত রাখার বিষয়টি আলোচনার মাধ্যমে চূড়ান্ত হবে।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই আরও জানিয়েছেন, শুক্রবারের বৈঠকের আগে মধ্যপ্রাচ্যের বেশ কয়েকটি প্রতিবেশী দেশে কূটনৈতিক সফর করার পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়া চুক্তির চূড়ান্ত সইয়ের প্রক্রিয়া কেমন হবে, সে বিষয়ে আজ বা কালকের মধ্যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

ইউক্রেনজুড়ে রাশিয়ার ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় অন্তত ৯ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও অনেকে। বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়েছে ১ লাখ ৪০ হাজারের বেশি পরিবার। একই সঙ্গে হামলার পর অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ঐতিহাসিক ডরমিশন ক্যাথেড্রাল।
৫ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা দিয়েছেন, ইরানের সঙ্গে একটি চুক্তি আগামী শুক্রবার স্বাক্ষরিত হবে। গত কয়েক দিনে তিনি একাধিক বক্তব্যে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, ১০০ দিনেরও বেশি সময় ধরে চলা যুদ্ধের অবসানে একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে
যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে শান্তিচুক্তির ঘোষণা এসেছে। প্রস্তাবিত সমঝোতা স্মারকে ১৪টি বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো লেবাননসহ সব ফ্রন্টে স্থায়ী যুদ্ধবিরতি, ইরানের বিরুদ্ধে আরোপিত মার্কিন নৌ অবরোধ প্রত্যাহার এবং হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালু করা।
১১ ঘণ্টা আগে
দীর্ঘ উত্তেজনা ও সংঘাতের পর যুদ্ধ বন্ধে অবশেষে শান্তিচুক্তিতে পৌঁছেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। আগামী শুক্রবার সুইজারল্যান্ডে আনুষ্ঠানিকভাবে এই চুক্তি সই হওয়ার কথা রয়েছে। এই সমঝোতা মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে নতুন বাস্তবতা তৈরি করতে পারে। যেখানে সবচেয়ে বেশি অস্বস্তিতে পড়তে পারে ইসরায়েল।
১৩ ঘণ্টা আগে