স্ট্রিম প্রতিবেদক

সব গুমের শিকার ব্যক্তি ও তাদের পরিবারের জন্য সুবিচার নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। এ ছাড়া ব্যক্তি পর্যায়ে বিচারপ্রক্রিয়া চলমান থাকলেও ফ্যাসিবাদী শেখ হাসিনা এবং তার দলের রাজনৈতিক ভূমিকারও বিচার নিশ্চিত করা হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।
রোববার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, গুমের মামলাগুলো আদালতে চলমান থাকলে সেগুলোর বিচার শেষ করতে নির্বাহী বিভাগ প্রয়োজনীয় সহায়তা করবে। একই সঙ্গে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করার কথাও বলেন তিনি।
নিজের গুম হওয়ার অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, বাংলাদেশ একসময় ‘মৃত্যু উপত্যকায়’ পরিণত হয়েছিল। তিনি নিজেও ৬১ দিন গুমের শিকার ছিলেন। সেই সময় তার পরিবার যে মানসিক যন্ত্রণা ও অনিশ্চয়তার মধ্যে ছিল, গুম হওয়া ব্যক্তিদের স্বজনেরাই তা সবচেয়ে ভালোভাবে বুঝতে পারেন।
তিনি বলেন, বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থার হিসাবে বাংলাদেশে ৭০৯ জন গুমের শিকার হয়েছেন, যাদের মধ্যে ১৫৫ জন আর ফিরে আসেননি। পরে গুম কমিশন গঠনের পর এ বিষয়ে প্রায় ১ হাজার ৮৫০টি অভিযোগ জমা পড়ে।
গুম প্রতিকার ও প্রতিরোধ আইনকে শক্তিশালী করার কথা উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, নতুন আইনে গুমের শিকার ব্যক্তি ও তাদের পরিবারের বিচার ও প্রতিকারের সুযোগ নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাঁচ বছরের বেশি সময় কেউ নিখোঁজ থাকলে আদালতের অনুমতি নিয়ে তার উত্তরাধিকারীরা সম্পত্তি ব্যবস্থাপনার সুযোগ পাবেন। পাশাপাশি অপরাধীর কাছ থেকে ক্ষতিপূরণ আদায় এবং প্রয়োজন হলে রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার বিধান রাখার কথাও বলেন তিনি।
সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা কোনো ব্যক্তির জন্য স্থায়ী নয়। আগামী দিনে যারা রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে আসবেন, তারাও যেন গুম ও ফ্যাসিবাদী আচরণের পরিণতি থেকে শিক্ষা নেন।
বিরোধী দলগুলোর উদ্দেশে তিনি বলেন, আইন নিয়ে মতভেদ থাকতেই পারে। তবে সংসদীয় প্রক্রিয়ায় আলোচনা, সংশোধনী ও বিতর্কের মাধ্যমে মতামত তুলে ধরা উচিত। কোনো আইন নিয়ে আলোচনা ছাড়াই ওয়াকআউট করাকে তিনি সমস্যার সমাধান নয়, বরং প্রতিবাদের একটি পদ্ধতি হিসেবে উল্লেখ করেন।
তিনি আরও বলেন, যুগের চাহিদা অনুযায়ী আইন ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান সংস্কার করতে হবে। জুলাই জাতীয় সনদের অঙ্গীকার বাস্তবায়নের মাধ্যমে সংবিধান ও আইনে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনা হবে।
বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বের প্রসঙ্গ টেনে সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, দীর্ঘ সংগ্রাম ও নির্যাতনের অভিজ্ঞতা থেকেই গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের প্রতি তাদের অঙ্গীকার তৈরি হয়েছে। ভবিষ্যতে যাতে বাংলাদেশে আর কেউ গুমের শিকার না হন, সে জন্য কঠোর আইন প্রণয়ন করা হবে।
তিনি বলেন, ‘এই দেশে আর গুমের সংস্কৃতি চালু করা হবে না এবং কাউকে তা করতে দেওয়াও হবে না।’

