স্ট্রিম ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রে জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব সীমিত করার উদ্যোগ আদালতে ধাক্কা খাওয়ার পর এবার সেই রায় পুনর্বিবেচনার আবেদনের ঘোষণা দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেন, এ বিষয়ে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্টে পুনঃশুনানির আবেদন করবেন। খবর আলজাজিরার।
বুধবার (৮ জুলাই) নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প লেখেন, ‘আমেরিকার নাগরিকত্ব বিক্রির জন্য নয়। সুপ্রিম কোর্টের রায়টি ভুল।’ তিনি আরও জানান, অবিলম্বে সর্বোচ্চ আদালতে পুনঃশুনানির আবেদন করা হবে।
চলতি বছরের ২০ জানুয়ারি দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব নেওয়ার পর ট্রাম্প একটি নির্বাহী আদেশে যুক্তরাষ্ট্রে অস্থায়ী বৈধ মর্যাদাসম্পন্ন বা কাগজপত্রবিহীন অভিবাসী বাবা–মায়ের ঘরে জন্ম নেওয়া শিশুদের মার্কিন নাগরিকত্ব পাওয়ার বিধান বাতিলের উদ্যোগ নেন। তবে গত মাসে দেশটির সুপ্রিম কোর্ট ৬–৩ ভোটে তার সেই উদ্যোগ খারিজ করে দেন।
আদালতের মতে, ট্রাম্পের নির্দেশনা যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের ১৪তম সংশোধনীর সঙ্গে সাংঘর্ষিক। ওই সংশোধনীতে যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নেওয়া এবং দেশটির এখতিয়ারের অধীন ব্যক্তিদের নাগরিকত্বের অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে।
সুপ্রিম কোর্টের এ রায়কে ‘দেশের জন্য দুঃখজনক’ বলে মন্তব্য করেছেন ট্রাম্প। জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব সীমিত করতে তিনি কংগ্রেসের রিপাবলিকান সদস্যদের আইন প্রণয়নের আহ্বানও জানিয়েছেন।
আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, সুপ্রিম কোর্টে কোনো মামলার পুনঃশুনানির আবেদন খুব কমই গ্রহণ করা হয়। বিশেষ করে চূড়ান্ত রায় ঘোষণার পর পুনর্বিচারের অনুমতি দেওয়ার নজির গত কয়েক দশকে অত্যন্ত বিরল।
দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসার পর থেকেই অভিবাসননীতি কঠোর করার উদ্যোগ নিয়েছেন ট্রাম্প। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে অভিবাসন–সংক্রান্ত কয়েকটি বিষয়ে সুপ্রিম কোর্ট তাঁর পক্ষে রায় দিলেও জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব সীমিত করার ক্ষেত্রে আদালত তাঁর অবস্থান প্রত্যাখ্যান করেছে।
গত বছরের মে মাসে প্রকাশিত মাইগ্রেশন পলিসি ইনস্টিটিউট–পেন স্টেটের এক গবেষণায় বলা হয়, ট্রাম্পের প্রস্তাব কার্যকর হলে প্রতি বছর প্রায় ২ লাখ ৫৫ হাজার শিশু যুক্তরাষ্ট্রে নাগরিকত্ব ছাড়া জন্ম নিত। এর ফলে ২০৪৫ সালের মধ্যে দেশটিতে কাগজপত্রবিহীন মানুষের সংখ্যা প্রায় ২৭ লাখ বেড়ে যেতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রে জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব সীমিত করার উদ্যোগ আদালতে ধাক্কা খাওয়ার পর এবার সেই রায় পুনর্বিবেচনার আবেদনের ঘোষণা দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেন, এ বিষয়ে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্টে পুনঃশুনানির আবেদন করবেন। খবর আলজাজিরার।
বুধবার (৮ জুলাই) নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প লেখেন, ‘আমেরিকার নাগরিকত্ব বিক্রির জন্য নয়। সুপ্রিম কোর্টের রায়টি ভুল।’ তিনি আরও জানান, অবিলম্বে সর্বোচ্চ আদালতে পুনঃশুনানির আবেদন করা হবে।
