স্ট্রিম ডেস্ক

বৈশ্বিক বাসযোগ্য শহরের তালিকায় ঢাকার অবস্থান ১৭১। এই তালিকায় ১৭৩ শহরের মধ্যে শীর্ষে রয়েছে ডেনমার্কের কোপেনহেগেন।
মঙ্গলবার (৭ জুলাই) ইকোনমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (ইআইইউ) প্রকাশিত ‘গ্লোবাল লিভেবিলিটি ইনডেক্স ২০২৬’ এ তথ্য উঠে এসেছে।
প্রতিবেদন মতে, বৈশ্বিক বাসযোগ্য শহরের সূচকে ঢাকার সামগ্রিক স্কোর ১০০-এর মধ্যে মাত্র ৪২। গত বছরের মতোই এবার ১৭১ অবস্থানে থাকলেও ঢাকার বাসযোগ্যতার মান দিন দিন আরও হ্রাস পাচ্ছে বলে প্রতিবেদনে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়।
১৭৩ শহরের এই তালিকায় ঢাকার নিচে রয়েছে কেবল যুদ্ধবিধ্বস্ত লিবিয়ার ত্রিপোলি (১৭২তম) এবং সিরিয়ার দামেস্ক (১৭৩তম)। ঢাকার ঠিক এক шаг ওপরে ১৭০-এ রয়েছে পাকিস্তানের করাচি।
খাতভিত্তিক স্কোর বিশ্লেষণে দেখা যায়, শিক্ষা খাতে সর্বোচ্চ ৬৭ পেলেও স্থিতিশীলতায় ৪৫, স্বাস্থ্যসেবায় ৪২, সংস্কৃতি ও পরিবেশে ৪১ এবং সবচেয়ে শোচনীয় অবস্থা অবকাঠামো খাতে, যেখানে স্কোর মাত্র ২৭।
অন্যদিকে, ১০০-এর মধ্যে ৯৮ স্কোর নিয়ে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে কোপেনহেগেন। স্থিতিশীলতা, শিক্ষা ও অবকাঠামো—এই তিন খাতে শহরটি শতভাগ (১০০) স্কোর করেছে।
অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনা ৯৭ দশমিক ১ স্কোর নিয়ে দ্বিতীয় এবং অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্ন ৯৭ স্কোর নিয়ে তৃতীয় স্থানে রয়েছে।
তালিকার শীর্ষ ১০-এ থাকা অন্য শহরগুলো হলো সিডনি, জুরিখ, জেনেভা, ওসাকা, অ্যাডিলেড, ভ্যাঙ্কুভার ও টোকিও।
আঞ্চলিকভাবে গড় স্কোর ৯১ দশমিক ৭ নিয়ে পশ্চিম ইউরোপ এখনো বিশ্বের সবচেয়ে বাসযোগ্য অঞ্চল হিসেবে নিজের অবস্থান বজায় রেখেছে। এর ঠিক পেছনেই ৯০ দশমিক ৪ গড় স্কোর নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে উত্তর আমেরিকা।
ইআইইউর প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা ও সাম্প্রতিক সংঘাতের কারণে বিশ্বব্যাপী রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা সূচক গড়ে ০ দশমিক ৫ পয়েন্ট হ্রাস পেয়েছে।
বিশেষ করে ‘ইরান যুদ্ধ’কে কেন্দ্র করে মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকা অঞ্চলের শহরগুলোর স্থিতিশীলতা সবচেয়ে বেশি বিঘ্নিত হয়েছে।
বাংলাদেশের অবস্থান তলানিতে হলেও এশিয়া মহাদেশ সামগ্রিকভাবে উন্নতি দেখিয়েছে। এশিয়ার ৫৮ শহরের গড় স্কোর ০ দশমিক ৩ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭৩ দশমিক ৯।
এশিয়ার এই সাফল্যের পেছনে রয়েছে চীনের শহরগুলোর স্বাস্থ্য খাতের সংস্কার ও সরকারি বিনিয়োগ।

