‘মায়ের ডাক’-এর অভিযোগ
ইমরান হোসাইন

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে গুমের মামলাগুলো রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বেছে বেছে তদন্ত করা এবং হাই-প্রোফাইলদের অগ্রগতি হলেও সাধারণ পরিবারের মামলা ফেলে রাখার অভিযোগ উঠেছে। তবে গুমের শিকার পরিবারের সংগঠন ‘মায়ের ডাক’-এর এ অভিযোগ ট্রাইব্যুনালের বর্তমান ও সাবেক চিফ প্রসিকিউটর প্রত্যাখ্যান করেছেন।
গুমের পর যারা আর ফিরে আসেননি, ট্রাইব্যুনালে তাদের অভিযোগ জমা দেওয়ার ১ বছর ৩ মাস পেরিয়ে গেলেও তদন্তে কোনো অগ্রগতি না হওয়ায় হতাশা প্রকাশ করেছেন মায়ের ডাকের সমন্বয়ক সানজিদা ইসলাম তুলি। তদন্ত না করার কারণ হিসেবে কর্মকর্তারা তিনটি মামলা নিয়ে ‘অত্যন্ত ব্যস্ত’ থাকার অজুহাত দিয়েছেন বলে জানান তিনি।
ধানমন্ডিতে ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থায় গিয়ে বারবার শুধু আশ্বাস পাওয়ার কথা জানিয়ে তুলি বলেন, ‘সাবেক চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলামসহ পুরো প্রসিকিউশন টিমের সঙ্গে আমাদের অনেকবার কথা হয়েছে। তখন তারা বলেছিলেন—কাজ চলছে। তবে সম্প্রতি নতুন চিফ প্রসিকিউটর ওই মামলাগুলোর দায়িত্বে থাকা দুজন তদন্ত কর্মকর্তাকে ডাকলে তারা সরাসরি জানান, গুমের এই মামলাগুলো নিয়ে তারা কিছুই করেননি। কাউকে গ্রেপ্তার দেখানো বা জিজ্ঞাসাবাদের মতো কোনো কাজই তারা করেননি।’
সাধারণ ভুক্তভোগীদের এসব মামলা অজানা নয় মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘আমরা ১৪ বছর ধরে বারবার এসব ঘটনা সামনে এনেছি। অনেকেরই এসব কেস মুখস্থ। লাকসামের হিরু ভাইদের কীভাবে তুলে নেওয়া হয়েছে, তা তারেক সাঈদের বক্তব্যেও উঠে এসেছে। হাইপ্রোফাইল বা রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের মামলার অগ্রগতি হলেও সাধারণ পরিবারের গুমের মামলাগুলো এক বছরের বেশি সময় ধরে ফেলে রাখা হয়েছে।’
তদন্তে বৈষম্যের অভিযোগ তুলে এই সমন্বয়ক বলেন, ‘যারা গুমের পর ফিরে এসেছেন, যেমন আরমান বা আজমী, তাদের মামলা হয়েছে এবং সেগুলোতে ২৬ জন কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তারও দেখানো হয়েছে। তাহলে যাদের গুমের পর আর পাওয়া যায়নি, সমান্তরালভাবে তাদের মামলাগুলো কেন ধরা হলো না? তারা আক্ষরিক অর্থেই সেটা দেখিয়েছে যে প্রোফাইল হাই না হলে বিচার পাওয়া যাবে না। আমি নিজে রাস্তায় হাজার হাজার গোয়েন্দা সংস্থার লোকের সামনে বুক পেতে দিয়েছিলাম কি শুধু আরমান ভাইয়ের পরিবারের মামলা হোল্ড করে রাখার জন্য?’
