স্ট্রিম সংবাদদাতা

চট্টগ্রাম নগরের রেললাইনে জলাবদ্ধতার কারণে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে চলাচলকারী চারটি ট্রেনের মধ্যে দুটির যাত্রা সম্পূর্ণ বাতিল করা হয়েছে। বাকি দুটি ট্রেনের কক্সবাজার রুটের যাত্রা বাতিল করে বিকল্প ব্যবস্থায় যাত্রীদের গন্তব্যে পৌঁছানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। বুধবার (৮ জুলাই) সকাল থেকে এই চারটি ট্রেনের টাকা ফেরত দেওয়া হচ্ছে।
এদিকে, চট্টগ্রাম–কক্সবাজার রেলপথে জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধানে চট্টগ্রাম থেকে দোহাজারী পর্যন্ত ৪৭ কিলোমিটার (কিমি) রেললাইন পাঁচ ফুট উঁচু করার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে রেলপথ মন্ত্রণালয়। এ প্রকল্পের টেন্ডার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছেন রেলপথ প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ।
আজ সকালে চট্টগ্রামের ষোলশহর এলাকায় পানিতে তলিয়ে যাওয়া রেললাইন পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, যাত্রীদের ভোগান্তিমুক্ত করতে চান তারা। এজন্য ঢাকা–চট্টগ্রাম–কক্সবাজার রেলপথের চট্টগ্রাম থেকে দোহাজারী পর্যন্ত ৪৭ কিলোমিটার রেললাইন পাঁচ ফুট উঁচু করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। প্রকল্পটি বর্তমানে টেন্ডার প্রক্রিয়ায় রয়েছে। দ্রুত কাজ শুরু হবে বলে আশা প্রকাশ করে তিনি।
ষোলশহর এলাকায় পরিদর্শনের সময় প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন ও রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। পরিদর্শন শেষে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘কোথাও কোথাও হাঁটুসমান পানি জমে আছে। বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে আপাতত চট্টগ্রাম–কক্সবাজার রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। পানি নেমে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেই আবার ট্রেন চলাচল শুরু হবে।’

রেলওয়ে সূত্র জানিয়েছে, চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজারগামী প্রবাল এক্সপ্রেস এবং কক্সবাজার থেকে চট্টগ্রামগামী সৈকত এক্সপ্রেস ট্রেন দুটির যাত্রা সম্পূর্ণভাবে বাতিল করা হয়েছে। এ ছাড়া কক্সবাজার এক্সপ্রেস ও পর্যটক এক্সপ্রেসের যাত্রা চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত বাতিল করা হয়েছে।
বিভাগীয় রেলওয়ে ব্যবস্থাপক মোস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া জানান, যাত্রা বাতিলের কারণে আটকে পড়া যাত্রীদের টিকিটের টাকা সংশ্লিষ্ট কাউন্টার থেকে ফেরত দেওয়া হচ্ছে।
রেলওয়ের পরিচালক (জনসংযোগ) আনিসুর রহমান জানান, চট্টগ্রাম নগরের ষোলশহর-জানালিহাট সেকশনের মাঝামাঝি একটি স্থানে রেললাইন প্রায় দুই ফুট পানিতে তলিয়ে গেছে। পানি না কমায় কক্সবাজারের উদ্দেশে কক্সবাজার এক্সপ্রেস ছাড়া সম্ভব হয়নি। তবে ট্রেনটি বিকেল ৪টায় চট্টগ্রাম থেকে ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা শুরু করবে। যেসব যাত্রী কক্সবাজার এক্সপ্রেসের টিকিট কেটেছিলেন এবং ঢাকায় ফিরতে চান, তাঁরা একই টিকিটে বিকেল চারটার এই ট্রেনে যেতে পারবেন।
এর আগে মঙ্গলবার (৭ জুলাই) রাতে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে যাত্রা বাতিল করা পর্যটক এক্সপ্রেস ট্রেনটি আজ বুধবার সকালে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে গেছে। ট্রেনটি ঢাকার কমলাপুর রেলস্টেশন থেকে আগের দিন সকাল সোয়া ছয়টায় যাত্রা শুরু করেছিল ট্রেনটি। দুপুর ১২টা ৩৫ মিনিটে ট্রেনটি শহরের সুন্নিয়া মাদ্রাসা এলাকায় থেমে গেলে আবার ষোলশহর স্টেশনে ফিরিয়ে আনা হয়। আকস্মিক প্রাকৃতিক দুর্যোগে সৃষ্ট এই পরিস্থিতির জন্য রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ যাত্রীদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছে বলে জানান পরিচালক (জনসংযোগ) আনিসুর রহমান।

