স্ট্রিম ডেস্ক

লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় চারজন নিহতের ঘটনায় কঠোর জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। মঙ্গলবার দেশটির শীর্ষ সামরিক কমান্ড খাতাম আল-আম্বিয়া সেন্ট্রাল হেডকোয়ার্টার সতর্ক করে, দক্ষিণ লেবাননে হামলা বন্ধ না হলে ইসরায়েলকে ইরানি সশস্ত্র বাহিনীর কঠোর প্রতিক্রিয়ার মুখে পড়তে হবে।
ইরানের দাবি, যুক্তরাষ্ট্র ও তেহরানের মধ্যে যুদ্ধ বন্ধের সমঝোতা ঘোষণার পর লেবাননে অন্তত ৮৪ বার যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করেছে ইসরায়েল। খবর আল-জাজিরার।
লেবাননের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ন্যাশনাল নিউজ এজেন্সি (এনএনএ) জানিয়েছে, মঙ্গলবার দেশটির নাবাতিয়েহর মায়ফাদুন এলাকায় দুটি গাড়ি লক্ষ্য করে পৃথক ড্রোন হামলা চালায় ইসরায়েল। এতে ওই চারজন নিহত হন। একই দিনে শউকিন গ্রামেও আরেকটি গাড়ি লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনায় লেবাননে ইসরায়েলি হামলা বন্ধের বিষয়টি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হয়ে উঠেছে। ইরানি কর্মকর্তারা বারবার বলে আসছেন, যেকোনো যুদ্ধবিরতি চুক্তির আওতায় লেবাননে ইসরায়েলি হামলা বন্ধ করতে হবে।
চুক্তির পূর্ণাঙ্গ নথি এখনো প্রকাশ করা না হলেও মধ্যস্থতাকারী দেশ পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী সোমবার জানিয়েছেন, প্রস্তাবিত সমঝোতায় লেবাননসহ ‘সব ফ্রন্টে’ সামরিক অভিযান তাৎক্ষণিক বন্ধের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচিও মঙ্গলবার বলেন, দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলের সেনা থাকলে চুক্তির লঙ্ঘন হবে। তিনি বলেন, ‘এই যুদ্ধে দখল করা এলাকা থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার না করা পর্যন্ত পুরোপুরি শেষ হয়েছে বলা যাবে না।’
লেবাননের বৈরুতে হামলা নিয়ে চলতি মাসের শুরুতে ইসরায়েলের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছিল ইরান। এ নিয়ে পাল্টাপাল্টি হামলায় যুদ্ধ ফের শুরুর আশঙ্কা তৈরি হয়। ভেস্তে যেতে বসেছিল যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনাও। শেষপর্যন্ত ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় দুই দেশ থামলেও দক্ষিণ লেবাননে হামলা চালিয়েই যাচ্ছে ইসরায়েল।
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতার ঘোষণা আসার পরও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি সেনাদের অবস্থান অব্যাহত থাকবে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ দাবি করেছে, ইরান তাদের আশ্বস্ত করেছে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পরবর্তী আলোচনায় লেবানন থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহারের দাবি জানাবে।
এদিকে, নিজেদের বাড়িঘর দেখতে ফিরতে শুরু করেছেন নাবাতিয়েহর বাসিন্দারা। তবে নিজেদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন তারা। স্থানীয় বাসিন্দা মোহাম্মদ নাসের বলেন, ‘ইসরায়েলের সঙ্গে এটি কয়েক দশকের সংঘাত। এমন শত্রুকে বিশ্বাস করা যায় না। তাই আমরা কখনো নিরাপদ বোধ করতে পারি না।’
লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত ২ মার্চ নতুন করে সংঘর্ষ শুরু হওয়ার পর ইসরায়েলি হামলায় দেশটিতে অন্তত ৩ হাজার ৮২৬ জন নিহত এবং ১১ হাজার ৮৫১ জন আহত হয়েছেন।

লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় চারজন নিহতের ঘটনায় কঠোর জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। মঙ্গলবার দেশটির শীর্ষ সামরিক কমান্ড খাতাম আল-আম্বিয়া সেন্ট্রাল হেডকোয়ার্টার সতর্ক করে, দক্ষিণ লেবাননে হামলা বন্ধ না হলে ইসরায়েলকে ইরানি সশস্ত্র বাহিনীর কঠোর প্রতিক্রিয়ার মুখে পড়তে হবে।
ইরানের দাবি, যুক্তরাষ্ট্র ও তেহরানের মধ্যে যুদ্ধ বন্ধের সমঝোতা ঘোষণার পর লেবাননে অন্তত ৮৪ বার যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করেছে ইসরায়েল। খবর আল-জাজিরার।
লেবাননের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ন্যাশনাল নিউজ এজেন্সি (এনএনএ) জানিয়েছে, মঙ্গলবার দেশটির নাবাতিয়েহর মায়ফাদুন এলাকায় দুটি গাড়ি লক্ষ্য করে পৃথক ড্রোন হামলা চালায় ইসরায়েল। এতে ওই চারজন নিহত হন। একই দিনে শউকিন গ্রামেও আরেকটি গাড়ি লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনায় লেবাননে ইসরায়েলি হামলা বন্ধের বিষয়টি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হয়ে উঠেছে। ইরানি কর্মকর্তারা বারবার বলে আসছেন, যেকোনো যুদ্ধবিরতি চুক্তির আওতায় লেবাননে ইসরায়েলি হামলা বন্ধ করতে হবে।
চুক্তির পূর্ণাঙ্গ নথি এখনো প্রকাশ করা না হলেও মধ্যস্থতাকারী দেশ পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী সোমবার জানিয়েছেন, প্রস্তাবিত সমঝোতায় লেবাননসহ ‘সব ফ্রন্টে’ সামরিক অভিযান তাৎক্ষণিক বন্ধের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচিও মঙ্গলবার বলেন, দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলের সেনা থাকলে চুক্তির লঙ্ঘন হবে। তিনি বলেন, ‘এই যুদ্ধে দখল করা এলাকা থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার না করা পর্যন্ত পুরোপুরি শেষ হয়েছে বলা যাবে না।’
লেবাননের বৈরুতে হামলা নিয়ে চলতি মাসের শুরুতে ইসরায়েলের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছিল ইরান। এ নিয়ে পাল্টাপাল্টি হামলায় যুদ্ধ ফের শুরুর আশঙ্কা তৈরি হয়। ভেস্তে যেতে বসেছিল যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনাও। শেষপর্যন্ত ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় দুই দেশ থামলেও দক্ষিণ লেবাননে হামলা চালিয়েই যাচ্ছে ইসরায়েল।
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতার ঘোষণা আসার পরও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি সেনাদের অবস্থান অব্যাহত থাকবে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ দাবি করেছে, ইরান তাদের আশ্বস্ত করেছে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পরবর্তী আলোচনায় লেবানন থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহারের দাবি জানাবে।
এদিকে, নিজেদের বাড়িঘর দেখতে ফিরতে শুরু করেছেন নাবাতিয়েহর বাসিন্দারা। তবে নিজেদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন তারা। স্থানীয় বাসিন্দা মোহাম্মদ নাসের বলেন, ‘ইসরায়েলের সঙ্গে এটি কয়েক দশকের সংঘাত। এমন শত্রুকে বিশ্বাস করা যায় না। তাই আমরা কখনো নিরাপদ বোধ করতে পারি না।’
লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত ২ মার্চ নতুন করে সংঘর্ষ শুরু হওয়ার পর ইসরায়েলি হামলায় দেশটিতে অন্তত ৩ হাজার ৮২৬ জন নিহত এবং ১১ হাজার ৮৫১ জন আহত হয়েছেন।

ইরানের সঙ্গে পরমাণু চুক্তির বিষয়ে সরাসরি আলোচনার জন্য পূর্বনির্ধারিত সুইজারল্যান্ড সফর পিছিয়ে দিয়েছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। গত বৃহস্পতিবার রাতে হোয়াইট হাউস এ তথ্য জানিয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে
মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘদিনের মিত্র ইসরায়েলের কর্মকাণ্ডের কড়া সমালোচনা করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। তিনি বলেছেন, প্রতিটি জাতীয় নিরাপত্তা সমস্যার সমাধান শুধু মানুষ মেরে বা ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়ে করা যায় না।
৫ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা স্মারক সই হওয়া সত্ত্বেও লেবানন থেকে সেনা প্রত্যাহার না করার ঘোষণা দিয়েছেন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) এক বিবৃতিতে নেতানিয়াহু বলেন, ‘যতদিন ইসরায়েলের নিরাপত্তা নিশ্চিত না হচ্ছে, ততদিন আমরা দক্ষিণ লেবানন ছেড়ে যাব না।’
১৭ ঘণ্টা আগে
‘মার্কিন ইন্দো-প্যাসিফিক কমান্ড’-এর নাম পরিবর্তন করেছে দেশটির যুদ্ধ বিভাগ। এ সামরিক শাখাটির পুরোনো নাম–‘মার্কিন প্যাসিফিক কমান্ড’ ফিরিয়ে আনা হয়েছে। নাম থেকে ‘ইন্দো’ শব্দটি বাদ দেওয়া এবং কমান্ডটির ওয়েবসাইটে ভারতের ‘ভুল’ মানচিত্রের প্রদর্শনী নিয়ে দেশটিতে শুরু হয়েছে বিতর্ক।
২১ ঘণ্টা আগে