সিএনএনের প্রতিবেদন
স্ট্রিম ডেস্ক

ইরানকে ঘেরাও করতে আজারবাইজানসহ মধ্যপ্রাচ্যের একাধিক দেশে গোপনে সামরিক ও গোয়েন্দা ঘাঁটি গেড়েছিল ইসরায়েল। শুক্রবার (৫ জুন) যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম সিএনএনের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যৌথ হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল। জবাবে ইসরায়েলসহ যুক্তরাষ্ট্রের উপসাগরীয় দেশের ঘাঁটিতে হামলা করে ইরান। এই যুদ্ধে ইরানের ওপর বড় ধরনের বিমান ও স্থল হামলা টিকিয়ে রাখতে এবং গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ করতে দেশটিকে ঘিরে ধরে ইসরায়েলি বাহিনী।
এ সংশ্লিষ্ট চারটি সূত্র সিএনএনকে জানিয়েছে, যুদ্ধের সময় ইসরায়েল গোপনে তাদের এলিট সামরিক ও গোয়েন্দা ইউনিটগুলোকে আজারবাইজানে মোতায়েন করেছিল। ইরানের উত্তর সীমান্ত এবং তাবরিজ শহর থেকে ৬০ মাইল দূরের দক্ষিণ আজারবাইজানের বেশ কয়েকটি গোপন আস্তানা গড়ে ইসরায়েল। স্পেশাল কমান্ডো ইউনিটগুলো এই সীমান্ত এলাকা থেকে ইরানে ড্রোন পরিচালনা ও তথ্য সংগ্রহের কাজ করত।
আজারবাইজান ছাড়াও ইরাক, সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) এবং সোমালিল্যান্ডেও গোপন সামরিক অবস্থান নিয়েছিল ইসরায়েল। শুরুতে কেবল জরুরি পরিস্থিতিতে পাইলটদের উদ্ধারে গোপন ঘাঁটি গড়ার পরিকল্পনা থাকলেও পরে এগুলো নিয়মিত গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহের কেন্দ্রে পরিণত হয়।
হর্ন অব আফ্রিকার বিচ্ছিন্ন অঞ্চল সোমালিল্যান্ডে ইসরায়েলি বিমানগুলোর জ্বালানি নেওয়ার ও যাত্রাবিরতির গোপন ব্যবস্থা ছিল। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে প্রথম দেশ হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে সোমালিল্যান্ডকে স্বীকৃতি দেয় ইসরায়েল।
এছাড়া যুদ্ধের বড় সময় জুড়ে ইরাকে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর দুটি গোপন লজিস্টিক ও উদ্ধার কেন্দ্র সক্রিয় ছিল। যদিও গত মার্চে ইরাক সরকার তাদের দেশে কোনো অননুমোদিত ঘাঁটি থাকার কথা অস্বীকার করেছে।
অন্যদিকে, ইউএইর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ইসরায়েল সেখানে আয়রন ডোম বিমান প্রতিরক্ষা ব্যাটারি মোতায়েন করেছিল। যুদ্ধের সময় ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু, মোসাদ প্রধান এবং আইডিএফ প্রধানের ইউএই সফরের গোপন তথ্য সামনে এলেও আমিরাত তা অস্বীকার করেছে।
আজারবাইজানে ইসরায়েলের সামরিক উপস্থিতির প্রস্তুতি যুদ্ধের আগেই নেওয়া হয়েছিল। এ সংশ্লিষ্ট দুটি সূত্রের বরাতে সিএনএন জানায়, ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভের সময় এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন শুরু হয়। ইরানে জিপিএস ট্র্যাকিং ও লিসেনিং ডিভাইস বসানোর পরিকল্পনা ছিল ইসরায়েলের।
তবে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শেষ মুহূর্তে এই পরিকল্পনা বাতিল করে দেন। কিন্তু ইসরায়েল তাদের স্টিলথ জেট এবং স্পেশাল ফোর্সের সাহায্যে আজারবাইজান-ইরান সীমান্তে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহের সরঞ্জাম স্থাপন করে। এর মাধ্যমে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ ও সামরিক গতিবিধির ওপর নজর রাখা শুরু হয়।
এ বিষয়ে এই সফল গোয়েন্দা তৎপরতার মাত্র দুই সপ্তাহ পর ইসরায়েলি পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিদন সার আজারবাইজান সফর করেন এবং ২০২৫ সালের মে মাসে আজারবাইজানের মধ্যস্থতায় ইসরায়েল-সিরিয়ার গোপন আলোচনা হয়।
