স্ট্রিম প্রতিবেদক

দেশে দুই দিনের ব্যবধানে ফের বেড়েছে স্বর্ণের দাম। ভালোমানের ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের ভরিতে ৫ হাজার ৪৮২ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)।
শনিবার (২২ আগস্ট) সকাল ১০টা থেকে এই দাম কার্যকর হয়েছে। বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার দাম বেড়ে যাওয়ায় নতুন করে দাম সমন্বয় করা হয়েছে।
নতুন দরে ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৪৬ হাজার ১১০ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের ২ লাখ ৩৫ হাজার ৩০, ১৮ ক্যারেটের ২ লাখ ১ হাজার ৮৪৫ এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের ভরি ১ লাখ ৬৪ হাজার ৮১২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর আগে ২১ ক্যারেটের স্বর্ণের ভরি ২ লাখ ২৯ হাজার ৭৮১, ১৮ ক্যারেটের ১ লাখ ৯৭ হাজার ৩৫৫ এবং সনাতন পদ্ধতির দাম ছিল ১ লাখ ৬১ হাজার ১৯৬ টাকা।
গত ২০ আগস্টও সোনার দাম বাড়িয়েছিল বাজুস। সেদিন ভরিতে সর্বোচ্চ ৩ হাজার ৮৪৯ টাকা বাড়ানো হয়। অর্থাৎ দুই দিনের ব্যবধানে দেশের বাজারে ভরিতে বাড়ল ৯ হাজার ৩৩১ টাকা।
এদিকে, রুপার দামও বাড়ানো হয়েছে। ২২ ক্যারেটের ভরিতে ১৭৫ টাকা বাড়িয়ে ৫ হাজার ৪৮২ টাকা করা হয়েছে। আর ২১ ক্যারেটের রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ হাজার ২৪৯ টাকা।
আন্তর্জাতিক বাজারে গত তিন সপ্তাহ ধরে বাড়ছে স্বর্ণের দাম। শুক্রবার স্পট মার্কেটে আউন্সপ্রতি ৪ হাজার ৬৩১ ডলার ৯৯ সেন্ট পর্যন্ত ওঠে, যা ১৫ মে’র পর সর্বোচ্চ। সবমিলে চলতি সপ্তাহে দাম বেড়েছে ৫ শতাংশের বেশি।
অর্থনীতিবিদরা বলছেন, মার্কিন ডলারের দুর্বলতা ও যুক্তরাষ্ট্রে সুদের হার নিয়ে অনিশ্চয়তায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে নিরাপদ সম্পদ হিসেবে স্বর্ণের চাহিদা বাড়ছে। এতে চলতি সপ্তাহে দাম ২০০ দিনের গড় মূল্য আউন্সপ্রতি ৪ হাজার ৫১৩ ডলার অতিক্রম করেছে।
তারা জানান, যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভের সুদের হার কমার বা অপরিবর্তিত থাকার সম্ভাবনা বাড়লে সুদবিহীন সম্পদ সোনায় বিনিয়োগের আকর্ষণ বাড়ে। এ ছাড়া ডলারের দরপতন হলেও স্বর্ণের দাম বাড়ে। ডলার দুর্বল হলে অন্যান্য মুদ্রার ক্রেতাদের কাছে স্বর্ণ তুলনামূলক সস্তা হয়ে যায়। এতে চাহিদা বাড়ে এবং দাম ঊর্ধ্বমুখী হয়।
আন্তর্জাতিক বাজার বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বর্তমান গতি অব্যাহত থাকলে বিশ্ববাজারে সোনার দাম আউন্সপ্রতি ৪ হাজার ৭০০ ডলার পর্যন্ত উঠতে পারে।

