স্ট্রিম ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত ভূগর্ভস্থ ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটিগুলো দ্রুত সচল করছে ইরান। সিএনএনের স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণে দেখা গেছে, কেবল সুড়ঙ্গমুখে হামলা চালিয়ে ইরানের সামরিক সক্ষমতা দীর্ঘমেয়াদে দুর্বল করা কঠিন হয়ে পড়েছে।
যুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিভিন্ন ভূগর্ভস্থ ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটির প্রবেশপথ ও সংযোগ সড়কে হামলা চালায়। এর লক্ষ্য ছিল ক্ষেপণাস্ত্র লঞ্চার ও অস্ত্রভাণ্ডারে প্রবেশের পথ বন্ধ করে দেওয়া। ওই হামলায় অনেক স্থানে সুড়ঙ্গের মুখ ধসে পড়ে এবং গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
তবে সাম্প্রতিক স্যাটেলাইট চিত্রে দেখা গেছে, বুলডোজার, ফ্রন্ট-এন্ড লোডার ও ডাম্প ট্রাক ব্যবহার করে ইরান দ্রুত এসব স্থাপনা পুনরুদ্ধারের কাজ করছে। সিএনএনের তথ্য অনুযায়ী, হামলার শিকার ৬৯টি সুড়ঙ্গ প্রবেশমুখের ৫০টিই ইতিমধ্যে পুনরায় খুলে ফেলা হয়েছে। এ ছাড়া ক্ষতিগ্রস্ত অনেক সড়কও মেরামত করেছে তেহরান।
জেমস মার্টিন সেন্টার ফর ননপ্রোলিফারেশন স্টাডিজের গবেষক স্যাম লেয়ারের মতে, ইরানের হাতে এখনো উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ক্ষেপণাস্ত্র মজুত রয়েছে। ফলে নতুন করে উৎপাদন ব্যাহত হলেও তাঁদের হাতে থাকা অস্ত্র দিয়ে দীর্ঘ সময় হামলা চালিয়ে যাওয়ার সক্ষমতা থাকতে পারে।
ইরানের ভূগর্ভস্থ ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটির নেটওয়ার্ক দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে গড়ে তোলা হয়েছে। এসব স্থাপনার বেশিরভাগই ঘন পাহাড়ি এলাকার মাটির নিচে নির্মিত। ফলে সরাসরি হামলা চালিয়ে ভেতরের অস্ত্রভাণ্ডার ধ্বংস করা কঠিন। এ কারণে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল মূলত প্রবেশপথ ও অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলার কৌশল গ্রহণ করেছিল।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুদ্ধ চলাকালে একাধিকবার ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচিকে প্রধান হুমকি হিসেবে উল্লেখ করেন। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা ও লঞ্চার ধ্বংস করা ছিল সামরিক অভিযানের অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য। তবে বিশেষজ্ঞদের ধারণা, ভূগর্ভস্থ স্থাপনাগুলোতে এখনো প্রায় এক হাজার ক্ষেপণাস্ত্র সংরক্ষিত থাকতে পারে। মাটির গভীরে অবস্থানের কারণে এসব অস্ত্র হামলায় বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েনি।
হামবুর্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক তিমুর কাদিশেভের মতে, ইরান দীর্ঘ দিন ধরেই এমন পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুতি নিয়েছে। তাঁর ভাষায়, 'উন্নত ও ব্যয়বহুল অস্ত্র ব্যবহার করে যে ক্ষতি করা হয়, অনেক ক্ষেত্রে তা পুনরুদ্ধার করা সম্ভব হয় তুলনামূলক সাধারণ যন্ত্রপাতি দিয়েই।'
এদিকে মার্কিন গোয়েন্দা মূল্যায়নেও ইঙ্গিত পাওয়া গেছে, ইরান ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন সক্ষমতা পুনর্গঠন এবং ড্রোন উৎপাদন পুনরায় চালুর উদ্যোগ নিয়েছে। কিছু ক্ষেপণাস্ত্র কারখানা অতীতে হামলার শিকার হলেও পরে সেগুলো পুনর্নির্মাণ করা হয়েছে বলে স্যাটেলাইট চিত্রে দেখা গেছে। বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচিকে স্থায়ীভাবে দুর্বল করতে শুধু সামরিক হামলা যথেষ্ট নাও হতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত ভূগর্ভস্থ ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটিগুলো দ্রুত সচল করছে ইরান। সিএনএনের স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণে দেখা গেছে, কেবল সুড়ঙ্গমুখে হামলা চালিয়ে ইরানের সামরিক সক্ষমতা দীর্ঘমেয়াদে দুর্বল করা কঠিন হয়ে পড়েছে।
যুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিভিন্ন ভূগর্ভস্থ ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটির প্রবেশপথ ও সংযোগ সড়কে হামলা চালায়। এর লক্ষ্য ছিল ক্ষেপণাস্ত্র লঞ্চার ও অস্ত্রভাণ্ডারে প্রবেশের পথ বন্ধ করে দেওয়া। ওই হামলায় অনেক স্থানে সুড়ঙ্গের মুখ ধসে পড়ে এবং গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
