দুর্যোগে জেলায় জেলায় জিআর বরাদ্দ রয়েছে: মন্ত্রী

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক

প্রকাশ : ০৮ জুন ২০২৬, ২২: ১৯
সংসদে কথা বলছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু। ভিডিও থেকে নেওয়া ছবি

দুর্যোগে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থায় প্রত্যেক জেলা প্রশাসকের কাছে জিআর চাল ও টাকা বরাদ্দের কথা জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু।

সোমবার (৮ জুন) জাতীয় সংসদের প্রথম বাজেট অধিবেশনের দ্বিতীয় দিনে লিখিত প্রশ্নের জবাবে এই তথ্য জানান তিনি।

ত্রাণমন্ত্রী বলেন, ‘নানাবিধ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম চলছে। এর মধ্যে বন্যা ও ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ অন্যতম। যেকোনো জায়গায় দুর্যোগ হলেই দ্রুত সাড়া দিতে প্রতিটি জেলায় প্রয়োজনীয় জিআর ক্যাশ ও জিআর চাল আগেই বরাদ্দ হয়েছে।’

তিনি আরও জানান, যেসব সংসদ সদস্য নিজ এলাকার জন্য বরাদ্দের চাহিদাপত্র দিয়েছেন, তাঁরা ইতিমধ্যেই পেয়েছেন। বাকিরা আগামী দুই-একদিনেই পেয়ে যাবেন।

প্রাকৃতিক দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি কমানোর বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা জানিয়ে ত্রাণমন্ত্রী বলেন, সরকার ইতিমধ্যে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইন ২০১২, জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা নীতিমালা ২০১৫, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা ২০২১-২০২৫ এবং স্ট্যান্ডিং অর্ডারস অন ডিজাস্টার (এসওডি) প্রণয়ন করেছে।

আসাদুল হাবিব দুলু বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় এসব পরিকল্পনাকে আরও আধুনিক ও হালনাগাদের কাজ চলছে। এর অংশ হিসেবে এসওডি সংশোধন এবং ২০২৬-২০৩০ মেয়াদের নতুন জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

দেশে বজ্রপাতে প্রাণহানি কমানোর বিষয়ে সরকারের পদক্ষেপের কথা জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়, আবহাওয়া অধিদপ্তর এবং স্থানীয় প্রশাসন সমন্বিতভাবে ওয়ান-স্টপ নজরদারির মাধ্যমে বজ্রপাতের ঝুঁকি হ্রাস ও সচেতনতা বাড়াতে কাজ করছে। আধুনিক পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থার মাধ্যমে বজ্রপাতের পূর্বাভাস গণমাধ্যম, সামাজিক মাধ্যম এবং আইভিআর প্রযুক্তিতে মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।

এছাড়া মাঠপর্যায়ে বিশেষ মহড়ার পাশাপাশি বজ্রপাতপ্রবণ এলাকায় ‘কৃষক ছাউনি-কাম বজ্রনিরোধক দণ্ড’ স্থাপন এবং ব্যাপক হারে তালগাছ রোপণের প্রকল্পের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

সর্বাধিক পঠিত

সম্পর্কিত