চট্টগ্রাম নগরের রেললাইনে জলাবদ্ধতার কারণে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে চলাচলকারী চারটি ট্রেনের মধ্যে দুটির যাত্রা সম্পূর্ণ বাতিল করা হয়েছে। বাকি দুটি ট্রেনের কক্সবাজার রুটের যাত্রা বাতিল করে বিকল্প ব্যবস্থায় যাত্রীদের গন্তব্যে পৌঁছানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। বুধবার (৮ জুলাই) সকাল থেকে এই চারটি ট্রেনের টাকা ফেরত দেওয়া হচ্ছে।
এদিকে, চট্টগ্রাম–কক্সবাজার রেলপথে জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধানে চট্টগ্রাম থেকে দোহাজারী পর্যন্ত ৪৭ কিলোমিটার (কিমি) রেললাইন পাঁচ ফুট উঁচু করার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে রেলপথ মন্ত্রণালয়। এ প্রকল্পের টেন্ডার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছেন রেলপথ প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ।
আজ সকালে চট্টগ্রামের ষোলশহর এলাকায় পানিতে তলিয়ে যাওয়া রেললাইন পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, যাত্রীদের ভোগান্তিমুক্ত করতে চান তারা। এজন্য ঢাকা–চট্টগ্রাম–কক্সবাজার রেলপথের চট্টগ্রাম থেকে দোহাজারী পর্যন্ত ৪৭ কিলোমিটার রেললাইন পাঁচ ফুট উঁচু করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। প্রকল্পটি বর্তমানে টেন্ডার প্রক্রিয়ায় রয়েছে। দ্রুত কাজ শুরু হবে বলে আশা প্রকাশ করে তিনি।
ষোলশহর এলাকায় পরিদর্শনের সময় প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন ও রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। পরিদর্শন শেষে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘কোথাও কোথাও হাঁটুসমান পানি জমে আছে। বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে আপাতত চট্টগ্রাম–কক্সবাজার রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। পানি নেমে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেই আবার ট্রেন চলাচল শুরু হবে।’

রেলওয়ে সূত্র জানিয়েছে, চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজারগামী প্রবাল এক্সপ্রেস এবং কক্সবাজার থেকে চট্টগ্রামগামী সৈকত এক্সপ্রেস ট্রেন দুটির যাত্রা সম্পূর্ণভাবে বাতিল করা হয়েছে। এ ছাড়া কক্সবাজার এক্সপ্রেস ও পর্যটক এক্সপ্রেসের যাত্রা চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত বাতিল করা হয়েছে।
বিভাগীয় রেলওয়ে ব্যবস্থাপক মোস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া জানান, যাত্রা বাতিলের কারণে আটকে পড়া যাত্রীদের টিকিটের টাকা সংশ্লিষ্ট কাউন্টার থেকে ফেরত দেওয়া হচ্ছে।
রেলওয়ের পরিচালক (জনসংযোগ) আনিসুর রহমান জানান, চট্টগ্রাম নগরের ষোলশহর-জানালিহাট সেকশনের মাঝামাঝি একটি স্থানে রেললাইন প্রায় দুই ফুট পানিতে তলিয়ে গেছে। পানি না কমায় কক্সবাজারের উদ্দেশে কক্সবাজার এক্সপ্রেস ছাড়া সম্ভব হয়নি। তবে ট্রেনটি বিকেল ৪টায় চট্টগ্রাম থেকে ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা শুরু করবে। যেসব যাত্রী কক্সবাজার এক্সপ্রেসের টিকিট কেটেছিলেন এবং ঢাকায় ফিরতে চান, তাঁরা একই টিকিটে বিকেল চারটার এই ট্রেনে যেতে পারবেন।
এর আগে মঙ্গলবার (৭ জুলাই) রাতে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে যাত্রা বাতিল করা পর্যটক এক্সপ্রেস ট্রেনটি আজ বুধবার সকালে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে গেছে। ট্রেনটি ঢাকার কমলাপুর রেলস্টেশন থেকে আগের দিন সকাল সোয়া ছয়টায় যাত্রা শুরু করেছিল ট্রেনটি। দুপুর ১২টা ৩৫ মিনিটে ট্রেনটি শহরের সুন্নিয়া মাদ্রাসা এলাকায় থেমে গেলে আবার ষোলশহর স্টেশনে ফিরিয়ে আনা হয়। আকস্মিক প্রাকৃতিক দুর্যোগে সৃষ্ট এই পরিস্থিতির জন্য রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ যাত্রীদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছে বলে জানান পরিচালক (জনসংযোগ) আনিসুর রহমান।
.png)

রাত সাড়ে দশটায় কাজ শেষ করে বাসায় ফিরলাম। অফিসে প্রায় বারো ঘণ্টার ব্যস্ততা শেষে একটাই ইচ্ছা ছিল— ফ্যানের বাতাসে গা এলিয়ে দিয়ে বিছানায় শুয়ে দিনের ক্লান্তি দূর করা। কিন্তু বিছানায় গা এলিয়ে দেওয়ার পাঁচ মিনিটের মাথায় চলে গেল বিদ্যুৎ! নিমেষেই ঘরের ভেতর অসহ্য গরম শুরু হলো। এক জায়গায় শুয়ে থাকা অসম্ভব হয়ে
৩৩ মিনিট আগে
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ বলেছেন, সবার কাছে দোয়া চাই, যাতে সততার সঙ্গে, নিষ্ঠার সঙ্গে এবং ভালোভাবে কাজ করতে পারি। শনিবার (২২ আগস্ট) দুপুরে সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে এসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন। নতুন দায়িত্বের চ্যালেঞ্জ
৩৪ মিনিট আগে
ভারতের কলকাতায় হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে প্রাণ হারানো বাংলাদেশিদের মধ্যে পাঁচজনের মরদেহ দেশে আসছে আজ শনিবার। কূটনীতিক আনুষ্ঠানিকতা শেষে পেট্রাপোল–বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে মরদেহগুলো দেশে আনা হবে। তাদের স্বজনেরা এরই মধ্যে লাশবাহী ফ্রিজার ভ্যান নিয়ে বেনাপোল স্থলবন্দরে অবস্থান করছেন।
১ ঘণ্টা আগে
হামের উপসর্গে শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় আরও দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। মৃতদের কারও হাম শনাক্ত হয়নি। শনিবার (২২ আগস্ট) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ সময়ে দেশে ৮১৫ শিশুর শরীরে হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে হামের উপসর্গে দেশে ৮৩১
১ ঘণ্টা আগে