যশোরে মাইকিং করে পুলিশকে পিটিয়ে আসামি ছিনতাই, পুনরায় গ্রেপ্তার

স্ট্রিম সংবাদদাতা
স্ট্রিম সংবাদদাতা
যশোর

প্রকাশ : ০২ এপ্রিল ২০২৬, ১৮: ০৩
তবে ঘটনার পরদিন বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ওই আসামিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ছবি: সংগৃহীত

যশোরের কেশবপুর উপজেলার হিজলডাঙ্গা গ্রামে আসামি ধরতে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছেন পুলিশের এক উপপরিদর্শক (এসআই) ও দুই কনস্টেবল। এ সময় মসজিদে মাইকিং করে সংঘবদ্ধভাবে আসামিকে ছিনিয়ে নেন গ্রামবাসীরা। তবে ঘটনার পরদিন বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ওই আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

আহত পুলিশ সদস্যরা হলেন—কেশবপুর থানার এসআই আসমত আলী (৫৪), কনস্টেবল শহিদুল ইসলাম (৩৫) ও হাবিবুল্লাহ (৩০)। তাঁদের মধ্যে কনস্টেবল শহিদুল ইসলামকে কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। বাকি দুজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত বুধবার রাত দেড়টার দিকে এসআই আসমত আলীর নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল হিজলডাঙ্গা গ্রামে অভিযান চালিয়ে তিন মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামি জাহাঙ্গীর হোসেনকে (৩৫) তাঁর নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারের পরপরই স্থানীয় একটি মসজিদের মাইক ব্যবহার করে এলাকায় প্রচার করা হয়, পুলিশ জাহাঙ্গীরকে পিটিয়ে মেরে ফেলেছে। এই মিথ্যা তথ্যের ভিত্তিতে গ্রামবাসী সংঘবদ্ধ হয়ে পুলিশের ওপর হামলা চালায় এবং জাহাঙ্গীরকে ছিনিয়ে নেয়।

আহত কনস্টেবল শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘আসামিকে ধরে রাখার চেষ্টা করলে তারা আমাকে বুকে প্রচণ্ড আঘাত করে এবং আমার হাতের একটি আঙুল জখম হয়। ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে লোকজন আমার কাছ থেকে আসামিকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়।’

কেশবপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শহিদুল ইসলাম জানান, গ্রেপ্তার হওয়া জাহাঙ্গীর হোসেন তিনটি মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামি ছিলেন। এলাকায় গুজব ছড়িয়ে তাঁকে ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছিল। পরে আজ বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সীমান্ত এলাকা থেকে তাঁকে পুনরায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

সম্পর্কিত