তারেক-এরদোয়ান বৈঠকের সম্ভাবনা নভেম্বরে

স্ট্রিম ডেস্ক
স্ট্রিম ডেস্ক

প্রকাশ : ২৯ আগস্ট ২০২৬, ১১: ১০
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তায়েপ এরদোয়ান। ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তায়েপ এরদোয়ান। ছবি: সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তায়েপ এরদোয়ানের বৈঠক হতে পারে। আগামী নভেম্বরে তুরস্কে জলবায়ু সম্মেলনে (কপ-৩১) যোগ দিতে যাবেন তারেক রহমান। আনাতালিয়ায় এই সম্মেলনের ফাঁকে তুরস্কের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে তাঁর বৈঠকের সম্ভাবনা রয়েছে।

সম্মেলনে তুরস্ক ছাড়াও আরও কয়েকটি দেশের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাতের কথা রয়েছে। এ বিষয়ে তুরস্কে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এম আমানুল হক বলেছেন, ‘আন্তর্জাতিক সম্মেলনে সরকারপ্রধানদের সঙ্গে আয়োজক দেশের সরকারপ্রধানের সাক্ষাতের রীতি আছে।’ তবে আগামী ১ সেপ্টেম্বর তুরস্কের পরিবেশমন্ত্রীর ব্রিফিংয়ের পরে বিষয়টি আরও খোলাসা হবে।

অবশ্য নভেম্বরের আগেই যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে তারেক-এরদোয়ানের সাক্ষাৎ হতে পারে। সেপ্টেম্বরে শুরু হতে যাওয়া জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনের ফাঁকে দুই দেশের সরকারপ্রধানের দেখা হতে পারে। দুই নেতার সাক্ষাৎ ও বৈঠক হলে প্রাধান্য পেতে পারে মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি থেকে শুরু করে দ্বিপক্ষীয় নানা বিষয়।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যকার সম্পর্ক বিস্তৃত হয়েছে। দুদেশের মধ্যে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, রোহিঙ্গা সংকট এবং প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতার মতো বিষয়গুলো প্রাধান্য পাচ্ছে।

বাংলাদেশ ও তুরস্কের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ইতোমধ্যে ১ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। পাশাপাশি বাংলাদেশে নতুন বিনিয়োগে আগ্রহ দেখিয়েছে তুরস্ক। বিশেষ করে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দুই দেশের প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বেশ জোরদার হয়েছে। বর্তমানে বাংলাদেশ ও তুরস্ক একটি প্রতিরক্ষা সহযোগিতা চুক্তির রূপরেখা নিয়ে আলোচনা করছে, যা দ্রুতই স্বাক্ষরিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরকে উদ্ধৃত করে গত ২৫ আগস্ট প্রতিবেদন প্রকাশ করে তুরস্কের সংবাদমাধ্যম টিআরটি ওয়ার্ল্ড। এতে হুমায়ুন কবির বলেন, ‘মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তির প্রতি আমাদের আগ্রহের কথা জানিয়েছি। বাংলাদেশ এখন এমন একটি দেশ, যাকে সবাই গুরুত্ব দিচ্ছে। পশ্চিম এশিয়া (মধ্যপ্রাচ্য) ও বিশ্বজুড়ে মুসলিম বিশ্বের অংশীদ্বারেরা এখন বাংলাদেশ বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বকে অনেক ক্ষেত্রে তাদের পাশে পেতে আহ্বান জানাচ্ছেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘মধ্যপ্রাচ্যে যদি এমন কোনো চুক্তি হয়, কিংবা মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে যদি কোনো নিরাপত্তা চুক্তি গড়ে ওঠে, তবে সেখানে আমাদের যুক্ত হওয়াটা কোনো অস্বাভাবিক বিষয় নয়। দেখা যাক কী হয়, বিষয়টি ইতিবাচকভাবেই দেখা হচ্ছে।’

গত জুনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তায়েপ এরদোয়ানকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান। সে সময় ঢাকা সফরকারী তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদানের সঙ্গে বৈঠকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী এই আমন্ত্রণ জানান।

Ad 300x250
লেটেস্ট
সর্বাধিক পঠিত

সম্পর্কিত