সূত্রের বরাতে সিএনএন দাবি করছে, গত ৪ মার্চ আজারবাইজান ঘাঁটি থেকে পরিচালিত অপারেশনে আইআরজিসির গোয়েন্দা প্রধান রহমান মোকাদ্দামকে হত্যা করে ইসরায়েল। এই ঘটনার একদিন পর আজারবাইজানের নাখচিভান ছিটমহলের একটি বিমানবন্দরে ড্রোন হামলা চালানো হয়।
আজারবাইজানের রাষ্ট্রপতি ইলহাম আলিয়েভ একে ইরানের ‘কাপুরুষোচিত সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড’ বলে নিন্দা জানান। যদিও ইরান এই হামলার দায় অস্বীকার করে।
আজারবাইজান-ইসরায়েলের সম্পর্কের পেছনে রয়েছে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও সামরিক স্বার্থ। দেশটি ইসরায়েলের তেলের বড় জোগানদাতা, বিপরীতে ইসরায়েল তাদের কাছে উন্নত অস্ত্র বিক্রি করে থাকে। এই অস্ত্রই ২০১৬ ও ২০২০ সালে নাগর্নো-কারাবাখ যুদ্ধে আর্মেনিয়ার বিরুদ্ধে কাজে লাগিয়েছিল তারা।
যুক্তরাষ্ট্রের আজারবাইজান দূতাবাস সিএনএনের এসব দাবি অস্বীকার করেছে। বিবৃতিতে তারা বলছে, ‘অন্য দেশে হামলায় আজারবাইজানের ভূখণ্ড ব্যবহারের দাবি ভিত্তিহীন।’
ক্রাইসিস গ্রুপের জ্যেষ্ঠ বিশ্লেষক জশুয়া কুচেরা বলেন, ‘আজারবাইজান নিজেকে একটি আঞ্চলিক পরাশক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে চায়। এই লক্ষ্যে তারা ইসরায়েল ও আরব দেশগুলোর মাঝে সেতু গড়ে তুলতে আগ্রহী।’

ইরানকে ঘেরাও করতে আজারবাইজানসহ মধ্যপ্রাচ্যের একাধিক দেশে গোপনে সামরিক ও গোয়েন্দা ঘাঁটি গেড়েছিল ইসরায়েল। শুক্রবার (৫ জুন) যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম সিএনএনের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যৌথ হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল। জবাবে ইসরায়েলসহ যুক্তরাষ্ট্রের উপসাগরীয় দেশের ঘাঁটিতে হামলা করে ইরান। এই যুদ্ধে ইরানের ওপর বড় ধরনের বিমান ও স্থল হামলা টিকিয়ে রাখতে এবং গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ করতে দেশটিকে ঘিরে ধরে ইসরায়েলি বাহিনী।
এ সংশ্লিষ্ট চারটি সূত্র সিএনএনকে জানিয়েছে, যুদ্ধের সময় ইসরায়েল গোপনে তাদের এলিট সামরিক ও গোয়েন্দা ইউনিটগুলোকে আজারবাইজানে মোতায়েন করেছিল। ইরানের উত্তর সীমান্ত এবং তাবরিজ শহর থেকে ৬০ মাইল দূরের দক্ষিণ আজারবাইজানের বেশ কয়েকটি গোপন আস্তানা গড়ে ইসরায়েল। স্পেশাল কমান্ডো ইউনিটগুলো এই সীমান্ত এলাকা থেকে ইরানে ড্রোন পরিচালনা ও তথ্য সংগ্রহের কাজ করত।
আজারবাইজান ছাড়াও ইরাক, সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) এবং সোমালিল্যান্ডেও গোপন সামরিক অবস্থান নিয়েছিল ইসরায়েল। শুরুতে কেবল জরুরি পরিস্থিতিতে পাইলটদের উদ্ধারে গোপন ঘাঁটি গড়ার পরিকল্পনা থাকলেও পরে এগুলো নিয়মিত গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহের কেন্দ্রে পরিণত হয়।
হর্ন অব আফ্রিকার বিচ্ছিন্ন অঞ্চল সোমালিল্যান্ডে ইসরায়েলি বিমানগুলোর জ্বালানি নেওয়ার ও যাত্রাবিরতির গোপন ব্যবস্থা ছিল। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে প্রথম দেশ হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে সোমালিল্যান্ডকে স্বীকৃতি দেয় ইসরায়েল।
এছাড়া যুদ্ধের বড় সময় জুড়ে ইরাকে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর দুটি গোপন লজিস্টিক ও উদ্ধার কেন্দ্র সক্রিয় ছিল। যদিও গত মার্চে ইরাক সরকার তাদের দেশে কোনো অননুমোদিত ঘাঁটি থাকার কথা অস্বীকার করেছে।
অন্যদিকে, ইউএইর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ইসরায়েল সেখানে আয়রন ডোম বিমান প্রতিরক্ষা ব্যাটারি মোতায়েন করেছিল। যুদ্ধের সময় ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু, মোসাদ প্রধান এবং আইডিএফ প্রধানের ইউএই সফরের গোপন তথ্য সামনে এলেও আমিরাত তা অস্বীকার করেছে।