বৈশ্বিক বাসযোগ্য শহরের তালিকায় ঢাকার অবস্থান ১৭১। এই তালিকায় ১৭৩ শহরের মধ্যে শীর্ষে রয়েছে ডেনমার্কের কোপেনহেগেন।
মঙ্গলবার (৭ জুলাই) ইকোনমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (ইআইইউ) প্রকাশিত ‘গ্লোবাল লিভেবিলিটি ইনডেক্স ২০২৬’ এ তথ্য উঠে এসেছে।
প্রতিবেদন মতে, বৈশ্বিক বাসযোগ্য শহরের সূচকে ঢাকার সামগ্রিক স্কোর ১০০-এর মধ্যে মাত্র ৪২। গত বছরের মতোই এবার ১৭১ অবস্থানে থাকলেও ঢাকার বাসযোগ্যতার মান দিন দিন আরও হ্রাস পাচ্ছে বলে প্রতিবেদনে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়।
১৭৩ শহরের এই তালিকায় ঢাকার নিচে রয়েছে কেবল যুদ্ধবিধ্বস্ত লিবিয়ার ত্রিপোলি (১৭২তম) এবং সিরিয়ার দামেস্ক (১৭৩তম)। ঢাকার ঠিক এক шаг ওপরে ১৭০-এ রয়েছে পাকিস্তানের করাচি।
খাতভিত্তিক স্কোর বিশ্লেষণে দেখা যায়, শিক্ষা খাতে সর্বোচ্চ ৬৭ পেলেও স্থিতিশীলতায় ৪৫, স্বাস্থ্যসেবায় ৪২, সংস্কৃতি ও পরিবেশে ৪১ এবং সবচেয়ে শোচনীয় অবস্থা অবকাঠামো খাতে, যেখানে স্কোর মাত্র ২৭।
অন্যদিকে, ১০০-এর মধ্যে ৯৮ স্কোর নিয়ে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে কোপেনহেগেন। স্থিতিশীলতা, শিক্ষা ও অবকাঠামো—এই তিন খাতে শহরটি শতভাগ (১০০) স্কোর করেছে।
অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনা ৯৭ দশমিক ১ স্কোর নিয়ে দ্বিতীয় এবং অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্ন ৯৭ স্কোর নিয়ে তৃতীয় স্থানে রয়েছে।
তালিকার শীর্ষ ১০-এ থাকা অন্য শহরগুলো হলো সিডনি, জুরিখ, জেনেভা, ওসাকা, অ্যাডিলেড, ভ্যাঙ্কুভার ও টোকিও।
আঞ্চলিকভাবে গড় স্কোর ৯১ দশমিক ৭ নিয়ে পশ্চিম ইউরোপ এখনো বিশ্বের সবচেয়ে বাসযোগ্য অঞ্চল হিসেবে নিজের অবস্থান বজায় রেখেছে। এর ঠিক পেছনেই ৯০ দশমিক ৪ গড় স্কোর নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে উত্তর আমেরিকা।
ইআইইউর প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা ও সাম্প্রতিক সংঘাতের কারণে বিশ্বব্যাপী রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা সূচক গড়ে ০ দশমিক ৫ পয়েন্ট হ্রাস পেয়েছে।
বিশেষ করে ‘ইরান যুদ্ধ’কে কেন্দ্র করে মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকা অঞ্চলের শহরগুলোর স্থিতিশীলতা সবচেয়ে বেশি বিঘ্নিত হয়েছে।
বাংলাদেশের অবস্থান তলানিতে হলেও এশিয়া মহাদেশ সামগ্রিকভাবে উন্নতি দেখিয়েছে। এশিয়ার ৫৮ শহরের গড় স্কোর ০ দশমিক ৩ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭৩ দশমিক ৯।
এশিয়ার এই সাফল্যের পেছনে রয়েছে চীনের শহরগুলোর স্বাস্থ্য খাতের সংস্কার ও সরকারি বিনিয়োগ।
.png)

পার্বত্য চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে পাহাড়ধসে মৃত্যু বেড়েছে। রোবারবার রাতে পাহাড়ধসে কক্সবাজারের পৃথক তিন দুর্ঘটনায় ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। রাঙামাটি, বান্দরবান ও কক্সবাজারে প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাইকিং করে সতর্ক করা হচ্ছে। এরই মধ্যে রাঙামাটিতে পাহাড়ধসের শঙ্কায় খোলা হয়েছে শতাধিক আশ্রয়কেন্দ
৫ মিনিট আগে
টানা বৃষ্টি ও বৈরী আবহাওয়ায় চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেললাইন পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় কক্সবাজার রুটের আরও দুটি ট্রেনের যাত্রা বাতিল করা হয়েছে।
৮ মিনিট আগে
টানা বৃষ্টি ও বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় চট্টগ্রাম ও রাঙামাটি জেলার আগামীকাল বুধবারের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।
৮ মিনিট আগেসরকারি অফিসগুলোতে ৫ লাখের বেশি পদ শূন্য রয়েছে বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী।
১৬ মিনিট আগে