বাংলাদেশের কক্সবাজার থেকে বান্দরবান পর্যন্ত এলাকাকে ‘মিলিটারি অপারেশনস জোন’ ঘোষণা করা হবে–ভারতীয় গণমাধ্যম ‘নর্থইস্ট নিউজ’-এ প্রকাশিত এমন সংবাদ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।
স্ট্রিম ডেস্ক

বাংলাদেশের কক্সবাজার থেকে বান্দরবান পর্যন্ত এলাকাকে ‘মিলিটারি অপারেশনস জোন’ ঘোষণা করা হবে–ভারতীয় গণমাধ্যম ‘নর্থইস্ট নিউজ’-এ প্রকাশিত এমন সংবাদ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।
১ জুন রবিবার বিকালে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) কর্তৃক প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই প্রতিক্রিয়া জানানো হয়।
৩১ মে শনিবার নর্থইস্ট নিউজে ‘বাংলাদেশ টু ডিক্লেয়ার কক্সবাজার টু বান্দরবান এরিয়া অ্যাজ আ মিলিটারি অপারেশনস জোন’ শীর্ষক একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়। এই সংবাদের প্রতিক্রিয়ায় সেনাবাহিনী জানায়, এই ধরনের সংবাদ ভারতীয় কিছু গণমাধ্যমের পরিকল্পিত অপচেষ্টার অংশ, যার উদ্দেশ্য বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতা বিনষ্ট করা এবং সশস্ত্র বাহিনীর ভাবমূর্তিকে ক্ষুণ্ণ করা।
আইএসপিআরের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রতিবেদনটিতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ‘সন্ত্রাসী বা বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীকে সমর্থন দিচ্ছে’ —এই ধরনের ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে, যা একেবারে ভিত্তিহীন, অসত্য এবং এক ধরনের বিদ্বেষপূর্ণ অপপ্রচার। প্রমাণবিহীন এই ধরনের কল্পনাপ্রসূত সংবাদ একটি বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের অংশ, যা জনমনে বিভ্রান্তি ছড়ানো এবং বিভেদ উসকে দেওয়ার অসৎ উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সবসময় সর্বোচ্চ পেশাদারত্ব বজায় রেখে জাতীয় সার্বভৌমত্ব, অখণ্ডতা এবং সংবিধান রক্ষার জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। জাতীয় স্বার্থে সেনাবাহিনী কখনোই আপস করেনি, আর ভবিষ্যতেও করবে না।
ওই প্রতিবেদনের সমালোচনা করে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এ ধরনের বানোয়াট প্রতিবেদনকে সাংবাদিকতা বলা যায় না; এটি একটি সুপরিকল্পিত ও ধারাবাহিক কুৎসা রচনার অংশ। বাংলাদেশ সবসময় ঐক্যবদ্ধ থেকেছে এবং দেশের জনগণ ও ভূখণ্ড রক্ষায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সর্বদা প্রস্তুত ও দৃঢ়ভাবে অঙ্গীকারবদ্ধ।

বাংলাদেশের কক্সবাজার থেকে বান্দরবান পর্যন্ত এলাকাকে ‘মিলিটারি অপারেশনস জোন’ ঘোষণা করা হবে–ভারতীয় গণমাধ্যম ‘নর্থইস্ট নিউজ’-এ প্রকাশিত এমন সংবাদ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।
১ জুন রবিবার বিকালে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) কর্তৃক প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই প্রতিক্রিয়া জানানো হয়।
৩১ মে শনিবার নর্থইস্ট নিউজে ‘বাংলাদেশ টু ডিক্লেয়ার কক্সবাজার টু বান্দরবান এরিয়া অ্যাজ আ মিলিটারি অপারেশনস জোন’ শীর্ষক একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়। এই সংবাদের প্রতিক্রিয়ায় সেনাবাহিনী জানায়, এই ধরনের সংবাদ ভারতীয় কিছু গণমাধ্যমের পরিকল্পিত অপচেষ্টার অংশ, যার উদ্দেশ্য বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতা বিনষ্ট করা এবং সশস্ত্র বাহিনীর ভাবমূর্তিকে ক্ষুণ্ণ করা।
আইএসপিআরের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রতিবেদনটিতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ‘সন্ত্রাসী বা বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীকে সমর্থন দিচ্ছে’ —এই ধরনের ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে, যা একেবারে ভিত্তিহীন, অসত্য এবং এক ধরনের বিদ্বেষপূর্ণ অপপ্রচার। প্রমাণবিহীন এই ধরনের কল্পনাপ্রসূত সংবাদ একটি বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের অংশ, যা জনমনে বিভ্রান্তি ছড়ানো এবং বিভেদ উসকে দেওয়ার অসৎ উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সবসময় সর্বোচ্চ পেশাদারত্ব বজায় রেখে জাতীয় সার্বভৌমত্ব, অখণ্ডতা এবং সংবিধান রক্ষার জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। জাতীয় স্বার্থে সেনাবাহিনী কখনোই আপস করেনি, আর ভবিষ্যতেও করবে না।
ওই প্রতিবেদনের সমালোচনা করে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এ ধরনের বানোয়াট প্রতিবেদনকে সাংবাদিকতা বলা যায় না; এটি একটি সুপরিকল্পিত ও ধারাবাহিক কুৎসা রচনার অংশ। বাংলাদেশ সবসময় ঐক্যবদ্ধ থেকেছে এবং দেশের জনগণ ও ভূখণ্ড রক্ষায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সর্বদা প্রস্তুত ও দৃঢ়ভাবে অঙ্গীকারবদ্ধ।

ইসরায়েলের বিভিন্ন এলাকা লক্ষ্য করে বড় ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান। রোববার রাতভর জেরুজালেম, মধ্য ইসরায়েলসহ দেশটির দক্ষিণাঞ্চলে একাধিকবার সতর্ক সংকেত (অ্যালার্ট) বাজানো হয়। ওই হামলার পর ভোররাতের দিকে ভারী বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে ইরানের রাজধানী তেহরান। খবর আল-জাজিরার।
১ ঘণ্টা আগে
হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ কাজে লাগিয়ে সেখান দিয়ে জাহাজ চলাচলের বিনিময়ে অর্থ আদায়ের দিকে এগোচ্ছে ইরান। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে কোন দেশের জাহাজ কী শর্তে চলাচল করবে, তা এখন তেহরানই নিয়ন্ত্রণ করছে।
১২ ঘণ্টা আগে
কাতারে একটি সামরিক হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে অন্তত ৬ জন নিহত হয়েছেন। এছাড়া, একজন এখনো নিখোঁজ রয়েছেন।
২০ ঘণ্টা আগে
ইসরায়েলের পারমাণবিক কর্মসূচির মূল কেন্দ্র হলো দেশটির দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর দিমোনা। দেশটির জন্য এটি অত্যন্ত কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ শহর। কিন্তু শহরটির আকাশ প্রতিরক্ষা ভেদ করে কীভাবে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র আঘান হেনেছে তা এখন ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের কাছে বিস্ময়।
১ দিন আগে