নিজেদের নিরপেক্ষ অবস্থানের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি যখন আন্দোলনে দাঁড়াই, ভিকটিমকে কখনো জামায়াত, বিএনপি বা আওয়ামী লীগ হিসেবে ক্লাসিফাই করি না। আমি চাইলে শুধু নিজের গুম হওয়া ভাই সুমনের মামলা নিয়ে এগোলে অনেক আগেই বিচার চাইতে পারতাম। কিন্তু আমার কাছে সব ভাই সমান, সবার কষ্ট সমান।’
গুম কমিশন ও প্রস্তাবিত গুম বিরোধী অধ্যাদেশ নিয়েও হতাশা প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘গুম কমিশনের রিপোর্টে নিখোঁজ ২৫১ জনকে নিয়ে শুধু একটা লাইন লেখা হয়েছে। অধ্যাদেশে শাস্তির এক রকম বয়ান, আর আইসিটিতে শাস্তির আরেক রকম বয়ান।’
মামলার ভবিষ্যৎ পদক্ষেপ সম্পর্কে তিনি জানান, তদন্ত ও ফিডব্যাক দেওয়ার জন্য ট্রাইব্যুনাল এক মাসের সময় চেয়েছে এবং আগের কর্মকর্তারা চলে যাওয়ায় তৃতীয়বারের মতো প্রমাণাদি উপস্থাপন করতে হচ্ছে। আগামী সপ্তাহে তিনি আবার প্রসিকিউটর ও তদন্ত দলের সঙ্গে কথা বলবেন। ট্রাইব্যুনাল এক মাসের মধ্যে দৃশ্যমান পদক্ষেপ না নিলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানান তিনি।
পিক অ্যান্ড চুজের কোনো সুযোগ নেই উল্লেখ করে ট্রাইব্যুনালের বর্তমান চিফ প্রসিকিউটর জানান, গুমের মামলার তদন্তের কিছু কাজ আগে হয়েছে এবং বাকি কাজ শিগগিরই শেষ করার চেষ্টা চলছে।
৭১টি আনুষ্ঠানিক অভিযোগের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, দীর্ঘ সময় ধরে সংঘটিত এসব ঘটনার গোপনীয় বিষয় বের করে আনা সময়সাপেক্ষ। তবে গত এক বছরে এর উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হওয়া প্রয়োজন ছিল স্বীকার করে আগামী এক মাসের মধ্যে দৃশ্যমান অগ্রগতির আশা করেন তিনি।
মায়ের ডাকের বর্তমান অভিযোগগুলোকে ‘ভিত্তিহীন ও অনুমাননির্ভর’ বলে দাবি করেছেন তৎকালীন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম।হাইপ্রোফাইল মামলার অগ্রাধিকার দেওয়ার অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমরা গুমের যে ২টি ল্যান্ডমার্ক মামলা শুরু করেছি, সেই ৪০ জনের মধ্যে হুমাম কাদের, আজমি বা আরমানসহ অল্প কজনের নাম জনগণ জানেন। এর বাইরে আরও ৩০-৩৫ জন ভিকটিম আছেন যাদের অনেকেই একেবারে প্রান্তিক পরিবারের মানুষ। তাদের ব্যক্তিগত নিরাপত্তার জন্যই কোনো তথ্য আমরা প্রকাশ করি না।
তিনি আরও বলেন, ‘যেসব ভিকটিম জীবিত অবস্থায় ফেরত এসেছেন, তাদের মামলাগুলো সহজে প্রমাণযোগ্য বলে তদন্ত আগে শেষ করা সম্ভব হয়েছে। যেসব ভিকটিম আজও ফিরে আসেনি তাদেরকে গোপনে হত্যা করে হয়তো কোথায় লাশ ফেলে দেয়া হয়েছে। এগুলোর প্রমাণ বের করা সহজ কাজ নয়, এ জন্য সময়ের প্রয়োজন।’
ফাইল ফেলে রাখা ও অদক্ষতার অভিযোগ প্রসঙ্গে তাজুল ইসলাম বলেন, ‘কোনো মামলার ফাইলই ফেলে রাখা হয়নি। তদন্ত সংস্থা সাধ্যমতো চেষ্টা করছে। জিয়াউল আহসানের মতো আসামির বিচার চলছে, যার বিরুদ্ধে শত শত মানুষকে গুম করে হত্যার অভিযোগ রয়েছে।’
১৭ বছর ধরে জমে ওঠা অপরাধের সমাধান এক বছরে করা সম্ভব নয় জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমাদের জায়গা থেকে পেশাদারত্বের সঙ্গে আমরা নির্মোহভাবে, সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করে যাওয়ার চেষ্টা করেছি।’
২০২৫ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারিতে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে গুমের ঘটনায় মায়ের ডাকের পক্ষ থেকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ১০০টি লিখিত অভিযোগ দাখিল করা হয়, যার মধ্যে ৯৫ জন এখনো ফিরে আসেননি। এসব অভিযোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিরাপত্তা উপদেষ্টা তারিক আহমেদ সিদ্দিক, পুলিশের সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদসহ র্যাব, পুলিশ ও গোয়েন্দা পুলিশের সাবেক ৬০ কর্মকর্তাকে আসামি করা হয়।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে গুমের মামলাগুলো রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বেছে বেছে তদন্ত করা এবং হাই-প্রোফাইলদের অগ্রগতি হলেও সাধারণ পরিবারের মামলা ফেলে রাখার অভিযোগ উঠেছে। তবে গুমের শিকার পরিবারের সংগঠন ‘মায়ের ডাক’-এর এ অভিযোগ ট্রাইব্যুনালের বর্তমান ও সাবেক চিফ প্রসিকিউটর প্রত্যাখ্যান করেছেন।