চলতি বছরের ২০ জানুয়ারি দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব নেওয়ার পর ট্রাম্প একটি নির্বাহী আদেশে যুক্তরাষ্ট্রে অস্থায়ী বৈধ মর্যাদাসম্পন্ন বা কাগজপত্রবিহীন অভিবাসী বাবা–মায়ের ঘরে জন্ম নেওয়া শিশুদের মার্কিন নাগরিকত্ব পাওয়ার বিধান বাতিলের উদ্যোগ নেন। তবে গত মাসে দেশটির সুপ্রিম কোর্ট ৬–৩ ভোটে তার সেই উদ্যোগ খারিজ করে দেন।
আদালতের মতে, ট্রাম্পের নির্দেশনা যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের ১৪তম সংশোধনীর সঙ্গে সাংঘর্ষিক। ওই সংশোধনীতে যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নেওয়া এবং দেশটির এখতিয়ারের অধীন ব্যক্তিদের নাগরিকত্বের অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে।
সুপ্রিম কোর্টের এ রায়কে ‘দেশের জন্য দুঃখজনক’ বলে মন্তব্য করেছেন ট্রাম্প। জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব সীমিত করতে তিনি কংগ্রেসের রিপাবলিকান সদস্যদের আইন প্রণয়নের আহ্বানও জানিয়েছেন।
আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, সুপ্রিম কোর্টে কোনো মামলার পুনঃশুনানির আবেদন খুব কমই গ্রহণ করা হয়। বিশেষ করে চূড়ান্ত রায় ঘোষণার পর পুনর্বিচারের অনুমতি দেওয়ার নজির গত কয়েক দশকে অত্যন্ত বিরল।
দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসার পর থেকেই অভিবাসননীতি কঠোর করার উদ্যোগ নিয়েছেন ট্রাম্প। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে অভিবাসন–সংক্রান্ত কয়েকটি বিষয়ে সুপ্রিম কোর্ট তাঁর পক্ষে রায় দিলেও জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব সীমিত করার ক্ষেত্রে আদালত তাঁর অবস্থান প্রত্যাখ্যান করেছে।
গত বছরের মে মাসে প্রকাশিত মাইগ্রেশন পলিসি ইনস্টিটিউট–পেন স্টেটের এক গবেষণায় বলা হয়, ট্রাম্পের প্রস্তাব কার্যকর হলে প্রতি বছর প্রায় ২ লাখ ৫৫ হাজার শিশু যুক্তরাষ্ট্রে নাগরিকত্ব ছাড়া জন্ম নিত। এর ফলে ২০৪৫ সালের মধ্যে দেশটিতে কাগজপত্রবিহীন মানুষের সংখ্যা প্রায় ২৭ লাখ বেড়ে যেতে পারে।
.png)

ফিলিস্তিনের গাজায় ইসরায়েলি বিমান হামলায় মিসরীয় ত্রাণ কমিটির জনসংযোগ পরিচালক মোহাম্মদ ফাওয়াজ আল-ওয়াহিদি নিহত হয়েছেন। তিনি বড় পর্দায় মিসর-আর্জেন্টিনা ফুটবল ম্যাচ দেখানোর দায়িত্বে ছিলেন। খবর মিডল ইস্ট আইয়ের।
১ ঘণ্টা আগে
ইরানের পাঁচটি প্রদেশে যুক্তরাষ্ট্রের দুই দিনের হামলায় অন্তত ১৪ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও ৭৮ জন। ইরানের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) এই তথ্য জানিয়েছে। খবর আলজাজিরার।
৩ ঘণ্টা আগে
ইরানে টানা দ্বিতীয় দিনের মার্কিন হামলার পর বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল প্রায় স্থবির হয়ে পড়েছে। জাহাজ চলাচলের তথ্যের বরাতে ব্লুমবার্গ নিউজ জানিয়েছে, বুধবার হরমুজ প্রণালি দিয়ে উভয় দিকে মাত্র ১৪টি পণ্যবাহী জাহাজ চলাচল করেছে।
৪ ঘণ্টা আগে
ইরানে ৯০ সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলার দাবি করেছে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)। হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ ও বেসামরিক নাবিকদের ওপর ইরানের হামলা চালানোর সক্ষমতা কমাতে এই অভিযান চালানো হয়েছে বলে দাবি করে সংস্থাটি।
৬ ঘণ্টা আগে