স্ট্রিম ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আহ্বান সত্ত্বেও চলমান ইরান যুদ্ধে জড়াবেনা বলে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে সামরিক জোট ন্যাটোর সদস্য যুক্তরাজ্য, জার্মানি ও গ্রিস।
আজ সোমবার (১৬ মার্চ) পৃথকভাবে দেওয়া বক্তব্যে নিজ নিজ দেশের অবস্থান তুলে ধরেন দেশগুলোর নেতারা।
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার বলেন, চলমান ইরান যুদ্ধ আরও বিস্তৃত আকার ধারণ করলেও যুক্তরাজ্য ‘বৃহত্তর’ যুদ্ধে জড়াবে না।
ডাউনিং স্ট্রিটে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, যুক্তরাজ্য নিজেদের ও মিত্রদের রক্ষায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে। তবে আমরা বৃহত্তর যুদ্ধে জড়াব না। খবর দ্য গার্ডিয়ানের।
স্টারমার বলেন, হরমুজ প্রণালিতে নৌপথ সুরক্ষিত রাখতে জাহাজ ও মাইন-সন্ধানী ড্রোন পাঠানোর বিষয়টি বিবেচনা করছে যুক্তরাজ্য। এ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র, উপসাগরীয় অংশীদার ও ইউরোপীয় দেশগুলোর সঙ্গে আলোচনা চলছে।
সিদ্ধান্ত এখনো চূড়ান্ত হয়নি উল্লেখ করে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বলেন, এটি এখনো আলোচনা পর্যায়ে আছে। সমুদ্রপথে চলাচল কীভাবে সুরক্ষিত রাখা যায়, সেটি একটি কঠিন প্রশ্ন।
এর আগে, ফাইন্যান্সিয়াল টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইরান যুদ্ধে হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত করতে ন্যাটো সাহায্য না করলে জোটটির ভবিষ্যৎ খারাপ হবে বলে হুঁশিয়ারি দিন ট্রাম্প।
যুক্তরাজ্যের উদ্দেশে তিনি বলেন, যুক্তরাজ্যকে হয়তো এক নম্বর মিত্র, সবচেয়ে দীর্ঘদিনের সঙ্গী হিসেবে বিবেচনা করা হতো, কিন্তু যখন আমি তাদের আসতে বললাম, তাঁরা আসতে চাইল না।
ট্রাম্প আরও বলেন, যখন আমরা ইরানের বিপজ্জনক সক্ষমতা নিশ্চিহ্ন করে দিলাম, তখন তাঁরা বললো আমরা দুটো জাহাজ পাঠাব। তাঁদের এই জাহাজগুলো জেতার আগে দরকার, জেতার পরে নয়।
ট্রাম্পের এ হুমকির পরই যুক্তরাজ্য তাদের অবস্থান পরিষ্কার করে। এছাড়া ন্যাটো সদস্য জার্মানি ও গ্রিসও যুদ্ধে অংশ নেবে না বলে জানিয়েছে। খবর আল জাজিরার।
জার্মান সরকারের এক মুখপাত্র বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে এই যুদ্ধের সঙ্গে ন্যাটোর কোনো সম্পর্ক নেই এবং জার্মানি এতে জড়াবে না। এমনকি সামরিক উপায়ে হরমুজ প্রণালির পথ উদ্ধার অভিযানেও তারা অংশ নেবে না।
গ্রিসের সরকারও একই অবস্থান নিয়েছে। দেশটির মুখপাত্র পাভলোস মারিনাকিস জানিয়েছেন, হরমুজ প্রণালিতে কোনো সামরিক অভিযানে অংশগ্রহণের পরিকল্পনা তাদের নেই।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আহ্বান সত্ত্বেও চলমান ইরান যুদ্ধে জড়াবেনা বলে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে সামরিক জোট ন্যাটোর সদস্য যুক্তরাজ্য, জার্মানি ও গ্রিস।
আজ সোমবার (১৬ মার্চ) পৃথকভাবে দেওয়া বক্তব্যে নিজ নিজ দেশের অবস্থান তুলে ধরেন দেশগুলোর নেতারা।
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার বলেন, চলমান ইরান যুদ্ধ আরও বিস্তৃত আকার ধারণ করলেও যুক্তরাজ্য ‘বৃহত্তর’ যুদ্ধে জড়াবে না।