দেশে দুই দিনের ব্যবধানে ফের বেড়েছে স্বর্ণের দাম। ভালোমানের ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের ভরিতে ৫ হাজার ৪৮২ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)।
শনিবার (২২ আগস্ট) সকাল ১০টা থেকে এই দাম কার্যকর হয়েছে। বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার দাম বেড়ে যাওয়ায় নতুন করে দাম সমন্বয় করা হয়েছে।
নতুন দরে ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৪৬ হাজার ১১০ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের ২ লাখ ৩৫ হাজার ৩০, ১৮ ক্যারেটের ২ লাখ ১ হাজার ৮৪৫ এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের ভরি ১ লাখ ৬৪ হাজার ৮১২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর আগে ২১ ক্যারেটের স্বর্ণের ভরি ২ লাখ ২৯ হাজার ৭৮১, ১৮ ক্যারেটের ১ লাখ ৯৭ হাজার ৩৫৫ এবং সনাতন পদ্ধতির দাম ছিল ১ লাখ ৬১ হাজার ১৯৬ টাকা।
গত ২০ আগস্টও সোনার দাম বাড়িয়েছিল বাজুস। সেদিন ভরিতে সর্বোচ্চ ৩ হাজার ৮৪৯ টাকা বাড়ানো হয়। অর্থাৎ দুই দিনের ব্যবধানে দেশের বাজারে ভরিতে বাড়ল ৯ হাজার ৩৩১ টাকা।
এদিকে, রুপার দামও বাড়ানো হয়েছে। ২২ ক্যারেটের ভরিতে ১৭৫ টাকা বাড়িয়ে ৫ হাজার ৪৮২ টাকা করা হয়েছে। আর ২১ ক্যারেটের রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ হাজার ২৪৯ টাকা।
আন্তর্জাতিক বাজারে গত তিন সপ্তাহ ধরে বাড়ছে স্বর্ণের দাম। শুক্রবার স্পট মার্কেটে আউন্সপ্রতি ৪ হাজার ৬৩১ ডলার ৯৯ সেন্ট পর্যন্ত ওঠে, যা ১৫ মে’র পর সর্বোচ্চ। সবমিলে চলতি সপ্তাহে দাম বেড়েছে ৫ শতাংশের বেশি।
অর্থনীতিবিদরা বলছেন, মার্কিন ডলারের দুর্বলতা ও যুক্তরাষ্ট্রে সুদের হার নিয়ে অনিশ্চয়তায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে নিরাপদ সম্পদ হিসেবে স্বর্ণের চাহিদা বাড়ছে। এতে চলতি সপ্তাহে দাম ২০০ দিনের গড় মূল্য আউন্সপ্রতি ৪ হাজার ৫১৩ ডলার অতিক্রম করেছে।
তারা জানান, যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভের সুদের হার কমার বা অপরিবর্তিত থাকার সম্ভাবনা বাড়লে সুদবিহীন সম্পদ সোনায় বিনিয়োগের আকর্ষণ বাড়ে। এ ছাড়া ডলারের দরপতন হলেও স্বর্ণের দাম বাড়ে। ডলার দুর্বল হলে অন্যান্য মুদ্রার ক্রেতাদের কাছে স্বর্ণ তুলনামূলক সস্তা হয়ে যায়। এতে চাহিদা বাড়ে এবং দাম ঊর্ধ্বমুখী হয়।
আন্তর্জাতিক বাজার বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বর্তমান গতি অব্যাহত থাকলে বিশ্ববাজারে সোনার দাম আউন্সপ্রতি ৪ হাজার ৭০০ ডলার পর্যন্ত উঠতে পারে।
.png)

চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে দেশে চা উৎপাদন বেড়েছে। অনুকূল আবহাওয়া, আধুনিক ব্যবস্থাপনা ও নিলামে ভালো দাম পাওয়ায় দেশের চা শিল্পে স্বস্তি ফেরার আশা করা হচ্ছে।
২১ আগস্ট ২০২৬
গাজীপুরের শিল্পাঞ্চলে তীব্র বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকটে পোশাক কারখানাসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। গ্যাসের চাপ কমে যাওয়ায় অনেক কারখানায় উৎপাদন বন্ধের উপক্রম হয়েছে। সবচেয়ে বিপাকে পড়েছেন ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তারা।
২১ আগস্ট ২০২৬
হাইকোর্টে রিট পিটিশন মামলা বিচারাধীন থাকায় খুলনা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির পরিচালনা পরিষদের দ্বিবার্ষিক নির্বাচনের যাবতীয় কার্যক্রম স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে।