স্ট্রিম প্রতিবেদক

অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে জারি করা সন্ত্রাসবিরোধী (সংশোধন) অধ্যাদেশ জাতীয় সংসদ পাস হয়েছে। বুধবার (৮ এপ্রিল) পাস হওয়া বিলটিতে অধ্যাদেশের বিষয়বস্তুতে কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি।
এই অধ্যাদেশের মাধ্যমে সন্ত্রাসবিরোধী আইন সংশোধন করে আওয়ামী লীগ ও নেতাদের বিচার শেষ না হওয়া পর্যন্ত দলটির যাবতীয় কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। সেটি এখন সংসদে পাস হওয়ায় গণঅভ্যুত্থানের ক্ষমতা হারানো দলটির কার্যক্রম নিষিদ্ধই থাকছে।
আজ সংসদে বিলটি উত্থাপন করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। পরে কণ্ঠভোটে এটি পাস হয়।
অবশ্য বিলটি দ্রুত পাস করা নিয়ে কিছুটা আপত্তি তুলেন বিরোধী দলীয় নেতা শফিকুর রহমান। তিনি সংসদে বলেন, এ সংক্রান্ত একটি তুলনামূলক শিট তাঁরা ৩-৪ মিনিট আগে হাতে পেয়েছেন। পুরোটা পড়তে পারেননি। এটি একটি স্পর্শকাতর আইন। তাই পাসের জন্য তাঁদের আরেকটু সময় দেওয়া হোক।
এর জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, বিলটি একটি গণহত্যাকারী সন্ত্রাসী সংগঠনের নিষিদ্ধকরণ–সংক্রান্ত সংশোধনী। আগের সন্ত্রাসীবিরোধী আইনটি সংশোধনের জন্য। বিরোধীদলীয় নেতার নিশ্চয় স্মরণ থাকার কথা, তাঁরা এবং এনসিপির বন্ধুরা সবাই মিলে একটি আন্দোলন করেছিলেন। সেই আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে মোটামুটি বাংলাদেশে একটা জনমত সৃষ্টি হয়েছিল। সেই পরিপ্রেক্ষিতে তাদের (আওয়ামী লীগ) কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয়েছে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে। সেই অনুযায়ী নির্বাচন কমিশনে তাদের নিবন্ধনটাও স্থগিত হয়ে আছে।
সন্ত্রাসবিরোধী আইনটি ২০০৯ সালে পাস হয়। তবে ওই আইনে কোনো সত্তার ‘যাবতীয় কার্যক্রম’ নিষিদ্ধে স্পষ্ট বিধান ছিল না। পরে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে ২০২৫ সালের ১১ মে বিষয়টি যুক্ত করে ‘সন্ত্রাস বিরোধী (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’ জারি করা হয়। পরদিনই আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনগুলোর সব কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে গেজেট জারি হয়।
সংশোধনীতে ২০০৯ সালের আইনের ১৮ ধারায় ‘সত্তাকে নিষিদ্ধ ঘোষণা ও তফসিলে তালিকাভুক্ত করিতে পারিবে’ শব্দগুলোর পর ‘বা সত্তার যাবতীয় কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণা করিতে পারিবে’ শব্দগুলো যুক্ত হয়েছে। আর ২০ ধারার সংশোধনে বলা হয়েছে, ধারা ১৮ অনুযায়ী কোনো ব্যক্তি বা সত্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হলে সরকার তাদের অর্থ, সম্পদ বা লেনদেন নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি প্রচার-প্রচারণাও বন্ধ করতে পারবে।
বিলে বলা হয়েছে, উক্ত সত্তা কর্তৃক বা উহার পক্ষে বা সমর্থনে যেকোনো প্রেস বিবৃতির প্রকাশনা বা মুদ্রণ কিংবা গণমাধ্যম, অনলাইন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে যেকোনো ধরনের প্রচারণা, অথবা মিছিল, সভা-সমাবেশ বা সংবাদ সম্মেলন আয়োজন বা জনসমক্ষে বক্তৃতা প্রদান নিষিদ্ধ করবে।

অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে জারি করা সন্ত্রাসবিরোধী (সংশোধন) অধ্যাদেশ জাতীয় সংসদ পাস হয়েছে। বুধবার (৮ এপ্রিল) পাস হওয়া বিলটিতে অধ্যাদেশের বিষয়বস্তুতে কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি।
এই অধ্যাদেশের মাধ্যমে সন্ত্রাসবিরোধী আইন সংশোধন করে আওয়ামী লীগ ও নেতাদের বিচার শেষ না হওয়া পর্যন্ত দলটির যাবতীয় কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। সেটি এখন সংসদে পাস হওয়ায় গণঅভ্যুত্থানের ক্ষমতা হারানো দলটির কার্যক্রম নিষিদ্ধই থাকছে।
আজ সংসদে বিলটি উত্থাপন করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। পরে কণ্ঠভোটে এটি পাস হয়।
অবশ্য বিলটি দ্রুত পাস করা নিয়ে কিছুটা আপত্তি তুলেন বিরোধী দলীয় নেতা শফিকুর রহমান। তিনি সংসদে বলেন, এ সংক্রান্ত একটি তুলনামূলক শিট তাঁরা ৩-৪ মিনিট আগে হাতে পেয়েছেন। পুরোটা পড়তে পারেননি। এটি একটি স্পর্শকাতর আইন। তাই পাসের জন্য তাঁদের আরেকটু সময় দেওয়া হোক।
এর জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, বিলটি একটি গণহত্যাকারী সন্ত্রাসী সংগঠনের নিষিদ্ধকরণ–সংক্রান্ত সংশোধনী। আগের সন্ত্রাসীবিরোধী আইনটি সংশোধনের জন্য। বিরোধীদলীয় নেতার নিশ্চয় স্মরণ থাকার কথা, তাঁরা এবং এনসিপির বন্ধুরা সবাই মিলে একটি আন্দোলন করেছিলেন। সেই আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে মোটামুটি বাংলাদেশে একটা জনমত সৃষ্টি হয়েছিল। সেই পরিপ্রেক্ষিতে তাদের (আওয়ামী লীগ) কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয়েছে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে। সেই অনুযায়ী নির্বাচন কমিশনে তাদের নিবন্ধনটাও স্থগিত হয়ে আছে।
সন্ত্রাসবিরোধী আইনটি ২০০৯ সালে পাস হয়। তবে ওই আইনে কোনো সত্তার ‘যাবতীয় কার্যক্রম’ নিষিদ্ধে স্পষ্ট বিধান ছিল না। পরে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে ২০২৫ সালের ১১ মে বিষয়টি যুক্ত করে ‘সন্ত্রাস বিরোধী (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’ জারি করা হয়। পরদিনই আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনগুলোর সব কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে গেজেট জারি হয়।
সংশোধনীতে ২০০৯ সালের আইনের ১৮ ধারায় ‘সত্তাকে নিষিদ্ধ ঘোষণা ও তফসিলে তালিকাভুক্ত করিতে পারিবে’ শব্দগুলোর পর ‘বা সত্তার যাবতীয় কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণা করিতে পারিবে’ শব্দগুলো যুক্ত হয়েছে। আর ২০ ধারার সংশোধনে বলা হয়েছে, ধারা ১৮ অনুযায়ী কোনো ব্যক্তি বা সত্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হলে সরকার তাদের অর্থ, সম্পদ বা লেনদেন নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি প্রচার-প্রচারণাও বন্ধ করতে পারবে।
বিলে বলা হয়েছে, উক্ত সত্তা কর্তৃক বা উহার পক্ষে বা সমর্থনে যেকোনো প্রেস বিবৃতির প্রকাশনা বা মুদ্রণ কিংবা গণমাধ্যম, অনলাইন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে যেকোনো ধরনের প্রচারণা, অথবা মিছিল, সভা-সমাবেশ বা সংবাদ সম্মেলন আয়োজন বা জনসমক্ষে বক্তৃতা প্রদান নিষিদ্ধ করবে।

মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের সাময়িক যুদ্ধবিরতিকে স্বাগত জানিয়েছে বাংলাদেশ। এই যুদ্ধবিরতিকে আঞ্চলিক উত্তেজনা নিরসনে ইতিবাচক ঘটনা হিসেবে দেখছে বাংলাদেশ। বুধবার (৮ এপ্রিল) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
৪ মিনিট আগে
গাজীপুরে ডাকাত দলের হামলায় আছমা আক্তার (৫৫) নামে এক গৃহবধূ নিহত হয়েছেন। ডাকাতদের বাধা দেওয়ায় মারধরের শিকার হয়েছেন তিনিসহ তাঁর পুত্রবধূ। পরে ঘরে থাকা টাকা ও স্বর্ণালংকার লুটপাট করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার রাতে গাজীপুর সদর উপজেলার পিরুজালী ইউনিয়নের পিরুজালী-মধ্যপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
২৬ মিনিট আগে
রাজধানীর মালিবাগ-মৌচাক ফ্লাইওভারে সন্ধ্যা হলেই নামে ভুতুড়ে অন্ধকার। দীর্ঘদিন ধরেই ফ্লাইওভারটির বেশ কিছু সড়কবাতি অকেজো। ফ্লাইওভারের শুরু ও শেষের দিকের বাতিগুলো ঠিকঠাক জ্বললেও মাঝপথে এমন অন্ধকার থাকায় চলাচলে আতঙ্কিত যাত্রী ও চালকরা।
১ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় গণতান্ত্রিক উত্তরণ টেকসই করতে নাগরিক পরিসর সুরক্ষা ও সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন বক্তারা। তাঁরা বলেন, অন্তর্ভুক্তিমূলক শাসন ও জবাবদিহিমূলক উন্নয়ন নিশ্চিত করতে একটি বিস্তৃত ও সক্রিয় নাগরিক পরিসর অপরিহার্য।
২ ঘণ্টা আগে