ডাউনিং স্ট্রিটে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, যুক্তরাজ্য নিজেদের ও মিত্রদের রক্ষায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে। তবে আমরা বৃহত্তর যুদ্ধে জড়াব না। খবর দ্য গার্ডিয়ানের।
স্টারমার বলেন, হরমুজ প্রণালিতে নৌপথ সুরক্ষিত রাখতে জাহাজ ও মাইন-সন্ধানী ড্রোন পাঠানোর বিষয়টি বিবেচনা করছে যুক্তরাজ্য। এ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র, উপসাগরীয় অংশীদার ও ইউরোপীয় দেশগুলোর সঙ্গে আলোচনা চলছে।
সিদ্ধান্ত এখনো চূড়ান্ত হয়নি উল্লেখ করে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বলেন, এটি এখনো আলোচনা পর্যায়ে আছে। সমুদ্রপথে চলাচল কীভাবে সুরক্ষিত রাখা যায়, সেটি একটি কঠিন প্রশ্ন।
এর আগে, ফাইন্যান্সিয়াল টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইরান যুদ্ধে হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত করতে ন্যাটো সাহায্য না করলে জোটটির ভবিষ্যৎ খারাপ হবে বলে হুঁশিয়ারি দিন ট্রাম্প।
যুক্তরাজ্যের উদ্দেশে তিনি বলেন, যুক্তরাজ্যকে হয়তো এক নম্বর মিত্র, সবচেয়ে দীর্ঘদিনের সঙ্গী হিসেবে বিবেচনা করা হতো, কিন্তু যখন আমি তাদের আসতে বললাম, তাঁরা আসতে চাইল না।
ট্রাম্প আরও বলেন, যখন আমরা ইরানের বিপজ্জনক সক্ষমতা নিশ্চিহ্ন করে দিলাম, তখন তাঁরা বললো আমরা দুটো জাহাজ পাঠাব। তাঁদের এই জাহাজগুলো জেতার আগে দরকার, জেতার পরে নয়।
ট্রাম্পের এ হুমকির পরই যুক্তরাজ্য তাদের অবস্থান পরিষ্কার করে। এছাড়া ন্যাটো সদস্য জার্মানি ও গ্রিসও যুদ্ধে অংশ নেবে না বলে জানিয়েছে। খবর আল জাজিরার।
জার্মান সরকারের এক মুখপাত্র বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে এই যুদ্ধের সঙ্গে ন্যাটোর কোনো সম্পর্ক নেই এবং জার্মানি এতে জড়াবে না। এমনকি সামরিক উপায়ে হরমুজ প্রণালির পথ উদ্ধার অভিযানেও তারা অংশ নেবে না।
গ্রিসের সরকারও একই অবস্থান নিয়েছে। দেশটির মুখপাত্র পাভলোস মারিনাকিস জানিয়েছেন, হরমুজ প্রণালিতে কোনো সামরিক অভিযানে অংশগ্রহণের পরিকল্পনা তাদের নেই।

মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের উত্তেজনার মধ্যেই মাইন শনাক্তকারী দুটি মার্কিন রণতরি হঠাৎ মালয়েশিয়ায় দেখা গেছে।
৩ ঘণ্টা আগে
মুসলমানদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতরের দিনসহ তার পরবর্তী সময়েও আল-আকসা মসজিদ বন্ধ রাখার পরিকল্পনা করেছে ইসরায়েল।
৩ ঘণ্টা আগে
ভারতে ধর্মীয় স্বাধীনতা খর্ব ও লঙ্ঘনের অভিযোগে কট্টরপন্থী সংগঠন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (আরএসএস) ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের সুপারিশ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক ধর্মীয় স্বাধীনতা বিষয়ক কমিশন (ইউএসসিআইআরএফ)।
৩ ঘণ্টা আগে
ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) পররাষ্ট্র নীতিবিষয়ক প্রধান কায়া কালাস জানিয়েছেন, হরমুজ প্রণালি সচল রাখতে ইউরোপের পক্ষ থেকে কী কী পদক্ষেপ নেওয়া যেতে পারে, তা নিয়ে আলোচনায় বসছে সদস্য দেশগুলো।
৫ ঘণ্টা আগে