গুমের পর যারা আর ফিরে আসেননি, ট্রাইব্যুনালে তাদের অভিযোগ জমা দেওয়ার ১ বছর ৩ মাস পেরিয়ে গেলেও তদন্তে কোনো অগ্রগতি না হওয়ায় হতাশা প্রকাশ করেছেন মায়ের ডাকের সমন্বয়ক সানজিদা ইসলাম তুলি। তদন্ত না করার কারণ হিসেবে কর্মকর্তারা তিনটি মামলা নিয়ে ‘অত্যন্ত ব্যস্ত’ থাকার অজুহাত দিয়েছেন বলে জানান তিনি।
ধানমন্ডিতে ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থায় গিয়ে বারবার শুধু আশ্বাস পাওয়ার কথা জানিয়ে তুলি বলেন, ‘সাবেক চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলামসহ পুরো প্রসিকিউশন টিমের সঙ্গে আমাদের অনেকবার কথা হয়েছে। তখন তারা বলেছিলেন—কাজ চলছে। তবে সম্প্রতি নতুন চিফ প্রসিকিউটর ওই মামলাগুলোর দায়িত্বে থাকা দুজন তদন্ত কর্মকর্তাকে ডাকলে তারা সরাসরি জানান, গুমের এই মামলাগুলো নিয়ে তারা কিছুই করেননি। কাউকে গ্রেপ্তার দেখানো বা জিজ্ঞাসাবাদের মতো কোনো কাজই তারা করেননি।’
সাধারণ ভুক্তভোগীদের এসব মামলা অজানা নয় মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘আমরা ১৪ বছর ধরে বারবার এসব ঘটনা সামনে এনেছি। অনেকেরই এসব কেস মুখস্থ। লাকসামের হিরু ভাইদের কীভাবে তুলে নেওয়া হয়েছে, তা তারেক সাঈদের বক্তব্যেও উঠে এসেছে। হাইপ্রোফাইল বা রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের মামলার অগ্রগতি হলেও সাধারণ পরিবারের গুমের মামলাগুলো এক বছরের বেশি সময় ধরে ফেলে রাখা হয়েছে।’
তদন্তে বৈষম্যের অভিযোগ তুলে এই সমন্বয়ক বলেন, ‘যারা গুমের পর ফিরে এসেছেন, যেমন আরমান বা আজমী, তাদের মামলা হয়েছে এবং সেগুলোতে ২৬ জন কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তারও দেখানো হয়েছে। তাহলে যাদের গুমের পর আর পাওয়া যায়নি, সমান্তরালভাবে তাদের মামলাগুলো কেন ধরা হলো না? তারা আক্ষরিক অর্থেই সেটা দেখিয়েছে যে প্রোফাইল হাই না হলে বিচার পাওয়া যাবে না। আমি নিজে রাস্তায় হাজার হাজার গোয়েন্দা সংস্থার লোকের সামনে বুক পেতে দিয়েছিলাম কি শুধু আরমান ভাইয়ের পরিবারের মামলা হোল্ড করে রাখার জন্য?’
নিজেদের নিরপেক্ষ অবস্থানের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি যখন আন্দোলনে দাঁড়াই, ভিকটিমকে কখনো জামায়াত, বিএনপি বা আওয়ামী লীগ হিসেবে ক্লাসিফাই করি না। আমি চাইলে শুধু নিজের গুম হওয়া ভাই সুমনের মামলা নিয়ে এগোলে অনেক আগেই বিচার চাইতে পারতাম। কিন্তু আমার কাছে সব ভাই সমান, সবার কষ্ট সমান।’
গুম কমিশন ও প্রস্তাবিত গুম বিরোধী অধ্যাদেশ নিয়েও হতাশা প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘গুম কমিশনের রিপোর্টে নিখোঁজ ২৫১ জনকে নিয়ে শুধু একটা লাইন লেখা হয়েছে। অধ্যাদেশে শাস্তির এক রকম বয়ান, আর আইসিটিতে শাস্তির আরেক রকম বয়ান।’
মামলার ভবিষ্যৎ পদক্ষেপ সম্পর্কে তিনি জানান, তদন্ত ও ফিডব্যাক দেওয়ার জন্য ট্রাইব্যুনাল এক মাসের সময় চেয়েছে এবং আগের কর্মকর্তারা চলে যাওয়ায় তৃতীয়বারের মতো প্রমাণাদি উপস্থাপন করতে হচ্ছে। আগামী সপ্তাহে তিনি আবার প্রসিকিউটর ও তদন্ত দলের সঙ্গে কথা বলবেন। ট্রাইব্যুনাল এক মাসের মধ্যে দৃশ্যমান পদক্ষেপ না নিলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানান তিনি।
পিক অ্যান্ড চুজের কোনো সুযোগ নেই উল্লেখ করে ট্রাইব্যুনালের বর্তমান চিফ প্রসিকিউটর জানান, গুমের মামলার তদন্তের কিছু কাজ আগে হয়েছে এবং বাকি কাজ শিগগিরই শেষ করার চেষ্টা চলছে।