তবে সাম্প্রতিক স্যাটেলাইট চিত্রে দেখা গেছে, বুলডোজার, ফ্রন্ট-এন্ড লোডার ও ডাম্প ট্রাক ব্যবহার করে ইরান দ্রুত এসব স্থাপনা পুনরুদ্ধারের কাজ করছে। সিএনএনের তথ্য অনুযায়ী, হামলার শিকার ৬৯টি সুড়ঙ্গ প্রবেশমুখের ৫০টিই ইতিমধ্যে পুনরায় খুলে ফেলা হয়েছে। এ ছাড়া ক্ষতিগ্রস্ত অনেক সড়কও মেরামত করেছে তেহরান।
জেমস মার্টিন সেন্টার ফর ননপ্রোলিফারেশন স্টাডিজের গবেষক স্যাম লেয়ারের মতে, ইরানের হাতে এখনো উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ক্ষেপণাস্ত্র মজুত রয়েছে। ফলে নতুন করে উৎপাদন ব্যাহত হলেও তাঁদের হাতে থাকা অস্ত্র দিয়ে দীর্ঘ সময় হামলা চালিয়ে যাওয়ার সক্ষমতা থাকতে পারে।
ইরানের ভূগর্ভস্থ ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটির নেটওয়ার্ক দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে গড়ে তোলা হয়েছে। এসব স্থাপনার বেশিরভাগই ঘন পাহাড়ি এলাকার মাটির নিচে নির্মিত। ফলে সরাসরি হামলা চালিয়ে ভেতরের অস্ত্রভাণ্ডার ধ্বংস করা কঠিন। এ কারণে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল মূলত প্রবেশপথ ও অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলার কৌশল গ্রহণ করেছিল।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুদ্ধ চলাকালে একাধিকবার ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচিকে প্রধান হুমকি হিসেবে উল্লেখ করেন। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা ও লঞ্চার ধ্বংস করা ছিল সামরিক অভিযানের অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য। তবে বিশেষজ্ঞদের ধারণা, ভূগর্ভস্থ স্থাপনাগুলোতে এখনো প্রায় এক হাজার ক্ষেপণাস্ত্র সংরক্ষিত থাকতে পারে। মাটির গভীরে অবস্থানের কারণে এসব অস্ত্র হামলায় বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েনি।
হামবুর্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক তিমুর কাদিশেভের মতে, ইরান দীর্ঘ দিন ধরেই এমন পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুতি নিয়েছে। তাঁর ভাষায়, 'উন্নত ও ব্যয়বহুল অস্ত্র ব্যবহার করে যে ক্ষতি করা হয়, অনেক ক্ষেত্রে তা পুনরুদ্ধার করা সম্ভব হয় তুলনামূলক সাধারণ যন্ত্রপাতি দিয়েই।'
এদিকে মার্কিন গোয়েন্দা মূল্যায়নেও ইঙ্গিত পাওয়া গেছে, ইরান ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন সক্ষমতা পুনর্গঠন এবং ড্রোন উৎপাদন পুনরায় চালুর উদ্যোগ নিয়েছে। কিছু ক্ষেপণাস্ত্র কারখানা অতীতে হামলার শিকার হলেও পরে সেগুলো পুনর্নির্মাণ করা হয়েছে বলে স্যাটেলাইট চিত্রে দেখা গেছে। বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচিকে স্থায়ীভাবে দুর্বল করতে শুধু সামরিক হামলা যথেষ্ট নাও হতে পারে।

লেবাননে ইসরায়েলি হামলার প্রতিবাদে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শান্তি আলোচনা স্থগিত করেছে ইরান। সোমবার (১ মে) দেশটির আধা-সরকারি গণমাধ্যম তাসনিম নিউজ এজেন্সির বরাতে এই তথ্য জানিয়েছে সিএনএন।
১ ঘণ্টা আগে
ইরানের সামরিক স্থাপনাগুলোতে সোমবার হামলা চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। অন্যদিকে, ইরানের বিপ্লবী গার্ডের দাবি, হামলার জবাবে একটি মার্কিন ঘাঁটিকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে তাঁরা। ইরান যুদ্ধ স্থায়ী বন্ধে চলমান আলোচনার মধ্যেই উভয় পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলার সর্বশেষ ঘটনা এটি। খবর রয়টার্সের
১০ ঘণ্টা আগে
গত এপ্রিলে হওয়া যুদ্ধবিরতি ভঙ্গ করে দক্ষিণ লেবাননে অভিযান আরও জোরদার করেছে ইসরায়েল। দেশটির বাহিনী লিতানি নদী পেরিয়ে এখন নাবাতিয়েহ শহরের উপকণ্ঠে পৌঁছে গেছে। একই সঙ্গে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ বেউফোর্ট দুর্গও তাদের নিয়ন্ত্রণে এসেছে।
১১ ঘণ্টা আগে
মিয়ানমারের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে খনিতে ব্যবহারের জন্য মজুত রাখা বিস্ফোরক গুদামে বিস্ফোরণে অন্তত ৪৬ জন নিহত হয়েছেন। রোববার (৩১ মে) চীন সীমান্তের কাছে নামখাম টাউনশিপের কাউংটুপ গ্রামে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
১ দিন আগে