স্ট্রিম প্রতিবেদক

আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশের সাম্প্রতিক পরিবর্তনকে ইতিবাচকভাবে দেখছে। এটি বিনিয়োগ ও অর্থনীতির জন্য নতুন সম্ভাবনা তৈরি করেছে, যা কাজে লাগাতে ব্যবসার পরিবেশ ও সামাজিক মান নিশ্চিত করা জরুরি।
রোববার (৩০ আগস্ট) সচিবালয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সঙ্গে সাক্ষাতে এ কথা জানিয়েছেন বাংলাদেশে জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির (ইউএনডিপি) আবাসিক প্রতিনিধি স্টিফেন রড্রিকস।
ইউএনডিপির এই প্রতিনিধি বলেন, বাংলাদেশ ধীরে ধীরে বিদেশি বিনিয়োগের আকর্ষণীয় গন্তব্য হয়ে উঠছে। এর পাশাপাশি স্থানীয় ব্যবসা খাতকেও শক্তিশালী করা দরকার।
বাংলাদেশের স্থানীয় ব্যবসায় বড় হিস্যা রয়েছে মাইক্রো, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগ (এমএসএমই) খাতের। তবে খাতটিতে অর্থায়ন সংকট রয়েছে। বাণিজ্যমন্ত্রী এই ঘাটতি দূর করা, উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণ ও ব্যবসায়িক দক্ষতা বাড়ানো এবং আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে কার্যকর সংযোগ তৈরিতে ইউএনডিপির সহযোগিতা চান।
জবাবে রড্রিকস বলেন, তারা বাংলাদেশের এমএসএমই উদ্যোক্তাদের সক্ষমতা বাড়াতে সহযোগিতা জোরদার করবেন। এছাড়া একে কীভাবে রপ্তানিমুখী শিল্পে রূপান্তর করা যায়, সেই বিষয়েও কাজ করবেন তারা।
বাণিজ্যের পরিবেশ প্রসঙ্গে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ব্যবসার লাইসেন্স ও অনুমোদন প্রক্রিয়া সহজ করতে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে। আগে কোনো প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে তিন মাস পর্যন্ত সময় লাগত। এখন তা দুই সপ্তাহের মধ্যে করা সম্ভব হচ্ছে। এই সময় কীভাবে আরও কমিয়ে আনা যায়, সেই চেষ্টা করছে সরকার।
বৈঠকে দেশের লজিস্টিকস ব্যয় কমানো এবং বন্দর ও টার্মিনাল ব্যবস্থাপনার দক্ষতা বাড়ানোর বিষয়েও আলোচনা হয়। বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, দেশের সমুদ্রবন্দরে আন্তর্জাতিক মানের ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা হচ্ছে। এতে পণ্য হ্যান্ডলিংয়ের সময় ও ব্যয় কমবে এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বাংলাদেশের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়বে।
স্টিফেন রড্রিকস শুল্কায়নে অপ্রয়োজনীয় বিলম্ব কমানো, বাণিজ্য সহজীকরণ ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্য চুক্তি আলোচনায় বাংলাদেশের সক্ষমতা বাড়াতে প্রশিক্ষণ ও আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা বিনিময়ের কথা জানিয়েছেন।
কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও অর্থনীতির বহুমুখীকরণে অগ্রাধিকার রয়েছে বাংলাদেশ সরকারের। এর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ইউএনডিপির সহায়তা পুনর্বিন্যাসের কথা জানিয়েছেন রড্রিকস।
বৈঠকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব (এফটিএ) মাহবুবা খাতুন মিনু, ইউএনডিপির ডেপুটি রেসিডেন্ট রিপ্রেজেন্টেটিভ সোনালী দয়ারত্নে, অ্যাসিস্ট্যান্ট রেসিডেন্ট রিপ্রেজেন্টেটিভ আনোয়ারুল হক, ইকোনমিক অ্যাডভাইজার ওয়াইস প্যারি ও প্রজেক্ট ম্যানেজার মারুফ আজম উপস্থিত ছিলেন।

আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশের সাম্প্রতিক পরিবর্তনকে ইতিবাচকভাবে দেখছে। এটি বিনিয়োগ ও অর্থনীতির জন্য নতুন সম্ভাবনা তৈরি করেছে, যা কাজে লাগাতে ব্যবসার পরিবেশ ও সামাজিক মান নিশ্চিত করা জরুরি।
রোববার (৩০ আগস্ট) সচিবালয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সঙ্গে সাক্ষাতে এ কথা জানিয়েছেন বাংলাদেশে জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির (ইউএনডিপি) আবাসিক প্রতিনিধি স্টিফেন রড্রিকস।
ইউএনডিপির এই প্রতিনিধি বলেন, বাংলাদেশ ধীরে ধীরে বিদেশি বিনিয়োগের আকর্ষণীয় গন্তব্য হয়ে উঠছে। এর পাশাপাশি স্থানীয় ব্যবসা খাতকেও শক্তিশালী করা দরকার।
বাংলাদেশের স্থানীয় ব্যবসায় বড় হিস্যা রয়েছে মাইক্রো, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগ (এমএসএমই) খাতের। তবে খাতটিতে অর্থায়ন সংকট রয়েছে। বাণিজ্যমন্ত্রী এই ঘাটতি দূর করা, উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণ ও ব্যবসায়িক দক্ষতা বাড়ানো এবং আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে কার্যকর সংযোগ তৈরিতে ইউএনডিপির সহযোগিতা চান।
জবাবে রড্রিকস বলেন, তারা বাংলাদেশের এমএসএমই উদ্যোক্তাদের সক্ষমতা বাড়াতে সহযোগিতা জোরদার করবেন। এছাড়া একে কীভাবে রপ্তানিমুখী শিল্পে রূপান্তর করা যায়, সেই বিষয়েও কাজ করবেন তারা।
বাণিজ্যের পরিবেশ প্রসঙ্গে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ব্যবসার লাইসেন্স ও অনুমোদন প্রক্রিয়া সহজ করতে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে। আগে কোনো প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে তিন মাস পর্যন্ত সময় লাগত। এখন তা দুই সপ্তাহের মধ্যে করা সম্ভব হচ্ছে। এই সময় কীভাবে আরও কমিয়ে আনা যায়, সেই চেষ্টা করছে সরকার।
বৈঠকে দেশের লজিস্টিকস ব্যয় কমানো এবং বন্দর ও টার্মিনাল ব্যবস্থাপনার দক্ষতা বাড়ানোর বিষয়েও আলোচনা হয়। বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, দেশের সমুদ্রবন্দরে আন্তর্জাতিক মানের ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা হচ্ছে। এতে পণ্য হ্যান্ডলিংয়ের সময় ও ব্যয় কমবে এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বাংলাদেশের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়বে।
স্টিফেন রড্রিকস শুল্কায়নে অপ্রয়োজনীয় বিলম্ব কমানো, বাণিজ্য সহজীকরণ ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্য চুক্তি আলোচনায় বাংলাদেশের সক্ষমতা বাড়াতে প্রশিক্ষণ ও আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা বিনিময়ের কথা জানিয়েছেন।
কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও অর্থনীতির বহুমুখীকরণে অগ্রাধিকার রয়েছে বাংলাদেশ সরকারের। এর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ইউএনডিপির সহায়তা পুনর্বিন্যাসের কথা জানিয়েছেন রড্রিকস।
বৈঠকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব (এফটিএ) মাহবুবা খাতুন মিনু, ইউএনডিপির ডেপুটি রেসিডেন্ট রিপ্রেজেন্টেটিভ সোনালী দয়ারত্নে, অ্যাসিস্ট্যান্ট রেসিডেন্ট রিপ্রেজেন্টেটিভ আনোয়ারুল হক, ইকোনমিক অ্যাডভাইজার ওয়াইস প্যারি ও প্রজেক্ট ম্যানেজার মারুফ আজম উপস্থিত ছিলেন।
.png)

চলতি অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে বাংলাদেশ বিদেশি ঋণ হিসেবে যে অর্থ পেয়েছে, তার দ্বিগুণেরও বেশি পরিশোধ করেছে। এ মাসে উন্নয়ন সহযোগীদের কাছ থেকে ১৮ কোটি ১৮ লাখ মার্কিন ডলার ঋণ ছাড় হয়েছে। মূল ও সুদ বাবদ পরিশোধ করতে হয়েছে ৪৫ কোটি ৩২ লাখ ডলার।
২ ঘণ্টা আগে
শুল্কমুক্ত বন্ড সুবিধায় আমদানিকৃত পণ্য বিক্রির জন্য নেওয়া হয়েছিল পুরান ঢাকার খোলাবাজারে। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ১০ ট্রাক পণ্য আটক করেছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর (সিআইআইডি)।
২৯ আগস্ট ২০২৬
আমদানি ঘোষণায় ছিল ‘ব্যবহৃত গাড়ির যন্ত্রাংশ’। বাস্তবে আনা হয়েছে চারটি বিলাসবহুল গাড়ি। কিন্তু সম্পূর্ণ প্রস্তুত (সিবিইউ) অবস্থায় নয়, তিন থেকে চারটি বড় অংশে কেটে সেমি-নকড ডাউন (এসকেডি) অবস্থায়।
২৭ আগস্ট ২০২৬
বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) নির্বাহী পরিচালক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বিশিষ্ট উন্নয়ন অর্থনীতিবিদ ড. নাজনীন আহমেদ। ১ সেপ্টেম্বর থেকে তার এই নিয়োগ কার্যকর হবে। তিনি বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ড. ফাহমিদা খাতুনের স্থলাভিষিক্ত হবেন।
২৭ আগস্ট ২০২৬