
রাজধানীর উত্তরায় পৃথক হোটেলে দুই চীনা নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে। তাঁরা হলেন– লি শিংচিয়াং ও মি. লি। শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে তাঁদের মরদেহ উদ্ধার করে উত্তরা পশ্চিম থানা পুলিশ।
পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, অতিরিক্ত মদপানে অসুস্থ হয়ে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। শিংচিয়াংশের সঙ্গে থাকা মি. চাওইউয়ে ঝাও পলাতক। মরদেহ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
উত্তরা পশ্চিম থানার ওসি খালিদ মুনসুর জানান, উত্তরা ৩ নম্বর সেক্টরের ‘বেঙ্গল হোটেল অ্যান্ড হসপিটালিটি লিমিটেডের’ ৯০৫ নম্বর কক্ষের মেঝেতে পড়ে ছিলেন লি শিংচিয়াং। একই হোটেলের ৪০৪ ও ৪০৬ নম্বর কক্ষে থাকা তিন চীনা নাগরিক– গুও পেংফেই, গাও ঝেনলিয়াং ও লিউ হাওলিন বিষয়টি টের পেয়ে হোটেল কর্তৃপক্ষকে জানান। পরে পুলিশ লির মরদেহ উদ্ধার করে।
তিনি বলেন, কক্ষে লিকে মদ্যপ অবস্থায় থাকার কিছু প্রমাণ ও আলামত পাওয়া গেছে। অতিরিক্ত মদপানে তাঁর মৃত্যু হয়েছে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পেলে সঠিক কারণ জানা যাবে। বেঙ্গল হোটেলে মদ বিক্রি কিংবা পানের কোনো অনুমোদন ছিল না। এ বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অন্যদিকে, উত্তরা পশ্চিম থানার এসআই মো. সুমন জানান, উত্তরা ৩ নম্বর সেক্টরের ‘মেরিনো রয়েল হোটেলের’ ২০৩ কক্ষে ছিলেন মি. লি। হঠাৎ অসুস্থবোধ করলে তিনি হোটেল অবস্থানরত চীনা নাগরিক শিয়ে আছিংকে জানান। শিয়ে আছিং হোটেল কর্তৃপক্ষকে জানালে লিকে অ্যাম্বুলেন্সে করে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়। কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে থানা পুলিশ লির মরদেহ উদ্ধার করে। এ বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
দুটি হোটেলের সংশ্লিষ্ট কক্ষ থেকে তথ্য ও আলামত সংগ্রহ করেছে অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) ক্রাইমসিন ইউনিট।
.png)

ঢাকার অদূরে সাভার আমিনবাজারে পুলিশের স্পেশাল ব্র্যাঞ্চের (এসবি) সদস্য আলতাফ হোসেনকে (৫৮) পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ পাওয় গেছে। শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টার দিকে আমিনবাজারের বড়দেশি এলাকার এই ঘটনায় তাঁর ছোট ছেলে আরিফুল ইসলাম (২৬) গুরুতর আহত হয়েছেন।
৩২ মিনিট আগে
রাজধানীর দারুস সালামে নিজের টিনশেড বাসায় টিভি দেখার সময় গুলিবিদ্ধ হয়েছেন জেসমিন বেগম (৩৮)। শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে দারুস সালামের মাতবরবাড়ী মসজিদ গলি এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
১ ঘণ্টা আগে
মিটার নেই, বিদ্যুৎ সংযোগও নেই। তবুও ৬৯২ টাকা বিদ্যুৎ বিলের কাগজ পেয়েছেন জামালপুরের মাদারগঞ্জের পল্লী বিদ্যুতের গ্রাহক শ্রী নিমাই চন্দ্র সরকার। তার অভিযোগ, মিটার খুলে নেয়ার পর নতুন কোনো মিটার সংযোগ না দেয়া হলেও বিল আসায় বিস্মিত তিনি।
১০ ঘণ্টা আগে-2aeb91-256x144.webp)
রংপুরের কয়েকটি উপজেলায় চাহিদার তুলনায় বিদ্যুৎ মিলছে অর্ধেক। এতে সবচেয়ে বড় ভোগান্তিতে পড়েছেন রোগীরা। বিদ্যুৎ না থাকায় হাসপাতালের ফ্যান বন্ধ। চলছে না এক্স-রে, ইসিজি, নেবুলাইজারসহ গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্র। কোথাও আবার জরুরি বিদ্যুৎ সংযোগ না থাকায় মুঠোফোনের আলোয় রোগী দেখতে হচ্ছে চিকিৎসক-নার্সদের।
১০ ঘণ্টা আগে-2aeb91-256x144.webp)