স্ট্রিম ডেস্ক

ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশের মারকাপুরাম এলাকায় বৃহস্পতিবার ভোরে একটি যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে টিপার লরির সংঘর্ষের পর ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে। এতে অন্তত ১২ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
জেলা পুলিশ জানিয়েছে, সংঘর্ষের পরপরই বাসটিতে আগুন ধরে যায় এবং বেশ কয়েকজন যাত্রী জীবন্ত দগ্ধ হয়ে মারা যান। প্রাথমিকভাবে নিহতের সংখ্যা ৮ জন বলে জানা গেলেও পরে তা বেড়ে ১২ জনে পৌঁছায়। এ ছাড়া প্রায় ২০ জন আহত যাত্রীকে নিকটস্থ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
মারকাপুরামের ডেপুটি পুলিশ সুপার (ডিএসপি) নাগরাজু জানিয়েছেন, ‘হরিকৃষ্ণ ট্রাভেলস’ নামে একটি বেসরকারি বাস তেলেঙ্গানার নির্মল শহর থেকে নেলোরের দিকে যাচ্ছিল। ভোর ৬টার দিকে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি টিপার লরির সঙ্গে বাসটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। দ্রুত উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের হাসপাতালে পাঠালেও আগুনের তীব্রতা বেশি হওয়ায় উদ্ধারকাজে বেশ বেগ পেতে হয়। নিহতের সংখ্যা আরও বাড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী এন চন্দ্রবাবু নাইডু এই দুর্ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। তিনি আহতদের দ্রুত ও উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়ার পাশাপাশি নিহতদের পরিবারকে সব ধরনের সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন।
রাজ্যের আইটি মন্ত্রী নারা লোকেশও দুর্ঘটনায় গভীর দুঃখ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, বাস ও টিপার লরির এই সংঘর্ষে এত প্রাণ হারানো অত্যন্ত বেদনাদায়ক। সরকার আহতদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করবে এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে থাকবে। পুলিশ বর্তমানে দুর্ঘটনাকবলিত যান দুটি সরিয়ে রাস্তা পরিষ্কার করার পাশাপাশি ঘটনার বিস্তারিত তদন্ত করছে।

ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশের মারকাপুরাম এলাকায় বৃহস্পতিবার ভোরে একটি যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে টিপার লরির সংঘর্ষের পর ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে। এতে অন্তত ১২ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
জেলা পুলিশ জানিয়েছে, সংঘর্ষের পরপরই বাসটিতে আগুন ধরে যায় এবং বেশ কয়েকজন যাত্রী জীবন্ত দগ্ধ হয়ে মারা যান। প্রাথমিকভাবে নিহতের সংখ্যা ৮ জন বলে জানা গেলেও পরে তা বেড়ে ১২ জনে পৌঁছায়। এ ছাড়া প্রায় ২০ জন আহত যাত্রীকে নিকটস্থ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
মারকাপুরামের ডেপুটি পুলিশ সুপার (ডিএসপি) নাগরাজু জানিয়েছেন, ‘হরিকৃষ্ণ ট্রাভেলস’ নামে একটি বেসরকারি বাস তেলেঙ্গানার নির্মল শহর থেকে নেলোরের দিকে যাচ্ছিল। ভোর ৬টার দিকে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি টিপার লরির সঙ্গে বাসটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। দ্রুত উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের হাসপাতালে পাঠালেও আগুনের তীব্রতা বেশি হওয়ায় উদ্ধারকাজে বেশ বেগ পেতে হয়। নিহতের সংখ্যা আরও বাড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী এন চন্দ্রবাবু নাইডু এই দুর্ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। তিনি আহতদের দ্রুত ও উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়ার পাশাপাশি নিহতদের পরিবারকে সব ধরনের সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন।
রাজ্যের আইটি মন্ত্রী নারা লোকেশও দুর্ঘটনায় গভীর দুঃখ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, বাস ও টিপার লরির এই সংঘর্ষে এত প্রাণ হারানো অত্যন্ত বেদনাদায়ক। সরকার আহতদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করবে এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে থাকবে। পুলিশ বর্তমানে দুর্ঘটনাকবলিত যান দুটি সরিয়ে রাস্তা পরিষ্কার করার পাশাপাশি ঘটনার বিস্তারিত তদন্ত করছে।

তেহরানের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা সতর্ক করে বলেছেন, গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী ‘ইরানের শত্রুরা’ একটি আঞ্চলিক প্রতিবেশী দেশের সহায়তায় ইরানের দ্বীপ দখলের পরিকল্পনা করছে।
২ ঘণ্টা আগে
অবরুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেই গতকাল সকাল থেকে একাধিক জাহাজ হরমুজ প্রণালি পার হয়েছে। এর মধ্যেই ইরান জানিয়েছে, এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথে নিরাপদ যাতায়াতের জন্য দেশগুলোর কাছ থেকে ফি নেওয়া হবে।
১৮ ঘণ্টা আগে
যুদ্ধ শুরুর পর থেকে বুধবার (২৫ মার্চ) পর্যন্ত ইরানের ওপর ১৫ হাজারের বেশি বোমা ফেলেছে ইসরায়েল। এই সংখ্যা গত বছরের জুনে ১২ দিনের সংঘাতে ব্যবহৃত বোমার চেয়ে চার গুণ বেশি।
২০ ঘণ্টা আগে
ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান সামরিক অভিযানকে ‘অন্যায় ও অবৈধ যুদ্ধ’ বলে আখ্যা দিয়েছেন স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ।
২১ ঘণ্টা আগে