সব গুমের শিকার ব্যক্তি ও তাদের পরিবারের জন্য সুবিচার নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। এ ছাড়া ব্যক্তি পর্যায়ে বিচারপ্রক্রিয়া চলমান থাকলেও ফ্যাসিবাদী শেখ হাসিনা এবং তার দলের রাজনৈতিক ভূমিকারও বিচার নিশ্চিত করা হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।
রোববার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, গুমের মামলাগুলো আদালতে চলমান থাকলে সেগুলোর বিচার শেষ করতে নির্বাহী বিভাগ প্রয়োজনীয় সহায়তা করবে। একই সঙ্গে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করার কথাও বলেন তিনি।
নিজের গুম হওয়ার অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, বাংলাদেশ একসময় ‘মৃত্যু উপত্যকায়’ পরিণত হয়েছিল। তিনি নিজেও ৬১ দিন গুমের শিকার ছিলেন। সেই সময় তার পরিবার যে মানসিক যন্ত্রণা ও অনিশ্চয়তার মধ্যে ছিল, গুম হওয়া ব্যক্তিদের স্বজনেরাই তা সবচেয়ে ভালোভাবে বুঝতে পারেন।
তিনি বলেন, বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থার হিসাবে বাংলাদেশে ৭০৯ জন গুমের শিকার হয়েছেন, যাদের মধ্যে ১৫৫ জন আর ফিরে আসেননি। পরে গুম কমিশন গঠনের পর এ বিষয়ে প্রায় ১ হাজার ৮৫০টি অভিযোগ জমা পড়ে।
গুম প্রতিকার ও প্রতিরোধ আইনকে শক্তিশালী করার কথা উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, নতুন আইনে গুমের শিকার ব্যক্তি ও তাদের পরিবারের বিচার ও প্রতিকারের সুযোগ নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাঁচ বছরের বেশি সময় কেউ নিখোঁজ থাকলে আদালতের অনুমতি নিয়ে তার উত্তরাধিকারীরা সম্পত্তি ব্যবস্থাপনার সুযোগ পাবেন। পাশাপাশি অপরাধীর কাছ থেকে ক্ষতিপূরণ আদায় এবং প্রয়োজন হলে রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার বিধান রাখার কথাও বলেন তিনি।
সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা কোনো ব্যক্তির জন্য স্থায়ী নয়। আগামী দিনে যারা রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে আসবেন, তারাও যেন গুম ও ফ্যাসিবাদী আচরণের পরিণতি থেকে শিক্ষা নেন।
বিরোধী দলগুলোর উদ্দেশে তিনি বলেন, আইন নিয়ে মতভেদ থাকতেই পারে। তবে সংসদীয় প্রক্রিয়ায় আলোচনা, সংশোধনী ও বিতর্কের মাধ্যমে মতামত তুলে ধরা উচিত। কোনো আইন নিয়ে আলোচনা ছাড়াই ওয়াকআউট করাকে তিনি সমস্যার সমাধান নয়, বরং প্রতিবাদের একটি পদ্ধতি হিসেবে উল্লেখ করেন।
তিনি আরও বলেন, যুগের চাহিদা অনুযায়ী আইন ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান সংস্কার করতে হবে। জুলাই জাতীয় সনদের অঙ্গীকার বাস্তবায়নের মাধ্যমে সংবিধান ও আইনে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনা হবে।
বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বের প্রসঙ্গ টেনে সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, দীর্ঘ সংগ্রাম ও নির্যাতনের অভিজ্ঞতা থেকেই গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের প্রতি তাদের অঙ্গীকার তৈরি হয়েছে। ভবিষ্যতে যাতে বাংলাদেশে আর কেউ গুমের শিকার না হন, সে জন্য কঠোর আইন প্রণয়ন করা হবে।
তিনি বলেন, ‘এই দেশে আর গুমের সংস্কৃতি চালু করা হবে না এবং কাউকে তা করতে দেওয়াও হবে না।’
.png)

বর্তমান সরকার বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মধ্যকার বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও উচ্চতায় নিয়ে যেতে আগ্রহী বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান।
১০ মিনিট আগে
হবিগঞ্জের চুনারুঘাট সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে সোহাগ মিয়া নামে এক যুবক নিহত হয়েছে। রোববার দুপুরে উপজেলার চিমটিবিল এলাকায় শূন্য রেখায় গরু আনতে গিয়ে তার মৃত্যু হয়। হবিগঞ্জ ৫৫ বিজিবি অধিনায়ক এই তথ্য জানান। সোহাগ (২২) উপজেলার চিমটিবিল খাস এলাকার শফিক মিয়ার ছেলে।
২১ মিনিট আগে-3e531a.jpeg)
রংপুরে শিক্ষক পরিবার হত্যার আসামি সিদ্ধার্থ দাসের বাবা ও বড় ভাইকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। তবে সাড়ে ৩ ঘণ্টা পর ডিবি কার্যালয় থেকে বের হওয়ার সময় সিদ্ধার্থের ভাইয়ের খুঁড়িয়ে হাঁটা নিয়ে শুরু হয়েছে আলোচনা।
৩৪ মিনিট আগে
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, গুমের ঘটনায় জড়িত অপরাধী যত বড় ক্ষমতাবানই হোক না কেন তাকে বিচারের মুখোমুখি করা হবে। তিনি বলেছেন, স্বাধীন বাংলাদেশে আর কোনো ‘আয়নাঘর’ থাকবে না। প্রতিটি গুমের ঘটনায় জড়িতদের বিচার করা হবে। আইনের সর্বোচ্চ শাস্তি তাদের পেতেই হবে।
২ ঘণ্টা আগে