ইরানের তেল বাণিজ্যে সহায়তা, ৮ জাহাজ ও ১০ প্রতিষ্ঠানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা

স্ট্রিম ডেস্ক
স্ট্রিম ডেস্ক

হোয়াইট হাউস। ছবি: সংগৃহীত

ইরানের তেল বাণিজ্যে সহায়তার অভিযোগে আটটি তেলবাহী জাহাজ ও ১০টি প্রতিষ্ঠানের ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। বুধবার (২৯ জুলাই) দেশটির ট্রেজারি বিভাগ এ ঘোষণা দেয়। খবর আনাদোলু এজেন্সির।

মার্কিন ট্রেজারির অফিস অব ফরেন অ্যাসেটস কন্ট্রোল (ওএফএসি) প্রতিষ্ঠান ও জাহাজগুলোকে বিশেষ নিষেধাজ্ঞার তালিকায় যুক্ত করেছে।

ট্রেজারি বিভাগের ভাষ্য, প্রেসিডেন্টের ন্যাশনাল সিকিউরিটি প্রেসিডেনশিয়াল মেমোরেন্ডাম-২ (এনএসপিএম-২) অনুযায়ী ইরানের ওপর ‘সর্বোচ্চ অর্থনৈতিক চাপ’ প্রয়োগ নীতির অংশ হিসেবে এ নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।

নিষেধাজ্ঞার তালিকায় রয়েছে হংকংভিত্তিক শিপিং কোম্পানি বিলিয়ন নেক্সাস ইন্টারন্যাশনাল, কনফিডেন্ট অ্যাপেক্স, মেরিনোভা ফ্রেইট, নেভাডা স্পিরিট ও চি হ্যাং শিপ ম্যানেজমেন্ট। এছাড়া মার্শাল দ্বীপপুঞ্জভিত্তিক ব্রাঞ্চ সেইং ইন্টারন্যাশনাল ট্রেডিং, ওশান ট্র্যাংকুইলিটি এবং ভাস্ট মাইটি রয়েছে।

ট্রেজারি বিভাগের দাবি, এসব প্রতিষ্ঠান ও তাঁদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আটটি জাহাজ ২০২২ সাল থেকে বিভিন্ন সময়ে ইরানের কয়েক মিলিয়ন ব্যারেল অপরিশোধিত তেল ও পেট্রোলিয়ামজাত পণ্য চীন ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে পরিবহন করেছে।

এ ছাড়া ইরানভিত্তিক দুটি প্রতিষ্ঠান— হরমুজসেইফ মেরিন সার্ভিসেস অথরিটি ও গাল্ফ মেরিন ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির ওপরও নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, প্রতিষ্ঠান দুটি আর্থিক ও বিমা খাতে সক্রিয় এবং এগুলো দ্বিতীয় পর্যায়ের নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়ে।

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র টমি পিগট অভিযোগ করেন, ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)– সমর্থিত দুটি প্রতিষ্ঠান হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী আন্তর্জাতিক জাহাজের কাছ থেকে জোরপূর্বক ‘বিমা’ বাবদ অর্থ আদায় করে। জাহাজ জব্দের পরিস্থিতি তৈরি করে পরে সেই তাঁর বিপরীতে অর্থ নেওয়া হয়। এতে আইআরজিসির কর্মকাণ্ডে অর্থায়ন হয়।

নিষেধাজ্ঞার আওতায় আসা ট্যাংকারগুলো হলো আল সালমি, ব্রিজ ভি, ক্রিস্টাল, লিলি, নাটসুমি, নিরেটা, ওয়েল সেইল ও ইহোপ। জাহাজগুলো বার্বাডোস, ভানুয়াতু, মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ ও মোজাম্বিকের পতাকায় নিবন্ধিত।

যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট বলেন, উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও অর্থনৈতিক সংকটের কারণে ইরান অর্থসংকটে রয়েছে। আন্তর্জাতিক নৌপরিবহনকে সন্ত্রাস, আগ্রাসন ও দমন-পীড়নের অর্থায়নের উৎস হিসেবে ব্যবহার করতে দেবে না যুক্তরাষ্ট্র।

Ad 300x250

সম্পর্কিত