নেপালে নিহত বেড়ে ৬২৬, নতুন হ্রদে ফের বন্যার শঙ্কা

স্ট্রিম ডেস্ক
স্ট্রিম ডেস্ক

হিমবাহ ধসের পর নেপাল-তিব্বত সীমান্তে সৃষ্ট বিপজ্জনক হ্রদ। স্যাটেলাইট ছবি
হিমবাহ ধসের পর নেপাল-তিব্বত সীমান্তে সৃষ্ট বিপজ্জনক হ্রদ। স্যাটেলাইট ছবি

নেপালে আকস্মিক বন্যায় মৃত বেড়ে ৬২৬ জনে দাঁড়িয়েছে এবং নিখোঁজ রয়েছেন প্রায় ২ হাজার ৫০০ মানুষ। শনিবার (২৯ আগস্ট) সকাল ১০টায় দেশটির জাতীয় দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এ পর্যন্ত ২ হাজার ৩০১ জন আহত হয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

এদিকে বন্যাদুর্গত পাহাড়ি এলাকায় নতুন করে দ্বিতীয় হ্রদ তৈরি হওয়ায় সেখানে আরও বড় ধরনের বন্যার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। প্ল্যানেটারি সায়েন্স ইনস্টিটিউটের জ্যেষ্ঠ বিজ্ঞানী জেফরি কার্গেল সিএনএন-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, পাহাড়ে জমে থাকা এই দ্বিতীয় হ্রদের এরিয়াল বা আকাশ থেকে তোলা ফুটেজ ‘চরম উদ্বেগজনক’।

এর আগে গতকাল শুক্রবার ব্যারিয়ার লেক বা কৃত্রিম হ্রদের পানির উচ্চতা বেড়ে যাওয়ায় উদ্ধারকাজ স্থগিত করা হয়েছিল। হ্রদের তীর ভেঙে পানি উপচে পড়ার আশঙ্কায় চীনা উদ্ধারকর্মীরা সাময়িকভাবে নিরাপদ স্থানে অবস্থান নেন। অন্যদিকে নেপাল সেনাবাহিনীর এক মুখপাত্র জানান, উদ্ধার তৎপরতা প্রায় ৯০ মিনিট বন্ধ রাখা হয়েছিল।

নেপাল-তিব্বতের ছোছেন খোলা এবং পুরেপু সাংপো নদীর মোহনায় সৃষ্ট এই হ্রদে প্রায় ২৫ লাখ ঘনমিটার পানি জমেছিল এবং আরও ৩০ লাখ ঘনমিটার পানি প্রবেশের আশঙ্কা ছিল।

কার্গেল জানান, উঁচুতে আটকে থাকা এই পানির স্তর অস্থিতিশীল। এর আগে শুক্রবার প্রথম ভূমিধসের ফলে সৃষ্ট বাঁধ ভেঙে পানি উপচে পড়েছিল।

তিনি সতর্ক করেন, ‘যদি এই দ্বিতীয় হ্রদের সীমানা বা পাড় ভেঙে যায়, তবে পানি গিয়ে পড়বে নিচে জমে থাকা হ্রদে। দুই হ্রদের পানি একসঙ্গে অত্যন্ত দ্রুতগতিতে উপচে পড়ে নতুন প্লাবন তৈরি করতে পারে।’

পরিস্থিতির ভয়াবহতা তুলে ধরে বিজ্ঞানী জেফরি কার্গেল বলেন, ‘বিপদঘণ্টা বাজছে এবং উদ্ধারকারী দলগুলোকে যেকোনো মুহূর্তে আরও উঁচুতে নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে।’

Ad 300x250
লেটেস্ট
সর্বাধিক পঠিত

সম্পর্কিত