স্ট্রিম সংবাদদাতা

ভোলায় নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে নদীতে জাল ফেলছেন জেলেরা। ঘাটে হাঁকডাক দিয়ে বিক্রি হচ্ছে ইলিশ। দাম স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় কয়েক গুণ বেশি।
সোমবার (১৩ এপ্রিল) সকাল থেকে ভোলার দৌলতখান উপজেলার পাতারখাল মাছঘাট, চৌকিঘাট, সদর উপজেলার ভোলারখাল ও ইলিশা মাছঘাটে দেখা যায় একের পর এক নৌকা ভিড়ছে। নৌকা থেকে নামানো ইলিশ দ্রুতই আড়তদার ও পাইকারদের কাছে বিক্রি করছেন জেলেরা। নিষেধাজ্ঞার মধ্যেই চলছে এসব কার্যক্রম।
মৎস্য বিভাগ মার্চ ও এপ্রিলেে ভোলার মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীর প্রায় ১৯০ কিলোমিটার এলাকাকে ইলিশের অভয়াশ্রম ঘোষণা করেছে। এই সময় সব ধরনের মাছ ধরা, মজুদ, পরিবহন ও বিক্রি নিষিদ্ধ। ভেদুরিয়া থেকে পটুয়াখালীর চর রুস্তম পর্যন্ত তেঁতুলিয়া নদীর ১০০ কিলোমিটার এবং ইলিশা থেকে মনপুরার চর পিয়াল পর্যন্ত মেঘনার ৯০ কিলোমিটার এলাকায় এ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর রয়েছে।
তবে বৈশাখকে কেন্দ্র করে ইলিশের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় নিষেধাজ্ঞা মানা হচ্ছে না। স্থানীয় সূত্র জানায়, আগে যে আকারের ইলিশ এক হালি ৪ থেকে ৫ হাজার টাকায় বিক্রি হতো, এখন তা বিক্রি হচ্ছে ৯ থেকে ১০ হাজার টাকায়। ৭০০ থেকে ৮০০ গ্রাম ওজনের ইলিশের হালি ৬ থেকে সাড়ে ৭ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

দৌলতখান পাতারখাল মাছঘাটে কথা হয় কয়েকজন জেলের সঙ্গে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক জেলে বলেন, নিষেধাজ্ঞা আছে জানি, কিন্তু পেট তো মানে না। বৈশাখে মাছের দাম বেশি, এই সময় না ধরলে সংসার চালানো কঠিন হয়ে যায়।
পাতারখাল মাছঘাটের আড়তদার ইউসুফ মুন্সী বলেন, ‘চাহিদা বেশি, তাই দামও বেশি। ক্রেতারা নিজেরাই বেশি দামে কিনছেন। আমরা শুধু বিক্রি করছি।’
সদর উপজেলার বাসিন্দা আফজাল হোসেন ও কামরুল ইসলাম জানান, পহেলা বৈশাখে পান্তা-ইলিশ খাওয়ার জন্য চড়া দামেও অনেকে ইলিশ কিনছেন। পরিবারের নারী ও শিশুরা বায়না ধরে পান্তা ইলিশ খাওয়ার জন্য। তাই একটা দিনের জন্য দামের দিকে না তাকিয়ে মাছ পাওয়াই গুরুত্বপূর্ণ।
জেলা মৎস্য কর্মকর্তা ইকবাল হোসেন বলেন, ‘পহেলা বৈশাখের সঙ্গে ইলিশ খাওয়ার কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। আমরা ইলিশ খেতে উৎসাহিত করতে চাই না। এই সময় ইলিশ ধরা বন্ধ না হলে, এর প্রজনন ব্যাহত হবে এবং ভবিষ্যতে মাছের উৎপাদন কমে যাবে।’
বর্তমানে নিষেধাজ্ঞা চলছে, কেউ আইন অমান্য করে মাছ ধরলে বা বিক্রি করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।
দ্বীপ জেলা ভোলার মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদী থেকে মোট ইলিশ উৎপাদনের প্রায় ৩৩ শতাংশ আসে। ফলে এই অঞ্চলে নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়ন না হলে জাতীয় পর্যায়েও এর প্রভাব পড়তে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ভোলায় নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে নদীতে জাল ফেলছেন জেলেরা। ঘাটে হাঁকডাক দিয়ে বিক্রি হচ্ছে ইলিশ। দাম স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় কয়েক গুণ বেশি।
সোমবার (১৩ এপ্রিল) সকাল থেকে ভোলার দৌলতখান উপজেলার পাতারখাল মাছঘাট, চৌকিঘাট, সদর উপজেলার ভোলারখাল ও ইলিশা মাছঘাটে দেখা যায় একের পর এক নৌকা ভিড়ছে। নৌকা থেকে নামানো ইলিশ দ্রুতই আড়তদার ও পাইকারদের কাছে বিক্রি করছেন জেলেরা। নিষেধাজ্ঞার মধ্যেই চলছে এসব কার্যক্রম।
মৎস্য বিভাগ মার্চ ও এপ্রিলেে ভোলার মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীর প্রায় ১৯০ কিলোমিটার এলাকাকে ইলিশের অভয়াশ্রম ঘোষণা করেছে। এই সময় সব ধরনের মাছ ধরা, মজুদ, পরিবহন ও বিক্রি নিষিদ্ধ। ভেদুরিয়া থেকে পটুয়াখালীর চর রুস্তম পর্যন্ত তেঁতুলিয়া নদীর ১০০ কিলোমিটার এবং ইলিশা থেকে মনপুরার চর পিয়াল পর্যন্ত মেঘনার ৯০ কিলোমিটার এলাকায় এ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর রয়েছে।
তবে বৈশাখকে কেন্দ্র করে ইলিশের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় নিষেধাজ্ঞা মানা হচ্ছে না। স্থানীয় সূত্র জানায়, আগে যে আকারের ইলিশ এক হালি ৪ থেকে ৫ হাজার টাকায় বিক্রি হতো, এখন তা বিক্রি হচ্ছে ৯ থেকে ১০ হাজার টাকায়। ৭০০ থেকে ৮০০ গ্রাম ওজনের ইলিশের হালি ৬ থেকে সাড়ে ৭ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

দৌলতখান পাতারখাল মাছঘাটে কথা হয় কয়েকজন জেলের সঙ্গে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক জেলে বলেন, নিষেধাজ্ঞা আছে জানি, কিন্তু পেট তো মানে না। বৈশাখে মাছের দাম বেশি, এই সময় না ধরলে সংসার চালানো কঠিন হয়ে যায়।
পাতারখাল মাছঘাটের আড়তদার ইউসুফ মুন্সী বলেন, ‘চাহিদা বেশি, তাই দামও বেশি। ক্রেতারা নিজেরাই বেশি দামে কিনছেন। আমরা শুধু বিক্রি করছি।’
সদর উপজেলার বাসিন্দা আফজাল হোসেন ও কামরুল ইসলাম জানান, পহেলা বৈশাখে পান্তা-ইলিশ খাওয়ার জন্য চড়া দামেও অনেকে ইলিশ কিনছেন। পরিবারের নারী ও শিশুরা বায়না ধরে পান্তা ইলিশ খাওয়ার জন্য। তাই একটা দিনের জন্য দামের দিকে না তাকিয়ে মাছ পাওয়াই গুরুত্বপূর্ণ।
জেলা মৎস্য কর্মকর্তা ইকবাল হোসেন বলেন, ‘পহেলা বৈশাখের সঙ্গে ইলিশ খাওয়ার কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। আমরা ইলিশ খেতে উৎসাহিত করতে চাই না। এই সময় ইলিশ ধরা বন্ধ না হলে, এর প্রজনন ব্যাহত হবে এবং ভবিষ্যতে মাছের উৎপাদন কমে যাবে।’
বর্তমানে নিষেধাজ্ঞা চলছে, কেউ আইন অমান্য করে মাছ ধরলে বা বিক্রি করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।
দ্বীপ জেলা ভোলার মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদী থেকে মোট ইলিশ উৎপাদনের প্রায় ৩৩ শতাংশ আসে। ফলে এই অঞ্চলে নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়ন না হলে জাতীয় পর্যায়েও এর প্রভাব পড়তে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসকের (ডিসি) বদলি নিয়ে মন্তব্য করে লিগ্যাল নোটিশ পেলেন কুষ্টিয়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজা। জেলা প্রশাসকের বিরুদ্ধে ২০ থেকে ৩০ কোটি টাকা দিয়ে বদলি হয়ে আসার অভিযোগ তোলায় তাঁকে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে।
২ মিনিট আগে
চৈত্রসংক্রান্তি উপলক্ষে নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় চলছে খনার মেলা। টানা তৃতীয়বার আয়োজিত মেলায় কৃষি, গ্রামীণ সংস্কৃতি ও বাকস্বাধীনতায় খনার বচনের তাৎপর্য তুলে ধরা হয়।
১৯ মিনিট আগে
এবারের পয়লা বৈশাখের ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’র অন্যতম আকর্ষণ হতে যাচ্ছে ১০০ ফুট দীর্ঘ একটি পটচিত্র। যেখানে লোকজ সংস্কৃতির পাশাপাশি ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণের রক্তিম ইতিহাস। পহেলা বৈশাখের আগের দিনেও চারুকলার প্রাঙ্গণে পটুয়া নাজির হোসেনের নেতৃত্বে এই পটচিত্র তৈরিতে ব্যস্ত ছিলেন শিল্পীরা।
২২ মিনিট আগে
বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে বৈশাখী ভাতা চালুর এক দশক পেরিয়ে গেলেও বেসরকারি খাতের বেশির ভাগ কর্মীরা বঞ্চিত হচ্ছেন। অষ্টম জাতীয় বেতন স্কেলের অধীনে চালু এই ভাতা মূল বেতনের ২০ শতাংশের সমপরিমাণ, যা সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা ও রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা পাচ্ছেন।
৩৮ মিনিট আগে