স্ট্রিম ডেস্ক

হরমুজ প্রণালিতে ওমান উপকূলের কাছে একটি ট্যাংকারে ‘অজ্ঞাত বস্তুর’ আঘাতে আগুন লেগেছে। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) ভোরে এ হামলা হয় বলে জানিয়েছে যুক্তরাজ্যের সামরিক বাহিনী। খবর আলজাজিরার।
ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের দাবি, সতর্কবার্তা উপেক্ষা করার কারণে গ্যাসবাহী ট্যাংকারটি হামলার শিকার হয়। তবে এ হামলার দায় স্বীকার করেনি তেহরান।
ইরান বরাবরই জানিয়ে আসছে, হরমুজ প্রণালিতে তাদের অনুমোদিত নৌপথই নিরাপদ। ওমান উপকূল ঘেঁষা বিকল্প পথ ব্যবহার করা কয়েকটি জাহাজে আগের হামলাগুলোর পেছনেও ইরানের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।
যুক্তরাজ্যের ইউকে মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনস (ইউকেএমটিও) জানিয়েছে, ওমানের লিমাহ উপকূলের কাছে গেলে ট্যাংকারটিতে হামলা হয়। প্রণালি পেরিয়ে দক্ষিণমুখে ওমান উপসাগরের দিকে যাওয়ার সময় জাহাজটির বাম পাশে ‘অজ্ঞাত বস্তুটি’ আঘাত হানে।
এদিকে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যুদ্ধের স্থায়ী অবসান নিয়ে আলোচনা আপাতত স্থগিত রয়েছে। ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির দাফন শেষ হওয়ার পর আলোচনা আবার শুরু হতে পারে। ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েলের যুদ্ধ শুরুর সময় তিনি নিহত হন।
তেহরানভিত্তিক বিশ্লেষক হোসেইন রয়ভারান বলেছেন, ওমান উপকূলের কাছে ট্যাংকারটিকে কেন লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে, তা এখনো স্পষ্ট নয়। এ ঘটনায় ইরানও এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেয়নি।
আলজাজিরাকে রয়ভারান বলেন, ট্যাংকারটি সম্ভবত এমন একটি এলাকায় প্রবেশ করেছিল, যেখানে ইরানের দলগুলো মাইন অপসারণের কাজ চালাচ্ছিল।
তাঁর ভাষ্য, ওমানের কাছাকাছি এলাকাটি সম্ভবত মাইনে পরিপূর্ণ। জাহাজটি এমন একটি পথে চলছিল, যেখানে ইরানি দলগুলো মাইন অপসারণ করছিল। জাহাজটির চলাচল তাদের জন্য হুমকি হয়ে উঠতে পারে।
রয়ভারান বলেন, ওমান উপকূলে জাহাজটির অবস্থান থেকে ধারণা করা যায়, এটি হরমুজ প্রণালির দক্ষিণ দিকের পথ ব্যবহার করে চলাচলের চেষ্টা করছিল। তবে এ পথকে ইরান অনুমোদন দেয় না।
তাঁর দাবি, ইরান ওই জলপথে মাইন পেতে রেখেছে। তবে নিজেদের উপকূলসংলগ্ন নৌপথ জাহাজ চলাচলের জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়েছে, যাতে সেখানে নির্বিঘ্নে যাতায়াত অব্যাহত থাকে।
রয়ভারান বলেন, এক্ষেত্রে কোনো বিধিনিষেধ নেই। এমনকি ওই পথে জাহাজের যাতায়াতও অনেক বেশি।

হরমুজ প্রণালিতে ওমান উপকূলের কাছে একটি ট্যাংকারে ‘অজ্ঞাত বস্তুর’ আঘাতে আগুন লেগেছে। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) ভোরে এ হামলা হয় বলে জানিয়েছে যুক্তরাজ্যের সামরিক বাহিনী। খবর আলজাজিরার।
ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের দাবি, সতর্কবার্তা উপেক্ষা করার কারণে গ্যাসবাহী ট্যাংকারটি হামলার শিকার হয়। তবে এ হামলার দায় স্বীকার করেনি তেহরান।
ইরান বরাবরই জানিয়ে আসছে, হরমুজ প্রণালিতে তাদের অনুমোদিত নৌপথই নিরাপদ। ওমান উপকূল ঘেঁষা বিকল্প পথ ব্যবহার করা কয়েকটি জাহাজে আগের হামলাগুলোর পেছনেও ইরানের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।
যুক্তরাজ্যের ইউকে মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনস (ইউকেএমটিও) জানিয়েছে, ওমানের লিমাহ উপকূলের কাছে গেলে ট্যাংকারটিতে হামলা হয়। প্রণালি পেরিয়ে দক্ষিণমুখে ওমান উপসাগরের দিকে যাওয়ার সময় জাহাজটির বাম পাশে ‘অজ্ঞাত বস্তুটি’ আঘাত হানে।
এদিকে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যুদ্ধের স্থায়ী অবসান নিয়ে আলোচনা আপাতত স্থগিত রয়েছে। ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির দাফন শেষ হওয়ার পর আলোচনা আবার শুরু হতে পারে। ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েলের যুদ্ধ শুরুর সময় তিনি নিহত হন।
তেহরানভিত্তিক বিশ্লেষক হোসেইন রয়ভারান বলেছেন, ওমান উপকূলের কাছে ট্যাংকারটিকে কেন লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে, তা এখনো স্পষ্ট নয়। এ ঘটনায় ইরানও এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেয়নি।
আলজাজিরাকে রয়ভারান বলেন, ট্যাংকারটি সম্ভবত এমন একটি এলাকায় প্রবেশ করেছিল, যেখানে ইরানের দলগুলো মাইন অপসারণের কাজ চালাচ্ছিল।
তাঁর ভাষ্য, ওমানের কাছাকাছি এলাকাটি সম্ভবত মাইনে পরিপূর্ণ। জাহাজটি এমন একটি পথে চলছিল, যেখানে ইরানি দলগুলো মাইন অপসারণ করছিল। জাহাজটির চলাচল তাদের জন্য হুমকি হয়ে উঠতে পারে।
রয়ভারান বলেন, ওমান উপকূলে জাহাজটির অবস্থান থেকে ধারণা করা যায়, এটি হরমুজ প্রণালির দক্ষিণ দিকের পথ ব্যবহার করে চলাচলের চেষ্টা করছিল। তবে এ পথকে ইরান অনুমোদন দেয় না।
তাঁর দাবি, ইরান ওই জলপথে মাইন পেতে রেখেছে। তবে নিজেদের উপকূলসংলগ্ন নৌপথ জাহাজ চলাচলের জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়েছে, যাতে সেখানে নির্বিঘ্নে যাতায়াত অব্যাহত থাকে।
রয়ভারান বলেন, এক্ষেত্রে কোনো বিধিনিষেধ নেই। এমনকি ওই পথে জাহাজের যাতায়াতও অনেক বেশি।
.png)

ইরানের দক্ষিণাঞ্চলে বুধবার (১৫ জুলাই) মার্কিন হামলায় ৩০ জনের বেশি বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে দেশটির সরকার। একই দিনে দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের একটি সামরিক ব্যারাকে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় সাত সেনা নিহত এবং আরও কয়েকজন আহত হওয়ার কথা জানিয়েছে ইরানের সেনাবাহিনী।
৪৩ মিনিট আগে
ইরানের তেল রপ্তানির সঙ্গে জড়িত একটি নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে নতুন নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ইরানের তেল ব্যবসায়ী মোহাম্মদ হোসেইন শামখানির সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে ৫০টির বেশি ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও জাহাজকে এ নিষেধাজ্ঞার আওতায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে
ইরাকে অবস্থানরত সব মার্কিন সেনা আগামী ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে প্রত্যাহার করে নেবে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির প্রধানমন্ত্রী আলী আল-জাইদি এ তথ্য জানিয়েছেন। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র সফররত আল-জাইদি ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বৈঠকের পর এ ঘোষণা এলো।
৫ ঘণ্টা আগে
তিনি নিজে হামলা বন্ধের নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান চলবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একই সঙ্গে আলোচনায় না বসলে আগামী সপ্তাহে দেশটির বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সেতু লক্ষ্য করে হামলা চালানোর হুমকি দিয়েছেন তিনি।
৬ ঘণ্টা আগে