সম্পত্তি হস্তান্তরে উৎস কর ও দানকরের অস্পষ্টতা দূর করল এনবিআর

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক
ঢাকা

প্রকাশ : ০৭ জুলাই ২০২৬, ১৯: ৩১
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। স্ট্রিম গ্রাফিক

হেবা বা দানের মাধ্যমে সম্পত্তি হস্তান্তরের ক্ষেত্রে নিবন্ধনকালে কোনো উৎস কর পরিশোধের প্রয়োজন নেই, তবে ‘দানকর আইন, ১৯৯০’ অনুযায়ী প্রযোজ্য হারে দানকর পরিশোধ করতে হবে।

অন্যদিকে সাধারণ ক্রয়-বিক্রয়ের মাধ্যমে সম্পত্তি হস্তান্তরের ক্ষেত্রে কোনো দানকর প্রযোজ্য হবে না। এ ক্ষেত্রে শুধু প্রযোজ্য হারে উৎস কর সংগ্রহ করতে হবে।

আজ মঙ্গলবার (৭ জুলাই) জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) করনীতি উইং থেকে সম্পত্তি নিবন্ধনের ক্ষেত্রে দানকর পরিশোধের প্রয়োজনীয়তা স্পষ্ট করে এই পরিপত্র জারি করা হয়।

দ্বিতীয় সচিব (কর আইন-১) মো. একরামুল হক স্বাক্ষরিত এই পরিপত্রে সম্পত্তি হস্তান্তরের ক্ষেত্রে কর আদায়ের বিষয়ে বিশদ ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে।

পরিপত্রে বলা হয়েছে, ‘আয়কর আইন, ২০২৩’-এর ধারা ১২৫ এবং ‘উৎস কর বিধিমালা, ২০২৬’ অনুযায়ী সম্পত্তি হস্তান্তরের ক্ষেত্রে নির্ধারিত হারে উৎস কর সংগ্রহের বিধান রয়েছে। তবে বর্তমান ২০২৬-২৭ অর্থবছরে উক্ত ১২৫ ধারায় দানকরবিষয়ক নতুন উপধারা (২ক) সংযুক্ত করা হয়েছে। উপধারাটিতে বলা হয়েছে, ‘সম্পত্তি হস্তান্তর দলিল নিবন্ধনের ক্ষেত্রে নিবন্ধনকারী কর্মকর্তা দানকর আইন, ১৯৯০ এর প্রযোজ্যতা সাপেক্ষে প্রযোজ্য হারে দানকর এ-চালানের মাধ্যমে সংগ্রহ করিবেন।’

এনবিআরের স্পষ্টীকরণ পরিপত্রে নতুন এই উপধারার প্রয়োগ ও ক্ষেত্রসমূহ স্পষ্ট করা হয়েছে। এই নতুন উপধারাটি শুধু হেবা বা দানের মাধ্যমে সম্পত্তি হস্তান্তরের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। হেবা বা দানের ক্ষেত্রে হেবাকারী বা দানকারী ব্যক্তির জন্য দানকর প্রদানের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। এই দানকরের হার, পরিমাণ ও অব্যাহতি নির্ধারিত হবে ‘দানকর আইন, ১৯৯০’-এর আলোকে।

২০২৬-২৭ অর্থবছরে হেবা বা দানের মাধ্যমে সম্পত্তি হস্তান্তরের সময় নিবন্ধনকারী কর্মকর্তা দাতা বা হেবাকারীর কাছ থেকে প্রযোজ্য হারে চালানের মাধ্যমে দানকর সংগ্রহ করবেন। এ ক্ষেত্রে আলাদাভাবে কোনো উৎস কর সংগ্রহের প্রয়োজন নেই।

এ ছাড়া ক্রয়-বিক্রয়ের মাধ্যমে সম্পত্তি হস্তান্তরের ক্ষেত্রে কোনো দানকর প্রযোজ্য হবে না। এই প্রক্রিয়ায় সম্পত্তি নিবন্ধনের সময় নিবন্ধনকারী কর্মকর্তা শুধু প্রযোজ্য হারে নির্ধারিত উৎস কর সংগ্রহ নিশ্চিত করবেন।

Ad 300x250

সম্পর্কিত