বাড়ির কাছেই ছোট্ট স্যান্ডেল, ডোবায় বস্তাবন্দি লাশ

স্ট্রিম সংবাদদাতা
স্ট্রিম সংবাদদাতা
পাবনা

শিশু হত্যা। প্রতীকী ছবি
শিশু হত্যা। প্রতীকী ছবি

বাজার শেষে বাবার সঙ্গে বাড়িতে ফেরে কামরুন্নাহার কলি (১০)। বাজারের ব্যাগ মায়ের হাতে দিয়ে যায় পাশের বাড়ি। এর পর আর ফেরেনি। পরিবারের সদস্যরা আশপাশের খোঁজাখুঁজি করে বাড়ি থেকে প্রায় ২০০ গজ দূরে শিশুটির স্যান্ডেল পড়ে থাকতে দেখেন।

ঘটনা গত বুধবারের (১৬ সেপ্টেম্বর), এক সপ্তাহ পর আজ বাড়ির পাশের ডোবা থেকে উদ্ধার হয়েছে তার বস্তাবন্দি মরদেহ।

মরদেহ উদ্ধার হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পাবনা সদর থানার ওসি মো. তরিকুল ইসলাম।

‎কামরুন্নাহার কলি পাবনা সদর উপজেলার দোগাছী কুলোনিয়া গ্রামের কামাল প্রামাণিকের মেয়ে।

‎পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় বাবার সঙ্গে স্থানীয় শ্রীপুর বাজারে যায় কলি। বাজার শেষে বাবার সঙ্গে বাড়িতে ফিরে বাজারের ব্যাগ মায়ের হাতে দিয়ে বাড়ির পাশে গিয়েছিল সে। পরে বাড়িতে না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা আশপাশের বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন।

একপর্যায়ে বাড়ি থেকে প্রায় ২০০ গজ দূরে শিশুটির স্যান্ডেল পড়ে থাকতে দেখেন পরিবারের সদস্যরা। এরপর আত্মীয়-স্বজনের বাড়িসহ সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করেও তার সন্ধান না পেয়ে শিশুটির বাবা পাবনা সদর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

‎নিখোঁজের পর না পেয়ে শিশুটির বাবা পাবনা সদর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। বিভিন্ন মাধ্যমে শিশুটির সন্ধান চেয়ে প্রচার চালানো হয়। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) পাবনা শহরে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধনও করেন স্বজন ও সহপাঠীরা।

‎শিশুটির বাবা কামাল প্রামাণিক বলেন, ‘গত বুধবার সন্ধ্যা আনুমানিক ৬টা ৪৫ মিনিটের দিকে আমার মেয়ে নিখোঁজ হয়। এরপর থেকেই আমরা বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেছি। কিন্তু পাইনি।’

তিনি হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন।

এ ব্যাপারে পাবনা সদর থানার ওসি মো. তরিকুল ইসলাম বলেন, বস্তাবন্দি অবস্থায় শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। কীভাবে শিশুটির মৃত্যু হয়েছে এবং কারা এর সঙ্গে জড়িত তা বের করতে পুলিশ কাজ করছে।

বিষয়:

Ad 300x250
লেটেস্ট
সর্বাধিক পঠিত

সম্পর্কিত