‘টিআইবির প্রতিবেদন শুধু পত্রিকার কাটিংয়ের ওপর নির্ভরশীল নয়’

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক
ঢাকা

প্রকাশ : ০৯ জুন ২০২৬, ২৩: ৫৬
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। স্ট্রিম গ্রাফিক

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) প্রতিবেদন শুধু পত্রিকার কাটিংয়ের ওপর নির্ভর করে প্রণীত হয়, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এমন বক্তব্যের কোনো ভিত্তি নেই বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

আজ মঙ্গলবার (৯ জুন) টিআইবি এক বিবৃতিতে জানায়, সামাজিক বিজ্ঞান গবেষণায় জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে সুপরিচিত এবং স্বীকৃত গুণগত ও পরিমাণগত তথ্য সংগ্রহের বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি অনুসরণ করে টিআইবি সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সূত্র থেকে তথ্য সংগ্রহ করে। সংগৃহীত তথ্যের যথার্থতা বহুমাত্রিক প্রক্রিয়ায় যাচাই সাপেক্ষে বিশ্লেষণ ও প্রতিবেদন প্রণয়ন করা হয়।

এ ক্ষেত্রে মূলত যে বিষয়গুলো স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, জাতীয় সংসদ ও পুলিশ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক আলোচিত হয়েছে, অর্থাৎ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিষয়ে টিআইবির তথ্যসূত্র বাংলাদেশ পুলিশ এবং তিনটি সুপরিচিত দেশের শীর্ষস্থানীয় মানবাধিকার সংগঠন; যা প্রতিবেদনে সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) প্রকাশিত ‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরবর্তী সরকারের ১০০ দিন: সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও দুর্নীতিবিরোধী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন পর্যবেক্ষণ’ শীর্ষক প্রতিবেদনের কোনো কোনো বিষয়ে গণমাধ্যমে দেওয়া স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য, জাতীয় সংসদে আলোচনা ও পুলিশ কর্তৃপক্ষের প্রতিক্রিয়ার সংবাদে সংস্থাটি অনুপ্রাণিত বোধ করছে।

টিআইবি মনে করে, এরূপ প্রতিক্রিয়া তাদের প্রয়াসকে বিভিন্নভাবে ফলপ্রসূ করতে সহায়ক হবে। সংস্থাটি আরও স্পষ্ট করেছে যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যথার্থই বলেছেন যে টিআইবি তদন্ত করে না। টিআইবি কোনো তদন্তকারী সংস্থা নয়, মূলত এটি গবেষণানির্ভর দুর্নীতিবিরোধী ও সুশাসনবিষয়ক নীতি নির্ধারণী ও জনসচেতনতা এবং জনসম্পৃক্ততাভিত্তিক ইতিবাচক পরিবর্তন প্রত্যাশী একটি আন্দোলনকারী বেসরকারি সংগঠন।

সামাজিক বিজ্ঞান গবেষণার ক্ষেত্রে স্বীকৃত অন্য যেকোনো পদ্ধতির মতো টিআইবি গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য প্রযোজ্য ক্ষেত্রে অবশ্যই সংগ্রহ করে থাকে। তবে তা বিবেচনায় নেওয়ার আগে একদিকে যেমন যথাযথ প্রক্রিয়ায় গুণগত মান যাচাই নিশ্চিত করা হয়, অন্যদিকে তেমনি একই বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সরকারি, বেসরকারি এবং প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সব সূত্রে সংগৃহীত তথ্য-উপাত্তের আলোকেই তা বিশ্লেষণ করা হয়। সুতরাং টিআইবির প্রতিবেদনকে ঢালাওভাবে ‘পত্রিকার কাটিং-নির্ভর’ বলা শুধু অযৌক্তিক নয়, বরং মূল বিষয়কে পাশ কাটানোর ব্যর্থ প্রয়াস ছাড়া কিছু নয়।

বিষয়:

টিআইবি
Ad 300x250
সর্বাধিক পঠিত

সম্পর্কিত