স্ট্রিম ডেস্ক

ভারতের সঙ্গে গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তি নবায়নে শুষ্ক মৌসুমে ন্যূনতম প্রবাহ নিশ্চিতে ‘গ্যারান্টি ক্লজ’ চেয়েছে বাংলাদেশ। চুক্তির মেয়াদ শেষের পথে থাকলেও এখনও এ নিয়ে কিছু জানায়নি নয়াদিল্লি। তবে ভারতের পররাষ্ট্রবিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটি দ্রুত চুক্তি নবায়নে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।
১৯৯৬ সালের ভারত-বাংলাদেশ গঙ্গা পানি বণ্টন চুক্তির মেয়াদ চলতি বছর ডিসেম্বরে শেষ হবে। এ অবস্থায় পানির ন্যায্য হিস্যা নিয়ে উদ্বেগের সমাধান না হলে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিষ্পত্তির জন্য যেতে পারে ঢাকা।
আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার (১৮ তারিখ) ঢাকায় ‘গঙ্গা পানি চুক্তি ইস্যুতে নতুন করে আলোচনা’ শীর্ষক এক সেমিনারে চুক্তি নবায়নে ‘গ্যারান্টি ক্লজের’ কথা বলেন পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি।
নতুন একটি চুক্তি করতে বাংলাদেশ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ জানিয়ে তিনি বলেন, আগামী মাসে জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিষয়টি জোরালোভাবে তুলে ধরবেন।
কেন ‘গ্যারান্টি ক্লজ’ চায় ঢাকা
শুষ্ক মৌসুমে গঙ্গার পানির স্তর উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেলে বাংলাদেশকে ন্যায্য পানি পাওয়ার নিশ্চয়তা দিতে পারে এই ধারা। ১৯৭৭ সালে প্রথম গঙ্গা চুক্তিতে এ ধরনের একটি গ্যারান্টি ছিল। তবে ১৯৯৬ সালের চুক্তিতে তা রাখা হয়নি।
এ্যানি বলেন, পানি বণ্টন-সংক্রান্ত ব্যবস্থায় তথ্য জানার অধিকার নিশ্চিতের ব্যবস্থাও থাকা প্রয়োজন। আমাদের এই চুক্তি করতেই হবে। এটি আমাদের অধিকার।
বাংলাদেশ এটিও জানিয়েছে, আগের পানির হিস্যা পুরোনো জলপ্রবাহের ওপর ভিত্তি করে করা। বর্তমানে বাস্তবতা ভিন্ন। শুষ্ক মৌসুমে পানির প্রবাহ কমে যাওয়ার পাশাপাশি জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বাংলাদেশের পানির সরবরাহ কতটা নির্ভরযোগ্য অবস্থায় থাকবে, তা নিয়েও উদ্বেগ জানিয়েছে ঢাকা।
বড় বিরোধের জায়গা ফারাক্কা
পানি বণ্টন দীর্ঘদিন ধরে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের সংবেদনশীল বিষয়। বাংলাদেশের সমালোচনার কেন্দ্রবিন্দু পশ্চিমবঙ্গের ফারাক্কা ব্যারাজ। দীর্ঘদিনের অভিযোগ, এটির ফলে শুষ্ক মৌসুমে বাংলাদেশের অংশে ভাটির দিকে পানির প্রবাহ কমে যায়।
পানিসম্পদমন্ত্রী এ্যানি ফারাক্কাকে বাংলাদেশের জন্য ‘মৃত্যুফাঁদ’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তাঁর অভিযোগ, নদী ব্যবস্থায় এই ব্যারাজ এবং প্রায় ৯০০টি বাঁধ দুই দেশের মধ্যে পানির হিস্যা নিয়ে উত্তেজনা বাড়িয়েছে।
তবে ফারাক্কাকে বাঁধ হিসেবে বলতে নারাজ ভারত। তারা বলছে, এটি তাদের হিস্যার পানি স্থানান্তরের কাঠামো, যার মাধ্যমে গঙ্গার প্রায় ৪০ হাজার কিউসেক পানি ফারাক্কা ক্যানেলে প্রবাহিত করা হয়। বাকি পানি ভাটির দিকে বাংলাদেশের দিকে প্রবাহিত হয়। তারা আরও জানিয়েছে, যৌথ নদী কমিশনের মাধ্যমে ঢাকার সঙ্গে নিয়মিত পানিপ্রবাহের তথ্য আদান-প্রদান করা হয়।
বসতে চায় ভারতও
চুক্তির মেয়াদ শেষের দিকে থাকায় নয়াদিল্লিতেও নবায়নের তাগিদ বাড়ছে। জুলাইয়ে ভারতের পররাষ্ট্রবিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটি সীমিত সময়ের কথা উল্লেখ করে ‘আর কোনো বিলম্ব না করে’ চুক্তি নবায়নের আলোচনা শুরু করতে দেশটির সরকারকে আহ্বান জানায়।
কমিটি সুপারিশ করেছে, নতুন চুক্তি হলে এতে হালনাগাদ পানিপ্রবাহের তথ্য, জলবায়ু পরিবর্তনের পূর্বাভাস এবং পশ্চিমবঙ্গ ও বিহারের উদ্বেগ বিবেচনায় নিতে হবে।
মোদি সরকার গত ফেব্রুয়ারিতে সংসদকে জানিয়েছিল, চুক্তি নবায়ন নিয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে এখনো আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরু হয়নি। তবে এখন শেষ সময়ে হেলাফেলা করার খুব একটা সময় দেশটি পাচ্ছে না।
গঙ্গা ভারত ও বাংলাদেশের অভিন্ন ৫৪টি প্রধান নদীর একটি। ফলে পানি ব্যবস্থাপনা দুই দেশের সামগ্রিক দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
সূত্র: ফার্স্টপোস্ট

ভারতের সঙ্গে গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তি নবায়নে শুষ্ক মৌসুমে ন্যূনতম প্রবাহ নিশ্চিতে ‘গ্যারান্টি ক্লজ’ চেয়েছে বাংলাদেশ। চুক্তির মেয়াদ শেষের পথে থাকলেও এখনও এ নিয়ে কিছু জানায়নি নয়াদিল্লি। তবে ভারতের পররাষ্ট্রবিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটি দ্রুত চুক্তি নবায়নে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।
১৯৯৬ সালের ভারত-বাংলাদেশ গঙ্গা পানি বণ্টন চুক্তির মেয়াদ চলতি বছর ডিসেম্বরে শেষ হবে। এ অবস্থায় পানির ন্যায্য হিস্যা নিয়ে উদ্বেগের সমাধান না হলে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিষ্পত্তির জন্য যেতে পারে ঢাকা।
আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার (১৮ তারিখ) ঢাকায় ‘গঙ্গা পানি চুক্তি ইস্যুতে নতুন করে আলোচনা’ শীর্ষক এক সেমিনারে চুক্তি নবায়নে ‘গ্যারান্টি ক্লজের’ কথা বলেন পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি।
নতুন একটি চুক্তি করতে বাংলাদেশ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ জানিয়ে তিনি বলেন, আগামী মাসে জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিষয়টি জোরালোভাবে তুলে ধরবেন।
কেন ‘গ্যারান্টি ক্লজ’ চায় ঢাকা
শুষ্ক মৌসুমে গঙ্গার পানির স্তর উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেলে বাংলাদেশকে ন্যায্য পানি পাওয়ার নিশ্চয়তা দিতে পারে এই ধারা। ১৯৭৭ সালে প্রথম গঙ্গা চুক্তিতে এ ধরনের একটি গ্যারান্টি ছিল। তবে ১৯৯৬ সালের চুক্তিতে তা রাখা হয়নি।
এ্যানি বলেন, পানি বণ্টন-সংক্রান্ত ব্যবস্থায় তথ্য জানার অধিকার নিশ্চিতের ব্যবস্থাও থাকা প্রয়োজন। আমাদের এই চুক্তি করতেই হবে। এটি আমাদের অধিকার।
বাংলাদেশ এটিও জানিয়েছে, আগের পানির হিস্যা পুরোনো জলপ্রবাহের ওপর ভিত্তি করে করা। বর্তমানে বাস্তবতা ভিন্ন। শুষ্ক মৌসুমে পানির প্রবাহ কমে যাওয়ার পাশাপাশি জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বাংলাদেশের পানির সরবরাহ কতটা নির্ভরযোগ্য অবস্থায় থাকবে, তা নিয়েও উদ্বেগ জানিয়েছে ঢাকা।
বড় বিরোধের জায়গা ফারাক্কা
পানি বণ্টন দীর্ঘদিন ধরে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের সংবেদনশীল বিষয়। বাংলাদেশের সমালোচনার কেন্দ্রবিন্দু পশ্চিমবঙ্গের ফারাক্কা ব্যারাজ। দীর্ঘদিনের অভিযোগ, এটির ফলে শুষ্ক মৌসুমে বাংলাদেশের অংশে ভাটির দিকে পানির প্রবাহ কমে যায়।
পানিসম্পদমন্ত্রী এ্যানি ফারাক্কাকে বাংলাদেশের জন্য ‘মৃত্যুফাঁদ’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তাঁর অভিযোগ, নদী ব্যবস্থায় এই ব্যারাজ এবং প্রায় ৯০০টি বাঁধ দুই দেশের মধ্যে পানির হিস্যা নিয়ে উত্তেজনা বাড়িয়েছে।
তবে ফারাক্কাকে বাঁধ হিসেবে বলতে নারাজ ভারত। তারা বলছে, এটি তাদের হিস্যার পানি স্থানান্তরের কাঠামো, যার মাধ্যমে গঙ্গার প্রায় ৪০ হাজার কিউসেক পানি ফারাক্কা ক্যানেলে প্রবাহিত করা হয়। বাকি পানি ভাটির দিকে বাংলাদেশের দিকে প্রবাহিত হয়। তারা আরও জানিয়েছে, যৌথ নদী কমিশনের মাধ্যমে ঢাকার সঙ্গে নিয়মিত পানিপ্রবাহের তথ্য আদান-প্রদান করা হয়।
বসতে চায় ভারতও
চুক্তির মেয়াদ শেষের দিকে থাকায় নয়াদিল্লিতেও নবায়নের তাগিদ বাড়ছে। জুলাইয়ে ভারতের পররাষ্ট্রবিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটি সীমিত সময়ের কথা উল্লেখ করে ‘আর কোনো বিলম্ব না করে’ চুক্তি নবায়নের আলোচনা শুরু করতে দেশটির সরকারকে আহ্বান জানায়।
কমিটি সুপারিশ করেছে, নতুন চুক্তি হলে এতে হালনাগাদ পানিপ্রবাহের তথ্য, জলবায়ু পরিবর্তনের পূর্বাভাস এবং পশ্চিমবঙ্গ ও বিহারের উদ্বেগ বিবেচনায় নিতে হবে।
মোদি সরকার গত ফেব্রুয়ারিতে সংসদকে জানিয়েছিল, চুক্তি নবায়ন নিয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে এখনো আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরু হয়নি। তবে এখন শেষ সময়ে হেলাফেলা করার খুব একটা সময় দেশটি পাচ্ছে না।
গঙ্গা ভারত ও বাংলাদেশের অভিন্ন ৫৪টি প্রধান নদীর একটি। ফলে পানি ব্যবস্থাপনা দুই দেশের সামগ্রিক দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
সূত্র: ফার্স্টপোস্ট
.png)

গত দুই মাসে লিবিয়া থেকে দেশে ফিরেছেন সুনামগঞ্জের ৬৬ জন অভিবাসনপ্রত্যাশী। আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) সহায়তায় দেশে ফিরেছেন তারা। আর্থিক সচ্ছলতার আশায় বিভিন্ন দেশ ঘুরে উত্তর আফ্রিকার দেশ লিবিয়ায় পাড়ি জমিয়েছিলেন তারা। সেখানে গিয়ে উন্নত জীবনের পরিবর্তে অত্যাচার ও নির্যাতনের শিকার হন।
২ ঘণ্টা আগে
নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর শপথ নেওয়ার আগে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত ও শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন।
২ ঘণ্টা আগে
ডারউইনে ইতিহাস গড়ার পর বাংলাদেশের সামনে এবার ম্যাকাই পরীক্ষা। আজ (২১ আগস্ট) অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্টের আগে সংবাদ সম্মেলনে অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর কণ্ঠে আত্মবিশ্বাস থাকলেও ছিলো না কোনো আত্মতুষ্টি।