আজারবাইজানে ইসরায়েলের সামরিক উপস্থিতির প্রস্তুতি যুদ্ধের আগেই নেওয়া হয়েছিল। এ সংশ্লিষ্ট দুটি সূত্রের বরাতে সিএনএন জানায়, ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভের সময় এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন শুরু হয়। ইরানে জিপিএস ট্র্যাকিং ও লিসেনিং ডিভাইস বসানোর পরিকল্পনা ছিল ইসরায়েলের।
তবে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শেষ মুহূর্তে এই পরিকল্পনা বাতিল করে দেন। কিন্তু ইসরায়েল তাদের স্টিলথ জেট এবং স্পেশাল ফোর্সের সাহায্যে আজারবাইজান-ইরান সীমান্তে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহের সরঞ্জাম স্থাপন করে। এর মাধ্যমে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ ও সামরিক গতিবিধির ওপর নজর রাখা শুরু হয়।
এ বিষয়ে এই সফল গোয়েন্দা তৎপরতার মাত্র দুই সপ্তাহ পর ইসরায়েলি পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিদন সার আজারবাইজান সফর করেন এবং ২০২৫ সালের মে মাসে আজারবাইজানের মধ্যস্থতায় ইসরায়েল-সিরিয়ার গোপন আলোচনা হয়।
সূত্রের বরাতে সিএনএন দাবি করছে, গত ৪ মার্চ আজারবাইজান ঘাঁটি থেকে পরিচালিত অপারেশনে আইআরজিসির গোয়েন্দা প্রধান রহমান মোকাদ্দামকে হত্যা করে ইসরায়েল। এই ঘটনার একদিন পর আজারবাইজানের নাখচিভান ছিটমহলের একটি বিমানবন্দরে ড্রোন হামলা চালানো হয়।
আজারবাইজানের রাষ্ট্রপতি ইলহাম আলিয়েভ একে ইরানের ‘কাপুরুষোচিত সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড’ বলে নিন্দা জানান। যদিও ইরান এই হামলার দায় অস্বীকার করে।
আজারবাইজান-ইসরায়েলের সম্পর্কের পেছনে রয়েছে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও সামরিক স্বার্থ। দেশটি ইসরায়েলের তেলের বড় জোগানদাতা, বিপরীতে ইসরায়েল তাদের কাছে উন্নত অস্ত্র বিক্রি করে থাকে। এই অস্ত্রই ২০১৬ ও ২০২০ সালে নাগর্নো-কারাবাখ যুদ্ধে আর্মেনিয়ার বিরুদ্ধে কাজে লাগিয়েছিল তারা।
যুক্তরাষ্ট্রের আজারবাইজান দূতাবাস সিএনএনের এসব দাবি অস্বীকার করেছে। বিবৃতিতে তারা বলছে, ‘অন্য দেশে হামলায় আজারবাইজানের ভূখণ্ড ব্যবহারের দাবি ভিত্তিহীন।’
ক্রাইসিস গ্রুপের জ্যেষ্ঠ বিশ্লেষক জশুয়া কুচেরা বলেন, ‘আজারবাইজান নিজেকে একটি আঞ্চলিক পরাশক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে চায়। এই লক্ষ্যে তারা ইসরায়েল ও আরব দেশগুলোর মাঝে সেতু গড়ে তুলতে আগ্রহী।’

আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে প্রশান্ত মহাসাগরে তৈরি হতে যাচ্ছে শক্তিশালী আবহাওয়ার প্রপঞ্চ ‘এল নিনো’। এর প্রভাবে বিশ্বজুড়ে তীব্র খরা, তাপপ্রবাহ, অতিবৃষ্টি এবং খাদ্য সংকট দেখা দিতে পারে বলে সতর্ক করেছে জাতিসংঘ।
৩ ঘণ্টা আগে
জেলেনস্কি বলেছেন, ইউরোপের যুদ্ধ আবার কখন যুক্তরাষ্ট্রের মনোযোগের কেন্দ্রে ফিরে আসবে—সেই পর্যন্ত ‘শুধু অপেক্ষা করা ভুল হবে’। কেবল ইউক্রেন ও রাশিয়ার মধ্যে ‘সরাসরি আলোচনার মাধ্যমেই’ শান্তি আসতে পারে।
৯ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের যুদ্ধ ইস্যুতে একা সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা সীমিত করতে মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদে একটি ঐতিহাসিক প্রস্তাব পাস হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের ফলে কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়া ইরানে কোনো সামরিক অভিযান চালাতে পারবেন না ট্রাম্প।
১ দিন আগে
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডে ভারত সরকারকে জড়ানোর অভিযোগে পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। বুধবার (৩ জুন) শিলিগুড়ির সাইবার থানায় ক্যালকাটা হাইকোর্টের জলপাইগুড়ি সার্কিট বেঞ্চের আইনজীবী রিংকু চ্যাটার্জি সিং এই অভিযোগ দায়ের করেন।
১ দিন আগে