৭১টি আনুষ্ঠানিক অভিযোগের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, দীর্ঘ সময় ধরে সংঘটিত এসব ঘটনার গোপনীয় বিষয় বের করে আনা সময়সাপেক্ষ। তবে গত এক বছরে এর উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হওয়া প্রয়োজন ছিল স্বীকার করে আগামী এক মাসের মধ্যে দৃশ্যমান অগ্রগতির আশা করেন তিনি।
মায়ের ডাকের বর্তমান অভিযোগগুলোকে ‘ভিত্তিহীন ও অনুমাননির্ভর’ বলে দাবি করেছেন তৎকালীন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম।হাইপ্রোফাইল মামলার অগ্রাধিকার দেওয়ার অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমরা গুমের যে ২টি ল্যান্ডমার্ক মামলা শুরু করেছি, সেই ৪০ জনের মধ্যে হুমাম কাদের, আজমি বা আরমানসহ অল্প কজনের নাম জনগণ জানেন। এর বাইরে আরও ৩০-৩৫ জন ভিকটিম আছেন যাদের অনেকেই একেবারে প্রান্তিক পরিবারের মানুষ। তাদের ব্যক্তিগত নিরাপত্তার জন্যই কোনো তথ্য আমরা প্রকাশ করি না।
তিনি আরও বলেন, ‘যেসব ভিকটিম জীবিত অবস্থায় ফেরত এসেছেন, তাদের মামলাগুলো সহজে প্রমাণযোগ্য বলে তদন্ত আগে শেষ করা সম্ভব হয়েছে। যেসব ভিকটিম আজও ফিরে আসেনি তাদেরকে গোপনে হত্যা করে হয়তো কোথায় লাশ ফেলে দেয়া হয়েছে। এগুলোর প্রমাণ বের করা সহজ কাজ নয়, এ জন্য সময়ের প্রয়োজন।’
ফাইল ফেলে রাখা ও অদক্ষতার অভিযোগ প্রসঙ্গে তাজুল ইসলাম বলেন, ‘কোনো মামলার ফাইলই ফেলে রাখা হয়নি। তদন্ত সংস্থা সাধ্যমতো চেষ্টা করছে। জিয়াউল আহসানের মতো আসামির বিচার চলছে, যার বিরুদ্ধে শত শত মানুষকে গুম করে হত্যার অভিযোগ রয়েছে।’
১৭ বছর ধরে জমে ওঠা অপরাধের সমাধান এক বছরে করা সম্ভব নয় জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমাদের জায়গা থেকে পেশাদারত্বের সঙ্গে আমরা নির্মোহভাবে, সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করে যাওয়ার চেষ্টা করেছি।’
২০২৫ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারিতে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে গুমের ঘটনায় মায়ের ডাকের পক্ষ থেকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ১০০টি লিখিত অভিযোগ দাখিল করা হয়, যার মধ্যে ৯৫ জন এখনো ফিরে আসেননি। এসব অভিযোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিরাপত্তা উপদেষ্টা তারিক আহমেদ সিদ্দিক, পুলিশের সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদসহ র্যাব, পুলিশ ও গোয়েন্দা পুলিশের সাবেক ৬০ কর্মকর্তাকে আসামি করা হয়।

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট, তীব্র যানজট ও ভবিষ্যতের প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষাব্যবস্থার বাস্তবতা বিবেচনায় রাজধানীর কিছু নির্বাচিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পরীক্ষামূলকভাবে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সমন্বিত (হাইব্রিড) পদ্ধতি চালুর পরিকল্পনা জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
১৫ মিনিট আগে
ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এস জয়শঙ্করের সঙ্গে বৈঠক করেছেন দিল্লি সফররত বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। বুধবার (৮ এপ্রিল) বিকেলে নয়াদিল্লির হায়দ্রাবাদ হাউসে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
১৯ মিনিট আগে
মানবাধিকার কমিশন নিয়ে কথা বলতে গিয়ে বিসিবিকে ‘বাপের দোয়া কমিশন’ বলে মন্তব্য করা নিয়ে বুধবার সংসদে তর্কে জড়িয়েছেন কুমিল্লা-৪ আসনের সাংসদ হাসনাত আব্দুল্লাহ ও স্বরাষ্টমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ।
৩৫ মিনিট আগে
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর হাসপাতালে হামের উপসর্গ থাকা আরও ৩৮ শিশুকে ভর্তি করা হয়েছে। বুধবার (৮ এপ্রিল) ভোর ৬টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় এসব শিশুদের ভর্তি করা হয়।
১ ঘণ্টা আগে